আমার সমস্যা হচ্ছে, আমি চিন্তা করি।
আমার সমস্যা হচ্ছে [...]
আমার সমস্যা হচ্ছে [...]
আমার সমস্যা হচ্ছে, আমি চিন্তা করি।
"আজকে বাস্তবতা সবাইকে বুঝতে হবে। এক হাজার ২০০ সিনেমা হল ছিল এ দেশে। সেখান থেকে কমতে কমতে হলের সংখ্যা ৫০০-তে নেমে এসেছে। আগামী এক বছরে আরও ১০০ সিনেমা হল বন্ধ হবে।" [...]
..."এর কারণ কী? মানুষ এখন বাংলাদেশের ছবি দেখতে সিনেমা হলে আসে না। আর নায়ক মাত্র একজন। শাকিবের ছবি বছরে আসে কয়টা? তাহলে আমরা সারা বছর সিনেমা হলগুলো বাঁচাব কী করে? যাঁরা বলছেন যে অনেক লোক বেকার হয়ে যাবে, তাঁদের বলব, আপনারা ভালো ছবি বানান। আপনারা ভালো ছবি না বানালে দর্শক সিনেমা হলে যাবে না। তখন এর দায় আমরা নেব কেন?" সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, প্রদর্শক। সূত্র: প্রথম আলো ... কেউ কি একবার খোঁজ করে দেখেছেন যে কলকাতার রুগ্ণ চলচ্চিত্রশিল্প কীভাবে আবার ভালো জায়গায় চলে গেল? যখনই মুম্বাইয়ের ছবির মানের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় গেলেন তাঁরা, মুম্বাইয়ের প্রযোজকেরাও কলকাতায় ছবি বানালেন। ওদের সিনেমা হলগুলোর পরিবেশও ভালো হয়ে গেল। এখন বাংলা ছবি সেখানে মুম্বাইয়ের ছবির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। আমি মনে করি, এ দেশে ভারতীয় ছবি প্রদর্শিত হলে আমাদের ছবির মানও ভালো হবে। এখানে প্রতিযোগিতা হবে এবং তখন অনেক উন্নত মানের বাংলা ছবি উপহার পাব আমরা।...আজকে অনেকেই বলছেন যে আমরা যাঁরা ভারতীয় ছবি প্রদর্শন করব, তাঁদের নাকি বাংলাদেশের ছবি দেওয়া হবে না। ঠিক আছে, মধুমিতা, অভিসার সিনেমা হলকে বাদ দিয়ে যদি তাঁরা ছবি চালাতে চান, চালাবেন। আমি তখন ইংরেজি ছবি চালাব। তারপর একসময় সরকারকে চিঠি দিয়ে সিনেমা হল বন্ধ করে দেব। ইফতেখার উদ্দীন নওশাদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মধুমিতা। সূত্র: প্রথম আলো ...আমরাই এ দেশের চলচ্চিত্রশিল্পকে এত দূর নিয়ে এসেছি। এ দেশে সিনেমা হল-মালিকেরাই ছবি বানিয়েছেন এবং একটার পর একটা ছবি করে এই শিল্পের সবাইকে পরিচিত করে তুলেছেন। যখন আমরা ছবি প্রযোজনা করলাম, তখনই এ দেশের চলচ্চিত্রশিল্প একটি রুগ্ণ শিল্পে রূপ নিল। আমরা সরে গেলাম। কারণ, দেখলাম যে এখানে ছবি বানানোর মতো অবস্থা নেই। আমরা সিনেমা হল-মালিকেরা, যাঁরা সিনেমাকে ভালোবেসে এই সিনেমা হল রেখেছি, তাদের এ জন্য পুরস্কৃত করা উচিত। কেননা, এখন যদি কোনো ডেভেলপারকে আমরা বলি যে আমাদের জায়গাটি নিন, তাহলে এক কোটি থেকে ১৫০ কোটি টাকা পাব। আর একটি সিনেমা চালিয়ে বছরে কত টাকা পাব আমরা?... আজকে বাংলাদেশের ছবির প্রযোজকেরা লোকসান দিচ্ছেন, আর তাঁরা আমাদেরও লোকসান দিয়ে প্রেক্ষাগৃহ চালাতে বলছেন। কিন্তু এভাবে কত দিন? কে এম আর মঞ্জুর, সভাপতি, চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতি সূত্র: প্রথম আলো সিনেমা…
তাদের ভাল করতে না পার তাদের জীবনটা অভিশপ্ত করে দিও না।[..]
টুইট করতে করতে অনেক সময় এমন কিছু গুচ্ছ টুইট হয়ে যায় যেগুলোকে পোস্টের রূপ সহজে দেয়া যায়। সেকাজটাই এখানে করা হল। আগে এরকম প্রচুর টুইট কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। এখন থেকে ভাবছি, এরকম টুইটগুলোকে ‘টুইট থেকে পোস্টে’ সিরিজে সংগ্রহ করে রাখব। এই পোস্টে সংকলিত টুইটগুলো ক্রমান্বয়ে : এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ। মানবতাবিরোধী অপরাধে (হত্যা, ধর্ষণ, শিশুবধ, যখন যাকে ইচ্ছা এভাবে অনেক নারীকে যৌনদাসীতে রূপান্তর) অভ্যস্ত এক প্রাচীন চীনা রাজার হৃদয়বান পিতৃব্য রাজাকে প্রজাদেরকে এভাবে অত্যাচার করার পথ থেকে সরে আসতে অনুরোধ করলেন। বললেন, প্রজাদের ভালবাসতে না পার -- তাদেরকে অমানুষের মত ব্যবহার করো না, তাদের ভাল করতে না পার তাদের জীবনটা অভিশপ্ত করে দিও না। রাজা বললেন, জনশ্রুতি আছে রাজবংশজাত হৃদয়বান ব্যক্তিদের হৃদপিণ্ড সাত প্রকোষ্ট বিশিষ্ট। পিতৃব্য, আজ তোমার অনুমতি নিয়ে তোমার হৃদয় বিদীর্ণ করে রাজ্যে রাজসত্যের প্রমাণ প্রচার করি।
এটাই ছিল সোভিয়েতের হতাশা। এবং এই হুমকির মধ্যে বসবাস করতে গিয়ে সোভিয়েত তার সম্পূর্ণ যোগাযোগ হারিয়েছিল এই তিন কমিউনিস্ট পার্টির সাথে।[...]
টুইট করতে করতে অনেক সময় এমন কিছু গুচ্ছ টুইট হয়ে যায় যেগুলোকে পোস্টের রূপ সহজে দেয়া যায়। সেকাজটাই এখানে করা হল। আগে এরকম প্রচুর টুইট কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। এখন থেকে ভাবছি, এরকম টুইটগুলোকে 'টুইট থেকে পোস্টে' সিরিজে সংগ্রহ করে রাখব। এই পোস্টে সংকলিত টুইটগুলো ক্রমান্বয়ে : এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট, নয়, দশ, এগারো, বারো, তেরো, চৌদ্দ, পনেরো, ষোলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ভারত, না পাকিস্তানও স্বাধীন হয়েছিল -- সেদিন অবিভক্ত ভারতের কমুনিস্ট রাজনীতির ভাগটা কিভাবে হয়েছিল? আমেরিকা তখন ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের পর দৃষ্টি দিয়েছিল ভারতের দিকে, আর তখন ভারত = ভারত + পাকিস্তান, কিন্তু আমেরিকার দৃষ্টি নিক্ষিপ্ত হয়েছিল অবিভক্ত ভারতে কমুনিজমের প্রসার ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের অবদানের উপর ভিত্তি করে, তাদের ভাষাভাই ও সাম্রাজ্যের পুরনো গুরু ব্রিটিশরা এঅঞ্চলের ধর্মে মধ্যযুগীয় উপাদানের মধ্যে বিভক্তির বিন্যাস দেখে এবং মোগল আমলের হিন্দুনিগ্রহের পাল্টা মুসলিমনিগ্রহ আসবে স্বাধীন এক ভারতের হিন্দুগরিষ্ঠতার হাত ধরে -- এমন আশঙ্কাকে উসকে দিয়ে সংখ্যালঘু মুসলমানের হাতে রায়টের রাজনীতি তুলে দিয়েছিল। সেই রায়ট স্বাধীনতা সংগ্রামের রায়তের ঐক্যকে রাতারাতি ফাটল ধরিয়ে দিয়ে বিচ্ছিন্ন বিভক্ত দুটি রাষ্ট্রকে আটপৌরে বাস্তবতার মতো একবারে স্বাভাবিক একটা ঘটনায় রূপ দিয়েছিল। সেই দুটি রাষ্ট্রের একটি ছিল রাষ্ট্র আর আরেকটি ছিল জোড়া ঠেস, পশ্চিমেরটি ঠেস দিয়েছিল ভারত ও পশ্চিম এশিয়ার মধ্যে এবং পূর্বেরটি ঠেস দিয়েছিল ভারত ও পূর্ব এশিয়ার মধ্যে। এই ব্রিটিশরা যেখানে শেষ করল সেখান থেকেই শুরু করতে আসল তারই ভাষাভাই আমেরিকা। তার মাথার পেছনে কমুনিজমের ভয়, সেই ভয় তাড়াতে সে সামনে নিয়ে এল ব্রিটিশ প্রশাসনের রেকর্ড থেকে ইসলামবাদী উগ্রতা, তাকে যুগোপযোগী করে দিল জঙ্গি রাজনৈতিক রূপ। ভারত পাকিস্তান চলে গেল সোভিয়েত আমেরিকার দ্বন্দ্বের বলয়ে। তখন সেই ১৯৫৪ সালে ভারত পাকিস্তানে কি দুটি কমিউনিস্ট পার্টি ছিল? নাকি ছিল তিনটি : ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি, পশ্চিম আর পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পর্টি। এই ত্রিশঙ্কু কমিউনিস্ট অস্তিত্বই ছিল আমেরিকার সুযোগ। আর এটাই ছিল সোভিয়েতের হতাশা। এবং এই হুমকির মধ্যে বসবাস করতে গিয়ে সোভিয়েত তার সম্পূর্ণ যোগাযোগ হারিয়েছিল এই তিন কমিউনিস্ট পার্টির সাথে। এই করতে করতে ১৯৭১ এলো, সোভিয়েতের হুমকি সুযোগ হতাশা একযোগে জ্বলে উঠল, বাংলাদেশ স্বাধীন হল।…
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে আল-জাজিরায় গোলাম আযমের গ্রেফতার এবং বিচার নিয়ে প্রচারিত এক বিতর্কিত সংবাদ প্রতিবেদনকে ঘিরে দেশী বিদেশী সংবাদ মাধ্যমগুলোতে এবং মূলত সাংবাদিকদের মধ্যে পরবর্তী সময়ে নতুন কিছু বিতর্কেরও সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের নাগরিক সমাজের দুটি অংশের পক্ষ থেকে এই প্রতিবেদন সম্পর্কে সম্পূর্ণ বিপরীত প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। বহুল-আলোচিত এই প্রতিবেদনটির বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের মাটিতে আন্তর্জাতিক অপরাধগুলোর বিচারের বিষয়ে আল-জাজিরা ঘরানার সাংবাদিকতাকে আরেকটু ভালভাবে বোঝার চেষ্টা করা হয়েছে এই লেখায়। [...]
[এই লেখাটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়েছে 'সাপ্তাহিক ২০০০' পত্রিকার স্বাধীনতা দিবস (২০১২) সংখ্যায়] আজ থেকে দু'বছর আগে ২০১০ সালের স্বাধীনতা দিবসকে সাক্ষী রেখে শুরু হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে ১৯৭১-এ সংঘটিত অপরাধ সমূহের তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার যাত্রা। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়েছে, বিচারকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে, প্রসিকিউশন টিম গঠন করা হয়েছে, তদন্ত সংস্থা গঠন করা হয়েছে। গত দু'বছরের মধ্যে গোলাম আযমসহ আট জন আসামীর প্রত্যেকের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট এবং আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্রও জমা দেয়া হয়ে গেছে; আসামী দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত চার্জ গঠন করে মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণও শুরু হয়ে গেছে। এই বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতির সাথে সাথে একদিকে যেমন অবসান ঘটছে ১৯৭১-এ সংঘটিত অপরাধগুলোকে ঘিরে প্রায় দীর্ঘ চার দশক বিস্তৃত বিচারহীনতার এক অন্ধকার অধ্যায়ের, তেমনি বিচার প্রক্রিয়াকে প্রতি পদে বাধাগ্রস্ত করার, বিতর্কিত করার, প্রশ্নবিদ্ধ করার তৎপরতাগুলোও চলছে সমান জোরের সাথে। বিতর্কের এই নতুন ফ্রন্টগুলোতে ব্যবহার করা হচ্ছে মিডিয়া, উইকিপিডিয়ার মতো উম্মুক্ত বিশ্বকোষ, এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে জাতিসংঘের অঙ্গ প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং ফোরামগুলোকেও। লক্ষণীয় হল, এই সব প্রচারণার ক্ষেত্রে কি দেশী কি বিদেশী মিডিয়া, কেউই কিন্তু কারও থেকে পিছিয়ে নেই। যেমন, গোলাম আযমের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দায়ের হয় ১২ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে। অথচ, তার দু’দিনের মাথায়, ১৪ ডিসেম্বর, দেশের সমস্ত টিভি মিডিয়ার উপস্থিতিতে গোলাম আযম সংবাদ সম্মেলন করেন এবং তা দেশের প্রধান টিভি চ্যানেলগুলোতে ফলাও করে সময় দিয়ে প্রচারও করা হয়। আসামী গোলাম আযমের মতো একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বক্তব্যের ব্যাপারে মিডিয়ার আগ্রহ থাকতেই পারে। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত একজন আসামী এভাবে মিডিয়ার সামনে সাক্ষাৎকার দিতে পারেন কি না, কিংবা সংবাদমাধ্যমগুলোরও সে বিষয়ে কোন দায় দায়িত্ব আছে কি না -- সেই সব বিষয়ও ভেবে দেখার অবকাশ রয়েছে। এবার আসুন চোখ ফেরাই বিদেশী সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার দিকে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিশ্বখ্যাত এই টিভি চ্যানেলে গোলাম আযমের গ্রেফতার এবং বিচার নিয়ে প্রচারিত হয় বিতর্কিত এক সংবাদ প্রতিবেদন। ২ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড দীর্ঘ এই প্রতিবেদনকে ঘিরে আবার দেশী বিদেশী সংবাদ মাধ্যমগুলোতে এবং মূলত সাংবাদিকদের মধ্যে পরবর্তী সময়ে নতুন কিছু বিতর্কেরও সৃষ্টি হতে আমরা দেখেছি। আমাদের নাগরিক সমাজের একাংশ মিডিয়াতে আল-জাজিরার প্রতিবেদনটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত,…