২০০৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েই হাসান মশহুদ চৌধুরী (অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল) বলেছিলেন, ‘এবার পদত্যাগ নয়, এবার লড়াই হবে।’ কথাটি তিনি বলেছিলেন তাঁর অতীতের দিকে তাকিয়ে। কেননা রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনের প্রথম পর্বের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে যে চারজন উপদেষ্টা পদত্যাগ করেন, তাঁদের মধ্যে তিনিও ছিলেন। কিন্তু এবারও লড়াই নয়, শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করলেন হাসান মশহুদ। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দায়িত্ব নেয়ার পর ২৫ মাস ও বর্তমান সরকারের আমলে ৮৮ দিনের মাথায় গত দুই এপ্রিল তিনি পদত্যাগ করলেন। পদত্যাগ পত্রে তিনি কোন কারণ উল্লেখ না করলেও বিদায়ের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেছেন, ‘পদত্যাগের ব্যাখ্যা দেয়ার প্রয়োজন নেই। আমি মনে করি, বর্তমানে এমন একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে যে দুদকের কাজ এগিয়ে নেয়ার জন্যে নতুন নেতৃত্বের প্রয়োজন। তাই আল্লাহর ইচ্ছায় পদত্যাগ করেছি। এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু এখন বলবো না।’ তাঁর এই পদত্যাগ ভবিষ্যতের জন্যে কী তাৎপর্য বহন করছে? তা কি সামরিকতন্ত্রের সঙ্গে ক্ষমতাকাঠামোর যে নীরব দ্বন্দ্ব রয়েছে তাকে উৎসাহিত করবে? তা কি দুদককে দলীঁয়করণের দুয়ার খুলে দিলো? বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগ কিংবা বিরোধী দল বিএনপি উৎসাহ দেখালেও এবং কেউ কেউ এ পদত্যাগে আনন্দিত হলেও দুদককে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেয়ার ক্ষেত্রে ঘটনাটি কতটা ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক দৃষ্টান্ত হলো? এ বিষয়গুলি নিয়ে সবার মন্তব্য আশা করছি। আর এই মন্তব্য নির্মাণের স্বার্থে গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় যে-সব সংবাদ ছাপা হয়েছে, যাতে পদত্যাগের এ ঘটনা এবং অতীত প্রেক্ষাপট ইত্যাদি তুলে ধরা হয়েছে তার একটি সংক্ষিপ্ত রুপ তুলে ধরছি। দ্বিতীয় পর্বে এ ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন জনের প্রতিক্রিয়া (সংবাদপত্র ও টেলিভিশনে) তুলে ধরা হবে। উল্লেখ্য, নিচের পুরো বিবরণই বিভিন্ন পত্রপত্রিকা থেকে নেয়া। আমাকে বড়জোর গ্রন্থক বলতে পারেন। তথ্যসূত্রের উল্লেখ করতে পারলে ভালো হতো, কিন্তু নোট নেয়ার সময় তা রাখতে পারিনি বলে দুঃখিত। তবে এতে তেমন কোনও অসুবিধা হবে না বলে আশা করি। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বেশ কয়েকবার তার পদত্যাগ করার কথা শোনা গেলেও বারবার তিনি তা উড়িয়ে দিয়েছিলেন। ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিচারপতি সুলতান হোসেন খানের নেতৃত্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনকে পুনর্গঠন করে সাবেক এ সেনাপ্রধানের নেতৃত্বে নতুন…

অনেকে অনেক কারণেই কেঁদে থাকি। কিন্তু যে লোকটা খেতে পায় না, তার কান্নার সাথে কোনো কান্নারই তুলনা হয় না। বাংলাদেশে কত লোক খেতে পায় না? আমাদের কোনো পরিসংখ্যান নেই, না থাকলেও খেতে না পাওয়া মানুষের সংখ্যা কোটির অংকে হবে বলেই মনে হয়। আমাদের অগোচরে এই বিশাল বিস্তীর্ণ ক্ষুধার্ত মানুষের প্রতিদিনের কান্না তাদের নিজস্ব গণ্ডীর ভেতর বিকট বিপন্নতায় তাদের অস্তিত্ব ধ্বংস করে। কেউই পারে না ওদের সাহায্য করতে। ভিক্ষাবৃত্তি ও পাশের মানুষের সহানুভূতি, এর ওপরই টিকে আছে এ সমস্যার বর্তমান সমাধান। কিন্তু আর মনে হয় না এর ওপর নির্ভর করে চলবে। দিনে দিনে মানুষের ভিক্ষুকের প্রতি যে মনোভাব তৈরি হচ্ছে, তার বাস্তব ভিত্তি আছে, কারণ প্রচুর লোক ব্যক্তিগত ও সংঘবদ্ধ চক্রের মধ্য দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তিকে একটি স্বকর্মসংস্থানে রূপ দিয়েছে। ফলে ধীরে ধীরে মানুষের ভিক্ষাদানের প্রবণতা আশংকাজনক হারে সংকুচিত হচ্ছে, ফলে ভিক্ষাকর্মীদের এখন আগের চেয়ে বেশি শ্রমঘন্টা কাজ করতে হচ্ছে, এবং নিয়মিত কর্মকুশলতার পরিচয় দিয়ে এলাকা ও অবয়বে নানা পরিবর্তন আনতে হচ্ছে। পুরো ব্যাপারটি একটি ব্যবসায়িক চেহারা পেয়েছে, এবং কারো ব্যবসা ভালো যাচ্ছে কারো যাচ্ছে না। এর সাথে কোনো সম্পর্ক নেই আমাদের আগের সামাজিক ভিক্ষাবৃত্তির, যখন কেউ খেতে না পেলে হাত পেতে লোক থেকে চাইত এবং খাওয়াটা জুটে গেলে আর হাত পেতে নিজেও লজ্জায় পড়ত না এবং অন্যকেও প্রতারণা করত না। ফলে অভাবের তাড়নায় ক্ষুধার জ্বালার যে ভিক্ষাবৃত্তি তা আজ খুবই হতাশার, দুঃখের এবং কখনো কখনো বিপদেরও। তাহলে এই বিশাল নীরব নিরুপায় খেতে না পাওয়া লোকগুলো কি খেতে না পেয়ে ধুঁকে ধুঁকে মরবে? তাহলে কে তাদের পাশে দাঁড়াতে পারে। আমরা সবাই দাঁড়াতে পারি, সবার নিজ নিজ সামর্থ মতো, কিন্তু উদ্যোগ তো নিতে হবে সরকারকেই, আর এ কাজ করতে তার লাগবে প্রচুর লোক, সে লোকই বা জোটাবে কে এবং জুটবেও বা কোথা থেকে। উত্তর একটাই ছাত্রসমাজ। তার জন্য সরকার প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছর ছাত্র সংসদ নির্বাচন বাধ্যতামূলক করে দিতে পারে, ছাত্ররা যে যার রাজনীতি করুক, কিন্তু ছাত্র সংসদের নির্বাচন হবে সম্পূর্ণভাবে প্যানেলহীন, স্বাধীনভাবে বিভিন্ন পদে ছাত্ররা নির্বাচনে প্রার্থী হবে এবং জয়ীরা সংসদে ছাত্রদের জন্য কাজ করবে। পাশাপাশি প্রত্যেকটি ছাত্র সংসদ সরকারের জনসেবা ও…

তফসীর ও সাঈদী, মাইকিং শুরু হয়ে গেছে চট্টগ্রামে। সরকার যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিদেশভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে, তাহলে একজন যুদ্ধাপরাধীর প্রকাশ্য সমাবেশে তফসীরে কেন নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে না ? আরো পরিধি বাড়িয়ে কেন পারে না চিহ্নিত সব যুদ্ধাপরাধীর প্রকাশ্য যে কোনো সমাবেশে অংশগ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে ? সরকারের তা পারা উচিত এবং এই নিগ্রহের মধ্য দিয়ে এদের কোণঠাসা করা উচিত। আর এভাবেই ধীরে ধীরে তাদের বিচারও ত্বরান্বিত করা হোক। আর চট্টগ্রামের মানুষ আর কত নিজেদের অপমান সহ্য করবে! এবারের দুজন জামাত সাংসদ চট্টগ্রামের, আবার সাঈদীর তফসীরের ঘাঁটিই বা কেন হবে চট্টগ্রাম। চট্টগ্রামের নাগরিক ও ধর্মপ্রাণ মানুষ কেন পারে না যুদ্ধাপরাধীর তফসীর বর্জন করতে? কোরানের তফসীরে সাঈদীর চেয়ে যোগ্য কেউ কি জন্মায়নি চট্টগ্রামে বা বাংলাদেশে? সরকারের দিক থেকে হোক নিষেধাজ্ঞার প্রতিরোধ, সাধারণ মানুষ করুক যুদ্ধাপরাধীর প্রকাশ্য তফসীর ও সমাবেশ বর্জন, এভাবেই শুধু সম্ভব যুদ্ধাপরাধীদের একঘরে করা। আর এ আমাদের সমাজের প্রাচীন ধারা, অপরাধীকে একঘরে করো। আর নতুন ধারাও জারি হয়ে যাক পাশাপশি বিশেষ ট্রাইবুনালে যুদ্ধাপরাধীর বিচার কার্যক্রম শুরু হয়ে যাক।

বিডিআর-এর বর্তমান মহাপরিচালক বিডিআর-এর নাম ও পোষাক পরিবর্তনের পরিকল্পনার কথা মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন। এখনো এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রধান মন্ত্রীর দপ্তর, স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় কমিটির কাছ থেকে কোনো মতামত এখনো জানা যায়নি। মহাপরিচালকের যুক্তি পিলখানার ঘটনায় বিডিআর ও এর পোষাকের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। কিন্তু যে ঘটনাটিকে আমরা অনেক আগেই জঙ্গিহানা বলেছি তার সাথে কেনো বিডিআর-এর ভাবমূর্তি গুলিয়ে ফেলা হচ্ছে ? হ্যাঁ দৃশ্যমাধ্যমগুলোতে ঘটনার সময়ের বিডিআর-এর ছবি ও দৃশ্য মানুষের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে, জঙ্গিরা ও বহিরাগতরা এবং বিডিআর-এর আভ্যন্তরীন জঙ্গি অংশ বিডিআর-এর পোষাক পরেই অ্যাকশনে ছিল, সেই বিরূপ প্রতিক্রিয়া দূর করতে বিডিআর-এর পোষাক পরিবর্তনই যথেষ্ট। বিডিআর শুধু পিলখানা হত্যাযজ্ঞেরই প্রতিনিধিত্ব করে না। বিডিআর মুক্তিযুদ্ধের অপরিসীম সাহস ও আত্নত্যাগেরও প্রতীক। সত্যিকার অর্থে তারা মুক্তিযুদ্ধের আনসাংগ হিরো। সামরিক বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর কথা যত বলা হয়েছে আমাদের প্যারামিলিটারি ও পুলিসের কথা কিন্তু সেভাবে কখনো বলা হয়নি। বিডিআর আমাদের সীমান্ত রক্ষায়ও যথেষ্ট দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে এসেছে স্বাধীনতার পর থেকেই। বিডিআর-কে বিপথে চালিত করার জন্য কাউকে যদি সবচেয়ে বেশি দায়ী করতে হয় তাহলে ২০০১-২০০৬ এর জঙ্গি সরকারকেই দায়ী করতে হয়। ওই সরকারের দায়িত্বহীন নিয়োগ বিডিআর-এর মধ্যে আত্মঘাতী শক্তির অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছিল। সেই অনুপ্রবেশ বাংলাদেশের সশস্ত্র সব বাহিনীতেই হয়েছে। পিলখানার মতো ঘটনা বাংলাদেশের যে কোনো বাহিনীতেই ঘটতে পারে, তাই বলে কি আমরা সে রকম কিছু ঘটলেই অনবরত সব সশস্ত্র বাহিনীর নাম পরিবর্তন করতে থাকব ? বিডিআর-এর নাম পরিবর্তন মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত হবে না। বড় জোর পোষাকের পরিবর্তন ঘটিয়ে ভাবমূর্তি পরিবর্তনের চেষ্টা অনেক বেশি প্রতীকী ও কার্যকর হবে বলেই মনে হচ্ছে। তবে সবচেয়ে পরিবর্তন আনতে হবে সাধারণ জওয়ানদের যথার্থ দাবী-দাওয়াগুলো মিটিয়ে সরকার যে বিডিআর বান্ধব তার সংকেত বিডিআর-এর প্রত্যেকটি সদস্যের কাছে পৌঁছানো। সেনাবহিনীর কর্তৃত্ব এখনই খর্ব করা যাবে না কিন্তু দিনে দিনে খর্ব করা হবে এবং সে লক্ষ্যে এখনই কাজ শুরু করা হবে সেই প্রতিশ্রুতি বিডিআর-কে দেয়া।

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া, লও লও লও সালাম। কে এই ঘোষক জিয়া ? সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বন্দী দশা থেকে মুক্তি পেয়ে বেরিয়ে আসা জিয়া ? কে এই বাংলাদেশের প্রথম প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, তারপর বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ? তাকে যেভাবে বর্ণনা করা হয় সচরাচর তাতে তাকে এক অলৌকিক চরিত্র ছাড়া কিছুই মনে হয় না [...]

স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া, লও লও লও লাল সালাম। কে এই ঘোষক জিয়া? সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেয়ে বেরিয়ে আসা জিয়া? কে এই বাংলাদেশের প্রথম প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, তারপর বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি? তাকে যেভাবে বর্ণনা করা হয় সচরাচর তাতে তাকে এক অলৌকিক চরিত্র ছাড়া কিছুই মনে হয় না। যখন কোথাও কেউ নেই বাঙালি হতবুদ্ধি তখন রেডিওতে ভেসে আসে এক অলৌকিক কণ্ঠস্বর, বাঙালি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে, দেশ স্বাধীন হয়ে যায়। তারপর তৎকালীন রাজনীতিবিদরা জিয়ার অর্জন চুরি করে নিয়ে যায়, যেমনটি রাজনীতিবিদরা সবসময়ই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অর্জন চুরি করেন, কিন্তু বেশিদিন ধরে রাখতে পারেন না, তাই ইতিহাসের অমোঘ নিয়মে আবার জিয়ার আর্বিভাব হয় সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে; তারপর আবার রাজনীতিবিদরা জিয়ার অর্জন চুরি করে নিয়ে যায়, এরপর তার সহ্যের বাঁধ ভেঙে যায়—তাকে বাধ্য হয়েই কঠোর হতে হয়, তিনি হন বাংলাদেশের প্রথম প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক। তারপর ২১ এপ্রিল ১৯৭৭ জিয়াকে হতে হয় বাংলাদেশের ৮ম রাষ্ট্রপতি। “This is Shadhin Bangla Betar Kendro. I, Major Ziaur Rahman, on behalf of Bangobondhu Sheikh

Mujibur Rahman, hereby declare that the independent People's Republic of Bangladesh has been established. I have taken command as the temporary Head of the Republic. I call upon all Bengalis to rise against the attack by the West Pakistani Army. We shall fight to the last to free our Motherland. By the grace of Allah, victory is ours.” ২৭ মার্চ ১৯৭১-এ বলা সেই অযাচিত ‘Head of the Republic’-ই হলেন ১৯৭৭-এ এসে, আরেক অযাচিত পন্থায়; কিন্তু যাই হোক না কেন, তার প্রতিটিই আর্বিভাব, এবং প্রতিটিই চমকপ্রদ। কিন্তু কী তার কীর্তি? ইতিহাসের জায়গাটা কোথায় তার? শুধু ঘটনাচক্র নয় যা, তার চেয়ে বড় কিছু, তার যুগান্তকারী কর্মকাণ্ড, যার জন্য জিয়া আজো প্রাসঙ্গিক। কীর্তিগুলো তাহলে একে একে বলি। ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল’ প্রতিষ্ঠা, বাংলাদেশে জামাতের রাজনীতির অনুমতি প্রদান, সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম’-এর অনুপ্রবেশ ঘটানো। এবং এ তিনটি কীর্তি তাকে উপমহাদেশে জিন্নাহ্‌র পরে সবচেয়ে প্রভাববিস্তারকারী মুসলিম নেতায় পরিণত করেছে। এবং আজো বাংলাদেশের মুসলমানেরা ‘বাংলাদেশীরা’ তাকে মনে করে তাদের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে, তার উত্তরাধিকার…

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.