কত লোক সীমান্ত পার হয় কাজের খোঁজে, জীবিকার খোঁজে[...]

সীমান্ত নিয়ে আমরা সবাই কথা বলি -- বড় জোর চোরাকারবারি ও গরু চুরি নিয়ে কথা বলি -- কিন্তু প্রতিনিয়ত কত লোক সীমান্ত পার হয় কাজের খোঁজে, জীবিকার খোঁজে, তা নিয়ে আমরা ভারত-বাংলাদেশ দুপক্ষ কোনো কথা বলি না। কাজের অনুমতি বা ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে কথা বলার সময় এসে গেছে -- ভারত-বাংলাদেশ উভয় সরকারের এখনই এবিষয়ে আলোচনা শুরু করা উচিত।

স্থবিরতায় সামনে পা ফেলতে [...]

বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতি কর্মচঞ্চল কিন্তু স্থবির। অর্থনীতির এই স্থবিরতা ২০০৭ থেকেই শুরু হয়েছে এবং এখনো বিশেষত ২০১১তে আরো গভীর হয়েছে। এরকম স্থবিরতায় সামনে পা ফেলতে অর্থনীতি তার বিপদগুলোকে অবমূল্যায়ন করতে পারে এবং সুযোগগুলোকে করতে পারে অতিমূল্যায়ন। বিপদের অবমূল্যায়ন হয় কারণ অর্থনীতি ভাবতে থাকে আর কী এমন বিপদে পড়ব এবং সুযোগের অতিমূল্যায়ন হয় কারণ অর্থনীতি ভাবতে থাকে এই সুযোগটাকে গ্রাস করতে পারলে পুরোপুরি উতরে যাব। ঠিক এখানেই দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে যিনি আছেন, তার ভাবনার পরিসর বাড়াতে হবে। এবং তার সার্বক্ষণিক খেয়াল রাখতে হবে অর্থনীতির বিপদগুলোর ঠিক মূল্যায়ন না হলেও মারাত্মক অবমূল্যায়ন যেন না হয়। আর অর্থনীতির সুযোগগুলোর ঠিক মূল্যায়ন না হলেও মারাত্মক অতিমূল্যায়ন যেন না হয়। বাংলাদশের বর্তমান রাজনীতি মুখর কিন্তু স্থবির। এই স্থবিরতাও শুরু হয়েছে ২০০৭এ এবং ২০০৯ সাল থেকে এটি ক্রমশ আরো স্থবিরতার দিকে যেতে যেতে ২০১১ও পার করেছে। এরকম স্থবিরতায় সামনে পা ফেলতে রাজনীতি তার বিপদগুলোকে অতিমূল্যায়ন করতে থাকে এবং সুযোগগুলোকে করতে থাকে অবমূল্যায়ন। বিপদের অতিমূল্যায়ন হয় কারণ রাজনীতির পারদ চড়ে তার না ভরাডুবি হয় এই আশঙ্কায় তার ক্ষমতা ভয় পেতে থাকে এবং সুযোগের অবমূল্যায়ন হয় কারণ রাজনীতির গভীর ক্ষমতাবলয় সুযোগগুলোকে কাজে লাগানোর প্রতিজ্ঞা ও মানসিক শক্তির অভাব বোধ করতে থাকে। ঠিক এখানেই বিদ্যমান রাজনীতির সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তিটিকে নিরন্তর খেয়াল রাখতে হয় রাজনীতির বিপদগুলোর ঠিক মূল্যায়ন না হলেও মারাত্মক অতিমূল্যায়ন যেন না হয়। আর রাজনীতির সুযোগগুলোর ঠিক মূল্যায়ন না হলেও মারাত্মক অবমূল্যায়ন যেন না হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (প্রমকা) যদি অর্থনীতির বিপদ ও সুযোগ নিয়ে এবং প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন (প্রমবা) যদি রাজনীতির বিপদ ও সুযোগ নিয়ে ২০১২ সাল জুড়ে এই মূল্যায়নের সূত্রের দিকে নজর দেন তাহলে ২০১৩ সাল বাংলাদেশের জন্য স্থবিরতা থেকে গতিশীলতার দিকে যাত্রার এক অনন্য বছর হয়ে উঠবে আশা করছি। প্রমকা ও প্রমবা-র সেই সাহস আছে শক্তিও আছে এখন শুধু বছর জুড়ে যত্নের সাথে পরিচর্যাটা প্রয়োজন।

একপা দুপা [...]

আমাকে একপা আগাতে দিন যেন আমি দুপা পেছাতে পারি।

সোমবার ভোরে ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছিল না স্বপ্ন ভেঙ্গে গিয়েছিল, ভাবতে ভাবতেই ফ্রয়েডের এই কথাগুলো মনে পড়ল[...]

ফ্রয়েড বলেছিলেন, ঘুম থেকে উঠেই স্বপ্ন লিখুন – স্বপ্নের বিস্তারটা ধরতে পারবেন আর স্বপ্ন দেখতে দেখতে যদি ঘুম ভেঙে যায় এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে কাগজ কলম নিয়ে বসে পড়ুন – আকস্মিক স্বপ্নভঙ্গের পটভূমিটা ফুটে উঠবে। সোমবার ভোরে ঘুম ভেঙ্গে গিয়েছিল না স্বপ্ন ভেঙ্গে গিয়েছিল, ভাবতে ভাবতেই ফ্রয়েডের এই কথাগুলো মনে পড়ল, সেই ২৩/২৪ বছর বয়সে যা করতাম তাই করতে বসে গেলাম, স্বপ্ন লিখতে শুরু করলাম। অজয় দেবগনের ঘরে আমি চা বানাচ্ছি, অজয় দেবগন আমাকে বলছে, আজ তোমার দেশের একজন মানুষ আমার সাথে দেখা করতে আসবে শুধু চা বানালে হবে না ভাল করে চায়ের সাথে বাঙালি ভাজাভু্জিও কিছু করো, আমার মৃত বন্ধু মাহবুব শীতকালে গরুর গায়ে দেয়া ছালা জড়িয়ে হামাগুড়ি দিয়ে দেয়ালের ভেতর দিয়ে বাহিরে চলে গেল, আমিও তার সাথে চলে গেলাম, একটা কার্পেটে একটা বিড়ালের পাশে তসলিমা নাসরিন বসে আছে, অজয় দেবগন ট্রেতে করে চা আর ভাজাভুজি নিয়ে এসে আমাকে খেতে বলল, আমি চা ও ভাজাভুজির প্রশংসা করলাম, তসলিমা নাসরিন বলল আমি বানিয়েছি ওগুলো আমার করা, অজয় দেবগন বারবার কী খুঁজছে বকছে নিজামি মুজাহিদ মন্ত্রীর গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা তোমাদের একেবারে মাথা কাটা যাচ্ছে, কই খালেদা জিয়া যে কতবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে গেল তুমি তসলিমা একথা বলতে পার না, একজন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আমি বলতে পারব না তিনি যুদ্ধের সময় সেনানিবাসে কী করছিলেন, না আমার দেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে তুমি এভাবে বলতে পার না অজয়, আমি তোমার দেশে আশ্রিত তাই তুমি আমার দেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে এভাবে বলতে পার না, তুমি তসলিমা নারীবাদী আমি জানি তোমার তো জাপানের রাজাদের সেনাবাহিনীর কথা মনে আছে, যেখানে যেত চীনে ভিয়েতনামে কোরিয়ায় এজেন্ট দিয়ে মেয়ে জোগাড় করে একঘর করে বিলাসরমণী বানিয়ে রাখত তাদের সাথে সময় কাটাত, একটা পিয়ানো মুছে দিচ্ছে কয়েকজন কয়েদি, একজন উর্দিপরা পরা লোক পিঠ দিয়ে বসে আছে আমাদের দিকে, শুধু কালো রিডগুলোতেই চাপ দিয়ে যাচ্ছে, আমি অজয় না তসলিমা কে যেন বিড়বিড় করছি মনে হচ্ছে সবাই করছি, স্ববিলাসরমণী, স্ববিলাসরমণী, স্ববিলাসরমণী, স্ববিলাসরমণী, স্ববিলাসর সোমবার ভোররাত ১২ ডিসেম্বর ২০১১

কোন কারণে শেখ হাসিনার সফর সূচিতে সুকি নেই, জানা খুবই দরকার।[...]

কোথাও কি কেউ এমন লেখা দেখেছেন -- শেখ হাসিনার সাথে সুকি-র দেখা করতে দিতে চায়নি বার্মা সরকার অথবা সুকি-র সাথে দেখা করতে চায় না শেখ হাসিনা অথবা সুকি চায় না শেখ হাসিনার সাথে দেখা করতে। নাকি এসবের কিছুই নয়, এবারের বার্মা সফর শুধু কিছু চুক্তির সফর? নাকি এর পেছনে আছে হিলারি ক্লিনটনের প্রলম্বিত ছায়া অথবা চীনের পিপলস আর্মির সেনাকূটনীতি? কোন কারণে শেখ হাসিনার সফর সূচিতে সুকি নেই, জানা খুবই দরকার।

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.