পাঠক সুপারিশকৃত এ সপ্তাহের লিংক (more…)
দুঃসংবাদে এদেশের খবরের কাগজগুলো ঢাকা থাকে। থাকে টিভি-বেতারের সংবাদেও। আমরা যারা ব্লগ লিখি, আমরা অনেক বেদনার ভিতরেও আশার খবরটা ও সত্যভাষনটা ব্লগানুরাগী পাঠক কূলের কাছে নিয়ে আসি। কিন্ত যেভাবে চাই, সে ভাবে তো দেশ এগোয় না, যে আশা করি, তাতো দুরাশা হয়ে আমার কাছে ফেরত আসে, আর যে স্বপ্ন দেখি, তাতো প্রতিদিনই ভেঙে পড়ে। মুখোমূখি হই ভয়ংকর বাস্তবতার। আমরা কি নিজেরাই এজন্যে দায়ী? এই মাত্র বিডি নিউজের ব্রেকিং নিউজে বড় বড় হেড লাইনে লাল কালিতে ছাপা হয়েছে,আওয়ামী লীগ সভানেত্রী যে কোন মূহূর্তে একটি সুইসাইড স্কোয়াডের কিলিং এটেম্পটের শিকার হয়ে যেতে পারেন। সুনির্দ্দিষ্ট একটি তথ্যের ভিত্তিতে, তারা এই খবরটি ছাপিয়েছে। ভারতীয় একটি ইন্টেলিজেন্স এজেন্সীর বরাত দিয়ে,খবরে বলা হয়েছে, আমাদের দেশের ভিতরেই সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ নামক একটি স্থানে গত দু'মাস ধরে একটী সন্ত্রাসবাদী ট্রেনিং ক্যাম্প পরিচালিত হয়ে আসছিলো। এই ট্রেনিং ক্যাম্পটি পরিচালনার দায়িত্বে আছে হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বা হূজি নামে যারা পরিচিত । এই ট্রেনিং ক্যাম্পটিতে সামরিক প্রশিক্ষন যিনি তদারকি করেছেন তার নাম এহতেশাম। এই এহতেশাম একজন পাকিস্তানী স্পেশাল ফোর্সের সাবেক কর্মকর্তা। তার নেতৃত্বে গত দু'মাসে সেখানে ছয় (৬) সদস্য বিশিষ্ট একটি কিলিং স্কোয়াডকে প্রশিক্ষন দেয়া হয়েছে। হরকাতুল জিহাদ প্রধান ইমতিয়াজ কুদ্দুস ট্রেনিং শেষে, ঐ ৬ সদস্যের সাথে ব্যক্তিগত ভাবে দেখা করে, সব যাবতীয় নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও খবরে প্রকাশ হয়েছে। তাদের উপর স্পেশাল এসাইনমেণ্ট হল, শেখ হাসিনার উপর সফল আত্নঘাতী হামলা চালানো, যে কোন সময়। খবরে জানতে পেরেছি, ভারতীয় ঐ গোয়েন্দা সংস্থা ইতিমধ্যে শেখ হাসিনাকে বিষয়টি অবহিত করেছে, এবং সতর্ক করে দিয়েছে। গত দু'মাস ধরে এই তৎপরতা দেশের ভিতরে চললো, আর সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কিছুই জানলো না! ঊদিচীর মঞ্চে বোমা হামলা, রমনার বোমা হামলা, পল্টনের বোমা হামলা, একুশে আগষ্টের গ্রেনেড হামলা, ময়মনসিংহে সিনেমা হলের বোমা হামলা, সারা দেশে একযোগে ৫০০ স্থানে বোমা হামলা এবং চট্রগ্রামে জজ আদালত ভবনে বই বোমা হামলা, এর কোনটাতেই আগাম কোন তথ্য দিতে পারেনি কিংবা দেয়নি, আমাদের দেশের ইন্টেলিজেন্স এজেন্সী গুলো। কেন পারেনি? সর্ষেতে কি ভুত লুকিয়ে আছে?
এই সাহায্যের আবেদন মেইলটি গত পরশুই আমার কাছে এসেছে। বিভিন্ন ব্লগে বিজয় দিবসের অনেক লেখা থাকায় পোস্ট করিনি। আমি ছেলেটিকে চিনি না। সংবাদপত্রে আমার পোস্টের সাথে মেইল আইডি দেখে ওরা মেইলটা পাঠিয়েছে। আমি আপনাদের সবার কাছে আবেদন জানাচ্ছি, আমরা একটু সাহায্যের হাত বাড়ালে হয়তো একজন মৃত্যুপথযাত্রী বেঁচে উঠতে পারে। এই বিজয়ের আনন্দদিনে আসুন আমরা আমাদের হাত বাড়িয়ে দেই। আমি হুবহু ওদের আবেদনটা তুলে দিলাম। পঞ্চগড়ের সম্ভাবনাময় সাংস্কৃতিক প্রতিভা সাংবাদিক নুরুল হুদা বাবু জটিল কিডনি রোগে আক্রান্তঃ চিকিৎসায় প্রয়োজন ত্রিশ লাখ টাকা প্রিয় দেশবাসী, আমাদের প্রিয় সহকর্মী প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ সাংবাদিক দৈনিক ভোরের কাগজের পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড় প্রেসকাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং পঞ্চগড় জেলা নাট্য সমিতির একজন নাট্যকর্মী, রংপুর কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র এসএম নুরুল হুদা বাবু আজ মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। জীবনের মাত্র ২৮ বৎসর বয়সে শরীরে বাসা বেধেছে এক জটিল রোগ। তার দুটো কিডনিই বিকল হয়ে যাচ্ছে দ্রুত। যেন দ্রুতই ক্ষয়ে যাচ্ছে সে। কিছুদিন আগে তার কিডনিতে জটিলতা ধরা পড়ে। ৫ মাস ধরে বিভিন্ন চিকিৎসকের চিকিৎসা নিয়ে এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (সাবেক পিজি হাসপাতাল) কিডনি রোগ বিভাগের প্রফেসর ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমানের চিকিৎসাধীন রয়েছে। অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান তার Biopsy সহ নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে নিশ্চিত করেছেন আমাদের প্রিয় সহকর্মীর শরীরে ‘ফোকাল এন্ড সেগমেন্টাল গোমেরিউলোসেলেরোসিস’ নামে একটি ঘাতক ব্যাধি বাসা বেঁধেছে। এ রোগে তার দুটি কিডনিই এখন অকেজো হওয়ার পথে। ডাঃ এ.এইচ.এম. মন্জুরুল ইসলাম এম.বি.বিএস. পিএইচডি কিডনি বিভাগসহ কয়েকজন চিকিৎসক তার কিডনি পরিবর্তনের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি তার হার্ট ও চোখেরও সমস্যা দেখা দিয়েছে।সাংবাদিকতার শুরু থেকে আমরা মানুষের সুখ-দুঃখ, সাফল্য-ব্যর্থতা এবং সমস্যা-সম্ভাবনাসহ সৃষ্টিশীলতার কথা পত্রিকার পাতায় তুলে ধরছি। কেননা বিবেকবান ও সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের ব্রতই হল-লেখনির মাধ্যমে সমাজের দায়বদ্ধতা শোধ করার। এ দায়বদ্ধতা শোধরাতে গিয়ে আমাদের ব্যক্তি, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে অনেক ঝড়-ঝাপটার কথা আমরা অনায়াসে ভূলে গেছি, নয়ত এড়িয়ে গেছি। কিন্তু যখন একই কারণে একটি তাজা প্রাণ ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে পা বাড়ায়। তখনও কি এড়িয়ে যাওয়া যায়! কেউ যেতে পারে? আমরা মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরিয়ে এনে তাকে বাঁচাতে চাই। তার অকাল মৃত্যু…
ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৃশ্যরূপ-এর দ্বিতীয় সংকলনে (১৪১১-১৪১২) আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ১২টি প্রামাণ্যচিত্র নিয়ে শাহাদুজ্জামানের একটি লেখা ছিল -- "অচিন দেশের ডকুমেন্টারি"। সে প্রবন্ধে পড়েছিলাম: অধিকাংশ ডকুমেন্টারিতেই নানা মাত্রায় মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটা উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে খানিকটা বিস্তারিতভাবে করেছেন এস শুকদেব তাঁর নাইন মান্থস টু ফ্রিডম-এ। ধারা বিবরণী, পত্রিকা কাটিং, বিভিন্ন জনের বক্তৃতা, সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে ১৯৪৭-এর ভারত-পাকিস্তানের ভাগের পর থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত সময়টিতে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের ভেতরকার বৈষম্য এবং পশ্চিম পাকিস্তানিদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক আধিপত্যের আবহটি তুলে ধরেছেন তিনি। ভাষা আন্দোলন, আয়ুব খানের মার্শাল ল ঘোষণা, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, সত্তরের নির্বাচন ইত্যাদি প্রসঙ্গ উঠে এসেছে ডকুমেন্টারিটিতে। বেশ কিছু দুর্লভ ইমেজের ফুটেজ রয়েছে ডকুমেন্টারিটিতে। (more…)
ডা. বিনায়ক সেন একজন মানবাধিকার রক্ষাকর্মী ও চিকিৎসক, তিনি ছত্রিশগড়ের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে থাকেন৷ পিপলস্ ইউনিয়ন অব সিভিল লিবার্টিজ- এর রাজ্য শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে, ডা. সেন প্রকাশ্যে সালওয়া জুদুমের সহিংস কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন, মানবাধিকার রক্ষাকর্মী ও অন্যান্যরা মনে করেন যে সালওয়া জুদুম নামক এই অসামরিক মিলিশীয়া বাহিনী রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হয়৷ রাজ্য সরকার দাবি করে যে এই সহিংসতা হচ্ছে সশস্ত্র মাওবাদীদের বিরুদ্ধে ছত্রিশগড়ের আদিবাসীদের (আদি অধিবাসী) একটি স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া৷ এখানে বিস্তারিত পড়ুন ও উদ্যোগ নিন
