বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার চালানোর পর শেষ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীকে গতকাল বাংলাদেশেই ফিরে আসতে হয়েছে। অনেক আগে থেকেই যেমনটি আমাদের অনেকে ধারণা করছিলেন, ঘটনা ঠিক সেরকমই ঘটেছে- দু’জন যুদ্ধাপরাধীর (যারা একই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীরও গুরুত্বপূর্ণ নেতা) পক্ষ থেকে গতকাল ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। যুদ্ধাপরাধী এ দু’জন হলো যথাক্রমে জামায়াতে ইসলামীর কামারুজ্জামান এবং আবদুল কাদের মোল্লা।[...]

বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার চালানোর পর শেষ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীকে গতকাল বাংলাদেশেই ফিরে আসতে হয়েছে। অনেক আগে থেকেই যেমনটি আমাদের অনেকে ধারণা করছিলেন, ঘটনা ঠিক সেরকমই ঘটেছে- দু’জন যুদ্ধাপরাধীর (যারা একই সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীরও গুরুত্বপূর্ণ নেতা) পক্ষ থেকে গতকাল ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। যুদ্ধাপরাধী এ দু’জন হলো যথাক্রমে জামায়াতে ইসলামীর কামারুজ্জামান এবং আবদুল কাদের মোল্লা। তাদের হয়ে আজ ১৭ আগস্ট হাইকোর্টে রিট আবেদনটি পরিচালনা করবেন বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক। একই সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর অঘোষিত মুখপত্র ‘আমার দেশ’-এ আজ প্রকাশিত এক সংবাদ থেকে দেখা যাচ্ছে যে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এক চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, যুদ্ধাপরাধী বিচারকে গ্রহণযোগ্য করতে হলে ১৯৭৩-এর ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনাল) অ্যাক্টকে পরিবর্তন করতে হবে। এই ১৯৭৩-এর অ্যাক্টকে নিয়ে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি বছরখানেক সময় ধরে এমনভাবে প্রচার চালিয়েছে যে, কারো কারো কাছে মনে হতে পারে, এ অ্যাক্ট বোধহয় ধরে-বেধে মানুষকে প্রহসনের বিচার করার আইন। পাশাপাশি, বাংলাদেশে বিশেষ বিশেষ ধারা অনুযায়ী অপরাধের শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধান থাকার বিষয়টিকেও এ সময়ে ব্যাপক নেতিবাচকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। চূড়ান্ত শাস্তি হিসেবে অনেকেরই মৃত্যুদণ্ডের বিধানটি নিয়ে আপত্তি রয়েছে, কিন্তু বিষয়টিকে রদ করার জোর প্রচারণা এমন এক সময় চালানো হচ্ছে, যখন আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রত্যাশা করছি; চূড়ান্ত শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের বিধানটির বিরুদ্ধে প্রচারণার আড়ালে আসলে চেষ্টা চলছে ১৯৭৩-এর এই অ্যাক্টটি সম্পর্কেই জনমনে ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়ে দেয়ার। যাই হোক, আমার মনে হয় না যে আমাদের সবাই হিউম্যান রাইটস ওয়াচের চিঠি পড়ে কিংবা যুদ্ধাপরাধী দু’জনের রিট আবেদন দেখে আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদের মতো আবেগপ্রবণ হয়ে উঠবেন, বলবেন যে, ৩৯ বছর আগে কোথায় ছিল আপনাদের মানবাধিকার? আমি যে-টুকু বুঝি এবং আমার বিশ্বাস, বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধী বিচারের সপক্ষে যারা আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছেন, যে-সব ভুক্তভোগীরা ন্যায় বিচারের জন্যে অপেক্ষা করছেন তারাও এটা বোঝেন যে, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনের এসব দিকগুলির চুলচেরা বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে পেশাদারি বিশ্লেষণ ও যুক্তিবিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে। পল্টনের ময়দানে, জনসভার মঞ্চে কিংবা পথসভায় দাঁড়িয়ে সেটি করা…

করাচির কিছু তরুণ মিলে স্বেচ্ছাসেবী ত্রাণকর্ম চালাচ্ছে বন্যাদুর্গত এলাকায়। এখানে ইমেইল ও টাকা পাঠানোর একাউন্টের পূর্ণ বিবরণ আছে।[...]

করাচির কিছু তরুণ মিলে স্বেচ্ছাসেবী ত্রাণকর্ম চালাচ্ছে বন্যাদুর্গত এলাকায়। এখানে ইমেইল ও টাকা পাঠানোর একাউন্টের পূর্ণ বিবরণ আছে। সাধ্যমত সাহায্য করুন। তাদের একটা অনুরোধ আছে, জাকাতের টাকা দিলে একটু উল্লেখ করে দেবেন -- কারণ সেটাকা শরিয়া অনুযায়ী খরচ করতে হবে, অনুদানের টাকা হলে আলাদা করে জানানোর প্রয়োজন নেই। Dear Masud Sahib Assalam-o-Alaykum At the outset, my apologies for replying late to you. Actually, I just got confirmation regarding bank account details from my friend working in field at flood affected areas. Pls note that you may send your remittances at the following bank account; Acct Title: Tahir Farooqui Acct #: 0111-03600000723 Savings Account Meezan Bank Ltd. Saba Palace, Shahrah-e-Faisal, Karachi. Pakistan Swift Code: Meznpkka Also I would request you to kindly advice whether you would be remitting Zakat or not ? This is vital for us since zakat funds are handled by us only as per sharia rules. I would thank you for coming forward and helping the mankind at this crucial hour and would request you to kindly spread this message and appeal among your circle so that more funds may be generated. A separate email is being sent to you containing brief summary of what has been done as yet. This would also carry some snaps which we took during our journey at the affected areas. Pls advice me when you've sent the remittance for proper reconciliation purposes. Jazakallah ! Regards Adnan Mufti adnan.mufti@shekhamufti.com Bismillah.. Dear Brothers, Sisters and Respected Elders, Assalamu Alaikum> I hope this finds you in the best of Eman and health in the month of Ramadan. By the Grace of Allah Swt, We (Tahir Farooqui, Ali Raza and Danish Qaiyoum) have returned from Charsadda villages after successfully completing the first round of relief efforts in the flood hit areas. We got to witness pain, anguish, disaster, hunger, misery, violence and above all Allah’s anger in the form of rivers flowing way out of control.…

এই দিবস হতে পারে এই উপমহাদেশের ইতিহাসকে তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়ার ও এই ত্রিদেশীয় সম্পর্কের নেতিবাচকতা উপশম করে এক উষ্ণ সম্পর্কের দিকে যাত্রার প্রচেষ্টায় সতত পদক্ষেপ।[...]

১৪ ও ১৫ আগস্ট পাকিস্তান ও ইন্ডিয়া তাদের ‘স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে পালন করে। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট রাতে (কারণ তখন রোজার মাস ছিল, তাই মধ্যাহ্নভোজের পরিবর্তে নৈশভোজের মাধ্যমে পাকিস্তানের জন্ম হয়েছিল) ও মধ্যরাতে (১৫ আগস্ট জ্যোতিষের গণনায় ছিল ‘অশুভ দিন’ তাই ১৪ আগস্টের মধ্যরাতে শুভ সময় শেষ হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে ইন্ডিয়ার জন্ম হয়েছিল) সত্যিকার অর্থে যা ঘটেছিল তাকে স্বাধীনতা বললে ভুল হবে – সেদিন ব্রিটিশ সরকার তার ইন্ডিয়ান উপনিবেশকে দুইটি ‘ডমিনিয়ন’ ঘোষণা করে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিল। এবং এই দুই ‘ডমিনিয়ন’ পাকিস্তান ও ইন্ডিয়া যখন নিজ নিজ সংবিধান রচনা সম্পন্ন করবে তখনই তারা সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষিত হবে, তার আগ পর্যন্ত তাদের পরিচয় হবে : Dominion of India and Dominion of Pakistan in the Commonwealth of Nations। সংবিধান রচনা সম্পন্ন করে ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ইন্ডিয়া সার্বভৌম রাষ্ট্র হয়ে ওঠে। আর সংবিধান রচনা সম্পন্ন করে পাকিস্তান ১৯৫৬ সালে সার্বভৌম হয়। কাজেই সাদাকথায় ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট (ও ১৫ আগস্ট) কী হয়েছিল, জানতে চাইলে আমার সবসময়ের উত্তর : দেশভাগ। আজ ইন্ডিয়া, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ যাই ভাবুক, ইতিহাসের বিচারে এটা আমাদের স্বীকার করতেই হবে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ সবচেয়ে বড় ক্ষতি করেছিল এই ভূখণ্ডের সেই অঞ্চলগুলোর যেই অঞ্চলগুলো বিভেদরেখার প্রান্তীয় ভৌগলিকতার কারণে জাতিগত ভাবে দ্বিখণ্ডিত ও বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। বাংলা, কাশ্মীর, পাঞ্জাব, সিন্ধু… উত্তর ও পূর্বের এই দুর্ভাগা অঞ্চলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে পাকিস্তানের সাথে এক অসমযুদ্ধে (সেই অসমসাহসী যুদ্ধে বাংলাদেশ জয়লাভ করে প্রতিষ্ঠা করেছে স্বাধীন বাংলাদেশ, যদি জয়লাভ করতে না পারত তাহলে বাংলাদেশের ভাগ্যে কী ভয়ংকর নারকীয় রাষ্ট্রীয় নির্যাতন নেমে আসত তা বোঝার ক্ষমতা আজ আমাদের দেশের অনেকেরই নেই) হারাতে হয়েছে লক্ষ লক্ষ প্রাণ, পশ্চিমবাংলাকে আত্মস্থ করতে হয়েছে সুবিশাল শরণার্থীর দানবিক চাপ। আজো কাশ্মীর যে ভয়ংকর অমর্যাদার ও অনিশ্চয়তার আগুনে পুড়ছে তাও তো এই দেশভাগেরই কারণে। পাঞ্জাব ও সিন্ধু ইন্ডিয়া ও পাকিস্তানে দুঅংশেই গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রতীক হলেও ওই অঞ্চলের সামাজিক জীবনের অন্তরআত্মায় আজো দেশভাগের রক্তক্ষরণ চলছে। আর বিচ্ছিন্ন মেঘালয়, আসাম, অরুণাচল, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরা তো দেশভাগের পর থেকেই চির অসুখী জীবনযাপন করছে। ইন্ডিয়া, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তার নিজ নিজ স্বাধীনতা দিবস পালন করুক।…

সেদিন সিরিঞ্জ সিরিঞ্জ রক্ত ঢেলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের দেয়ালগুলো রাঙিয়ে দিয়েছিলো সাধারন শিক্ষার্থীরা। বেতন ফি বৃদ্ধির যে অযৌক্তিক ও অমানবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো চবি প্রশাসন, তার বিপক্ষে দাড়ানোই ছিলো তাদের অপরাধ। সেই অপরাধের কারনে চবি উপাচার্য অনুগত মিডিয়া মারফত তাদেরকে ‘উচ্ছৃঙ্খল’ জাতীয় বমিজাগানো বিশেষনের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। কিন্তু যখন মিছিলে মিছিলে প্রকম্পিত শহর টানা ছয় ঘন্টা অবরুদ্ধ হয়ে থাকে, সড়ক চলাচল বন্ধ করে দেয় লড়াকু শিক্ষার্থীরা কিন্তু একটি গাছের পাতাও ছেড়ার ঘটনা ঘটে না বা টানা তিন চার দিন ক্যাম্পাসের এখানে সেখানে চিৎকার করে, রোদে পুড়ে, গলা ফাটিয়ে সহজ গণতান্ত্রিক পথে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করে প্রশাসনের; তখন চবি উপাচার্যের সমস্ত অভিযোগ-ই সম্ভবত বৈধতা হারিয়ে ফেলে। পরের দিন প্রশাসন প্রশাসনিক ভবনের দেয়াগুলোতে চুন মাখিয়ে দেয়। রক্তের রঙ আর ন্যায্য দাবির আকুতি ঢেকে যায় প্রশাসনের চুন মাখানো মুখে। বিশ্ববিদ্যালয় একটি রাষ্ট্রের মেরুদণ্ড হয়ে উঠবে, জ্ঞান আর তরুণ সম্ভাবনাকে উসকে দেবে, এটা খুব-ই কাম্য। কিন্তু অদ্ভূত উটের পিঠে চড়ে বসা এ দেশে এগুলো কেবলই পুস্তকই বুলি। বরং এ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের চিত্র খুবই চমকপ্রদ ! মহান বিশেষণ পিঠে করে গজিয়ে ওঠা তথাকথিত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ এখন ক্যাডার আর ছাগল উৎপাদনের কেন্দ্র। সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের ছুড়িকা আর পেশী প্রদর্শনের চমৎকার উদ্যান। এই ছিলো এই পর্যন্ত বাস্তবতা। কিন্তু চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশি প্রশাসনের অমানবিক নির্যাতন আর ক্যাডারবাজি, লাঠি দিয়ে শিক্ষার্থী শায়েস্তা করার পদ্ধতি, ছাত্রীদের উপর হামলে পড়ার দৃশ্য বাস্তবতা, ওড়না ধরে টান মারা অথবা পুলিশি লাঠি দিয়ে পুরুষতান্ত্রিক আধিপত্য দাখিলের যে কায়দা তাতে সম্ভবত প্রশাসনকেও তার ক্যাডারবাজির জন্য একটা উপযুক্ত বিশেষনে বিশেষিত করা দরকার। আমার ক্যাম্পাসে যখন পুলিশ লাঠি উচিয়ে ঘুরে বেড়ায় আমাকে পেটাবে বলে, যখন আমার ক্যাম্পাসে আমার সহপাঠীনির উপর পুরুষ পুলিশের লাঠি আর লোলুপতা কালো দাগ হয়ে লেপটে থাকে পত্রিকার পাতায়, যখন আমার-ই বিপক্ষে প্রশাসন পুলিশ লেলিয়ে দেয়, নির্লজ্জের মতো গণগ্রেফতার করা হয়, বাছ-বিচার ছাড়া যাকে পাওয়া যায়, তাকে ধরে গাড়িতে তোলা হয় প্রশাসনের নিদের্শে আর যাচাই বাচাই-এর নামে রাতভর অমানবিক নির্যাতন করা হয় পুলিশ লাইনে নিয়ে গিয়ে, তখন কোথায় থাকে বিশ্ববিদ্যালয় কনসেপ্ট থেকে জন্ম হওয়া মধুর বুলিসমূহের ! আমাদের অভিভাবক মাননীয় উপাচার্য যখন পুলিশ…

আগে কখনো দেখিনি, জিইসির মোড়ে – এবার কে করল এই আয়োজন? জামান হোটেল ও বোনানজা রেস্টুরেন্ট এই দুই বিল্ডিংয়ের সামনে সামিয়ানা টাঙিয়ে ফুটপাতের দখল নিয়ে তারাবি পড়া চলছে রমজানের চাঁদ দেখা রাত থেকে।[...]

আগে কখনো দেখিনি, জিইসির মোড়ে – এবার কে করল এই আয়োজন? জামান হোটেল ও বোনানজা রেস্টুরেন্ট এই দুই বিল্ডিংয়ের সামনে সামিয়ানা টাঙিয়ে ফুটপাতের দখল নিয়ে তারাবি পড়া চলছে রমজানের চাঁদ দেখা রাত থেকে। সেতারাবি ফুটপাত ছেড়ে চট্টগ্রামের ব্যস্ততম সিডিএ হাইওয়ের অর্ধেকের দখল নিয়েছে। এটা মুসলমানদের কোনো মানসিক রোগই হবে, নাগরিক জীবনে নামাজরোজাকোরবানির মধ্য দিয়ে নানা উৎপাত সৃষ্টি করে মুসলমানরা এক ধরণের আনন্দ পায়। কী নাম দেয়া যায় এই মানসিক রোগের ‘গণনৈরাজ্যউপাসন’ ‘collective-anarchy-prayer’? মনোবিজ্ঞানী নই, তবে মনোবিজ্ঞানীদের মুসলমানদের এই ধরণের প্রার্থনার অসভ্য আয়োজন নিয়ে ভাবা উচিত, এবং আর দেরি না করেই এর প্রতিষেধক আবিষ্কারের গবেষণায় আত্মনিয়োগ করা উচিত। খোলা জায়গায় নামাজ পড়তে, ওয়াজ করতে, কোরবানি করতে, পূজা করতে, ধর্মসভা করতে পুলিশের অনুমতির প্রয়োজন আছে। এই ব্যস্ত জনপথের ফুটপাত দখল করে তারাবি পড়ার জন্য কোনো অনুমতি কি নেয়া হয়েছে? যদি অনুমতি না নেয়া হয় তবে এই আয়োজন অবৈধ। আর যদি অনুমতি নেয়া হয়, তাহলে এই অনুমতি কোন উর্বরমস্তিষ্ক অফিসারের মাথা থেকে ঘামের মতো ঝরে পড়েছে? সাঈদীর ওয়াজ যদি আমরা পুলিশি আদেশ দিয়ে বন্ধ করতে পারি, জনস্বার্থে রাজনৈতিক সভার অনুমতি যদি কারণে অকারণে আমরা আটকে দিতে পারি, তাহলে ফুটপাতে তারাবি পড়া বন্ধ করা যাবে না কেন? ফুটপাত ও জনপথ তারাবি পড়ার জন্য তৈরি হয়নি – আর যেএলাকায় এভাবে তারাবি পড়া হচ্ছে তার চারিদিকে ৮/১০টি মসজিদ তো রয়েছেই, আবার ৫/১০ মিনিটের হাঁটা দূরত্বে রয়েছে বহুতল জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ এবং এই মসজিদের সামনে সুবিশাল খোলা মাঠ। তারপরও জিইসির এই ব্যস্ত ফুটপাত দখল করে কেন তারাবির নামাজ পড়তে হবে? হাস্যকর মুসলমান! পান্ডা প্রশাসন! ধিক! ধিক! শতধিক!

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.