মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিন্ক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে। ধন্যবাদ।
মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিন্ক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে। ধন্যবাদ।
মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিন্ক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে। ধন্যবাদ।
আমার তেরোমাসের ছেলেকে আমি ছোট্টবেলা থেকে বড় অত্যাচার করেছি, ১. সকালে ঘুম থেকে আমাকে লাথি দিয়ে জাগিয়ে দিলে শুনিয়েছি- “কাঁদতে আসিনি/খাওয়ার দাবী নিয়ে এসেছি” ২. খেয়েদেয়ে একটু বমি হলেই গেয়েছি- “দই চাই গো দই চাই/দই চাই গো” ৩. ন্যাপি বদলাবার আগে বাধাদানপর্বে গেয়েছি- “বিদ্রোহ আজ বিদ্রোহ চারিদিকে/আমি যাই তারি দিনপঞ্জিকা লিখে” ৪. ন্যাপি পাল্টানোর সাথে সাথে- “হারে রে রে রে রে আমায় রাখবে ধরে কে রে” ৫. ঘুম পাড়াবার চেষ্টা দেখে এঁকেবেঁকে পালানোর চেষ্টা করলে - “তোমার ভয় নেই মা আমরা প্রতিবাদ করতে জানি” ৬. কোলে নিয়ে রান্নার কড়াইয়ে খুন্তি নাড়তে নাড়তে গেয়েছি- “বেলা যায় বহিয়া দাও কহিয়া/কোন বনে যাব শিকারে” সুবীর সেন-অনূপ-মানবেন্দ্র-সতীনাথ-শ্যামল মিত্র যেদিন যিনি আমার মাথায় ভর করেছেন, ছেলেটাকেও আমি শুনিয়েছি এন্তার। সে ফ্যালফ্যালে টলটলে চোখ মেলে প্রথমে খুব শুনতো, পরে অস্থির হয়ে ঘুমিয়ে পড়তো আর এখন মরিয়া হয়ে ‘বুথ সাহেবের বাচ্চাটা’ হয়ে এপিগ্লটিস তিরতির করে কাঁপিয়ে ঠা ঠা চিৎকার দিয়ে কাঁদে। সে যখন ন্যাদন্যাদে বাচ্চাটা কেবল, আমি খুব মেতেছিলাম আমাদের ছেলেভুলানো ছড়া নিয়ে, ভাত (‘দুধমাখা ভাত কাকে খায়’, ‘তাই তো খুকু রাগ করেছে ভাত খায়নি কাল’) আর বাল্যবিবাহ (‘খোকা যাবে শ্বশুরবাড়ি’, ‘হাতি নাচছে ঘোড়া নাচছে সোনামনির বিয়ে’, ‘বেড়া ভেঙে বউ পালালো শেয়াল মরে হেসে, বউ সাজবে কাল কি চড়বে সোনার পালকি’, ‘হাজার টাকার বউ এনেছি খাঁদা নাকের চূড়ো’, ‘এত ডাকি তবু কথা কয় না কেন বউ’) যেসব ছড়ার প্রতিপাদ্য…যেগুলি যেকোনো পুরোনো চিহ্নের মতোই আমি ভালবেসেছি। কিন্তু দেখলাম আমি বড় একা, আমার মন্ত্রী নেই, উজির নেই, কোটাল নেই। আমার ছড়া আর গল্প শিশুমৃত্যুর ভারে ন্যুব্জ, বাল্যবিবাহের বেদনায় ম্যুহমান (বর আসবে এখনি/ নিয়ে যাবে তখনি/ভেবে কেন মরো/আপনি ভাবিয়া দেখ কার ঘর করো) সে না হয় বুঝলাম, আমাদের ছড়ার দুধভাত-আমসত্ত-কদলী-সয়দাবাদের ময়দা-কাশিমবাজারের ঘি এর পিছনে আমৃত্যু অর্ধাহার আর অনাহারের যে ছায়া (‘কখনো মাসী বলেন না যে খই-মোয়াটা ধর…কিসের মাসী কিসের পিসী কিসের বৃন্দাবন’), আমাদের ছড়ায় বিয়েই যে একমাত্র আমোদ-জামাই আদর যে সর্বোচ্চ আদর (‘সকল জামাই খেয়ে গেল মেজজামাই কই’) এইসবের পিছনে রয়েছে জাতের চারিত্র। আজ আমার কাল আলাদা বলে এইসব কালের চিহ্ন তো মোচন করা যাবে না। কিন্তু তা বলে আমার…
মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিন্ক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে। ধন্যবাদ।
