সাপ্তাহিক দুটি ছুটির দিন (শুক্র ও শনি)-এর প্রথমটিতে আমি সাধারণত বাইরে কোনোরকম কাজ না রেখে বউ ছেলের সঙ্গে কাটাই। মাঝে মাঝে যে এ নিয়মে ব্যত্যয় ঘটে না তা নয়। যেমন গত সপ্তাহে বউ-ছেলেকে বিশেষ জরুরি কাজের অজুহাত দেখিয়ে বন্ধুদর্শনে উত্তরা চলে যাই এবং বিকেলটা খুবই আনন্দে কাটাই। এই আনন্দের হাত-পা-চোখ-মুখ খুলে দেখানো এ পোস্টের উদ্দেশ্য নয়। উদ্দেশ্য যাত্রাপথের একটি দারুণ অভিজ্ঞতা বিনিময়। (more…)
অবশেষে নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হলো। ১৮ ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচন। ২৪ ও ২৮ উপজেলা নির্বাচন। চ্যানেল আই তে দেখলাম দুনেত্রী এই সংবাদে মোটামোটি আশ্বস্ত । তারা সংলাপেও নাকি বসছেন। ব্যা: রফিক উল হক এ বিষয়ে বেশ দৃঢ়তা দেখাচ্ছেন । ফলাফল কি হবে, তা দেখার বিষয়। (more…)
একসময় খেয়াল করলাম মাঠের আশেপাশে ১০-১২ বছর বয়সের কিছু শিশুও ছড়িয়েছিটিয়ে বসে থাকে। চাতকপাখির মতো তাকিয়ে থাকে মাঠে বড়োদের খেলার দিকে [...]
পেশাগত কারণে মাঝে কিছুদিন কয়েকটি উপজেলা শহর ঘুরে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। তাদের মধ্যে একটি উপজেলা শহরে কয়েক বছর স্থায়ীভাবেও ছিলাম। আমাদের এই উপজেলা শহরগুলো নানা মাত্রায় বড়ো শহরগুলো থেকে সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে পিছিয়ে। আর পিছিয়ে থাকাটাই হয়তো স্বাভাবিক। তবে আমার মনে হয়েছে একটা ব্যাপারে উপজেলা ভিত্তিক এই ছোট শহরগুলো পুরোপুরি এগিয়ে। (more…)
আমাদের দেশের বুদ্ধিব্যাপারীরা ইনিয়ে-বিনিয়ে মাখো মাখো করে কৃষকজয়গাঁথা রচনা করেন। নিজের চৌহদ্দীর ভেতর শহুরে জজবা মেখে আলাভোলা কুষকদরদি সাজেন। "কুষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে"-র মত ছেঁদো কথা দিয়ে বানী সাজান। নিজেকে "কৃষকের সন্তান" বলে গর্ব করেন। কৃষকের দরদে গন্ধগোলাপে নাক ডুবিয়ে কাঁদেন। কিন্তু কাল থেকে কালান্তরে এদেশের লেখাপড়াজানা মানুষ কেবলই কুষকপীড়ন করে যাচ্ছেন। কৃষকপীড়নের ইতিহাস এত বেশি ভারি হয়ে গেছে যে একাত্তরের পাক জল্লাদদের নয় মাসের অত্যাচারকেও হার মানিয়েছে। (more…)
খুব বেশিদিন আগের কথা নয়।আমাদের সরকারের পুরানো এক উপদেষ্টা গীতিআরা সাফিয়া চৌধুরী পাটশিল্প নিয়ে "জেহাদ" করেছিলেন। হ্যাঁ, ঠিক এই কথাগুলিই বলেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, জুট নিয়ে তিনি জেহাদ শুরু করেছেন।
খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। আমাদের সরকারের পুরানো এক উপদেষ্টা গীতিআরা সাফিয়া চৌধুরী পাটশিল্প নিয়ে "জেহাদ" করেছিলেন। হ্যাঁ, ঠিক এই কথাগুলিই বলেছিলেন তিনি। (more…)
