আগামী ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ বহু প্রতীক্ষিত বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন। নির্বাচন, অংশগ্রহণকারী দলগুলোর ম্যানিফেস্টো, পরিসংখ্যান, সাম্প্রতিকতম খবরাখবর জানতে নিচের এই তথ্যের উৎসগুলো হয়তো কাজে লাগবে [...]

আগামী ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ বহু প্রতীক্ষিত বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচন। নির্বাচন, অংশগ্রহণকারী দলগুলোর ম্যানিফেস্টো, পরিসংখ্যান, সাম্প্রতিকতম খবরাখবর জানতে নিচের এই তথ্যের উৎসগুলো হয়তো কাজে লাগবে। সার্বিক তথ্যের জন্য ‌- নির্বাচন কমিশন এর বাংলা ও ইংরেজী ওয়েবসাইট (এতে পাবেন: প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা, নির্বাচন সংক্রান্ত আইন, নির্বাচন তদারকি বিধিমালা)। - প্রার্থীদের ঘোষিত সম্পদ/আয়ের বিবরণীমূলক তথ্য সম্বলিত ওয়েবসাইট দলীয় ম্যানিফেস্টো - বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো - বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এর নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো - বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী'র নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো -‌ জাতীয় পার্টির নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো - (বাকী দলগুলোর ম্যানিফেস্টোর লিন্ক পাঠালে বাধিত হব) সর্বশেষ নির্বাচনী খবরের জন্য তথ্য পোর্টাল -‌ সুজন পোর্টাল - নিউ এজ পোর্টাল - আমার ব্লগ পোর্টাল পূর্বের তিনটি নির্বাচনের ইন্টার‍ অ্যাকটিভ ম্যাপ সহ ফলাফল - এখানে।

দুই বঙ্গের কয়েকটি বিদ্যায়তনে এ বছর একযোগে উদ্‌যাপিত হতে পারত এক কৃতী ছাত্রী ও শিক্ষয়িত্রীর জন্মদিন, যিনি জন্মেছিলেন ১৯০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, বেঁচে থাকলে আজ যাঁর বয়স হতো একশো বছর। [...]

দুই বঙ্গের কয়েকটি বিদ্যায়তনে এ বছর একযোগে উদ্‌যাপিত হতে পারত এক কৃতী ছাত্রী ও শিক্ষয়িত্রীর জন্মদিন, যিনি জন্মেছিলেন ১৯০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, বেঁচে থাকলে আজ যাঁর বয়স হতো একশো বছর। তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ১৯৮৬ সালের ২৯ মে; তার পরদিন কলকাতার কোনো-না-কোনো দৈনিকে নিশ্চয়ই সেই খবর প্রকাশিত হয়েছিল। সেই সঙ্গে তাঁর কোনো ছবিও কি ছাপা হয়েছিল? হয়তো হয়েছিল। কিন্তু ১৯৮৬ থেকে ২০০৮ – এই বাইশ বছরে তাঁর কোনো ছবি যেমন আমরা দেখিনি, তাঁর জীবন নিয়ে, তাঁর কাজ নিয়ে কোনো আলোচনা হতেও শুনিনি; কিংবা কোথাও তা হয়ে থাকলেও সে-খবর জানতে পারিনি আমরা। আমাদের অনেকের কাছেই তাঁর একমাত্র পরিচয় – তিনি অনুবাদক। তাঁর অনুবাদে মাক্সিম গোর্কির মা উপন্যাসটি পড়েননি এমন পাঠক আমাদের পরিচিত গণ্ডির মধ্যে বিরল। তাঁর অনুবাদের তালিকায় আছে নানা ভাষার আরো সব কালজয়ী গ্রন্থ, যার মধ্যে অনেকগুলিই হয়তো এখন আর ছাপা নেই। দুর্ভাগ্যবশত তাঁর মৌলিক রচনা ও অনুবাদকর্মের কোনো পূর্ণাঙ্গ তালিকাও আমাদের হাতে নেই। অতি সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত, জি এই হাবীব সম্পাদিত অনুবাদ পত্রিকা তরজমা-র প্রথম সংখ্যাটি তাঁর ও বুদ্ধদেব বসুর স্মৃতির উদ্দেশে উৎসর্গ করা হয়েছে। জন্মশতবর্ষে তাঁকে স্মরণ করার অন্য কোনো আয়োজনের খবর যেমন আমাদের জানা নেই, তেমনি জানা নেই তাঁর জীবন সম্পকে পর্যাপ্ত তথ্যও। তাঁর কর্মময় জীবনের সংক্ষিপ্ত পরিচয় পাচ্ছি সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান-এর প্রথম খণ্ডে (সংশোধিত তৃতীয় সংস্করণ, জুলাই ১৯৯৪) : পুষ্পময়ী বসু। মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ। পিতা : হরিচরণ বসু। আদর্শবাদী শিক্ষাব্রতী, সুলেখিকা ও নিষ্ঠাবতী সমাজসেবী। ময়মনসিংহের বিদ্যাময়ী গার্লস স্কুলের কৃতী ছাত্রী ছিলেন। ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে ম্যাট্রিক পাশ করে ঢাকার ইডেন কলেজে পড়ার সময় বিপ্লবী দেশনেত্রীদের সংস্পর্শে এসে ঢাকার গ্রামে গ্রামে স্বদেশী প্রচারের কাজ করেন। বেথুন কলেজে সংস্কৃতে অনার্স নিয়ে বি.এ. পড়তেন। ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে বি.এ. পরীক্ষায় মহিলা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'পদ্মাবতী স্বর্ণপদক' লাভ করেন। ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংস্কৃতে এম.এ. পাশ করেন। রাজশাহীর পি.এন. স্কুলে তাঁর কর্মজীবন শুরু। স্বদেশসেবী তরুণ-তরুণীদের আশ্রয়দানের কারণে রাজরোষে পড়ে ১৯৩৪ খ্রিষ্টাব্দে তিনি সেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার পদ ছেড়ে কিছুদিন মোরাদাবাদ কলেজে অধ্যাপনা করেন। ১৯৩৯ খ্রিষ্টাব্দে পারিবারিক কারণে কলিকাতায় চলে আসেন। ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দে বহরমপুরের কাশীশ্বরী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান…

দুঃসংবাদে এদেশের খবরের কাগজগুলো ঢাকা থাকে। থাকে টিভি-বেতারের সংবাদেও। আমরা যারা ব্লগ লিখি, আমরা অনেক বেদনার ভিতরেও আশার খবরটা ও সত্যভাষনটা ব্লগানুরাগী পাঠক কূলের কাছে নিয়ে আসি। কিন্ত যেভাবে চাই, সে ভাবে তো দেশ এগোয় না, যে আশা করি, তাতো দুরাশা হয়ে আমার কাছে ফেরত আসে, আর যে স্বপ্ন দেখি, তাতো প্রতিদিনই ভেঙে পড়ে। মুখোমূখি হই ভয়ংকর বাস্তবতার। আমরা কি নিজেরাই এজন্যে দায়ী? এই মাত্র বিডি নিউজের ব্রেকিং নিউজে বড় বড় হেড লাইনে লাল কালিতে ছাপা হয়েছে,আওয়ামী লীগ সভানেত্রী যে কোন মূহূর্তে একটি সুইসাইড স্কোয়াডের কিলিং এটেম্পটের শিকার হয়ে যেতে পারেন। সুনির্দ্দিষ্ট একটি তথ্যের ভিত্তিতে, তারা এই খবরটি ছাপিয়েছে। ভারতীয় একটি ইন্টেলিজেন্স এজেন্সীর বরাত দিয়ে,খবরে বলা হয়েছে, আমাদের দেশের ভিতরেই সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ নামক একটি স্থানে গত দু'মাস ধরে একটী সন্ত্রাসবাদী ট্রেনিং ক্যাম্প পরিচালিত হয়ে আসছিলো। এই ট্রেনিং ক্যাম্পটি পরিচালনার দায়িত্বে আছে হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বা হূজি নামে যারা পরিচিত । এই ট্রেনিং ক্যাম্পটিতে সামরিক প্রশিক্ষন যিনি তদারকি করেছেন তার নাম এহতেশাম। এই এহতেশাম একজন পাকিস্তানী স্পেশাল ফোর্সের সাবেক কর্মকর্তা। তার নেতৃত্বে গত দু'মাসে সেখানে ছয় (৬) সদস্য বিশিষ্ট একটি কিলিং স্কোয়াডকে প্রশিক্ষন দেয়া হয়েছে। হরকাতুল জিহাদ প্রধান ইমতিয়াজ কুদ্দুস ট্রেনিং শেষে, ঐ ৬ সদস্যের সাথে ব্যক্তিগত ভাবে দেখা করে, সব যাবতীয় নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও খবরে প্রকাশ হয়েছে। তাদের উপর স্পেশাল এসাইনমেণ্ট হল, শেখ হাসিনার উপর সফল আত্নঘাতী হামলা চালানো, যে কোন সময়। খবরে জানতে পেরেছি, ভারতীয় ঐ গোয়েন্দা সংস্থা ইতিমধ্যে শেখ হাসিনাকে বিষয়টি অবহিত করেছে, এবং সতর্ক করে দিয়েছে। গত দু'মাস ধরে এই তৎপরতা দেশের ভিতরে চললো, আর সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কিছুই জানলো না! ঊদিচীর মঞ্চে বোমা হামলা, রমনার বোমা হামলা, পল্টনের বোমা হামলা, একুশে আগষ্টের গ্রেনেড হামলা, ময়মনসিংহে সিনেমা হলের বোমা হামলা, সারা দেশে একযোগে ৫০০ স্থানে বোমা হামলা এবং চট্রগ্রামে জজ আদালত ভবনে বই বোমা হামলা, এর কোনটাতেই আগাম কোন তথ্য দিতে পারেনি কিংবা দেয়নি, আমাদের দেশের ইন্টেলিজেন্স এজেন্সী গুলো। কেন পারেনি? সর্ষেতে কি ভুত লুকিয়ে আছে?

এই সাহায্যের আবেদন মেইলটি গত পরশুই আমার কাছে এসেছে। বিভিন্ন ব্লগে বিজয় দিবসের অনেক লেখা থাকায় পোস্ট করিনি। আমি ছেলেটিকে চিনি না। সংবাদপত্রে আমার পোস্টের সাথে মেইল আইডি দেখে ওরা মেইলটা পাঠিয়েছে। আমি আপনাদের সবার কাছে আবেদন জানাচ্ছি, আমরা একটু সাহায্যের হাত বাড়ালে হয়তো একজন মৃত্যুপথযাত্রী বেঁচে উঠতে পারে। এই বিজয়ের আনন্দদিনে আসুন আমরা আমাদের হাত বাড়িয়ে দেই। আমি হুবহু ওদের আবেদনটা তুলে দিলাম। পঞ্চগড়ের সম্ভাবনাময় সাংস্কৃতিক প্রতিভা সাংবাদিক নুরুল হুদা বাবু জটিল কিডনি রোগে আক্রান্তঃ চিকিৎসায় প্রয়োজন ত্রিশ লাখ টাকা প্রিয় দেশবাসী, আমাদের প্রিয় সহকর্মী প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ সাংবাদিক দৈনিক ভোরের কাগজের পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি, পঞ্চগড় প্রেসকাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং পঞ্চগড় জেলা নাট্য সমিতির একজন নাট্যকর্মী, রংপুর কারমাইকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র এসএম নুরুল হুদা বাবু আজ মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। জীবনের মাত্র ২৮ বৎসর বয়সে শরীরে বাসা বেধেছে এক জটিল রোগ। তার দুটো কিডনিই বিকল হয়ে যাচ্ছে দ্রুত। যেন দ্রুতই ক্ষয়ে যাচ্ছে সে। কিছুদিন আগে তার কিডনিতে জটিলতা ধরা পড়ে। ৫ মাস ধরে বিভিন্ন চিকিৎসকের চিকিৎসা নিয়ে এখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (সাবেক পিজি হাসপাতাল) কিডনি রোগ বিভাগের প্রফেসর ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমানের চিকিৎসাধীন রয়েছে। অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান তার Biopsy সহ নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে নিশ্চিত করেছেন আমাদের প্রিয় সহকর্মীর শরীরে ‘ফোকাল এন্ড সেগমেন্টাল গোমেরিউলোসেলেরোসিস’ নামে একটি ঘাতক ব্যাধি বাসা বেঁধেছে। এ রোগে তার দুটি কিডনিই এখন অকেজো হওয়ার পথে। ডাঃ এ.এইচ.এম. মন্জুরুল ইসলাম এম.বি.বিএস. পিএইচডি কিডনি বিভাগসহ কয়েকজন চিকিৎসক তার কিডনি পরিবর্তনের জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি তার হার্ট ও চোখেরও সমস্যা দেখা দিয়েছে।সাংবাদিকতার শুরু থেকে আমরা মানুষের সুখ-দুঃখ, সাফল্য-ব্যর্থতা এবং সমস্যা-সম্ভাবনাসহ সৃষ্টিশীলতার কথা পত্রিকার পাতায় তুলে ধরছি। কেননা বিবেকবান ও সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের ব্রতই হল-লেখনির মাধ্যমে সমাজের দায়বদ্ধতা শোধ করার। এ দায়বদ্ধতা শোধরাতে গিয়ে আমাদের ব্যক্তি, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে অনেক ঝড়-ঝাপটার কথা আমরা অনায়াসে ভূলে গেছি, নয়ত এড়িয়ে গেছি। কিন্তু যখন একই কারণে একটি তাজা প্রাণ ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে পা বাড়ায়। তখনও কি এড়িয়ে যাওয়া যায়! কেউ যেতে পারে? আমরা মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরিয়ে এনে তাকে বাঁচাতে চাই। তার অকাল মৃত্যু…

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.