শ্রীলন্কা থেকে আমার এক বন্ধুর পাঠানো ইমেইলটি পড়ুন। এবং যথাসাধ্য সাহায্যের চেষ্টা করুন [...]

শ্রীলন্কা থেকে আমার এক বন্ধুর পাঠানো ইমেইলটি পড়ুন। এবং যথাসাধ্য সাহায্যের চেষ্টা করুন। Dear Friends As you must all know Sri Lanka is very much in the news these days, with a growing humanitarian crisis. Since Jan this year over 120,000 innocent Tamil civilians have escaped from the LTTE to the government controlled areas. Since Monday the 20th of April 62,000 people have fled the LTTE. And as of now around 10,000 civilians are still trapped in the no fire zone. In the process of escaping thousands have been killed and thousands more have been seriously hurt. These IDPs have suffered for as long as 2 decades and now that they have escaped we want to try and do our best to make sure that they don't starve to death. The most urgent need right now is for food, medicine,shelter and clothing. But food and nourishment is priority and it's too big a task for the government to handle alone. Thus the situation is most critical and needs to be addressed urgently. And I think it's our duty as people of Sri Lanka to help our citizens in time of need so LETS STEP FORWARD AND MAKE A DIFFERENCE! A group of our friends and colleagues from all parts of the world raised funds to build 75 houses and gift 56 fishing boats when the tsunami hit us, and for that we will be ever so grateful. Some of you have since been to SL and seen them for yourselves. I know most of you must be effected by the prevailing economic global crisis. Thus I understand that some of you might not be able to help. However the smallest of contributions is most welcome, and if you could collect funds from your friends etc....it' will be very much appreciated. The programme is to provide 5000 packs, each pack of dry rations containing 7 kg of rice, 2 kg flour,…

উৎসের রূপকথা কবে এবং কোথায় মানুষ প্রথম কফিগাছটিকে তার একটি প্রধান পানীয়ের উৎস হিসেবে চিনে নিয়েছিল এ বিষয়ে সঠিক জানাশোনা মানুষের ইতিহাসে নেই। এবং কেউই এখন আর জানে না কে ছিল সে মানুষ, যে এই উদ্ভিজ্জ পদার্থটিকে এক উষ্ণ সমৃদ্ধ সৌরভময় পানীয়ে রূপান্তর ঘটিয়েছিল। তাই এ বিষয়ে রূপকথার প্রচলনটাই বিশেষ। আর আমাদের একালে এর প্রতিটিকেই কমবেশি রম্য মনে হয়। এর মধ্যে যেটি বহুল প্রচলিত, এবং সবগুলোর মধ্যে বেশি সমৃদ্ধ, সেটি আমরা জানতে পেরেছি এক মারোনিৎ সন্ন্যাসীর কাছ থেকে, যখন তিনি সরবনের ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপক হয়ে এলেন আঠার শতকের গোড়ায়। তিনি প্রচার করলেন যে, এক খ্রিষ্টীয় বিহারের পাদ্রি মৃতসাগরের তীরগুলোর কাছাকাছি থাকা ছোট্ট টিলাগুলোতে বসে অবসর যাপন করতেন, একবার সেখানে তিনি চরে বেড়ানো ছাগলগুলোর মধ্যে আশ্চর্য এক আচরণ খেয়াল করলেন। তিনি দেখলেন এ ছাগলগুলো একজায়গায় বেশিক্ষণ না থেকে খালি ঘুরে বেড়ায় এবং সারা রাত জেগে কাটায়—এভাবে তিনি এও খেয়াল করলেন এ ছাগলগুলো একধরনের ঘন বেঁটে গুল্মের কাছে একত্র হয়, যে গুল্মের পাতা ঘনসবুজ শক্ত এবং উজ্জ্বল আর সমস্ত গুল্ম ভরে থাকে এক

প্রকার দানায় যা দেখতে বেগুনী, খুবই জীবন্ত এবং ছোট্ট চেরিখণ্ডের মতো। তিনি দেখলেন ছাগলগুলো এসবই চিবুচ্ছে। বুড়ো পাদ্রি এই দেখে এই দানাগুলো পানিতে সিদ্ধ করতে লাগলেন ভেবে দেখলেন হয়তো এভাবে পান করে তিনি intoxicated হতে পারবেন। বেশ করে ফুটালেন তিনি, ঐ ফুটন্ত পানীয়ই তিনি যন্ত্রণা নিয়ে পান করলেন, আশ্চর্য! এ তাকে নিয়োজিত করল এক মাতাল অবস্থায়—কিন্তু তার আনন্দের হাবভাব একটুও নষ্ট হলো না—তার চেতনার কিঞ্চিৎ লোপও তিনি অনুভব করলেন না। পক্ষান্তরে তার মানসিক অবস্থান আরো তীক্ষ্ণ হয়ে উঠল আর ভাবগুলোকে দেখতে পেলেন স্বচ্ছতম দশায়—বেশ প্রাণবন্ত আর গতিময়। তিনি উপলব্ধি করলেন সান্দ্রতায় তার চিন্তাগুলোর জট খুলছে কী বিশুদ্ধ একেকটি পদক্ষেপে। আশেপাশের বস্তুজগত আর ভূমিচিত্র যা তাকে ঘিরে আছে হয়ে উঠল চরম প্রেরণাদায়ী। যে জিনিসটির প্রতি তিনি তাকাতেন বা যে চিন্তাটির মধ্যে তিনি নিজেকে নিয়োজিত করতেন, তা যতই ক্ষুদ্র হোক না কেন, শেষ মুহূর্তে তিনি তার থেকে আবিষ্কার করতেন এক অপ্রত্যাশিত গুরুত্ব। প্রত্যঙ্গগুলো হতো হালকা, মস্তিষ্ক হতো সকল ভারমুক্ত, ধর্মতত্ত্ব হয়ে উঠত মানসিক মত্ততার এক অভিজ্ঞতা যা তন্দ্রাকে দূরীভূত করত এবং ফিরিয়ে…

আমরা আমাদের প্রতিনিয়তের গ্লানি নিয়ে উৎসবে আক্রান্ত হই। অংশগ্রহণ থেকে অনেক দূরে আমাদের অবস্থান। এতই দূরে যে আর কিছুই আমাদের উৎসবের উদযাপিত দিনের কাছে নিয়ে যেতে পারে না। মৃত, এই মৃত্যু, আমরা আমাদের ভেতর বয়ে বেড়াচ্ছি, কেউই নেই আর আমাদের ফেরাতে পারে। ভুলেও আমরা ফিরব না, ভুলেও আমরা দেখব না, আমাদের যা কিছু, পণ্যতার বিবরণ ছাড়া তাতে আর কিছুই খুঁজে পাওয়া যাবে না। যত বিভৎস হতে পারে লালসাদা, যত কল্পনাহীন হতে পারে সাদাকালো, যত অন্বয়হীন হতে পারে রংবেরং—এই নিয়ে এখন আমাদের উৎসবের দিনযাপন। আমরা নাগরিকতাহীন সব শহুরে বিদঘুটে পরিজন, আমাদের পরিমণ্ডল আমাদের দিনাতিপাতকেই শুধু বহন করে, আমাদের নেই কোনো URBAN CENTRE যা না থাকলে নাগরিক সংষ্কৃতি তার প্রকাশ খুঁজে পায় না, লাইব্রেরি নেই, মিউজিয়াম নেই, সঙ্গীত কেন্দ্র নেই, নৃত্যকেন্দ্র নেই, ওই দিনাতিপাত আমাদের কুরে কুরে খাচ্ছে, উৎসবে তার দগদগে ঘা দেখতে পাচ্ছি। পহেলা বৈশাখ ডিসিহিল সিআরবি দামপাড়া চট্টগ্রাম।

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.