বর্তমান বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপটে ন্যাটোর প্রাসঙ্গিকতা এবং এর অবলুপ্তি বিষয়ে মূল নিবন্ধটি লিখেছেন শহিদুল ইসলাম। মুক্তাঙ্গনের পক্ষ থেকে নিবন্ধটি এখানে এমবেড করে তুলে দেয়া হল পাঠকের জন্য। পড়তে সমস্যা হলে অনুগ্রহ করে সংযুক্ত পিডিএফ-লিন্ক থেকে পুরো লেখাটি ডাউনলোড করে নিন [...]

[মুক্তাঙ্গনের পক্ষ থেকে শহিদুল ইসলামের নিবন্ধটি এখানে এমবেড করে দেয়া হল। পড়তে অসুবিধে হলে অনুগ্রহ করে নিবন্ধটির পিডিএফ কপি এই লিন্ক থেকে ডাউনলোড করে নিন]

3
আলোচনা শুরু করুন কিংবা চলমান আলোচনায় অংশ নিন ~

মন্তব্য করতে হলে মুক্তাঙ্গনে লগ্-ইন করুন
avatar
  সাবস্ক্রাইব করুন  
সাম্প্রতিকতম সবচেয়ে পুরোনো সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত
অবগত করুন
অবিশ্রুত
সদস্য

শহিদুল ইসলামকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ এমন একটি বিষয়ের প্রতি সকলের দৃষ্টি নিবদ্ধ করিয়ে দেয়ায়। ন্যাটো সাম্রাজ্যবাদী যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপাঙ্গ হিসেবে বিশ্বশান্তির মূর্তিমান হুমকি। তাই এই আঞ্চলিক জোটটি অবলুপ্তির দাবি একটি জরুরি প্রসঙ্গই বটে। তবে, ঠাণ্ডাযুদ্ধ যুগের অবসান ঘটেছে বলেই ন্যাটোর বিলুপ্তি চাওয়াটাকে যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যেই নাকচ করে দিয়েছে, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রসঙ্গ সামনে নিয়ে এসে। এবং শহিদুল ইসলামের লেখাতেও আমরা প্রসঙ্গক্রমে এর উল্লেখ পাচ্ছি। মূলত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ প্রসঙ্গ উত্থাপনের মধ্যে দিয়েই যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটোকে জাতিসংঘের সমান মাপের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টা করে চলেছে। এবং এক অর্থে তারা প্রতিষ্ঠা করেও ছেড়েছে। বারাক ওবামারা হয়তো অচিরেই চাইবেন, দুনিয়ার সব দেশই ন্যাটোর সদস্য… বাকিটুকু পড়ুন »

ইমতিয়ার শামীম
সদস্য

তথ্যবহুল ও প্রাণবন্ত এ লেখার উদ্দেশ্য শিরোনামেই সুস্পষ্ট এবং শহিদুল ইসলাম লেখাটিতে ধীরে ধীরে এগিয়ে গেছেন পাঠককেও শিরোনামের ওই সিদ্ধান্ত নেয়ার ব্যাপারে সাহায্য করতে। যতদিন ওয়ারশ ছিল, ততদিন ন্যাটো সংযম দেখাতে বাধ্য হয়েছে, কিন্তু এখন আর সেই সংযমের বালাই নেই। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটলেও, শীতল যুদ্ধের অবসান ঘটলেও, ন্যাটোর প্রতি শীতল যুদ্ধের এক পরাশক্তি রাশিয়ার বর্তমান সম্পর্ক ন্যাটোকে ভবিষ্যতে ঝুঁকিতে ফেলবে কি না, তা এখনও চিন্তা করা যেতে পারে। গত বছর, আমাদের অনেকেরই মনে আছে, ন্যাটো থেকে দু’ জন রাশিয়ান কূটনীতিককে বহিষ্কার করা হয়েছিল তথ্য পাচারের অভিযোগে। তখন ন্যাটোতে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন, আমরা ঠাণ্ডা মাথায় এর জবাব দেব। কয়েকদিন… বাকিটুকু পড়ুন »

মোহাম্মদ মুনিম
সদস্য

ন্যাটোর প্রয়োজন আছে কিনা, এই নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেও বিতর্ক চলছে। তবে বিতর্কটি বিশ্বশান্তি বিষয়ে নয়, ন্যাটো যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উপকারী না বোঝা, সেই নিয়ে বিতর্ক। আফগানিস্তানে যখন ২০০১ সালে যুদ্ধ শুরু হলো, তাতে ন্যাটো সদস্যদের মাঝে শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধ করেছে, বাকি সদস্যরা নামকা ওয়াস্তে ছিল এবং আছে। ন্যাটোর বিপক্ষে যারা আছেন তারা বলছেন, ন্যাটোর সদস্য হয়ে ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের প্রতিরক্ষার ভার যুক্তরাষ্ট্রের উপর ছেড়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যেখানে জিডিপির ৫ ভাগ খরচ করছে প্রতিরক্ষা বাজেটে, ইউরোপীয় দেশগুলো করছে মোটে দুভাগ। আলবেনিয়ার মত দেশ আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়লে ন্যাটো চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আলবেনিয়াকে রক্ষা করতে বাধ্য। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র এমন সব… বাকিটুকু পড়ুন »

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.