জোসে ফার্নান্দেজকে আমাদের পক্ষে এত তাড়াতাড়ি ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়-সংক্রান্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি তিনি। গত মে মাসের শেষদিকে বাংলাদেশ সফর করতে এসে এই ফার্নান্দেজ আমাদের জানিয়েছিলেন, দু দেশের মানে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।...

জোসে ফার্নান্দেজকে আমাদের পক্ষে এত তাড়াতাড়ি ভুলে যাওয়া সম্ভব নয়। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়-সংক্রান্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি তিনি। গত মে মাসের শেষদিকে বাংলাদেশ সফর করতে এসে এই ফার্নান্দেজ আমাদের জানিয়েছিলেন, দু দেশের মানে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। তবে তার ওই কথা বোধহয় অনেকের মনে তত দাগ কাটেনি। কেননা প্রায় একই সময় বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি ওয়েন্ডি শেরম্যান -সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক বাতিল করে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছিলেন। রাজনীতিবিষয়ক আর বাণিজ্যবিষয়ক দু জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির প্রায় একই সময়ের সফরের মাত্র দু পক্ষের মাথায় গত ১৭ জুন বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে টিকফার খসড়া চুক্তি অনুমোদন মিললেও এ দেশের গার্মেন্টস শিল্প জিএসপি সুবিধা বঞ্চিত হওয়ার মধ্যে দিয়ে বোঝা যাচ্ছে, ফার্নান্দেজ শুধু ইঙ্গিত নয়, বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎই নির্ধারণ করে গিয়েছেন। এখন কেঁদেকেট সাতকুল ভাসালেও বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয় সেই ভাগ্যরেখা থেকে বেরিয়ে আসা। এক অর্থে,গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বি-পক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্কের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। গত এক দশকের হিসেবে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ দ্বিগুণ হওয়ার ঘটনা তো আছেই-পাশাপাশি রয়েছে গত দু বছরেই এ বাণিজ্য ১১ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার রেকর্ড। এরকম প্রেক্ষাপট থাকার পরও ফার্নান্দেজ গত ২৬ মে ঢাকা চেম্বার আয়োজিত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাত ফোরামের বাণিজ্য ও বিনিয়োগবিষয়ক অধিবেশনের বক্তব্যে সম্পর্কজনিত জটিলতার কথা তুলেছিলেন। একই অধিবেশনে ঢাকা চেম্বারের পরিচালক মহিউদ্দিন মোনেম বলেছিলেন, ‘টিকফা চুক্তি স্বাক্ষর করা হলেই জিএসপি সুবিধা থাকবে-এরকম হলে চলবে না।’ নিশ্চয়ই মহিউদ্দিন মোনেমের বক্তব্যটি কথার কথা ছিল না। অনেকে মনে করেন, টিকফার সঙ্গে জিএসপি ইস্যুর কোনও সম্পর্ক নেই, ঠিক তেমনি সম্পর্ক নেই জিএসপির স্থগিতাদেশের সঙ্গে ওয়াশিংটন টাইমসে খালেদা জিয়ার অভিমত-নিবন্ধ লেখার। জিএসপি ইস্যুটি নিতান্তই শ্রম অধিকার ও কর্মপরিবেশের নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এবং সে নিরিখেই গত সপ্তাহে বাংলাদেশে জিএসপি সুবিধা স্থগিত করা হয়েছে বলে মনে করেন তারা। বিষয়টি এরকম সহজ, সরল হলে ভালোই হতো। ‘বিশ্বে থাক সহজ সুখে, সরল আনন্দে’ রবীন্দ্রনাথ আমাদের এরকম পরামর্শই দিয়ে গেছেন। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সেই ‘সহজ কথা যায় না লেখা সহজে’র মতোই সহজে কি সহজ থাকা সম্ভব? সহজে কি সব কিছু সহজ ভাবা সম্ভব? আপাতদৃষ্টিতে এরকমই মনে…

সমস্যা এখানে যে এদের বিরুদ্ধে জঙ্গি অর্থায়ন ও জামাতি ফান্ড সৃষ্টির সঙ্গত অভিযোগ উঠেছে।[...]

টুইট করতে করতে অনেক সময় এমন কিছু গুচ্ছ টুইট হয়ে যায় যেগুলোকে পোস্টের রূপ সহজে দেয়া যায়। সেকাজটাই এখানে করা হল। আগে এরকম প্রচুর টুইট কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। এখন থেকে ভাবছি, এরকম টুইটগুলোকে ‘টুইট থেকে পোস্টে’ সিরিজে সংগ্রহ করে রাখব। ইসলামি ব্যাংক সমূহ বা ইসলামি ব্যবসা সমূহ কোনো সমস্যা নয়, যেটুকু চাহিদা এরা বাজারে সৃষ্টি করেছে সেটা বাজারের নিয়ম অনুযায়ী বাড়বে +— masud karim (@urumurum) June 28, 2013 + বা কমবে। কিন্তু সমস্যা এখানে যে এদের বিরুদ্ধে জঙ্গি অর্থায়ন ও জামাতি ফান্ড সৃষ্টির সঙ্গত অভিযোগ উঠেছে। এখন এই অভিযোগের ভিত্তিতে +— masud karim (@urumurum) June 28, 2013 + ইসলামি ব্যাংক সমূহ জাতীয়করণ এবং ইসলামি ব্যবসা সমূহ বয়কট কোনো সমাধান নয়। আবুল বারাকাতের যে গবেষণা তার মূল স্পিরিট নিয়ে সরকারের +— masud karim (@urumurum) June 28, 2013 + অর্খনৈতিক কমিশন করা উচিত - একটা ব্যাংকের জন্য এবং একটা ব্যবসার জন্য, এই কমিশনের ক্ষমতা এমন হবে তারা এই ব্যাংক ও ব্যবসা সমূহের +— masud karim (@urumurum) June 28, 2013 + সব ধাপ ও আদানপ্রদান পরীক্ষানিরীক্ষা করতে পারবে এবং এই ব্যাংক ও ব্যবসা সমূহের জঙ্গি অর্থায়ন ও জামাতি ফান্ড সৃষ্টির প্রক্রিয়াগুলো +— masud karim (@urumurum) June 28, 2013 + তথ্যগতভাবে উপস্থাপন করবে। সেসাথে ইসলামি ব্যাংক সমূহ অন্যান্য ব্যাংকের চেয়ে অতিরিক্ত কোনো সুবিধা ভোগ করলে সেগুলোও চিহ্নিত করতে +— masud karim (@urumurum) June 28, 2013 + হবে। এখন কথা হচ্ছে সরকারের শেষ সময় এসে এটা সম্ভব কিনা, আলবৎ সম্ভব সরকারের হাতে এখনো যে কয়েক মাস হাতে আছে তাতে সরকার সহজেই এই +— masud karim (@urumurum) June 28, 2013 + কাজ শুরু করতে পারে। এবং এই কমিশনের কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানের শাখা উদ্বোধন বা অন্য কোনো অনুষ্ঠানে সরকারের বা +— masud karim (@urumurum) June 28, 2013 + সরকারি দলের কারো আমন্ত্রিত ও অনামন্ত্রিত উপস্থিতির উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি কর যেতে পারে। এবং এই কমিশন গঠনের সাথে সাথে এসব +— masud karim (@urumurum) June 28, 2013 + প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সরকারি আধাসরকারি কোনো প্রোগ্রামের জন্য পৃষ্টপোষকতা গ্রহণ সম্পূর্ণ বন্ধ ঘোষণা করতে হবে…

"মুনিম ভাই, আপনেরে ২৮০০ 'টাকার' কার্ড দিসে সিটি ব্যাঙ্ক, কই খাওয়াইবেন কন" আমার রুমমেট চেঁচিয়ে ঊঠল [..]

"মুনিম ভাই, আপনেরে ২৮০০ 'টাকার' কার্ড দিসে সিটি ব্যাঙ্ক, কই খাওয়াইবেন কন" আমার রুমমেট চেঁচিয়ে ঊঠল। আমেরিকায় আমার প্রথম ক্রেডিট কার্ড, ২৮০০ ডলার, এই ২৮০০ ডলারে আমি একশো ফানুস কিনে কিছু ফানুস উড়ানোর আজন্ম সলজ্জ সাধ পূরণ করতে পারি, নতুন জুতো কিনতে পারি, বেড়াতে যেতে পারি, শুধু মাসের শেষে মিনিমাম পেমেন্ট করলেই হবে। আমি শ তিনেক ডলার প্রথম মাসেই লোণ করলাম, মিনিমাম পেমেন্ট মোটে বিশ ডলার। কয়েক মাস বাদে আমার লোণ হাজার দুয়েক, মিনিমাম পেমেন্ট এমন কিছু নয়, ৫০ ডলার। আরও কয়েকটা কার্ড বাগিয়ে আমার ক্রেডিট লিমিট দাঁড়ালো ১৫ হাজারে, দুবছর বাদে দেশে গিয়ে বিয়েও করে এলাম, মূলত ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেই। এর বছর খানেক পরে আমার স্ত্রী যখন এদেশে এলেন, তখন মিনিমাম পেমেন্ট আর 'মিনিমাম' নেই, সেটা মাসে ৭০০ ডলারের কাছাকাছি। আমার মোট ঋণ তখন বিশ হাজার ডলারের উপরে। এই ঋণের চাপে নব বিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে জোছনা এবং বৃষ্টি বিষয়ক নানা হূমায়নীয় ঢং করার যে স্বপ্ন ছিল, তাও বাস্তবায়িত হয়নি। আমার স্ত্রীকে মঁপাসার 'দ্য ডায়মন্ড নেকলেসের' কেরানীর স্ত্রীর মত কাজে নামতে হয় এবং কয়েকবছর কাজ করার পর আমাদের ঋণ শোধ হয়। আমি ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিগুলো থেকে থেকে যা লোণ নিয়েছি তার পরিমাণ সব মিলিয়ে ১২-১৪ হাজারের বেশী নয়। তবে সব মিলিয়ে শোধ করেছি ৩০ হাজার ডলারেরও বেশী। ব্যক্তিগত গল্প বলে বিরক্তি উৎপাদনের জন্য দুঃখিত। তবে এই গল্প ঠিক ব্যক্তিগত নয়, আমেরিকাতে বসবাসকারী প্রায় সবারই একই গল্প। আমেরিকান বড় বড় ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিগুলো অতি লাভজনক ব্যবসা করে চলেছে দশকের পর দশক। সিটি গ্রুপের কার্ড নিয়ে আমি যে শুধ ফানুস উড়িয়েছি তাই নয়, টিউশন ফি দিয়েছি, পাঠ্যবই কিনেছি, মানে সেই কার্ড আমাকে পড়াশুনা শেষ করে আমেরিকায় নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্যও করেছে, শুধু আমাকেই নয়, লক্ষ লক্ষ মার্কিন ছাত্রকে করেছে। কিন্তু তাই আমরা কেউই বলছি না যে সিটি গ্রুপের CEO বিক্রম পণ্ডিতের নোবেল পাওয়া উচিত। বিক্রম বাবু নোবেল তো দুরের কথা, অতিরিক্ত বোনাস নেবার কারণে ওবামার বিরক্তির কারণ হয়েছিলেন। বাংলাদেশেও গ্রামীণ ব্যাঙ্ক নামে একটি ব্যাঙ্ক আছে, গত কয়েক দশক ধরে মার্কিন ক্রেডিট কার্ড কোম্পানিগুলোর মত লাভজনক ব্যবসা করছে। ঋণ দেওয়া হয়েছে দরিদ্রদের, তাদের…

এই বাজার তোমাকেও ঋণপ্রদানে ইতস্তত করেনি[...]

হে ভিক্ষুক এই বাজার তোমাকেও ঋণপ্রদানে ইতস্তত করেনি, আজ বাজারকে সমুন্নত রাখার স্বার্থে তুমিও ঝুলি উজাড় করে বাজারকে ঋণপ্রদানে বাধ্য তো থাকবে।

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.