ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (আইসিএসএফ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ কর্তৃক জনাব আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে ঘোষিত সর্বপ্রথম রায়কে স্বাগত জানাচ্ছে।[...]

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (আইসিএসএফ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ কর্তৃক জনাব আবুল কালাম আযাদের বিরুদ্ধে ঘোষিত সর্বপ্রথম রায়কে স্বাগত জানাচ্ছে। জনাব আযাদ জামায়াতে ইসলামীর একজন সাবেক নেতা, যিনি ১৯৭১ সালে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও গণহত্যা সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হয়ে বিচারের মুখোমুখি হয়েছিলেন। আইসিএসএফ বিশ্বব্যাপী ১৩টি ভিন্ন সংগঠন ও বিভিন্ন ব্যক্তির সমন্বয়ে ২০০৯ সালে গঠিত একটি ফোরাম, যারা ১৯৭১ সালে সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচারের মাধ্যমে বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান, আইনের শাসন ও সুবিচার প্রতিষ্ঠা এবং ১৯৭১ সালে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নিরন্তর সক্রিয়। আইসিএসএফ এই প্রথম রায়কে ১৯৭১ সালে সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধের পর চার দশকব্যাপী চর্চিত এক বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসানের প্রারম্ভচিহ্ন এবং আক্রান্ত বিচারপ্রার্থী মানুষের জন্যে আশার আলোকবর্তিকা বলে বিবেচনা করে। এই রায় আইনের শাসনকে বলিষ্ঠতর করে তুলেছে। এই ক্রান্তিলগ্নে এসে আইসিএসএফ ১৯৭১ সালে নিহত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও তাঁদের ত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে, যার ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। তাঁদের ওপর চালানো পৈশাচিক অপরাধের বিচারের ধারায় এই রায় তাঁদের আত্মার জন্যে গভীর প্রশান্তি বয়ে আনবে। বিচারের জন্যে দেশের সংক্ষুব্ধ মানুষের বিরতিহীন সক্রিয়তা ও প্রচারণা শত বিপত্তির প্রাচীর পেরিয়ে এই দিনটি আমাদের উপহার দিয়েছে। জনাব আযাদ গ্রেফতার এড়িয়ে তদন্ত চলাকালে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রস্তুতির পর্যায়ে কৌশলে পলায়ন ও দেশত্যাগ করেন। যথাযথ তদন্তের পর প্রসিকিউশন তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণসম্বলিত মামলা দায়ের করেন, যা ট্রাইব্যুনাল-২ বিশ্লেষণ করে আমলে নেন। অভিযুক্ত ব্যক্তির অনুপস্থিতিতে ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন ১৯৭৩’ এর অধীনে ট্রাইব্যুনাল-২ এই বিচার কার্যক্রম ‘ইন এবসেনশিয়া’ পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেন এবং অভিযুক্তের পক্ষে মামলা লড়ার জন্যে সুদক্ষ আইনজীবী নিয়োগ করেন। উন্মুক্ত আদালতে এই বিচার চলে, যেখানে ট্রাইব্যুনাল-২ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন কর্তৃক উত্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করেন এবং অভিযুক্তের পক্ষে তার আইনজীবী কর্তৃক উত্থাপিত যুক্তি ও প্রসিকিউশনের বিরুদ্ধে দেয়া প্রতিযুক্তি বিশ্লেষণ করেন। লিন্ক : আইসিএসএফ প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ২১ জানুয়ারী ২০১৩।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (আইসিএসএফ)-এর পক্ষ থেকে আমরা গভীর দুঃখ এবং ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ করছি যে, একাত্তরের স্বাধীনতা-বিরোধী জামাত-শিবির চক্রটি যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়াকে বানচাল করার একটি ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা অপরাধমূলকভাবে লঙ্ঘন করে কিছু ব্যক্তিগত কথপোকথন এবং ইমেইল হ্যাকিং করে এবং তা বিভিন্নভাবে বিকৃত করে দেশী বিদেশী সংবাদ মাধ্যমে ছড়াতে শুরু করেছে। [...]

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (আইসিএসএফ)-এর পক্ষ থেকে আমরা গভীর দুঃখ এবং ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ করছি যে, একাত্তরের স্বাধীনতা-বিরোধী জামাত-শিবির চক্রটি যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়াকে বানচাল করার একটি ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা অপরাধমূলকভাবে লঙ্ঘন করে কিছু ব্যক্তিগত কথপোকথন এবং ইমেইল হ্যাকিং করে এবং তা বিভিন্নভাবে বিকৃত করে দেশী বিদেশী সংবাদ মাধ্যমে ছড়াতে শুরু করেছে। নিজেদের অপরাধ আড়াল করতে এবং বিচার প্রক্রিয়াকে স্থায়ী ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করতে চিহ্নিত এই চক্রটি নানান রকম বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিচ্ছে। আমরা খুবই উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে এই বিভ্রান্তি প্রগতিশীল সংগঠনগুলির ভেতরেও ধীরে ধীরে তারা ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হচ্ছে। পারষ্পরিক অবিশ্বাস এবং ভিত্তিহীন কাদা ছোঁড়াছুড়ির এই পরিবেশের সম্ভাব্য ফলাফল হিসেবে আমরা দেখতে পাচ্ছি - অবশ্যম্ভাবীভাবে এই ঘটনার মূল সুবিধাভোগী (beneficiary) এবং আসল অপরাধীর (অর্থাৎ স্বাধীনতাবিরোধী জামাত শিবির চক্রের) ওপর থেকে সবার মনযোগ সরে যাচ্ছে, যা তাদের এই গুরু অপরাধের দায়ভার থেকে পার পেয়ে যাওয়ার পথ উম্মোচিত করছে; হ্যাকিং ঘটনার প্রকৃত তদন্ত তার সঠিক দিকনির্দেশনা হারানোর সম্ভাবনা সৃষ্টি হচ্ছে; স্বাধীনতার পক্ষের সক্রিয় সংগঠনগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সন্দেহ এবং অবিশ্বাসের বীজ বপনের মাধ্যমে স্থায়ী বিভেদ সৃষ্টির পরিবেশ তৈরী হচ্ছে যা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বৃহত্তর আন্দোলনেরই ক্ষতি করতে পারে। ১৯৭১ এ সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধসমূহের বিচারের মাধ্যমে বিচারহীনতার সংস্কৃতির নিরসন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ, কর্মী এবং সংগঠনসমূহের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (ICSF)। বাংলাদেশে বর্তমানে চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে পর্যবেক্ষণ, অনুশীলন এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যেই এই নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠা। এই সব উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল এবং এর বিভিন্ন অঙ্গসমূহকে দালিলিক, আর্কাইভ এবং গবেষণা সহায়তা প্রদান করা ছাড়াও ট্রাইবুনালের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং দফতরসমূহের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ, মতামত এবং পরামর্শ বিনিময়, এবং ক্ষেত্রবিশেষে সরাসরি পদক্ষেপ গ্রহণ এই নেটওয়ার্কের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের অংশ। শুরু থেকেই এদেশের বিচারপ্রার্থী জনগনসহ আরো যে সংগঠনগুলো ট্রাইবুনালের এই বিচার প্রক্রিয়াকে তিল তিল করে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য সহায়তা এবং সমর্থন দিয়ে এসেছেন তাদের মধ্যে আইসিএসএফ অন্যতম। এই ট্রাইব্যুনাল গঠনের সময় থেকেই আইসিএসএফ বিচার প্রক্রিয়াকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে আসছে। এ কারণে আইসিএসএফ এর পক্ষ থেকে কিছু বিষয় তুলে…

এই ঘটনায় দুটি অপরাধ সাধিত হয়েছে, সেটি হচ্ছে দু'জন মানুষের কথোপকথন হ্যাক করা এবং সেই হ্যাক করা তথ্য প্রকাশ করা। এই দুটি অপরাধেরই আশু বিচার কামনা করছি। আমরা এই হ্যাকারদের পরিচয় জানতে চাই, শাস্তি চাই, আর এই হ্যাকড ম্যাটেরিয়াল যারা আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে প্রকাশ করলো, তাদের শাস্তি চাই।

বিচারকের আলাপ যদি আড়ি পেতে শোনে কেউ, সে যে সাক্ষীদের গোপন রাখা পরিচয়ও হ্যাক করে কাজে লাগায়নি, তারই বা নিশ্চয়তা কী? এ ব্যাপারে প্রশ্ন তুললে সম্ভবত বিব্রত হবে সরকারের সেই অংশটিই, যাদের দায়িত্ব ছিলো গোপনীয় তথ্যকে গোপনীয় রাখা। আজ বিচারকের আলাপ হ্যাক হচ্ছে, কাল যে খোদ প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতির ফোন আলাপ হ্যাক হবে না, আমরা কীভাবে নিশ্চিত হবো? আর সেই হ্যাকিঙের বিচার চেয়ে মিডিয়াতে যদি কোনো প্রশ্ন না ওঠে, তাহলে কি এই সঙ্কেতই দেয়া হয় না, যে হ্যাকিংকে আমরা মেনে নিচ্ছি? এই প্রশ্নগুলো ওঠার আগেই তাই অনলাইনে এই হ্যাকারদের প্রোপাগাণ্ডা অংশ অভিযোগের আঙুল তুলছে আইন বিশেষজ্ঞ ড. জিয়াউদ্দিনের দিকেই। তাদের সাথে যোগ দিয়েছে কিছু কাঠবলদ ও পিতৃপায়ুজাত গর্ভস্রাব। তারা বলতে চায়, ড. জিয়াউদ্দিনই এই অডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দিয়েছেন। ড. জিয়াউদ্দিন নিজেকে বিপন্ন করে এই বিচার প্রক্রিয়াকে কোন দুঃখে স্যাবোটাজ করতে যাবেন? আর নিরীহ আইনজ্ঞ জিয়াউদ্দিনকে যূপকাষ্ঠে চড়ালে কি বিচারককে গোপনীয়তা প্রদানে ব্যর্থ সরকারের বিশেষ কর্তাদের সদুত্তর দেয়ার খাটনি কমে যায়? জামাতের প্রোপাগাণ্ডু মূর্খের দল নিজেদের অজান্তেই নিজেদের দাবির বিরুদ্ধে প্রমাণ তুলে দিয়েছে ইউটিউবে। যারা ইউটিউবে কথোপকথন শুনেছেন, তারা পরিষ্কার খেয়াল করেছেন একটি ব্যাপার। এই অডিওতে ড. জিয়াউদ্দিনের কথা এসেছে কাটা কাটা, যেখানে বিচারকের কথা এসেছে পরিষ্কার। বাংলাদেশে ইন্টারনেটের কচ্ছপগতির কারণে স্কাইপি বা গুগলটকে অপর প্রান্ত থেকে ভয়েস ডেটা আসে ভেঙে ভেঙে, যে কারণে কথা যান্ত্রিক শোনায়। বিচারকের কম্পিউটারে আড়ি পাতার কাজটি সম্পন্ন হয়েছে বলেই সেখানে মন্থর নেটসংযোগের কারণে ড. জিয়াউদ্দিনের কথা এসেছে ভেঙে, আর সরাসরি মাইকে ধারণকৃত বিচারকের কথা স্পষ্ট শোনা গেছে। যদি ড. জিয়াউদ্দিনের প্রান্ত থেকে এই কথোপকথন রেকর্ড করা হতো, তার নিজের কথা কখনোই ভেঙে যেতো না। যার আগ্রহ আছে, তিনি ইন্টারনেটে জামাতের প্রোপাগাণ্ডুদের ছড়িয়ে দেয়া অডিও থেকে শুনে যাচাই করে দেখতে পারেন। এই ঘটনায় দুটি অপরাধ সাধিত হয়েছে, সেটি হচ্ছে দু'জন মানুষের কথোপকথন হ্যাক করা এবং সেই হ্যাক করা তথ্য প্রকাশ করা। এই দুটি অপরাধেরই আশু বিচার কামনা করছি। আমরা এই হ্যাকারদের পরিচয় জানতে চাই, শাস্তি চাই, আর এই হ্যাকড ম্যাটেরিয়াল যারা আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে প্রকাশ করলো, তাদের শাস্তি চাই। হ্যাকিং ঘটেছে কোন প্রান্তে? বিস্তারিত…

সামাজিক-যোগাযোগ সাইটের মাধ্যমে লগ-ইন/নিবন্ধন সুবিধা, বর্ধিত প্রোফাইল-তথ্য পাতা, এবং দ্রুততর মন্তব্য-প্রদান সুবিধার বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি পরিবর্তন করা হয়েছে সাইটে। কোনো ত্রুটি বা bug যদি আপনাদের চোখে পড়ে তবে তা দয়া করে এই পোস্টের নিচে মন্তব্যাকারে লিখে জানান। আপনাদের সুচিন্তিত মতামত এবং পরামর্শ সাইটটির ব্যবহার সহজতর করতে আমাদের সহায়তা করবে।

মুক্তাঙ্গন ব্লগসাইটে সম্প্রতি যে কারিগরি সংযোজনগুলো করা হয়েছে সেগুলো হল: ১. বিকল্প লগ-ইন/রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি: সামাজিক যোগাযোগ সাইট (যেমন: ফেসবুক, টুইটার, লিনক্ড-ইন) এবং অন্যান্য আইডি (যেমন: গুগল) ব্যবহার করে সাইটে নিবন্ধন এবং লগ-ইন এর সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। যাদের মুক্তাঙ্গনে কোনো একাউন্ট নেই, তারাও এই আইডিগুলো ব্যবহার করে সাইটে লগ-ইন করলে তাদের নামে এই ব্লগে 'সাবস্ক্রাইবার' পর্যায়ের নতুন একটি একাউন্ট তৈরী হয়ে যাবে। সাইটে নিবন্ধন সবার জন্য উন্মুক্ত। আর যাদের আগে থেকেই মুক্তাঙ্গনে একাউন্ট রয়েছে, তারাও তাদের বর্তমান লগ-ইন তথ্য ব্যবহার করে সাইটে প্রবেশ করে স্ব স্ব প্রোফাইলে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোর সাথে লগ-ইন তথ্য বিষয়ক সংযোগ স্থাপন করে নিতে পারবেন। একবার সবগুলো আইডি এবং লগ-ইন তথ্য সংযুক্ত হয়ে গেলে এর পর সরাসরি ফেসবুক-টুইটার-গুগল ইত্যাদি সাইটের লগ-ইন তথ্য ব্যবহার করে সরাসরি সাইটে প্রবেশ করা যাবে। ২. ব্লগার প্রোফাইলে আরও তথ্য সংযুক্তির সুবিধা: সাইটের প্রোফাইল অংশে নতুন আরও তথ্য সংযুক্ত করার সুবিধা যুক্ত হয়েছে, যাতে ফ্রন্ট-এন্ডে লেখক/ব্যবহারকারীর 'সংক্ষিপ্ত পরিচিতি' অংশে এখন থেকে উক্ত ব্যবহারকারীর ফেসবুক-টুইটার এবং অন্যান্য সাইটে একাউন্টগুলোর লিংক এর ব্যাপারে তথ্য প্রদর্শিত হয়। ফলে উক্ত ব্যবহারকারীকে ফেসবুক-টুইটার ইত্যাদি সামাজজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতেও 'অনুসরণ' করা সহজতর হবে। যাদের ইতোমধ্যেই মুক্তাঙ্গনে একাউন্ট রয়েছে, তাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে নিজের প্রোফাইল পাতায় গিয়ে ফেসবুক-টুইটার একাউন্ট সংক্রান্ত আপনার তথ্যগুলো সেখানে যথাস্থানে সংযুক্ত করবার। যেমন: -- টুইটারের ঘরে আপনি বসাবেন: http://www.twitter.com/(your twitter user ID) [বন্ধনী বাদ দিয়ে] -- ফেসবুকের ঘরে আপনি বসাবেন: http://www.facebook.com/(your facebook user ID) [বন্ধনী বাদ দিয়ে] -- গুগল‌+ এর ঘরে আপনি বসাবেন: https://plus.google.com/(your profile number) [বন্ধনী বাদ দিয়ে। নম্বরটি আপনার গুগল প্লাস এর প্রোফাইল থেকে দেখে নিন] ৩. মন্তব্য প্যানেলে উন্নয়ন সাধন: মন্তব্য আরও দ্রুত সাবমিট হওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে পেজ রিলোড ছাড়াই মন্তব্য পেশ করা সম্ভব হয়। এই নতুন ফিচার এবং সংযোজনগুলোর প্রতি ধাপেই আমরা বেশ কিছু কারিগরি চ্যালেঞ্জের সম্মূখীন হয়েছি। কিন্তু সে সবের প্রতিটির সমাধানে পাশে পেয়েছি প্রোগ্রামার সাইফুর রহমান মিশুকে, যিনি বর্তমানে সুইডেনে কর্মরত আছেন। মুক্তাঙ্গন এর পক্ষ থেকে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, মিশু। ব্যবহারকারীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ/আহ্বান এই ফিচারগুলো যুক্ত করার সময় আমরা চেষ্টা করেছি যতটা সম্ভব ত্রুটিমুক্তভাবে তা…

খানিক আগে আমাদের হাতে হাউজ অব লর্ডস-এর প্যাডে লর্ড অ্যাভবেরির একটি বিবৃতি এসে পৌঁছেছে, যেটি গত ২৩ জুন বুধবার যুক্তরাজ্যের অল পার্টি পার্লামেন্টারি হিউম্যান রাইটস গ্রুপের আয়োজিত সেমিনার সংক্রান্ত [...]

খানিক আগে আমাদের হাতে হাউজ অব লর্ডস-এর প্যাডে লর্ড অ্যাভবেরির একটি বিবৃতি এসে পৌঁছেছে (এখানে দেখুন), যেটি গত ২৩ জুন বুধবার যুক্তরাজ্যের অল পার্টি পার্লামেন্টারি হিউম্যান রাইটস গ্রুপের আয়োজিত সেমিনার সংক্রান্ত। বিবৃতিটির উল্লেখযোগ্য দিকগুলি হলো, লর্ড অ্যাভবেরির পক্ষ থেকে সেখানে বলা হয়েছে : ১. অল পার্টি পার্লামেন্টারি হিউম্যান রাইটস গ্রুপ-এর অনুরোধে ওয়ার ক্রাইমস কমিটি অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল বার এসোসিয়েশন সংক্ষেপে আই বি এ বাংলাদেশে ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে মানবতার বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধসমূহ বিচারের জন্যে যে আইন অনুসরণ করছে তার উপযোগিতা মূল্যায়ন করে দেখেছে। ২. এর উদ্দেশ্য এই নয় যে, বাংলাদেশে সংগঠিত যুদ্ধাপরাধকে খাটো করে দেখা হচ্ছে- বরং ১৯৭৩-এর অধ্যাদেশের আওতায় বিচার সংগঠিত হলে তার আইনী যৌক্তিকতা যেন গত ৩৭ বছরে উন্নীত আইনি স্ট্যান্ডার্ডের বিচারে প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেটি নিশ্চিত করা। ৩. গত ২০০৯-এর শেষের দিকে পার্লামেন্টারী হিউম্যান রাইটস গ্রুপ (পিএইচআরজি)-এর কাছে ওয়ার ক্রাইমস কমিটি তাদের প্রাপ্তি বা ফাইন্ডিংগুলি পাঠায়। প্রাপ্তিসমূহ নিজেদের মধ্যে মূল্যায়নের পর পিএইচআরজি-এর চেয়ার মিস অ্যান ক্লুয়েড বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলির মন্তব্যের জন্যে যুক্তরাজ্যের দায়িত্বে নিয়োজিত বাংলাদেশ হাই কমিশনারের কাছে হস্তান্তর করেন। ৪. আইবিএ-র এ রিপোর্ট পর্যালোচনার জন্যে ২৪ জুন হাউজ অব লর্ডস-এ সেমিনারের আয়োজন করা হয় এবং ২১ জুন যুক্তরাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত বাংলাদেশ হাই কমিশনার তাদের মন্তব্য পাঠান। তবে তিনি বা তাঁর কোনও প্রতিনিধি সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন না। ৫. সেমিনারের প্রধান বক্তা হিসেবে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশের- সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট খন্দকার মাহবুব হোসেন। ৬. আইবিএ-র প্রতিনিধিরা তাদের বক্তব্যে বার বার বলেছেন যে বাংলাদেশের আইনটির উন্নতিসাধনে বা সংশোধনের ক্ষেত্রে পরামর্শ দিতে তারা প্রস্তুত রয়েছেন, যাতে এ আইনটি আন-র্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম সংবিধি, অধুনালুপ্ত যুগোশ্লাভিয়ার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, রুয়ান্ডাসংক্রান- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালসহ পূর্ব তিমুর ও সিয়েরা লিয়েনের জাতীয় ট্রাইব্যুনালগুলির মতোই আন্তর্জাতিক মানসম্মত হয়ে ওঠে। ৭. বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ সংক্রান্ত সংলাপ অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বাহকের দায়িত্ব পালন করছেন লর্ড অ্যাভবেরি। এবার লর্ড অ্যাভবেরি, আপনি আমাদের এই কথাগুলি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন, শুনুন : ১. বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পরপরই যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয়েছিল ১৯৭২ সালে, দালাল আইনের আওতায়। এর মান নিয়ে কোনও আপত্তিই ওঠেনি তখন, বরং…

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.