মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিন্ক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে। ধন্যবাদ।

মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিন্ক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে। ধন্যবাদ।

তা বেড়েই চলেছে, কোনো ক্ষান্তি নেই, ওই মহাস্থবিরতার আগ পর্যন্ত বয়সের এই নিয়তি।[...]

তা বেড়েই চলেছে, কোনো ক্ষান্তি নেই, ওই মহাস্থবিরতার আগ পর্যন্ত বয়সের এই নিয়তি। প্রথমে বেড়ে উঠছিল মাবাবার আনন্দে, বয়স আমাদের হাতে আসে পরে, হাতে আসার আগে চলে বয়ঃসন্ধির অস্বস্তি, তারপর হাতে আসে – যৌবনের বয়স বাড়ে আমাদেরই হাতে, যখন ৩৫ হয়ে গেল – তারপর থেকেই বয়স আবার হাতছাড়া হয়, ভাটার টানে বেড়ে চলছে আমার বয়স এখন। এই বয়সের টানে আমার ক্ষয় – খুব সচেতনভাবে সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছি। রূপের শেষ নেই জানি, রূপের ভেতর রেখে দিয়েছি নিজের নায়কোচিত জীবন, সেখানে বিতৃষ্ণা বিবমিষা অমঙ্গলবোধ অবক্ষয় সব নিয়ে বয়সের বাড়বাড়ন্তকে মোকাবেলা করব বলে ভাবছি। চল্লিশের পদচারণা এমনভাবে প্ররোচিত করছে এখনই বয়সকে দূর থেকে দেখতে শুরু করেছি। যে আমার হাতছাড়া তাকে আর ধরতে চাই না, এখন থেকে বয়স চলুক ওর ভাটার টানে, বিস্তীর্ণ বেলাভূমি নগ্ন হয়ে পড়ে থাকুক সবার চোখের সামনে, আর আমি দিগন্তের তন্ময়তার দিকে নিজের অবিকল্প বিস্ময় নিয়ে বেঁচে থাকব। শৌর্য দুঃসাহস নয়। শরীরটা ততটুকুই রাখে যতটুকু বাঁধনে অটুট থাকে। বিকৃতির ভয়ে বয়সের ভারে সব জড়িয়ে যাচ্ছে দেখেও শৌর্যই পারে আমার জন্মের বিলয় রুখে দিতে। আঁতকে ওঠার কোনো সুযোগ নেই, বয়স ভয়ঙ্কর হতে পারে, বয়সের টানে সব হারিয়ে যেতে পারে, কুঁচকে শ্বাসকষ্টে হৃদয় ও মস্তিষ্কের প্রতিবন্ধকতায় সবকিছুতে মরচের ছোপ লেগে যেতে পারে, কিন্তু শৌর্যই, বয়স যতই বেড়ে চলুক, আমার জন্য নির্ভরতার নির্বাণ। যৌবন চলে যায়। আমরাও তাকে সারা জীবন চাই না। বয়স আমাদের চেয়ে প্রাজ্ঞ। মানসিক দৃঢ়তায় বৃদ্ধ জর্জর জীবনের মোকাবেলা করতে বয়সের কাঁধে চেপে চলতে চলতে শেষদিন পর্যন্ত পৌঁছে যেতে হয়, প্রতিটি বছরের শেষে বলতে হয়, পাকা চুল নেই – পাকা চুল নেই।

সকালে ঘুম থেকে উঠে বারান্দায় চেয়ার টেনে বসবো, আয়েশ করে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে ভোরের তরতাজা দৈনিকের পাতায় চোখ বুলাবো এই সামান্য শখটা দিবাস্বপ্নই থেকে গেল [..]

সকালে ঘুম থেকে উঠে বারান্দায় চেয়ার টেনে বসবো, আয়েশ করে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে ভোরের তরতাজা দৈনিকের পাতায় চোখ বুলাবো এই সামান্য শখটা দিবাস্বপ্নই থেকে গেল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় সকাল সোয়া সাতটার ট্রেন ধরার দৌড়, আর এখন সাড়ে সাতটার চাকরীর দৌড়ে ভোরের পত্রিকা পড়ার সাধটা শিকেয় তোলাই থেকেছে। শুক্রবারে আনন্দটা পাওয়া হতো কখনো সখনো। ছুটির একটা দিন। কিন্তু যে শুক্রবারগুলো পত্রিকার পাতার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ার আনন্দ দিত, সেই শুক্রবারগুলোও যেন হারিয়ে যাচ্ছে। পত্রিকা পড়ার সেই তীব্র সাধটা আলগা হতে হতে কখন যেন মরে গেছে। আজকাল পত্রিকা হাতে নিয়ে শিরোনামটা দেখেই রেখে দেই। পত্রিকার প্রতি আগ্রহ হারানোর কারণ ভাবতে গিয়ে লেখাটা শুরু করলাম। সমস্যাটা কি পত্রিকার না পাঠকের? একসময় পত্রিকার চরিত্র বিশ্লেষণ করা হতো কেবলমাত্র রাজনৈতিক মেরু দিয়ে। ডান, বাম কিংবা সুবিধাবাদী মধ্যম ইত্যাদি। ডান বা জামাতী লোক পড়বে সংগ্রাম/ইনকিলাব, বামধারার লোক সংবাদ, মোটামুটি মধ্যমধারা পড়বে ইত্তেফাক, আবার কট্টর আওয়ামী লীগ হলে বাংলার বাণী ধরনের পত্রিকা। সংবাদপত্রের আসল বিপ্লব শুরু হয় এরশাদ পতনের পর। আজকের কাগজ নামে নতুন চেহারার একটা পত্রিকা আসে বাজারে এবং সম্পূর্ণ নতুন ধারার প্রচলন করে পত্রিকায়। প্রচলিত ফরমেটের পত্রিকা বদলে গিয়ে সৃষ্টি হয় কলামিষ্ট ধারার। মাঝখানের বিশাল দুটি পাতা বরাদ্দ কয়েক রকমের কলামিষ্টের জন্য। নিউজের চেয়ে ভিউজ প্রাধান্য পেতে থাকে পত্রিকায়। মানুষ নতুন আগ্রহ নিয়ে পত্রিকা পড়তে শুরু করে। কিন্তু মুগ্ধতা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই হঠাৎ একদিন মালিক সাংবাদিক বিরোধে আজকের কাগজ ভেঙ্গে গেল। পত্রিকা থেকে মূলধারার অংশটি বেরিয়ে ভোরের কাগজের জন্ম দিল। পাঠক কিছুদিন হতবাক হলেও অল্প সময়ে ভোরের কাগজও দারুণ জনপ্রিয়তা পায়। আমরা জানতে পারি ব্যবসায়ী কাম রাজনীতিবিদ সাবের হোসেন চৌধুরী এই পত্রিকার মালিক। এই প্রথম সংবাদপত্র একটা কর্পোরেট শক্তির ছোঁয়ায় আসে। সেই সময় আরেক কর্পোরেট পত্রিকা জনকন্ঠও ব্যাপক জনপ্রিয় পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। আজকের কাগজের ভাঙ্গনের মহামারী কিছুকাল পর ভোরের কাগজেও ফাটল ধরায়। এবারো মালিক সাংবাদিক দ্বন্দ্ব। কর্পোরেট ছোঁয়া থেকে দূরে থাকার জন্য বিদ্রোহী সাংবাদিকগন নতুন একটা স্বাধীন নিরপেক্ষ পত্রিকা গড়ার ঘোষনা দেয়। আসে প্রথম আলো। ভোরের কাগজের সাদাকালোর গাম্ভীর্য ছাড়িয়ে সম্পূর্ন রঙিন প্রথম আলো। শোনা গেল এবার দেখা যাবে সত্যিকারের নিরপেক্ষ…

মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিন্ক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে। ধন্যবাদ।

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.