গতকাল (২৬ অক্টোবর ২০০৮) দৈনিক ইনকিলাবে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন বিষয়ে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বাধ্যতামূলক এই বিজ্ঞপ্তিটি রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা ২০০৮ এর বিধি ৭(২) এর অধীন। বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশের উদ্দেশ্য - বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের এবং দলটির "দাঁড়িপাল্লা" প্রতীক ব্যবহার বিষয়ে সর্বসাধারণের মতামত বা অভিযোগ থাকলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ। স্ক্যান করা বিজ্ঞপ্তিটির পিডিএফ কপি এখান থেকে ডাউনলোড করুন। (more…)
২৮ জুলাই ২০০৮; সাধারণ একটি দিন। ওইদিন বাংলাদেশের চট্টগ্রামে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি এক মানববন্ধনের আয়োজন করেছিল রাজাকার-আলবদর-আলশামসসহ সব যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে। সেই মানববন্ধনে যোগ দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোহাম্মদ আলী আমান, যিনি সম্প্রতি নিগৃহীত হন মুক্তিযোদ্ধা দাবিদার জামাতিদের সমাবেশে গিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করে। আরও ছিলেন ড. আনোয়ার হোসেন, যাকে ১১ জানুয়ারিতে ক্ষমতাদখলকারী সেনাবাহিনীর সদস্যরা ‘আমরা পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নই’ বলে আশ্বস্ত করে নির্যাতনের নিকৃষ্টতম স্থান ব্ল্যাকহোলে নিয়ে গিয়েছিল। (more…)
অনেক দিন ধরে বেশ কিছু মানুষ এই আশঙ্কাটার কথা লিখে আসছিলাম। পক্ষান্তরে এই আশঙ্কাটাকে কেউ কেউ আশীর্বাদ ভেবে বিস্তর লেখা লেখিও করেছেন। কথা হচ্ছে হাইব্রীড ধান নিয়ে। বাংলাদেশে যখন থেকে এই হাইব্রীড বীজের আগমন ঘটেছে, তখন থেকেই কেউ কেউ এই বীজের ব্যবহার বাংলাদেশের কৃষকের কি কি ক্ষতি করতে পারে তা উল্লেখ করে সরকারকে, দেশবাসীকে সাবধান করতে চেয়েছেন। এই বিষয়ের ওপর যখনই কোন তথ্যমূলক লেখা ছাপা হয়েছে, সাথে সাথে হাইব্রীড বীজের কর্ণধাররা তাদের নিযুক্ত লেখকদের দিয়ে কাউন্টার বক্তব্য সম্বলিত লেখা প্রচার করেছে। (more…)
একটি চমৎকার যোগসূত্র। জামিনের মেয়াদ বাড়ছে আগামী সরকারের মেয়াদ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে। বেগম খালেদা জিয়া জামিন পেয়েছেন তিন মাসের। তারই স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন ৮ মাসের। বর্তমান সরকারের মেয়াদ আছে মাত্র আড়াই মাস। আইন উপদেষ্টা হাসান আরিফ বলেছেন, ডিসেম্বর মাসের শেষ দিন পর্যন্ত তারা থাকবেন। (more…)
সন্দেহ নেই, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ একটি প্রজন্মের কাছে বেশ জনপ্রিয়, তাঁর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের শ্লোগান হলো ‘আলোকিত মানুষ চাই’। কিন্তু এই শ্লোগানটিকে এখন একটু বদলে নিতে হবে, বলতে হবে ‘আলোকিত খুনী চাই’, কারণ তার দেয়া বক্তব্য [..]
গ্যাটকো মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামী হওয়ার পরও তাকে দেখা গেছে বাংলাদেশ থেকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যুহ পেরিয়ে বিমানে চড়ে তুরস্কে উড়ে যেতে। সাবেক খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার দলের লোকজন দেখা করতে পারেন না, কিন্তু তার সঙ্গে সাবজেলে আরাম করে বসে তিনঘন্টা ধরে দেনদরবার করেছেন ক্ষমতাধর সেই ব্যক্তি। তারপর তারেক রহমান যখন জেল থেকে বের হয়ে হাসপাতালে গেলেন, তখন দলের নেতাকর্মীরা তার মুখটা শুধুমাত্র একবার দেখার জন্যে একজন আরেকজনের সঙ্গে ঠেলাঠেলি শুরু করেও কোনও কূল পায়নি, কিন্তু এই ব্যক্তি ধীরেসুস্থে হাঁটতে হাঁটতে তার কেবিনে গিয়ে ঢুকেছেন এবং টানা একঘন্টা দরবার করেছেন। এরকম একজন বিশেষ লোককে পুলিশের মতো সাধারণ বাহিনীর সদস্যদের খুঁজে না পাওয়ারই কথা। ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ আদালতে ১২ অক্টোবর ঠিকই বলেছে পুলিশ; বলেছে, তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও ঠিক ওইদিনই তিনি উচ্চকণ্ঠে ভাষণ দিয়েছেন চারদলের এক সভাতে। তবে ব্যাপার হলো কী জানেন, বক্তৃতা শোনা এক কথা, চেহারা দেখা এক কথা, সামনাসামনি পড়ে যাওয়া এক কথা আর খুঁজে পাওয়া হলো একেবারেই আরেক কথা। এত কিছু ঘটার পরও তার ক্ষমতার পরিধি নিয়ে বোধকরি কারও কারও সংশয় ও সন্দেহ ছিল। তাই তিনি মহাসমারোহে একদিন পর ১৪ অক্টোবর বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করে এলেন। তার যাত্রাপথে কোনও ব্যাঘাত ঘটেনি। এমনকি বের হয়ে আসার পরও কোনও বাধা পাননি তিনি। বরং এই ব্যক্তি যাতে বিব্রত না হন, এই ব্যক্তিকে যাতে বিব্রত করা না হয় সেজন্যে সাংবাদিকদের সামনে হাজির হয়েই বাণিজ্য উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান ঘোষণা দেন, একটির বেশি প্রশ্ন করা যাবে না। আর মতিউর রহমান নিজামী বলেন, আমাদের নামাজ পড়তে হবে। নিজামীর একপাশে বসেছিলেন ক্ষমতাধর সেই সুসন্তান, আরেকপাশে বসেছিলেন বাংলাদেশের আরেক সুসন্তান হোসেন জিল্লুর রহমান, যার ওপর এখন ড. কামাল হোসেন কেন জানি খাপ্পা ভীষণ। কিন্তু কে জানত, আলোচনার সংক্ষিপ্তসার বলার সঙ্গে সঙ্গে মাত্র ওই একটি প্রশ্নই হবে ক্ষমতাধর ওই সুসন্তানটিকে নিয়ে! কে জানতো, বেরসিক সাংবাদিকরা প্রথম চোটেই জানতে চাইবে, পুলিশ যাকে খুঁজে পায় না, তার সঙ্গে আপনাদের বৈঠক হয় কেমন করে! প্রশ্ন শুনে বাক্যবাগীশ হোসেন জিল্লুর রহমানও অসহায়ের মতো মাইক ঠেলে দিয়েছিলেন নিজামীর দিকে আর নিজামী আবার সেটি ঠেলে দিয়েছিলেন সেই লোকটির দিকে।…
