নভেরা : মৃত ও জীবিত

এই তো এ মাসের গোড়াতেই কথা হচ্ছিল বাংলাদেশের খ্যাতিমান এক শিল্প-সমালোচকের সঙ্গে; নানা কথার মধ্যে এও জানা গেল যে, নভেরা আহমেদ না কি মারা গেছেন! মারা গেছেন? হ্যাঁ, সেরকমই তিনি শুনেছেন। কবে মারা গেছেন? ২০০৩ সালে। [...]

2-novera-02

এই তো এ মাসের গোড়াতেই কথা হচ্ছিল বাংলাদেশের খ্যাতিমান এক শিল্প-সমালোচকের সঙ্গে; নানা কথার মধ্যে এও জানা গেল যে, নভেরা আহমেদ না কি মারা গেছেন! মারা গেছেন? হ্যাঁ, সেরকমই তিনি শুনেছেন। কবে মারা গেছেন? ২০০৩ সালে।

এদিকে, ১৯৯৮ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ লেখক সংসদ থেকে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের নারী চরিতাভিধান’-এর ৮৪ পৃষ্ঠায় গ্রন্থকার সাঈদা জামান আমাদের জানিয়েছেন, ‘১৯৮৯ সালে নভেরা আহমেদ মারা যান।’

এই বইটি বিষয়গত গুরুত্বের কারণে বিভিন্ন গ্রন্থাগারে সংরক্ষণযোগ্য বলে বিবেচিত হবার কথা। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির গ্রন্থাগারেও এর একটি কপি আছে। এই এশিয়াটিক সোসাইটি থেকেই ২০০৭-এর ডিসেম্বরে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক সমীক্ষামালা’-র অষ্টম খণ্ডে (‘চারু ও কারু কলা’) নভেরা আহমেদকে নিয়ে আলোচনার অন্তিম অনুচ্ছেদে (পৃষ্ঠা ৩৫৮) লালা রুখ সেলিম জানাচ্ছেন :

১৯৬০-এর দশকের পর নভেরা আর বাংলাদেশে ফেরেন নি এবং তাঁর বন্ধু বা আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক রাখেন নি। তাঁর নীরবতার পাল্টা জবাবে যেন তাঁর নাম বিস্মৃতিতে হারিয়ে গেল, তাঁর কাজ অবহেলায় এবং অযত্নে ধ্বংস হয়ে গেল। ১৯৬০ সালে নভেরার প্রদর্শনীর ক্যাটালগে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন লিখেছিলেন যে পূর্ব পাকিস্তানের শিল্প জগতে একটা ক্ষুদ্র বিপ্লব ঘটে যায় যখন নভেরা আহমেদ নগরের কেন্দ্রীয় গণ গ্রন্থাগারের দেয়ালে উচ্চাবচ ভাস্কর্য গড়েন ১৯৫৭ সালে এবং প্রথম প্রাঙ্গণ ভাস্কর্য গড়েন ১৯৫৮ সালে। এ শিল্পকর্মগুলি নিয়ে ঢাকার নাগরিকরা গত কয়েক বছর বাস করছে। তবে তিনি মনে করেন আমাদের শিল্প জীবনে এ দুটি কাজের অভিঘাত মূল্যায়ন করতে বহু প্রজন্মের প্রয়োজন হবে। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার ভাস্কর্যে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ নভেরা আহমেদকে একুশে পদক দিয়ে সম্মানিত করেন।

‘বেগম নভেরা আহমেদ’কে একুশে পদকে সম্মানিত করার সরকারি ঘোষণাটির কথা আমাদের মনে আছে; আর এও মনে আছে যে, সবার প্রত্যাশার মুখে ছাই দিয়ে সেই সম্মাননা গ্রহণের জন্যও নভেরা দেশে আসেননি!

১৯৯৪ সালে ‘বিচিত্রা’-র ঈদ সংখ্যায় প্রকাশিত ও পরের বছর গ্রন্থাকারে মুদ্রিত হাসনাত আবদুল হাইয়ের লেখা জীবনী-উপন্যাস ‘নভেরা’-র কথাও আমরা ভুলে যাইনি, যার অন্তিম অধ্যায়ে শিল্পীর মামাতো ভাই রাশেদ বলছেন, ‘আই ওয়ান্টেড হার টু ফেড অ্যাওয়ে উইদ ডিগ্‌নিটি।’ ১৯৮৭ সালে, অনেক বছর খোঁজাখুঁজির পর প্যারিসে সন্ধান লাভের পরও, রাশেদ নভেরার দৃষ্টি আকর্ষণ করেননি, বরং তিনি নভেরাকে ‘সসম্মানে মিলিয়ে যাবার’ সুযোগ করে দিয়েছেন!

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের উদ্যোগে ১৯৯৮ সালের ১৪ এপ্রিল থেকে ১৩ মে (১–৩০ চৈত্র ১৪০৫) পর্যন্ত নভেরা আহমেদের ভাস্কর্যের মাসব্যাপী প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। দীর্ঘদিন অনাদরে-অবহেলায় পড়ে-থাকা ভাস্কর্যগুলোকেi একত্র করে প্রদর্শনের ও পরবর্তী পর্যায়ে সংরক্ষণের এই রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ নিশ্চয়ই প্রশংসনীয়। জাদুঘরের সামনের উদ্যানে এবং তৃতীয় তলায় সমকালীন শিল্পকলা গ্যালারিতে নভেরার ভাস্কর্যগুলো অনেকেই দেখেছেন, নতুন নতুন দর্শনার্থীরা প্রতিদিনই নিশ্চয়ই দেখছেন। কিন্তু অনেকের পক্ষেই জানা সম্ভব নয় যে, জাদুঘরের ভিতরের চত্বরে অরক্ষিত পড়ে আছে নভেরার একটি ভাঙা ভাস্কর্য, দিনের পর দিন; আর আরো একটু এগিয়ে বাঁ-দিকে গেলে কর্মচারীদের টিফিন করার স্থানে দেখতে পাবার কথা নীচের এই দৃশ্য –

নোংরা আবর্জনার স্তূপের পাশে শুশ্রূষার অপেক্ষায় দিন গুনছে নভেরার সিমেন্টে তৈরি কয়েকটি জীর্ণ ভাস্কর্য!

আর বাংলাদেশের প্রথম আধুনিক ভাস্কর নভেরা আহমেদ (জন্ম আনুমানিক ১৯৩০) আছেন প্যারিসের ‘অজ্ঞাতবাসে’, রবীন্দ্রনাথের ‘জীবিত ও মৃত’ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রের মতো যাঁকে একদিন ‘মরিয়া’ প্রমাণ করতে হবে যে, নভেরা ‘মরে নাই’!

(ছবি : বাঁধন)

রেজাউল করিম সুমন

একজন সামান্য পাঠক।

পাদটীকা:
  1. উল্লেখযোগ্য ব্যতিক্রম এম. আর. খানের পরিবারের সৌজন্যে প্রাপ্ত ‘পরিবার’ (১৯৫৮–৫৯) নামের শাদা সিমেন্টে তৈরি মুক্তাঙ্গন ভাস্কর্যটি, যার উল্লেখ রয়েছে লালা রুখ সেলিমের লেখায় ব্যবহৃত জয়নুল আবেদিনের পরোক্ষ উদ্ধৃতিতে। []

95
আলোচনা শুরু করুন কিংবা চলমান আলোচনায় অংশ নিন ~

মন্তব্য করতে হলে মুক্তাঙ্গনে লগ্-ইন করুন
avatar
  সাবস্ক্রাইব করুন  
সাম্প্রতিকতম সবচেয়ে পুরোনো সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত
অবগত করুন
রশীদ আমিন
সদস্য

Breaking news-এর মতো breaking post !!!

আমাদের দেশে যারা প্রকৃত গুণী শিল্পী তারা পর্দার অন্তরালে হারিয়ে যান । প্রকৃত গুণী শিল্পীদের একটা অহংবোধ থাকে, আমাদের মতো সমাজে এই সব শিল্পীর অহংবোধ প্রতিনিয়ত আঘাত প্রাপ্ত হয়। আমরা তো শুধু ভাগ্যক্রমে এক নভেরাকে বিস্মৃতির অতল থেকে খুঁজে পেয়েছি, কে জানে হয়তো আরো অনেক নভেরাই উলটে যাওয়া বইয়ের পাতার মতো হারিয়ে গেছে ইতিহাসের আঁধারে। তাদের কীর্তির উপর জমে যাওয়া আবর্জনাগুলো যদি কোনো ঝড়ো বাতাসে উড়িয়ে নিয়ে যায়, তবে হয়তো বেরিয়ে আসতে পারে নতুন কোনো নভেরা, আমরা যেন সেই সময়েরই প্রতীক্ষায় থাকি।

সৈকত হাবিব
সদস্য

ধন্যবাদ সুমন, আপনার এই অসামান্য উদ্যোগের জন্য।

সাইদুল ইসলাম
সদস্য

ধন্যবাদ রেজাউল করিম সুমনকে নভেরার প্রতি আমাদের সুপ্ত আবেগকে জাগিয়ে তোলার জন্য।
নভেরা কি সত্যিই মারা গেছেন? আমরা কি সে-খবরটা পর্যন্ত সঠিকভাবে জানতে পারব না? নভেরার জীবনকালে কেন তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনার কোনো উদ্যোগ নেয়া হলো না? যে-দেশে গুণীর কদর নেই সে-দেশে কোনো গুণী জন্মায় না। হয়তো এভাবেই আমা‍দের দেশ একদিন গুণীশূন্য হয়ে পড়বে। নভেরার কাজগুলো যেভাবে আবর্জনার স্তূপের পাশে পড়ে থাকতে দেখলাম, এমন দৃশ্য কোনো সাংস্কৃতিক রুচিহীন দেশেই কেবল সম্ভব।
যথাযথ কর্তৃপক্ষকে আহ্বান করব, নভেরার কাজগুলো দ্রুত সংরক্ষণ করে কিছুটা হলেও দা‍য়িত্বশীলতার পরিচয় দিন।

অবিশ্রুত
সদস্য

হাসনাত আবদুল হাই সাপ্তাহিক বিচিত্রায় নভেরা উপন্যাস লেখার অনেক পর সাপ্তাহিক বিচিত্রারই আরেকটি সংখ্যায় ১৯৯৬এর শেষ দিকে লেখালেখি বিভাগে সত্তরের দশকের গদ্যকার ইকতিয়ার চৌধুরীর একটি লেখা ছাপা হয় তাঁকে নিয়ে। লেখাটির কথা আমার স্পষ্ট মনে আছে দুটো কারণে। প্রথমত : সেটি ছিল সরকারি মালিকানাধীন বিচিত্রার শেষ সংখ্যা। দ্বিতীয়ত: এটিই প্রথম এমন একটি লেখা, যাতে সরাসরি দাবি করা হয় যে, নভেরা জীবিত আছেন। লেখাটির সঙ্গে নভেরার একটি সমসাময়িক ছবিও ছাপা হয়। ছবিতে নভেরার বয়সের ছাপ ছিল স্পষ্ট। লেখাটি আমার হাতের কাছে নেই। তবে বিবরণ মোটামুটি এরকম : ইকতিয়ার চৌধুরী একজন কূটনীতিক এবং তখন প্যারিস মিশনে কাউন্সিলর হিসেবে কাজ করছেন। পাসপোর্ট তদারকির… বাকিটুকু পড়ুন »

নভেরা হোসেন
অতিথি

আর্টিস্ট নভেরা আহমেদ সম্পর্কে কোনো কথা বলা খুব সহজ নয়। তাঁর প্রতি জাতি হিসাবে আমরা অমার্জনীয় অন্যায় করেছি। আজ তাঁকে স্মরণ করে, পদক দিয়ে, তাঁর প্রতি করা নির্মম আচরণকে, তাঁকে ও তাঁর কাজকে নিশ্চিহ্ন করার মনোভাবের ক্ষতিপূরণ করা যাবে না। আর তাতে আর্টিস্টের কিছু আসবে যাবে না।

আজ অন্তত নভেরা আহমেদের ভাস্কর্যগুলোকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ, প্রদর্শন এবং তা নিয়ে কাজ করার সুযোগ করে দেয়া দরকার। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এবং আর্টিস্টরা এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন আশা করি।

আর নভেরা এবং তাঁর কাজকে বুঝতে পারা …তা নিয়ে কী আর বলবো … কয়েক শতক … অপেক্ষা করতে হবে হয়তো …

রণদীপম বসু
সদস্য

খুবই গুরুত্বপূর্ণ লেখা ও তথ্য। লেখাটি পড়তে পড়তে আমিও স্মৃতি হাতড়াচ্ছিলাম, নভেরা সম্পর্কে সর্বশেষ লেখাটা কোথায় যেন পড়েছিলাম। অবিশ্রুত ভাইয়ের মন্তব্যটা পড়ে মনে হচ্ছে সম্ভবত আমি এটাই পড়েছি। যদিও বিচিত্রা’র সেই সংখ্যাটি হাতে নাই।

ধন্যবাদ সুমন। আমাদের সরকার কি তার বিশাল বপু নিয়ে পারে না ভাস্কর নভেরার সর্বশেষ অবস্থানটা নিশ্চিত হতে ?

রশীদ আমিন
সদস্য

সুমন , একটি তথ্য তুমি জানো কিনা জানিনা , সেটা হলো বিশিষ্ট গল্পকার এবং ডিপ্লোমেট ইকতিয়ার চৌধুরী আমাদের বন্ধু ইমতিয়ার শামিমের ভাই । তিনি বর্তমানে খুব সম্ভব ফিলিপাইনের রাষ্ট্র দূত ।

নীরু শামসুন্নাহার
সদস্য
নীরু শামসুন্নাহার

অনুসন্ধানী লেখাটা পড়লাম। অন্যদের প্রতিক্রিয়াও পড়লাম। বাঁধনের তোলা আলোকচিত্রে নভেরার ভাস্কর্য নতুন চেতনায় মুখরতা পেয়েছে বলে আমি মনে করি। নভেরার কাজ চিরদিনের, মানে ধ্রুপদী শিল্পের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে — এ-কথা আমি বেশ জোরের সঙ্গেই বলব। জাদুঘর নামের অচলায়তনের চার দেয়াল যে তার শক্তিকে বেঁধে রাখতে পারে না, পারবেও না কখনো, তারই দারুণ প্রমাণ এই ছবিগুলো। অসম্ভব শক্তিশালী এক দ্যোতনা পেয়েছে নভেরার ‘পরিবার’ ও অন্যান্য ভাস্কর্যগুলো। নবীন আমগাছের ছায়া, পাশের দালানের ভাঙাচোরা চুনসুরকি, সামনে সাধারণ মানুষের পরম যত্নে উপুড় করে শুকোতে দেয়া টিফিন-বাটি — এই সব কিছুই নভেরার আধভাঙা ভাস্কর্যগুলোকে নতুন অর্থ দিয়েছে। ফেলে রাখা ভাস্কর্যগুলো যেন নিজেরাই নভেরার হয়ে… বাকিটুকু পড়ুন »

রিয়াজ
অতিথি
রিয়াজ

Well and good initiative for artist community of Bangladesh.

নীড় সন্ধানী
সদস্য

নভেরাকে নিয়ে পড়েছি বহুবছর আগে। হাসনাত আবদুল হাইয়ের সেই উপন্যাসটার কাছে আমার অসীম কৃতজ্ঞতা। সেটা না পড়লে জানাই হতো না বাংলাদেশের সর্বকালের আধুনিকতম নারীটির কথা। সেই উপন্যাস পড়ে আমি ছুটে গিয়েছিলাম ঢাকায়। উপরের ছবিতে অবহেলিত ভাস্কর্যগুলো খুজে খুজে দেখেছি এবং ভীষন কষ্ট পেয়েছি। কী অকৃতজ্ঞ আমাদের জাতি। নভেরাকে সম্মান দিতে পারিনি, তার রেখে যাওয়া অমূল্য ভাস্কর্যগুলোকে সংরক্ষনের কোন ব্যবস্থাও নিতে অক্ষম আমরা? যে নারীর হাতে আমাদের পরম গর্বের প্রথম শহীদ মিনারটা গড়ে উঠেছিল। তাঁকে সম্মান দিতে এত কুন্ঠা ছিল কেন আমাদের সরকারগুলোর? হামিদুর রহমানের পাশাপাশি নভেরা আহমেদের কথা বলি না কেন ইতিহাসের পাতায়? কিভাবে ভুলে যাই রাতদিন একসাথে খেটে হামিদুর… বাকিটুকু পড়ুন »

ডোবারব্যাং
অতিথি
ডোবারব্যাং

এ প্রসঙ্গে আমার নিজের করুণ আর অভিজ্ঞতা আছে। ৮০’র দশকের শেষভাগে আমি স্কুলছাত্র ছিলাম। অভিভাবকের চাকরিসূত্রে ঢাবি’র এফ এইচ হল সংলগ্ন এলাকায় থাকতাম। আনন্দবাজারের পাশে, আগে পুরাতন জাদুঘর (বর্তমানে একুশে হল), এলাকাটা প্রায় পরিত্যক্ত’ই থাকত। গাছপালা ভর্তি। ওখানে যখন আমরা খেলতাম, অনেক অদ্ভুত অদ্ভুত (অনেকগুলো আবার ভাঙ্গাচোরা) ভাস্কর্য ছিলো সেখানে। আবছা মনে পড়ে, দারোয়ান মামাদের কাছে, বা আরো কোথাও, আমরা শুনতাম এগুলো নাকি নভেরার।
তখন অতো বুঝতাম না, নভেরা কে, বা ভাস্কর্য ই বা কি।
আমরা আস্তে আস্তে বড় হয়েছি।
অই জায়গাগুলোও আস্তে আস্তে পরিষ্কার (?) হয়েছে।
এই অবহেলার দায়িত্ত্ব কে নেবে?
আমরা আমাদের শিকড়কে অবহেলা করে কতোদূর যেতে পারব?

মোহাম্মদ মুনিম
অতিথি
মোহাম্মদ মুনিম

নভেরা আহমেদ সম্পর্কে গুগলে অনুসন্ধান করে ফরাসী ভাষায় লেখা একটা প্রবন্ধ পাওয়া গেল। প্রবন্ধটির ইংরেজী অনুবাদ (গুগলের যান্ত্রিক অনুবাদক) দেখে মনে হচ্ছে নভেরা Grégoire de Brouhns নামের একজন ফরাসী আলোকচিত্রশিল্পীকে বিয়ে করেন। তাঁদের বইয়ের দোকানটির নাম Librairie de Sialsky। প্রবন্ধটিতে নভেরার জন্মসাল দেখানো হয়েছে ১৯৩৯ এবং ১৯৭২ পর্যন্ত তাঁর জীবনী দেয়া আছে। ফ্রান্স একটি অতি উন্নত রাষ্ট্র, সেখানে প্রতিটি জন্ম আর মৃত্যুর নথিপত্র থাকার কথা। নভেরা মারা গিয়ে থাকলে সেটা Confirm করা খুব কঠিন হবার কথা নয়, প্যারিস এ বাংলাদেশ দূতাবাস অবশ্যই এটা করতে পারে। আর নভেরা এই দীর্ঘ প্রবাস জীবনে যেসব কাজ করেছেন, সেসব নিয়েও গবেষণা হওয়া প্রয়োজন।

ইমতিয়ার শামীম
সদস্য

২০০৭-এ হঠাৎ করেই চিন্তা করেছিলাম, হাসনাত আবদুল হাইয়ের নভেরা-তে লন্ডনের যে-সব দ্রষ্টব্য স্থান আছে নভেরার বিচরণক্ষেত্র হিসেবে, সেগুলি হেঁটে হেঁটে দেখব। মোহাম্মদ মুনিম যে লিংকটির সন্ধান দিয়েছেন, গুগল অনুসন্ধান করে আমিও সেটি খুঁজে পাই ওই সময়। ফরাসী ভাষায় লিখিত বলে সেটি পাঠিয়ে দেই এক ছোট বোনের কাছে, সেটি অনুবাদ করে দেয় তাঁর এক বন্ধু সমাজ বিজ্ঞানের মেধাবী ছাত্র রেহান। ওটি থেকে নভেরার অবস্থানের কিছু তথ্য এবং সর্বশেষ প্রদর্শনী সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে। ওটিতে যে-ছবি রয়েছে, আমার মনে হয়, সুমন সেগুলির দু’একটি ব্যবহার করেছে তাঁর এ-লেখাটার সঙ্গে। পরে যোগাযোগ করি, জেফ হ্যাসেল-এর সঙ্গে। ক্যামবারওয়েল স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফটস :… বাকিটুকু পড়ুন »

মোহাম্মদ মুনিম
অতিথি
মোহাম্মদ মুনিম

নভেরার প্যারিসের দোকানটির ঠিকানা : 2, rue Pierre le Grand 75008 Paris। গুগল থেকে ফোন নম্বর নিয়ে ফোন করলাম, কেউ ফোন ধরলেন না।

মোহাম্মদ মুনিম
অতিথি
মোহাম্মদ মুনিম

নভেরার দোকানে বেশ কয়েকবার ফোন করলাম। কেও ফোন ধরলেন না। প্যারিস এ রুশ বইয়ের বেশ কয়েকটি দোকান আছে। সবাই No English বলে ফোন রেখে দিলেন। আমাদের অফিসের এক মহিলা খানিকটা ফরাসী জ়ানেন। তাঁকে দিয়েও ফোন করালাম। এক ভদ্রলোক দৃশ্যত নভেরাকে চিনলেন, কিন্তু ফোন এ কোন তথ্য দিলেন না। বললেন তাকে চিঠি লিখতে, তিনি চিঠিতে নভেরা সম্পর্কে জানাবেন। নভেরার প্রতিবেশী কাফেতে email করলাম। কোন উত্তর পাইনি। এক ফরাসী তরুনীকে (নভেরা fan) facebook এ লিখেও কোন উত্তর পাওয়া গেলো না।

স্নিগ্ধা
সদস্য

আমি ‘নভেরা’ উপন্যাসটি পড়িনি, ভাসা ভাসা ভাবে এই প্রতিভাবান শিল্পী সম্পর্কে অল্প কিছু জানা ছিলো। তথ্যবহুল এই পোস্টটা পড়ে তাই উপকার হলো খুব!

নভেরার তীব্র অভিমানের কারণটা কী ছিলো?

বিনয়ভূষণ ধর
সদস্য
বিনয়ভূষণ ধর

রেজাউল করিম সুমন’কে অনেক…অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি একটি সুন্দর অনুসন্ধানী লেখা আমাদের সামনে পেশ করার জন্যে। লেখাটি সুমন শুরু করেছিলো সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি বিষয় দিয়ে। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেলো লেখাটা আস্তে আস্তে বিভিন্ন জনের তথ্যবহুল মন্তব্যে অনেক সমৃদ্ধ হয়ে উঠলো যা আমাদের মতো সাধারন পাঠকের চিন্তার খোরাক হয়েছে। সামনে লেখাটি থেকে আরও অনেককিছু জানতে পারবো আমরা এই আশা রাখছি।।

বিনয়ভূষণ ধর
সদস্য
বিনয়ভূষণ ধর

সুমন,
তোমাকে অনেক…অনেক ধন্যবাদ এরকম একটা তথ্য জানানোর জন্যে।

syed miraz momin
অতিথি
syed miraz momin

ami Novera Ahmed er akjon fan. i want to contact with her. can u give me her contact no/email/address?

বিনয়ভূষণ ধর
সদস্য
বিনয়ভূষণ ধর

একটা বিষয়ে সম্ভবত কেউই দ্বিমত পোষণ করবেন না যে, নভেরার স্বেচ্ছানির্বাসনের কারণ অনুসন্ধানের চেয়েও জরুরি কাজ হলো : দেশে ও দেশের বাইরে তাঁর ভাস্কর্য ও চিত্রকর্ম কোথায় কোথায় সংরক্ষিত (কিংবা অরক্ষিত অবস্থায়) আছে তা চিহ্নিত করা, সে-সবের ছবি তুলে রাখা ও সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করা এবং যে-কোনো মূল্যে সেগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা। নভেরার শিল্পকর্ম নিয়ে সত্যিকার অর্থে কোনো গবেষণা এখনো পর্যন্ত হয়নি। প্রয়োজনীয় সব তথ্য-উপাত্তও আমাদের হাতে নেই। সুমন! তোমার মন্তব্যের এই অংশের প্রতিটি কথা একেবারেই সত্যি। নভেরা আহ্‌মেদ-কে তাঁর নিজের মতো করেই থাকতে দেয়া উচিত। তাঁর কাজ নিয়ে আমাদের যাবতীয় চর্চা হওয়া উচিত, স্বেচ্ছানির্বাসনের কারণ অনুসন্ধান বা ব্যাক্তিগত বিষয়… বাকিটুকু পড়ুন »

Globe Trotting
অতিথি
Globe Trotting

One Saturday Morning I went to investigate the “store” at 2 Rue Pierre le Grand, Paris. The store is a small art gallery about 10-12 minutes walk from Arch Du Triumph. Half of their window display is dedicated to “sculptures by NOVERA”. I have seen at least nine of her works (5 small, 2 medium and 2 life size) displayed there. Unfortunately the shop was closed, and there was no phone number to be found anywhere.

Globe Trotting
অতিথি
Globe Trotting

I took several pictures of her sculptures through the glass window. How do I post them here without linking it to another web page?

Globe Trotting
অতিথি
Globe Trotting

Here are some photos of the window display of Novera’s sculptures.

If you have some questions please let me know. If I have some time this week I will stop by the art gallery in the afternoon and try to see if anybody can answer my question.

Its the same store, it just doesn’t carry books any more, and doesn’t have a name.

ছবি : ১

ছবি : ২

ছবি : ৩

ছবি : ৪


ছবি : ৫

ছবি : ৬

মোহাম্মদ মুনিম
সদস্য

নভেরার একটি সাম্প্রতিক ছবি কি যুক্ত করা যায়?

নীড় সন্ধানী
সদস্য

এই পোষ্টের আলোচনা আর ছবিগুলো দিয়ে একটা সমৃদ্ধ নভেরা সংখ্যা হয়ে যাবে। সাম্প্রতিক ছবি তোলার কাজটা করতে পারবে কি Globe Trotting?

মলিকিউল
অতিথি

রেজিঃ করার পর আর লগিন করা হ্য়নি অনেকদিন, শুধু অফলাইনে পোষ্টগুলো পড়তাম। আজ আর লগিন না করে পারলাম না……

নভেরা আহমদ সম্বন্ধে এতদিন যা জানতাম তার চেয়ে অনেক বেশি জানলাম শুধু এই পোষ্ট আর কমেন্ট পড়েই…..

অসাধারন পোষ্ট, যারা কন্ট্রিবিউট করেছেন তাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ…।

সাদা মন
অতিথি
সাদা মন

@Globe Trotting আপনাকে ধন্যবাদ জানাই নভেরার বর্তমান সময়ের কিছু শিল্পকর্মের সাথে আমাদের পরিচয় করে দেওয়ার জন্য। অনেকেই দেখছি উনার সাম্প্রতিক ছবির ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। এ ব্যাপারে আমার কিছু ব্যক্তিগত মতামত আছে। আমার কাছে মনে হয় উনি ব্যক্তিগত জীবনে কার সাথে বর্তমানে ঘর করছেন, এখন দেখতে কেমন হয়েছেন বা কতটুকু বুড়িয়ে গেছেন শিল্পের জন্য এটা কোন জরুরী কোনো বিষয় না। যেটা আমার কাছে মুখ্য মনে হয়, উঁনার বর্তমান শিল্পকর্মের বিষয়বস্ত। সময়ের পরিবর্তন , অনেক বছর আগে ছেড়ে আসা জন্মভূমির প্রতি অভিমান বা দীর্ঘ প্রবাসজীবনের কোনো ছাপ কি পড়েছে উঁনার বতর্মান কাজগুলোতে? নির্মাণের নভেরা সংখ্যায় কোনো শিল্পবোদ্ধার কাছ থেকে নভেরার শিল্পকর্মের… বাকিটুকু পড়ুন »

বিনয়ভূষণ ধর
সদস্য
বিনয়ভূষণ ধর

আজ ‘কালের কন্ঠ’ পত্রিকা তাদের নিয়মিত সাপ্তাহিক আয়োজন ‘জয়িতা’-য় “আন্তর্জাতিক নারী দিবস” উপলক্ষে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে। সেখানে ভাস্কর নভেরা আহ্‌মেদ সম্পর্কে চমৎকার কিছু তথ্য পাওয়া গেছে… পথিকৃৎ নভেরা আহমদ (১৯৩০- ) ১৯৫৭ সালে হামিদুর রহমানের সঙ্গে জলাধার অলংকরণে পত্র-পল্লবসহ শহীদ মিনারের নকশা করেন নভেরা আহমদ। ইতালির ফ্লোরেন্সে ভাস্কর ভেন্তুরির কাছে কাজ শেখেন নভেরা। ইতালির শহরগুলোর ঝরনা স্থাপত্যকীর্তিগুলো তাঁকে খুব উৎসাহিত করত। স্বাভাবিকভাবেই শহীদ মিনারের নকশা করার সময় এটাও প্রভাব বিস্তার করে তাঁর ওপর। নভেরা আহমদই প্রথম শিল্পী যিনি খোলা আকাশের নিচে ভাস্কর্য স্থাপনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি হলে বন্ধ হয়ে যায় শহীদ মিনার তৈরির… বাকিটুকু পড়ুন »

emon
অতিথি
emon

Golam murshid {ashar solone vuli, modhur khoje etc} er moto kew ki egiye ashben NOVERA ke amader kase poripurno tule dhorte..

মাসরুরা ফেরদৌস
অতিথি
মাসরুরা ফেরদৌস

সম্প্রতি হাসনাত আবদুল হাই এর “নভেরা” পড়ে আগ্রহবশত গুগলে সার্চ দিয়ে এই ব্লগটির খোঁজ পাই। বাংলাদেশের প্রথম আধুনিক ভাস্কর নভেরা আহমেদ সন্মন্ধে অনেক অজানা তথ্য জানার সুযোগ হলো। রেজাউল করিম সুমনকে ধন্যবাদ। উপন্যাসের নভেরার সাথে বাস্তবের অনেক অসামঞ্জস্য থাকলেও তাতে লেখককে প্রশ্নবিদ্ধ করা বোধ করি সমীচীন হবে না। কারন “নভেরা” একটি জীবনভিত্তিক উপন্যাস – জীবনী নয়। কিন্তু কেবলমাত্র শিল্পীর ডিগনিটি রক্ষার জন্য মামাতো ভাই রাশেদ নিজাম নভেরার আর্থিক দৈন্য নিজের চোখে দেখেও পরে আর যোগাযোগ করেননি – এ ব্যাপারটি আমার কাছে কিছুটা ঘোলাটে মনে হয়েছে। আর গ্রেগোয়া ই কি পোলানস্কি? এই নাম বিভ্রাট সম্পর্কে লেখকের মন্তব্য কি? নভেরার বোন কুসুম… বাকিটুকু পড়ুন »

মানবেন্দ্র ঘোষ
অতিথি
মানবেন্দ্র ঘোষ

রেজাউল করিম সুমন,
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাই আপনার এই মহত উদ্যগ এর জন্য।
ধন্যবাদ জানাই মন্তব্য যারা করেসেন। আমি ভাস্কর্যের শাত্র, এই ব্লগ থেকে অনেক অজানা তথ্য জানা হল। ভাস্কয্যের শিক্কারথিরা
মনে প্রানে বিশবাস করে থাকে, অগ্রজ ভাস্কর নভেরা আহমেদকে।
কিন্তু কিসের সাথ্রে বাংলাদেশ তাকে ভুলে যেতে শিখিএসে। আমাদের আর কবে লজ্জা হবে? (বাংলা তাইপ এ সমস্যা)

রফিকুল আনোয়ার রাসেল
সদস্য

সুমন ভাই। লেখাটি দারুনগ কিন্তু সত্যি বলতে, আমার খুব ভাল লেগেছে শবার কনভারসেশান পড়ে। যেন সবাই মিলে আপনার টপিকটাকে সার্থক করে তুলছিলেনগ আর আমরা পাঠকরা একটু পরপর অনেক কিছু জানতে পারছি কারো না কারো কাছ থেকে। শিল্পী নভেরা সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ সবাইকে।

ব্লাডি সিভিলিয়ান
সদস্য

সৈয়দ শামসুল হকের ‘হৃৎকলমের টানে’ (দ্বিতীয় খণ্ড)-এর ১৭৫ নং টোকায় (পৃ. ১২৪-১২৬) নিম্নলিখিত অংশটি পেলাম: ‘নভেরার কথা মনে পড়ে কারো!’-এই আশ্চর্যবোধক বাক্য দিয়ে শুরু করেছেন সাইয়িদ আতীকুল্লাহ তাঁর নতুন কবিতাটি- বেরিয়ছে ‘সংবাদ’-এর একুশের বিশেষ সংখ্যায়। নভেরা? সে কে? সত্যিই তো নভেরার কথা আজ আর কে মনে রাখে? কি এমন দায় আছে কার যে, নভেরার কথা মনে রাখবে? বিস্মৃতিই হয় আমাদের ‘মূল্যবান’ পরিচ্ছদ এবং সত্য গোপনই হয় আমাদের ‘প্রিয়তম’ খেলা। নভেরা-নভেরা আহমদ-তাঁর কথা আগেও বলেছি, আজও আবার বলি-আমাদের এই বাংলাদেশে ভাস্করদের মধ্যে প্রথম তিনি এবং আমার মনে হয় এখনো তাঁর তুল্য একজন ভাস্কর এ দেশে আসেন নি; খ্যাতি নয়, অর্থ নয়,… বাকিটুকু পড়ুন »

trackback
Mainul Abedin
অতিথি
Mainul Abedin

Thanks for the valuable post.

Tayeba Begum Lipi
অতিথি
Tayeba Begum Lipi

Sumon, you are almost there and i am so much looking forward to hearing a real word from Novera finally. Hope Sajib will be able to convey some new information about her present situation that the whole nation have been waiting for. Thanks for the long research. I admire how you as well as Imtiar Shamim bhai tried to gather information about Novera Ahmed.
i wish i could type this in bangle. Sorry about that.

trackback

[…] রাতে। সে-রাতেই লেখাটি পড়তে শুরু করি। ‘নভেরা আহমেদ : মৃত ও জীবিত’ – ভাস্কর নভেরা আহমেদকে নিয়ে রেজাউল […]

চয়ন খায়রুল হাবিব
অতিথি

বিপাশা শারমিন হোসেন, ধন্যবাদ।সম্ভবত নিচের লিঙ্কে ভাস্কর নভেরাকে নিয়ে লেখা কবিতাটার কথা বলেছেন!২০১৫সালের ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমির বইমেলাতে শিল্পি রশিদ আমিন সুত্রে সদ্য পরিচিত রেজাউল করিম সুমন সাক্ষাতে আমাকে বলেছিলেন যে এই কবিতাটি উনি আমার ব্লগে দেখেছিলেন!লিঙ্ক বিভ্রাটের জন্য দুক্ষিত!কবিতাটা আমার সাম্প্রতিক সংগ্রহ ”ডৌল: জুলেখা ইচ্ছা করলেই পারে” গ্রন্থে সঙ্কলিত হয়েছে!বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ফেললাম কি? নভেরা আজকে চলে গেলেন! মহান এই ভাস্করের নিশব্দ প্রয়ান হয়ত আমাদের পারস্পরিক-যোগাযোগ-বৈষম্য কাটাতে সহায়ক হবে!

ব্রিটানি/ ফ্রান্স
৬/৫/২০১৫
চয়ন খায়রুল হাবিব
http://choyonsdhuturafm.blogspot.fr/2008/11/blog-post_18.html

রুখসানা কাজল
অতিথি
রুখসানা কাজল

কিছু কিছু মানুষের জন্য কারো কারো হৃদয়ে অপেক্ষা তৈরি হয়। ভাস্কর নভেরা আহমেদের জন্য তেমনি সুগভীর অপেক্ষা আমার। চারুকলার ভাস্কর্যগুলি কেবল বোবা অবহেলা জানিয়েছে। নভেরা আহমেদ নামটি যেখানে দেখেছি ঝাঁপিয়ে পড়েছি। এতদিন মনে হয়েছে সময়ের চেয়ে অগ্রগামী এই মানুষটিকে আমরা হারিয়ে যেতে দিয়েছি।ঘরে বাইরে ডাকার মত করে কেউ কাছে ডেকে নিইনি। কিম্বা তেমন কারো ডাকার অপেক্ষায় থেকে থেকে নির্মোহের পর্দা টেনে দিয়েছে এই অভিমানী হৃদয়। কিন্তু আজ মনে হচ্ছে , ফিরে এলো নভেরা আহমেদ।

trackback

[…] পড়ে-থাকা ভাস্কর্যগুলোকে1 একত্র করে প্রদর্শনের ও পরবর্তী […]

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.