আমি মকর। শুরু করছি মকর অভিধান।[...]

আমি মকর। শুরু করছি মকর অভিধান। এই অভিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য, প্রচলিত অভিধানের মতো এখানে শব্দের অর্থ নির্ণয় করা হয়নি – অর্থ নির্ণয় ও শব্দ বাস্তবসময়ে বিধৃত হয়েছে। নিয়মিত বা অনিয়মিত ভাবে এই অভিধানের সম্পাদনা ও সংযোজনের কাজ চলতেই থাকবে। সং হয়েছে ক্ষিপ্ত – সংক্ষিপ্ত ইতি প্রিয় পৃথিবীর বৃত্ত – ইতিবৃত্ত বারবার ভাবের থাবা – বাবা প্যাঁচের প্রতিকৃতি – জিলাপি সম্পদে বিরক্তি – ব্যক্তি বিনিদ্র বন্দিত শুধু আদিরস – ব্যাধিরস একজন পরি বাকি সবাই বিশ্রি – পরিস্থিতি সতীর ব্যর্থতা – সততা বিস্ময় বালকবালিকাহীন বিদ্যালয় – বিশ্ববিদ্যালয় ধর্ম নিয়েই নিরপেক্ষতা – ধর্মনিরপেক্ষতা ভূতের ভয় তাড়াতে বলতে হয় ভবিষ্যৎ – ভূত ভবিষ্যৎ চীনের শক্তির ঝিনুক – চীনাংশুক কোনো কিছুকে কদর্য কদাকার করে তোলার বোধ – পেত্নিমিতিবোধ অভিহিত মূল্য সূচক – অভিষেক আত্মঘাতী হামলা সমগ্র – আফগানিস্তান তালিবান পোষ মানায় যে – তালিবানুড়ে প্রযুক্তিবিদের চোখে কালের প্রবাহের সংকট – যান্ত্রিক গোলযোগ চতুর বিভক্তি – চুক্তি তালগোল পাকানো রাজনীতির পঙ্গপাল – হরতাল বৃহত্তর মানুষের সংকুচিত আকাশ – বিকাশ আকণ্ঠ বিরক্তির আসন – আবাসন ধর্মের উষ্ণতা

নিরোধক বটিকা – ধর্মসহিষ্ণুতা সরকার হাসাবে এই উদ্দেশে পরিশোধিত কর – হাস্যকর দেশভাগের সময় হারমোনিয়ামের ধ্বনি – কমিউনাল হারমনি রাজা তার কর্তব্যকাজে বিরক্তিকর ও মূঢ় – কিংকর্তব্যবিমূঢ় শিশ্ন দাঙ্গাবাজ – ধর্ষক যোনি দাঙ্গাবাজ – মর্ষক আজীবন গাছভোলা – আগাছা চোখ খুলে গেলে আর শান্তিতে ঘুমানো যায় না – নির্বাণ সমরে দলিত পদাতিক – সমর্থক বগল যৌনাঙ্গের স্নান – কাকস্নান খাদ্যোন্মাদনার ইশতেহার – ইফতার যে ধান হাজার সংঘর্ষেও দেবার নয় -- সংবিধান প্রসঙ্গের বাইরের সব যুক্তি -- প্রযুক্তি অহিংস সিভিল অনাস্থার যোগাসন -- অনশন ধর্ম অর্থ সমাজ নিয়ে রীতিতাড়িত চাঞ্চল্য -- কর্মচাঞ্চল্য নিয়তির অবিরত উৎপাত -- অভিসম্পাত বিরক্ত ধরিত্রীর বয়োবৃদ্ধ ত্রাতা -- বিধাতা কোনো একটি মহলের মূল নারী প্রতিনিধি -- মহিলা উভয় সংকট -- দুই পায়ে নৌকা অজস্র সংকট -- হাতে পায়ে নৌকা কান মণ্ড করা জ্ঞান -- কাণ্ডজ্ঞান কাজে কর্মে দক্ষ ও একনিষ্ঠ -- কর্মঠ ধর্মে নীতিতে সমর্পিত ও একনিষ্ঠ -- ধর্মঠ অভিজ্ঞ প্রেত -- অভিপ্রেত অনভিজ্ঞ প্রেত -- অনভিপ্রেত যে পদ্ধতিতে করা যায় নির্জলা সিদ্ধ -- নিষিদ্ধ ছয় ইন্দ্রিয়ের…

মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিন্ক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে। ধন্যবাদ।

মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিন্ক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে। ধন্যবাদ।

বাংলাদেশ সরকারকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল ও আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ সম্বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিফেন র‌্যাপের দেয়া সাম্প্রতিক পরামর্শগুলোর বিষয়ে আই.সি.এস.এফ. তার অবস্থান তুলে ধরেছে নীচের এই অবস্থানপত্রে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়ে আগ্রহীমাত্রেরই অবস্থানপত্রটি অভিনিবেশ সহকারে পড়া অবশ্যকর্তব্য বলে আমরা মনে করি। [...]

বাংলাদেশ সরকারকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল (ICT) ও আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ (ICTA) সম্বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক বিশেষ দূত স্টিফেন র‌্যাপের দেয়া সাম্প্রতিক পরামর্শগুলোর বিষয়ে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (ICSF) তার অবস্থান তুলে ধরে গত ১৫ মে ২০১১ তারিখে একটি ‘পজিশন পেপার’ বা অবস্থানপত্র প্রকাশ করেছে। এটি তৈরি করেছে ICSF-এর লিগ্যাল রিসার্চ টিম। (প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সরকারের যুদ্ধাপরাধ বিচার প্রক্রিয়াকে সহায়তা দানের লক্ষ্যে ICSF-এর সামগ্রিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় ২১টি সক্রিয় টিমের মাধ্যমে।) পূর্ণাঙ্গ অবস্থানপত্রটি ডাউনলোড করা যাবে এখান থেকে। এর একটি আংশিক ও রেফারেন্সবিহীন সংস্করণ ছাপা হয়েছে bdnews24.com-এ, এখানে। স্টিফেন র‌্যাপের ২১ মার্চ ২০১১-এ তারিখে বাংলাদেশ সরকারকে দেয়া পরামর্শগুলোর মানের উপরই মূলত আলোকপাত করা হয়েছে এই অবস্থানপত্রে। সেইসঙ্গে এতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল (ICT) ও আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ (ICTA)-এর নীতিগত ও ধারণাগত অবস্থানের অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ ও সামগ্রিক মূল্যায়ন উপস্থাপন করা হয়েছে। The rationale behind this paper is based on the realization that criticisms of the ongoing war crimes trial process in Bangladesh in the form of suggestions, especially when exposed before the public domain, must be based on correct factual and legal premises. The citizens of the People‟s Republic of Bangladesh, as well as the international community at large, deserve to be made aware of the issues that are pertinent to fairness in the justice process. At the same time, criticisms or suggestions from any quarter need to be fair, well-informed, and carefully construed so they are not based consciously or unconsciously upon misconceptions about a justice process that is purely domestic in every sense. অবস্থানপত্রটিতে আরো বলা হয়েছে : Undoubtedly, it is necessary to ensure that the proceedings against persons alleged to have committed crimes under the jurisdiction of the ICT are carried out in a manner that is free and fair. However, it is also important to ensure that the justice process initiated by the ICTA and the ICT does not become a victim to misconceived and unrealistic demands. What must be remembered is that the objective of…

মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিন্ক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে। ধন্যবাদ।

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.