এই লেখাটি 'আজকাল'এ ছাপা হয়েছিল। এখানে চুক্তির শর্তগুলো পরিষ্কারভাবে দেয়া আছে। আগ্রহীরা পড়ুন ও মন্তব্য করুন। http://www.aajkaal.net/archive/cat.php?hidd_cat_id=6

অভিযোগ উঠেছে (বিডি নিউজ ২৪) যে জনপ্রিয় ব্লগিং সাইট সচলায়তন বাংলাদেশে ব্লক করে দেয়া হয়েছে গতকাল (মঙ্গলবার) থেকে। অনেকে মনে করছেন এই সিদ্ধান্তের পেছনে নিগৃহীত মুক্তিযোদ্ধা জনাব শেখ আলী মোহাম্মদ আমানকে নিয়ে সচলায়তনে ছাপানো স্বাধীনতার চেতনার পক্ষে প্রতিবাদী কিছু পোস্ট দায়ী। (more…)

এবার জামায়াতে ইসলামী গঠন করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ এবং তারই সমাবেশে এসে নিগৃহীত হয়েছেন শেখ মোহাম্মদ আলী আমান নামে এক বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা। কয়েক বছর আগে জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ছাত্র শিবির যখন ২১শে ফেব্রুয়ারি পালন করতে শুরু করে তখন থেকেই সচেতন সমাজ শঙ্কিত। আজ সে শঙ্কা আতংকে রূপ নিচ্ছে।

এবার জামায়াতে ইসলামী গঠন করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ এবং তারই সমাবেশে এসে নিগৃহীত হয়েছেন শেখ মোহাম্মদ আলী আমান নামে এক বৃদ্ধ মুক্তিযোদ্ধা। কয়েক বছর আগে জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ছাত্র শিবির যখন ২১শে ফেব্রুয়ারি পালন করতে শুরু করে তখন থেকেই সচেতন সমাজ শঙ্কিত। আজ সে শঙ্কা আতংকে রূপ নিচ্ছে। শীঘ্রই জামায়াত হয়তো নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের প্রধান শক্তি হিসেবে প্রচার করা শুরু করবে। আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাস এমনিতেই কিছুটা কুয়াশায় ঘেরা। এখন কি চোখের সামনেই তাকে এভাবে মেঘে ঢেকে যেতে দেখবো আমরা? [প্রাসঙ্গিক: ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬]

আলোচনার সুবিধার্থে ব্লগপোস্টটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করে নিচ্ছি। প্রথমভাগের আলোচনাটি কমরেড জামানের মূল্যায়নটির সুনির্দিষ্ট বক্তব্যনির্ভর, পাঠকের সুবিধার্থে মূল্যায়নটির কিছু কিছু অংশ সেখানে সরাসরি উদ্ধৃত। পাশাপাশি, যেখানে প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সাম্প্রতিক কিছু উদাহরণ তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। দ্বিতীয় অংশটি বৃহত্তর দৃশ্যপট নিয়ে, যেখানে চেষ্টা করেছি সমাজতান্ত্রিক দল এবং আদর্শকে ঘিরে আবর্তিত "পার্টি সাহিত্যে"র ধারণা এবং আনুষঙ্গিক কিছু বিষয়ের ওপর আলোকপাত করার।

কবি শামসুর রাহমানের মৃত্যুর পর কলকাতা থেকে প্রকাশিত দ্বি‌-মাসিক "পথিকৃৎ"-এর পক্ষ থেকে প্রয়াত কবির উপর একটি বিশ্লেষণধর্মী লেখা ছাপাবার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। লেখাটি চাওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল - বাসদ-এর আহ্বায়ক কমরেড খালেকুজ্জামানের কাছে। কমরেড জামান-কৃত কবির মূল্যায়নটি পড়তে হলে এই লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন। সুন্দরভাবে টাইপ করা তথ্যসমৃদ্ধ মূল্যায়নটি পড়ে আমার মনে কিছু প্রশ্ন জেগেছে, যে কারণে এই ব্লগ লেখা। শুরুতে বুঝতে পারিনি যে লেখাটি এত দীর্ঘ হয়ে যাবে; তাই পাঠকের কাছে অগ্রিম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি তাঁদের অনেকটা সময় নিয়ে নেয়ার জন্য। আমার জানা নেই কমরেড খালেকুজ্জামানের সাহিত্য সমালোচনার কোনো প্রশিক্ষণলব্ধ যোগ্যতা (যেমন: সাহিত্যে উচ্চতর ডিগ্রি), কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা (যেমন: দীর্ঘদিন কোনো পত্রিকার সাহিত্য পাতা সম্পাদনার সাথে সম্পৃক্ততা), কিংবা একজন সাহিত্যিক বা সাহিত্য সমালোচক হিসেবে সর্বজনগ্রাহ্যতা আছে কিনা। ধরে নিতে হচ্ছে, এই তিন দলের অন্তত যে-কোনো একটির মধ্যে তিনি পড়েন; আর তা নাহলে কেনই-বা "পথিকৃৎ" নামের এই সাহিত্য পত্রিকাটি তাঁর কাছেই কবি শামসুর রাহমানের মূল্যায়ন চাইবে ? আর যদি তিনি এই তিনটি দলের কোনোটির ভেতরই না পড়েন, তখন পুরো বিষয়টিকেই একটু অন্যভাবে দেখার অবকাশ থাকে বৈকি। এ প্রসঙ্গে বলে রাখা দরকার, "পথিকৃৎ" পত্রিকার এই মূল্যায়ন চাওয়ার বিষয়টিও কিছুটা কৌতূহলোদ্দীপক। কেন একটি সাহিত্য পত্রিকা একজন অসাহিত্যিকের কাছ থেকে শামসুর রাহমানের মূল্যায়ন চাইবে, সে বিষয়টা আমার এবং আরো অনেকের কাছেই পরিষ্কার নয়। একজন কবি, তা-ও শামসুর রাহমানের মাপের একজন কবি কোনো দেশ, কাল বা সীমানার মধ্যে আবদ্ধ থাকেন না; কোনো দল বা মতাদর্শের মধ্যে তো নয়ই। তাঁর মতো কবিরা পৃথিবীর সম্পদ। তাঁকে নিয়ে মূল্যায়নধর্মী কাজ দাঁড় করানোর মতো প্রয়োজনীয় মাল-মশলা-তথ্যাদি পশ্চিমবঙ্গে দুর্লভ নয়। আমার জানা মতে, পশ্চিমবঙ্গে শামসুর রাহমানের প্রায় সমস্ত কবিতার বই-ই পাওয়া যায়। "পথিকৃৎ" পত্রিকা যদি নিউ ইয়র্ক কিংবা ব্রাসেলসের হতো, তাহলেও কথা ছিল। এও ধরে নিতে পারি যে, "পথিকৃৎ"-এর সদস্যরা পড়তে লিখতে পারেন এবং সাহিত্য বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহ-ও ধারণ করেন। সুতরাং এত কিছু থাকতে কেন যে তারা জনৈক অসাহিত্যিক রাজনৈতিক নেতার মতামত জানতে এত আগ্রহী হলেন, সে বিষয়ে যত ভাবি, ততই বিস্মিত হই। যাই হোক, মূল্যায়নটিকে একটু কাছ থেকে দেখার চেষ্টা করা যাক। আলোচনার সুবিধার্থে ব্লগপোস্টটিকে দুই…

যে দেশে আমরা থাকি। যে দেশের ভেতর আমাদের বসবাস। যেখানে মাটির গন্ধ পাই। শেকড় যেখানে অনেক গভীরে প্রোথিত হয়ে যায়। আবার তুমি আমাকে ভালোবাসবে। আবার আমি তোমাকে খুঁজে পাব। সব তো হারিয়েছি। কোথাও কোনো সন্ধান আর খুঁজে পাচ্ছি না। আমাকে কারা চেনে? আমাদের কোথায় থাকতে হবে? দিনগুলোরাতগুলো ! কিন্তু আমাদের ভ্রমনপঞ্জী আমাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। কোনো কাগজপত্র কোথাও আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের নিজেদের ভেতর কেউ কেউ সব জানে। তাদের জানা আমাদের কেউ নয়। আমরা আতঙ্কগ্রস্ত। হতাশায় নিঃশেষিত। বৈষম্যে বিপর্যস্ত শরণার্থী। কার সময় আছে আমাদের দেবার। জীবন আমাদের নয়! (more…)

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.