প্রায় নিঃশব্দেই আমাদের দেশের লোকজ চিন্তাতত্ত্ব অষ্টাদশ শতাব্দীতে বিকাশের সোপানশীর্ষে ওঠে। তখন একদিকে ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসন চলছে এবং ওই শাসনপ্রক্রিয়ার সঙ্গে কোনও মুখোমুখি বিরোধিতায় না গিয়ে বাঙালির মনন আধুনিক করে তোলার কাজ করে চলেছেন রামমোহন (১৭৭২-১৮৩৩), রাধাকান্ত দেব (১৭৮৩-১৮৬৭), ডিরোজিও (১৮০৯-১৮৩১), বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১), মধুসূদন (১৮২৪-১৮৭৩), বঙ্কিমচন্দ্র (১৮৩৮-১৮৯৪) প্রমুখ চিন্তার জগতে আলোড়ন তোলা নিবেদিতপ্রাণ মানুষেরা। এর অন্যদিকে সাধারণ জনতার বিক্ষুব্ধ মনোজগত আপাতচোখে হঠাৎ হলেও মূলত দীর্ঘ বঞ্চণার পথ বেয়ে প্রকাশ পেয়েছিল সিপাহী মঙ্গল পাণ্ডের প্রতিবাদ থেকে সৃষ্ট সর্বস্তর ছুঁয়ে যাওয়া ১৮৫৭-এর মহাবিদ্রোহের মাধ্যমে। (more…)
নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ, যেমন দাসত্ব ও গণহত্যা, সবসময়ই ভুল৷ এই নীতি বহু বছর আগেই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, এবং আন্তর্জাতিক আইনে সন্নিবেশিত করা হয়েছে৷ মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণা-এর অনুচ্ছেদ ৫ অনুযায়ী সবার অধিকার রয়েছে নির্যাতন ও নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তির (‘অন্যান্য নিষ্ঠুর-আচরণ’) হাত থেকে মুক্ত থাকার৷ (more…)
পাঠক সুপারিশকৃত এ সপ্তাহের কিছু লিংক (more…)
জামাতে ইসলামী ভূত দেখছে,- সত্তরের নির্বাচনের ভূত! তাদের কাছে মনে হচ্ছে এবারের নির্বাচন হবে সত্তরের নির্বাচনের মতো, তাদের ভাষায় যা ‘একতরফা’; তাদের ভাষায়, যে-নির্বাচনে ‘আওয়ামী লীগ জোর করে ভোট আদায় করেছিল।’ এবারের নির্বাচন কেমন হবে? সত্তরের নির্বাচনটি যদি বুঝতে পারি, তা হলে সেটি বোঝা বোধকরি আরও সহজ হবে। আর তা বুঝতে হলে খানিকক্ষণের জন্যে ইতিহাসের পাশে দাঁড়াতে হবে, বিশেষ করে তাদের যারা সত্তরের নির্বাচন চোখে দেখেননি। (more…)
মত প্রকাশ, সমাবেশ ও সংগঠন করার স্বাধীনতার উপর থেকে কিছু জরুরি নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা সম্পর্কে বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সিদ্ধান্ত একটি ভালো পদক্ষেপ, এবং সুনির্দিষ্ট কার্যক্রমের মাধ্যমে একে অবশ্যই সমর্থন করা উচিত৷এ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ করে রাখা ২০০৭ সালের জরুরি ক্ষমতা আইনের ৫ ও ৬ নম্বর ধারা প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশকে এই অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার আরো এক ধাপ কাছে নিয়ে আসা হয়েছে৷ (more…)
