..."এর কারণ কী? মানুষ এখন বাংলাদেশের ছবি দেখতে সিনেমা হলে আসে না। আর নায়ক মাত্র একজন। শাকিবের ছবি বছরে আসে কয়টা? তাহলে আমরা সারা বছর সিনেমা হলগুলো বাঁচাব কী করে? যাঁরা বলছেন যে অনেক লোক বেকার হয়ে যাবে, তাঁদের বলব, আপনারা ভালো ছবি বানান। আপনারা ভালো ছবি না বানালে দর্শক সিনেমা হলে যাবে না। তখন এর দায় আমরা নেব কেন?" সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, প্রদর্শক। সূত্র: প্রথম আলো ... কেউ কি একবার খোঁজ করে দেখেছেন যে কলকাতার রুগ্ণ চলচ্চিত্রশিল্প কীভাবে আবার ভালো জায়গায় চলে গেল? যখনই মুম্বাইয়ের ছবির মানের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় গেলেন তাঁরা, মুম্বাইয়ের প্রযোজকেরাও কলকাতায় ছবি বানালেন। ওদের সিনেমা হলগুলোর পরিবেশও ভালো হয়ে গেল। এখন বাংলা ছবি সেখানে মুম্বাইয়ের ছবির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। আমি মনে করি, এ দেশে ভারতীয় ছবি প্রদর্শিত হলে আমাদের ছবির মানও ভালো হবে। এখানে প্রতিযোগিতা হবে এবং তখন অনেক উন্নত মানের বাংলা ছবি উপহার পাব আমরা।...আজকে অনেকেই বলছেন যে আমরা যাঁরা ভারতীয় ছবি প্রদর্শন করব, তাঁদের নাকি বাংলাদেশের ছবি দেওয়া হবে না। ঠিক আছে, মধুমিতা, অভিসার সিনেমা হলকে বাদ দিয়ে যদি তাঁরা ছবি চালাতে চান, চালাবেন। আমি তখন ইংরেজি ছবি চালাব। তারপর একসময় সরকারকে চিঠি দিয়ে সিনেমা হল বন্ধ করে দেব। ইফতেখার উদ্দীন নওশাদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মধুমিতা। সূত্র: প্রথম আলো ...আমরাই এ দেশের চলচ্চিত্রশিল্পকে এত দূর নিয়ে এসেছি। এ দেশে সিনেমা হল-মালিকেরাই ছবি বানিয়েছেন এবং একটার পর একটা ছবি করে এই শিল্পের সবাইকে পরিচিত করে তুলেছেন। যখন আমরা ছবি প্রযোজনা করলাম, তখনই এ দেশের চলচ্চিত্রশিল্প একটি রুগ্ণ শিল্পে রূপ নিল। আমরা সরে গেলাম। কারণ, দেখলাম যে এখানে ছবি বানানোর মতো অবস্থা নেই। আমরা সিনেমা হল-মালিকেরা, যাঁরা সিনেমাকে ভালোবেসে এই সিনেমা হল রেখেছি, তাদের এ জন্য পুরস্কৃত করা উচিত। কেননা, এখন যদি কোনো ডেভেলপারকে আমরা বলি যে আমাদের জায়গাটি নিন, তাহলে এক কোটি থেকে ১৫০ কোটি টাকা পাব। আর একটি সিনেমা চালিয়ে বছরে কত টাকা পাব আমরা?... আজকে বাংলাদেশের ছবির প্রযোজকেরা লোকসান দিচ্ছেন, আর তাঁরা আমাদেরও লোকসান দিয়ে প্রেক্ষাগৃহ চালাতে বলছেন। কিন্তু এভাবে কত দিন? কে এম আর মঞ্জুর, সভাপতি, চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতি সূত্র: প্রথম আলো সিনেমা…
"আজকে বাস্তবতা সবাইকে বুঝতে হবে। এক হাজার ২০০ সিনেমা হল ছিল এ দেশে। সেখান থেকে কমতে কমতে হলের সংখ্যা ৫০০-তে নেমে এসেছে। আগামী এক বছরে আরও ১০০ সিনেমা হল বন্ধ হবে।" [...]
