আজ ইউক্রেনে যা হচ্ছে আজ বাংলাদেশে যা হচ্ছে, আমাদের পরাসুশীলরা এটা খেয়াল করবেন আরো পরে — তারা সিরিয়া মিশর লিবিয়া খুঁজে মরবেন, কিন্তু পরে বুঝবেন, ইউক্রেনে আর বাংলাদেশের পরিস্থিতিতেই মিল বেশি [...]

আজ ইউক্রেনে যা হচ্ছে আজ বাংলাদেশে যা হচ্ছে, আমাদের পরাসুশীলরা এটা খেয়াল করবেন আরো পরে — তারা সিরিয়া মিশর লিবিয়া খুঁজে মরবেন, কিন্তু পরে বুঝবেন, ইউক্রেনে আর বাংলাদেশের পরিস্থিতিতেই মিল বেশি, উদীয়মান অর্থনীতিকে আয়ত্তে রাখতে ইইউ ইউএসএ তাদের সর্বস্ব শক্তি দিয়ে ভূরাজনৈতিক যুদ্ধবস্তু বানাতে চায় আমাদের। নতুন অর্থনৈতিক শক্তির চেয়ে আমরা যেন ঐতিহ্যবাহী অর্থনৈতিক শক্তির সাথে বেশি আদানপ্রদান করি এটাই তাদের লক্ষ্য। কিন্তু আমরা তো বুঝতে পারছি আমাদের আগামী আদানপ্রদান বাড়বে ভারত চীন রাশিয়া আফ্রিকা দক্ষিণ আমেরিকার সাথে — এই বুঝতে পারাকে চ্যালেঞ্জ করেছে ইইউ ইউএসএ তারা তাই আমাদের ভূরাজনৈতিক যুদ্ধবস্তু বানাতে সর্বোচ্চ অপতৎপরতায় লিপ্ত আছে ও থাকবে। আমরা উদীয়মান অর্থনীতি হিসেবে আমাদের আজকের আদানপ্রদানও চালাতে হবে আগামীর আদানপ্রদানও বাড়াতে হবে। আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে, এবং একটা গণদাবির জাগরণ ঘটাতে হবে, বিশ্বশক্তির কাছে আমাদের আওয়াজ পৌঁছে দিতে হবে আজ আমাদের মতো সবার জন্য — ভূরাজনৈতিক যুদ্ধবস্তু বানাবেন না কোনো দেশকে, তার পরিণতি হবে ভয়াবহ, বিশ্বজুড়ে নেমে আসবে নিষ্ঠুরতম দারিদ্র, কাজেই সাবধান ইইউ ইউএসএ — সাবধান ভারত চীন রাশিয়া।

১৭ সেপ্টেম্বর সকালে কাদের মোল্লার রায় শুনতে শুনতে মনে হয়েছিল, এর চেয়ে বড় সংবাদ আর কী-ইবা হতে পারে; কিন্তু দিনের শেষে এসে দেখলাম, তার চেয়েও বড় সংবাদ হলো, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা গণপরিষদ নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে এ দেশের নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসকে দেয়া গণসংবর্ধনা ও সেখানে প্রদত্ত বক্তৃতাসমূহ।...

১৭ সেপ্টেম্বর সকালে কাদের মোল্লার রায় শুনতে শুনতে মনে হয়েছিল, এর চেয়ে বড় সংবাদ আর কী-ইবা হতে পারে; কিন্তু দিনের শেষে এসে দেখলাম, তার চেয়েও বড় সংবাদ হলো, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা গণপরিষদ নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে এ দেশের নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসকে দেয়া গণসংবর্ধনা ও সেখানে প্রদত্ত বক্তৃতাসমূহ। মুক্তিযোদ্ধা গণপরিষদ নামের এ সংগঠনটি এমন একটি সংগঠন, ড. ইউনূসের চারপাশে সমবেত মুক্তিযোদ্ধারা এমন সব মুক্তিযোদ্ধা, সকালে কাদের মোল্লার ফাসির সংবাদ শোনার পরও যাদের চোখেমুখে কোনও উচ্ছ্বাস জমে না, যারা একবারও শ্লোগান দিয়ে যুদ্ধাপরাধী বিচারের প্রত্যয় ঘোষণা করে না এবং যাদের আয়োজিত গণসংবর্ধনার অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে ‘প্রধানমন্ত্রীর মানসিক সুস্থতার জন্যে ডক্টর ও ডাক্তার সাহেবদের দোয়া মাহফিল’! গত ১৭ সেপ্টেম্বর ছিল এমন একটি দিন, যেদিন মুক্তিযোদ্ধাদের আয়োজিত কোনও অনুষ্ঠানে বা কোনও আলোচনা সভায় ঘুরেফিরে দেশের সর্বোচ্চ আদালতে একজন যুদ্ধাপরাধীর আন্তর্জাতিক অপরাধের চূড়ান্ত বিচারে সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়ার এবং সর্বস্তরে ছড়িয়ে পড়া স্বস্তির কথা উচ্চারিত হওয়ার কথা। কিন্তু ড. ইউনূস থেকে শুরু করে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রতিটি বক্তা ও প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধাই সে কথা ভুলে বসে ছিলেন। যেদিনটিতে ওই গণসংবর্ধনা দেয়া হয়েছে সেদিনটি আরও একটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ-১৯৬২ সালের ওই দিনটিতে গণবিরোধী শরীফ খানের শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ছাত্ররা রক্ত দিয়েছিল। কাদের মোল্লার মতো যুদ্ধাপরাধীর শাস্তি পাওয়ার বিষয়টি যাদের কাছে গুরুত্বহীন হয়ে পড়ে, শিক্ষা দিবসের কথাও যে তারা ভুলে থাকবেন, সেটিই স্বাভাবিক। অতীত যাদের কাছে টিস্যু পেপারের মতো বর্জ্য পদার্থ, তাদের দিয়ে বাণিজ্য ভালো জমতে পারে, কিন্তু মানুষের, রাষ্ট্র ও সমাজের অগ্রগতি হতে পারে না। তা হলে কী আলোচনা হয়েছে এ অনুষ্ঠানে? সে প্রসঙ্গে যাওয়ার একবার দেখে নেয়া যাক, কারা এ অনুষ্ঠানে ছিলেন বা বক্তৃতা রেখেছেন। এ অনুষ্ঠানে ছিলেন ১. ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২. ড. কামাল হোসেন ৩. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ৪. ড. আসিফ নজরুল ৫. শমসের মবিন চৌধুরী মুক্তিযোদ্ধা গণপরিষদের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা আইন উদ্দিন (অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল) বীর প্রতীক, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবদুস সালাম, সংগঠনের মহাসচিব সাদেক খান প্রমুখ। এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকার কথা ছিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি আর যেতে…

না হলে ক্রিয়া থাকবে পদ থাকবে না [...]

আমার এক পঞ্চাশোর্ধ বন্ধু কাদের মোল্লার ফাঁসির রায়ের পর সুশীলদের বাতচিত নেই কেন বলাতে তিনি বললেন, সুশীল = কোথায় গেল আমি বললাম এই তো বিপদে ফেললেন এখন তাহলে গানটা কিভাবে গাইব > আমার জীবনের এত হাসি, এত খুশি সুশীল? এভাবে? তিনি বললেন বাংলার তো কিছুই জান না দেখছি, বাংলার ক্রিয়াপদ চলে জুড়ে জুড়ে, হড়কালে কেন? গাইতে হবে > আমার জীবনের এত হাসি, এত খুশি সুশীল হল [কোথায় গেল হল] ?! তিনি বললেন তোমরা কেমন যেন ভয় পাও, বাংলা ক্রিয়াপদ বোঝ না, সুশীলরাও বোঝে না, ওদের মতো হয়ো না, জুড়ে জুড়ে চল, না হলে ক্রিয়া থাকবে পদ থাকবে না।

আমি সাতে পাঁচে থাকার মানুষ নই, আমার দৃষ্টি সবসময় আমার মতো করে বাঁধানো -- সাতে পাঁচের প্যাঁচে বাঁধা [...]

ছোটবেলা থেকে আমার প্রধান কাজ উদ্দেশ্যমূলক মাখামাখি, ওই যে কোনো খেলাই খেলতে পারতাম না সেখানেও আমার মাখামাখি থেকে প্রভাবশালী কারোরই রেহাই ছিল না – খেলার মাঠের ছেলেগুলো কেমন যেন আমাকে নিয়ে হাসাহাসি করত, পরে জেনেছিলাম আমি মাঠে গেলেই নাকি ওরা বলত, মাখন এসেছে। আর আমি আরেকটি কাজ করতাম, একাজটা আমি বিভিন্ন পরিস্থতিতে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে করতে পারতাম, এবং সত্যিকার অর্থে বলতে কি – আমার চেয়ে একাজ বাংলাদেশে এখনো পর্যন্ত আর কাউকে আমার চেয়ে ভালভাবে করতে দেখিনি – আমি ভুল লোক দিয়ে ঠিক কাজটি করাতে ঈর্ষণীয়ভাবে দক্ষ। আমি সাতে পাঁচে থাকার মানুষ নই, আমার দৃষ্টি সবসময় আমার মতো করে বাঁধানো -- সাতে পাঁচের প্যাঁচে বাঁধা – এবং এজন্যই আমার সাথে তাল রাখতে আমার গুণগ্রাহী তালবিদরাও সদাসতর্ক থাকেন, আমিও এমনই দৃষ্টিবিদ এমনই সতর্কতা জারি রাখি নিজের উপরও – কাউকে কখনো পরীক্ষামূলক প্যাঁচে ফেলার লোভে পড়ি না, সাতে পাঁচের প্যাঁচে কেউ পড়লে একবারই পড়ে – আর সেখান থেকে বের হতে পারে না। গোপনে এত কথা লেখাটা ঠিক হচ্ছে না, অবশ্য লেখার কারণও আছে, কিন্তু সেকারণটা কোথাও উন্মুক্ত করা যাবে না – কারণ জীবনে এই প্রথম মালেকা আমাকে না জানিয়ে কয়েকটি আমার জন্য প্রাণঘাতী পদক্ষেপ দিয়েছে – যার অভিঘাত আমার মতো গভীর জলের আত্মস্বীকৃত রাজাকারের আসনটাই তছনছ করে দেয় কিনা এই ভয় আমাকে স্নায়বিক তাড়নায় চুরমার করে দিতে চাইছে। চর্মকার মালাকার স্বর্ণকার তো বোঝেন, কাজেই রাজাকারও নিশ্চয়ই বোঝেন – গর্বের সাথে দুদশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে এই রাজা বানানোর কাজ করছি বলে দুনিয়াজোড়া ফুলানো ফাঁফানো আমার যে হাঁকডাক তা কি এবার ধুলিসাৎ হয়ে যাবে? আরো গোপন ডায়েরি : হন্যতে : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গোপন ডায়েরি আসব আগের দিন আজ যাই : মনমোহন সিংয়ের গোপন ডায়েরি পুতুল প্রতিভা : মওদুদ আহমেদের গোপন ডায়েরি চাণক্য নই : প্রণব মুখার্জির গোপন ডায়েরি কই মাছের প্রাণ : এরশাদের গোপন ডায়েরি এক বিয়োগ এক : খালেদা জিয়ার গোপন ডায়েরি আমার জলবায়ু : শেখ হাসিনার গোপন ডায়েরি টিপাইমুখ বাঁধ : দীপু মনির গোপন ডায়েরি

রক্ষা হলেও হতে পারে একমাত্র এই উপায়ে। [...]

রক্ষা হলেও হতে পারে একমাত্র এই উপায়ে। প্রাকবুথ সমীক্ষা বুথফেরত সমীক্ষা এসব ভাল, এসব যথেষ্ট মনোযোগের সাথে পড়া আমার অনেক দিনের অভ্যাস, এবং এটা পশ্চিমে বিজ্ঞান হয়ে উঠেছে আজকাল, পরিসংখ্যানের এই বিশেষ তথ্যবিশ্লিষ্ট হাতে পাওয়া জ্ঞান কখনো কখনো অতিমাত্রায় অমোঘ হতেও দেখা গেছে সেখানে। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো শেষ মুহুর্তের বেনিফিটঅফডাউটের আনুকূল্যটাই অর্জিত সিদ্ধান্তের মোক্ষম দাগটা উপহার দেয় সঙ্গতভাবেই। কাজেই একরৈখিক উদ্দীপক সিটিকর্পোরেশন ইয়াবা এবং প্রনিধাণযোগ্য পোলভল্ট প্রত্যয় দুটোই সত্য এবং এর উপর ভিত্তি করেই নির্বাচনী শক্তিগুলো এগুবে কিন্তু সুনিশ্চিত করে কেউ বলতে পারবে না ইয়াবার দ্রব্যগুণে সাফল্য আসবে বা প্রত্যয়ের মুখ লক্ষ্যে পৌঁছে শেষ হাসি হাসবে। এই বলতে না পারাকে যে যত বেশি গুরুত্বের সাথে নেবে, এই অনিশ্চয়তার শক্তিকে যে যত বেশি স্নায়ুতে ধারণ করতে পারবে, সংখ্যাতত্ত্বের পাশাপাশি যে মনস্তত্ত্বকে ও নিজের কাজের নিষ্ঠা ও কূটকৌশলকে অনিশ্চিত পথে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ রাখতে পারবে চূড়ান্ত মুহূর্তের সমীকরণ তার দিকেই হেলে থাকবে। যে যত বেশি দূরবর্তীতে আঘাত হানতে পারবে, মহাবিশৃঙ্খলাকে যে যত বেশি ম্যাট্রিক্সে ধরতে পারবে, নিউইয়র্কে প্রজাপতির পাখা ঝাপটানোতে কোপাকাবানার সমুদ্রসৈকতে বাতাসের গতি যে বাড়তে পারে, কাশীধামে কাক মরেছে কামরূপেতে হাহাকার যে সত্যিই হয়, মস্কোতে বৃষ্টি হলে ঢাকাতে ছাতা খোলার যে আসলেই প্রয়োজন আছে – এসব আন্তসম্পর্কের যে যত বেশি ঘনিষ্ঠ হতে পারবে সে তত এগিয়ে থাকবে। কারণ কেন্দ্রে বসেও ঊর্ণনাভ প্রান্তিকের টানাপোড়েন টের পায় নাভির সক্ষমতায় – ওই প্রান্তিকের হিসাব যার যত সূক্ষ্ণ হবে, ব্যাটের কোনাকাঞ্চির জ্ঞান যার যত বেশি, দৌড়ে পৌঁছে যাওয়ার জীবনীশক্তি ও স্পৃহা যার যত বেশি অনিশ্চিতের ফলে তার তত হাত।

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.