মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিংকের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিংক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে। ধন্যবাদ।

ঢাকা এখন গুজবের শহর। অনেক ধরণের আকাশকুসুম গুজব উড়ে বেড়াচ্ছে আকাশে বাতাসে। তারই একটি হল কথিত এক সেনা জেনারেলের একটি প্রচারণা যেটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন ব্লগে এটিকে জনৈক সেনা জেনারেলের ইমেইল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তাই আলোচনার সুবিধার্থে প্রচারণার লেখককে 'জেনারেল' হিসেবেই সম্বোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি। ইমেইলটি আমার নজরে এসেছে বেশ কয়েকদিন আগেই। এক বন্ধু পাঠিয়েছিল। এ ধরণের 'অসাধারণ' প্রচারণাকে আমি সাধারণত গুরুত্বের সাথে নিইনা। পড়াটাকেও এমনকি মনে করি মূল্যবান সময়ের অপচয়। ধরেই নিয়েছিলাম এমন আকাশকুসুম তত্ত্বে অন্তত শিক্ষিত কোন মানুষের ভাবান্তর হবে না ...

[পিডিএফ ডাউনলোড করুন] সিরিজের অন্যান্য পোস্ট: --চিন্তাঝড় ১: বিডিআর বিদ্রোহ — প্রথম প্রহর‌‌ — কী কারণে? কারা? ঠিক এখনই কেন? --চিন্তাঝড় ২ : পিলখানা গণহত্যা‌‌ — কারা, কেন, কীভাবে? ঢাকা এখন গুজবের শহর। অনেক ধরণের আকাশকুসুম গুজব উড়ে বেড়াচ্ছে আকাশে বাতাসে। তারই একটি হলো কথিত এক সেনা জেনারেলের একটি প্রচারণা যেটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন ব্লগে এটিকে জনৈক সেনা জেনারেলের ইমেইল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তাই আলোচনার সুবিধার্থে প্রচারণার লেখককে 'জেনারেল' হিসেবেই সম্বোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি। ইমেইলটি আমার নজরে এসেছে বেশ কয়েকদিন আগেই। এক বন্ধু পাঠিয়েছিল। এ ধরণের 'অসাধারণ' প্রচারণাকে আমি সাধারণত গুরুত্বের সাথে নিই না। পড়াটাকেও এমনকী মনে করি মূল্যবান সময়ের অপচয়। ধরেই নিয়েছিলাম এমন আকাশকুসুম তত্ত্বে অন্তত শিক্ষিত কোনো মানুষের ভাবান্তর হবে না। কারণ, ইতিপূর্বে এমনই উদ্ভট থিওরি প্রচার করা হয়েছে ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলার পর। বলা হয়েছিল শেখ হাসিনা নাকি নিজেই নাটকটি সাজিয়েছিলেন; নিজের চার পাশে ডজনখানেক বিধ্বংসী গ্রেনেড ফাটানো ছিল সে-নাটকের অংশ! সারা দেশব্যাপী যখন জঙ্গিরা সিরিজ বোমা হামলা করেছিল, তখন জোট সরকারের ক্ষমতাসীন শ্রেণীটি প্রচার চালিয়েছিল এটা নাকি 'ভারতীয় হিন্দু জঙ্গিদের কাজ'! বাংলা ভাই যখন উত্তরবঙ্গের জেলায় জেলায় জীবন্ত মানুষদের কেটে পুড়িয়ে গাছে ঝুলিয়ে রাখছিল, জোট সরকারের মহাক্ষমতাধর খালেদা-নিজামীরা প্রায় দু'বছর ধরে দেশবাসীকে বোঝানোর চেষ্টা করে গেছেন 'বাংলা ভাই এর আসলে কোনো অস্তিত্বই নেই, তিনি মিডিয়ার সৃষ্টি'! জেনারেল সাহেবের এই প্রচারণাটি পড়েও আমার তেমনই মনে হয়েছে প্রথমটায়। আমার বিশ্বাস ছিল, এত বেশী দুঃখ কষ্টের ঝড় এই জাতির ওপর দিয়ে বয়ে গেছে যে আমরা ঠেকে না হলেও ঠকে নিশ্চয়ই কিছু-না-কিছু শিখেছি অতীত থেকে। তাই আমার বিশ্বাস ছিল, বাঙালির কাছে অন্তত এ ধরণের উদ্ভট প্রচারণা হালে পানি পাবে না। কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে এই উদ্ভট তত্ত্বটিই এখন শেকড় গেড়ে বসতে শুরু করেছে কারো কারো মনে। এমনকী, আপাত দৃষ্টিতে বুদ্ধিমান যুক্তিবাদী কিছু মানুষও তত্ত্বটি খানিকটা যেন বিশ্বাসও করে ফেলেছেন এর মধ্যে। আসলে যে-কোনো মিথ্যা প্রচারণার সুবিধাটি বোধহয় এই জায়গায়। আপনি এক চিমটি সত্যের সাথে এক মুঠো মিথ্যে মিশিয়ে তাকে প্রচারণার জোয়ারে ভাসিয়ে দিন, বারবার বলতে থাকুন, তত্ত্বের বিরুদ্ধে তত্ত্ব দাঁড় করান,…

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.