|| ইম্পেরিয়াম রোমানাম :: অগাস্টাস এবং রোমক সাম্রাজ্য || অগাস্টাস ছিলেন এক নতুন ধরনের শাসকের প্রথম প্রতিনিধি। ইংরেজিতে এই শাসকদের বলা হয় ‘emperor’ (আমরা বাংলায় বলি, ‘সম্রাট’), কিন্তু জার্মান ভাষায় শব্দটা ‘Kaiser’, এসেছে ‘Caesar’ থেকে, এবং বেশ আগেভাগেই ঢুকে পড়েছিল জার্মান ভাষা পরিবারে। আধুনিক জার্মানিক ভাষা, যেমন সুইডিশ, ডেনিশ, ওলন্দাজ, এবং আইসল্যান্ডিকেও পাওয়া যাবে শব্দটি। [. . .]

Tore Janson-এর সুইডিশ ভাষায় রচিত Latin: Kulturen, historien, språket গ্রন্থের Merethe Damsgård Sørensen ও Nigel Vincet-কৃত ইংরেজি অনুবাদ A Natural History of Latin-এর বাংলা ভাষান্তর   ইম্পেরিয়াম রোমানাম :: অগাস্টাস এবং রোমক সাম্রাজ্য সিযার নিহত হওয়ার পর জানা গেল যে তিনি তাঁর এক বোনের উনিশ বছর বয়স্ক নাতিকে দত্তক নিয়েছিলেন। আমরা যেখান থেকে খবরটি পাই সেখানে লেখা আছে: Gaium Octávium in familían noménque adotavit — তিনি গাইয়াস অক্টাভিয়াসকে পরিবারের একজন সদস্য এবং তাঁর নামের উত্তরাধিকারী হিসেবে গ্রহণ করেছেন। সেদিন থেকে যুবকটি গাইয়াস জুলিয়াস সিযার হিসেবে পরিচিত হলেন, আর সেই সঙ্গে বাড়তি একটি নাম হিসেবে পেলেন অক্টাভিয়ানাস (ইংরেজিতে, অক্টাভিয়াস)। গোড়ার দিকে প্রতিষ্ঠিত রাজনীতিবিদরা তাঁকে উপেক্ষা করার চেষ্টা করলেন, আর সেটাই হলো তাঁদের সবচেয়ে বড় ভুল। কয়েক বছরের মধ্যে তিনি তাঁর এক সৈন্যবাহিনী নিয়ে রোমের বাইরে শিবির ফেললেন এবং সিনেটকে বাধ্য করলেন মাত্র ২১ বছর বয়েসে তাঁকে কনসাল হিসেবে নিযুক্ত করতে। এর পরের পনের বছরের ইতিহাস রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব আর গৃহযুদ্ধের ইতিহাস, যেখানে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন অক্টাভিয়ান আর এন্টনি, যিনি একসময় সিযারের ঘনিষ্ঠতম মিত্র ছিলেন। এন্টনি আর মিশরের রানী ক্লিওপেট্রা অবশেষে পরাজিত হন ও মৃত্যুবরণ করেন, এবং, সাম্রাজ্যের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন অক্টাভিয়ান; তখন তাঁর বয়স পঁয়ত্রিশ। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও গৃহযুদ্ধ চলাকালে বেশ নিষ্ঠুরতার পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি, এবং ধারণা করা হয়েছিল এক আতঙ্কের রাজত্ব কায়েম করবেন অক্টাভিয়ান, কিন্তু বাস্তবে তার উল্টোটাই ঘটল। অক্টাভিয়ান সারা জীবনের জন্য ডিক্টেটর বা কনসাল হতে চাননি, এবং তিনি সিনেটকে বলে দিয়েছিলেন যে তিনি তাদের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিচ্ছেন। অবশ্য নিজের হাতে তিনি এমন কিছু ক্ষমতা রেখে দিয়েছিলেন যেগুলো ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একথা বলা অসঙ্গত হবে না যে, রোমকে তিনি এক নতুন সংবিধান দিয়েছিলেন, যে-সংবিধান অনুযায়ী একজনের হাতেই ছিল বেশিরভাগ ক্ষমতা, কিন্তু সিনেট, কনসাল ও রাষ্ট্রের অন্যান্য কর্মকর্তারাও সেখানে ছিল, এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁদের কথারও যথেষ্ট মূল্য দেয়া হতো। সেকারণে, তাঁকে ‘Augustus’ (মানে, ‘শ্রদ্ধেয়’, ‘রাজসিক’) উপাধিতে ভূষিত করে সিনেট একভাবে তাদের কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছিল। ভাবীকালের কাছে সেই নামেই পরিচিত হয়ে আছেন তিনি, এবং ২৭ খৃষ্ট পূর্বাব্দ থেকে ১৪ খৃষ্টাব্দে ছিয়াত্তর বছর বয়েসে মৃত্যু পর্যন্ত সেই উপাধি ধারণ করেছিলেন তিনি।…

|| লেখা, পড়া, শোনা ও বলা || যখন বলি ‘রোমক সাহিত্য’ তখন আসলে কি বোঝাই আমরা? আমরা নিশ্চয়ই তখন সেসব ছাপা বই-এর কথা বলি না দোকানে যেসব বিক্রি হয়, প্রকাশকেরা যেসব ছেপে বের করার পর বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য পাঠান, এবং লেখা-ই পেশা এমন লেখকেরা তা লেখেন। রোমে খানিকটা ভিন্ন ছিল বিষয়টা। [. . .]

Tore Janson-এর সুইডিশ ভাষায় রচিত Latin: Kulturen, historien, språket গ্রন্থের Merethe Damsgård Sørensen ও Nigel Vincet-কৃত ইংরেজি অনুবাদ A Natural History of Latin-এর বাংলা ভাষান্তর   লেখা, পড়া, শোনা ও বলা যখন বলি ‘রোমক সাহিত্য’ তখন আসলে কি বোঝাই আমরা? আমরা নিশ্চয়ই তখন সেসব ছাপা বই-এর কথা বলি না দোকানে যেসব বিক্রি হয়, প্রকাশকেরা যেসব ছেপে বের করার পর বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য পাঠান, এবং লেখা-ই পেশা এমন লেখকেরা তা লেখেন। (অবশ্য এই শেষ ব্যাপারটা এখনো, এই একবিংশ শতকেও, খুব কম-ই দেখা যায় — অনুবাদক)। রোমে খানিকটা ভিন্ন ছিল বিষয়টা। রোমকরা এমন এক সমাজে বাস করত যেখানে লিখিত ভাষার ভূমিকা ছিল আমাদের জীবনে সেটার ভূমিকার চাইতে ঢের কম। শহরে থাকত যারা তাদের অনেকেই লিখতে পড়তে পারতো, কিন্তু মোটের ওপর পুরো জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই সম্ভবত ছিল নিরক্ষর। তাছাড়া, আজকের তুলনায় পড়ার জিনিসও যে ঢের কম ছিল তা বলাই বাহুল্য। এ পার্থক্যের একটা বড় কারণ নিশ্চয়ই প্রযুক্তি। রোমকদের তো আর কম্পিউটার, ছাপাখানা বা ফটোকপিয়ার ছিল না। প্রতিটি টেক্সট হাতে লিখতে হতো, আর, কোনো লেখার বেশ কিছু কপি বিলি করতে হলে মূল লেখাটা বার বার নকল করতে হতো যতক্ষণ পর্যন্ত না প্রয়োজনীয় সংখ্যক কপি পাওয়া যাচ্ছে — সেটা কবিতা থেকে পোস্টার সব কিছুর ব্যাপারেই প্রযোজ্য ছিল। একমাত্র যে ক্ষুদে টেক্সট গণহারে তৈরি করা সম্ভব ছিল তা হলো মুদ্রায় উৎকীর্ণ লিপি। প্রচুর পরিমাণে সেগুলো ছাপ মারা যেতো মুদ্রার ওপর। কাজেই ক্ষমতাসীনরা তাঁদের প্রচার-প্রপাগান্ডার কাজে মুদ্রার ওপর উৎকীর্ণলিপি (এমনকি ছবিও) ব্যাপক হারে ব্যবহার করতেন। মুদ্রা ছাড়া টেক্সট তৈরির আর কোনো সহজ উপায় ছিল না। খানিকটা ব্যয়সাপেক্ষ একটা উপায় অবশ্য যথেষ্ট ব্যবহৃত হতো, আর সেটা ছিল পাথর বা তামার ফলকের (ট্যাবলেট) ওপর লেখা উৎকীর্ণ করা। এমন উৎকীর্ণ লিপি ছিল বেশ টেকসই, আর সেগুলো সুবিধেজনক এমন সব জায়গায় রাখা বা বসানো যেতো যাতে শহরের সব বাসিন্দা তা দেখতে পায়, বা, পড়তে পারে। এই কৌশলটা কেবল সমাধিফলক বা স্মৃতিসৌধের ক্ষেত্রেই সুবিধেজনক ছিল না, একই সঙ্গে তা আইন-কানুন, বিধি-নিষেধ, বা এরকম নানান বিষয় প্রচারের জন্যেও উপযোগী ছিল খুব। গোটা রোমক সাম্রাজ্য থেকে সংগৃহীত এ-ধরনের হাজার হাজার উৎকীর্ণ লিপি এখনো…

|| বিপ্লবের কাল || শত শত বছর ধরে রোমে কার্যত একইরকম শাসন বহাল ছিল; গণপরিষদের হাতে নির্বাচিত কর্মকর্তা আর সিনেটররাই ছিলেন দণ্ডমুণ্ডের কর্তা। কিন্তু ধীরে ধীরে খুবই বিশাল হয়ে পড়েছিল সাম্রাজ্যটি। [. . .]

Tore Janson-এর সুইডিশ ভাষায় রচিত Latin: Kulturen, historien, språket গ্রন্থের Merethe Damsgård Sørensen ও Nigel Vincet-কৃত ইংরেজি অনুবাদ A Natural History of Latin-এর বাংলা ভাষান্তর   বিপ্লবের কাল শত শত বছর ধরে রোমে কার্যত একইরকম শাসন বহাল ছিল; গণপরিষদের হাতে নির্বাচিত কর্মকর্তা আর সিনেটররাই ছিলেন দণ্ডমুণ্ডের কর্তা। কিন্তু ধীরে ধীরে খুবই বিশাল হয়ে পড়েছিল সাম্রাজ্যটি। তারপরেও গণপরিষদের সদস্য ছিলেন কেবল রোমের মুক্ত মানুষেরা, আর সত্যি বলতে সিনেটররা আসতেন রোমের খুব অল্পসংখ্যক অত্যন্ত ধনী পরিবার থেকে। কাজেই, সব ক্ষমতা আর প্রায় সমস্ত অর্থ-সম্পদই কুক্ষিগত ছিল একটি মাত্র শহরের গুটিকতেক মানুষের হাতে। রোমের দরিদ্র জনসাধারণ ও গোটা সাম্রাজ্যের সবার মাঝে ব্যাপক অসন্তোষের সৃষ্টি করে এ-বিষয়টি। এবং শেষ পর্যন্ত অকার্যকর হয়ে পড়ে ব্যবস্থাটি। অথচ তারপরেও সেটা বদলানো সহজ ছিল না খুব একটা। এক শতকের অল্প কিছু বেশি সময় ধরে গুরুতর এক ক্ষমতার লড়াই চলে রোমে। সেটার শুরু হয় প্রস্তাবিত এক ভূমি সংস্কার নিয়ে। এই প্রস্তাব অনুযায়ী, ধনীরা আর বড় বড় জমির মালিক হতে পারবেন না এবং দাসদের দিয়ে সেগুলো চাষবাদ করাতে পারবেন না। উল্টো, অনেক জমিই তাঁদের ছেড়ে দিতে হবে, এবং সেগুলো তখন ছোট ছোট ভাগ করে গরীবদের মধ্যে, বিশেষ করে সেই সব সৈন্যর মধ্যে বিলি করে দেয়া হবে যাঁরা সেনাবাহিনীতে তাঁদের কাজের মেয়াদ শেষ করেছেন। এই ভূমি সংস্কারের প্রস্তাব যিনি করেন তাঁর নাম তাইবেরিয়াস গ্রকাস (Tiberius Gracchus)। ১৩৩ খৃষ্ট পূর্বাব্দে খুন হয়ে যান তিনি। শুধু তিনিই নন, দশ বছর পর খুন করা হয় তাঁর সহোদরকেও, যিনি ঠিক একই ধ্যান-ধারণার প্রবক্তা ছিলেন। তাঁদেরকে হত্যা করা হলেও তাঁদের চিন্তাকে কিন্তু হত্যা করা যায় নি। আর তা জন্ম দিল কিছু মানুষের ছোট একটি দলের, যদিও তাঁরা যে খুব সংগঠিত ছিলেন সেকথা বলা যাবে না। তাঁরা নিজেদেরকে বলতেন 'populares', আর এ-শব্দটা এসেছে 'populus', বা 'জনগণ' (people) থেকে, যার অর্থ, 'জনগণের দল' (the people's party)। তাঁদের বিরোধী পক্ষে ছিলেন ধনী সব সিনেটর আর তাঁদের অনুসারীরা, আর নিজেদেরকে তাঁরা বলতেন 'optimates', বা, 'সেরা' (the best)। তো, এক অর্থে রোমে তখন দেখা দিলো একটি পরিবর্তনকামী বা, প্রগতিবাদী, বা চরমপন্থী দল, আরেকটি রক্ষণশীল দল। একদিকে এই দুই দলের দ্বন্দ্ব নানান…

|| জনগণের জন্য থিয়েটার || সংরক্ষিত হয়েছে এমন সবচাইতে পুরানো লাতিন সাহিত্য বলতে আমরা প্লতাস নামের এক ভদ্রলোকের বেশ কিছু নাটককেই বুঝি। খৃষ্টপূর্ব ২০০ সালের দিকে লেখা হয়েছিল সেসব, আর মঞ্চস্থ হয়েছিল রোমেই। প্লতাসেরই অনুবাদ করা সমসাময়িক কিছু গ্রীক নাটককে সামনে রেখে রচিত হয়েছিল সেগুলো; রোমান পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুযায়ী বদলে নেয়া হয়েছিল স্থান-কাল-পাত্রী-পাত্র। [. . .]

Tore Janson-এর সুইডিশ ভাষায় রচিত Latin: Kulturen, historien, språket গ্রন্থের Merethe Damsgård Sørensen ও Nigel Vincet-কৃত ইংরেজি অনুবাদ A Natural History of Latin-এর বাংলা ভাষান্তর   জনগণের জন্য থিয়েটার সংরক্ষিত হয়েছে এমন সবচাইতে পুরানো লাতিন সাহিত্য বলতে আমরা প্লতাস নামের এক ভদ্রলোকের বেশ কিছু নাটককেই বুঝি। খৃষ্টপূর্ব ২০০ সালের দিকে লেখা হয়েছিল সেসব, আর মঞ্চস্থ হয়েছিল রোমেই। প্লতাসেরই অনুবাদ করা সমসাময়িক কিছু গ্রীক নাটককে সামনে রেখে রচিত হয়েছিল সেগুলো; রোমান পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুযায়ী বদলে নেয়া হয়েছিল স্থান-কাল-পাত্রী-পাত্র। আমরা যাকে সচ্ছল মধ্যবিত্ত বলি তাদের জীবন নিয়েই রচিত এই নাটকগুলো। বণিক, ভূস্বামী আর তাদের স্ত্রী, সন্তান-সন্ততি ও দাসেরাই ছিল সেসবের চরিত্র। শেষ অব্দি পুনর্মিলিত হওয়া প্রেমিক-প্রেমিকা, বা হারিয়ে যাওয়া ছেলেমেয়ের অপ্রত্যাশিতভাবে উদয় হওয়া, এসব বিষয় ঘিরেই ঘুরপাক খেতো তাঁর নাটকের প্লট। আর সেটিং বা ঘটনাস্থল হিসেবে সবসময়ই থাকত কোনো বন্দর, যেখানে নানান জায়গা থেকে জাহাজ এসে ভিড়ছে। আসলে এরকমই এক বহুজাতিক বা কসমোপলিটান সমাজ হিসেবে বিকশিত হচ্ছিল তখন রোম, কাজেই নাটকগুলো বেশ দ্রুতই জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। আমরা দেখতে পাই, দীর্ঘদিন ধরে জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে পেরেছে এ-ধরনের নাটক। শেক্সপীয়র তাঁর বহু নাটকের বিষয় ও প্লট প্লতাসের কাছ থেকেই নিয়েছিলেন; যেমন, দ্য কমেডি অভ এরর্স হচ্ছে Menaechmi-র আদলে রচিত; আর এমনকি আমাদের সময়ের Dallas-এর মতো দীর্ঘ দিন ধরে চলা সোপ অপেরার কেন্দ্রেও রয়েছে একই মূল বিষয়বস্তু। কিন্তু প্লতাস ছিলেন আরো মজার। প্লট নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামাতেন না তিনি, তাঁর নজরটা থাকত মূলত বুদ্ধিমান দাস ও কৌতুকপ্রদ ভুল বোঝাবুঝি আর হামবাগ সেনাপতি ও দাপুটে পিতাদের নিয়ে মজা করার দিকে। এই নাটকগুলোতে দাসেরা প্রায়ই নানান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, এবং এমন সমস্ত আচার-আচরণ করে যা করা নিষিদ্ধ ছিল রোমে। একটি নাটকে প্লতাস নান্দীপাঠে (prologue) বলছেন নাটকের এক পর্যায়ে দুই দাস-দাসী বিয়ে করবে, এবং তিনি বেশ বুঝতে পারছেন যে কেলেঙ্কারিটা সহজভাবে নেবে না দর্শকেরা। অথচ অন্যস্থানে কিন্তু কাজটি বৈধ — ‘in Graecia et Carthagini, et hic in nostra terra, in Apulia’ (গ্রীস ও কার্থেজে, এবং আমাদের নিজেদের দেশে, আপুলিয়া-তে)। আপুলিয়া-তে, (অধুনা পাগলিয়া-য়), ইতালির দূর দক্ষিণে, যা তখন কেবলই রোমক সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, রীতি-নীতি ছিল গ্রীসের মতন, কিন্তু রোমকরা…

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.