সুপারিশকৃত লিন্ক মে ২০২১

মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিন্ক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে।
ধন্যবাদ।

আজকের লিন্ক

এখানে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই সুপারিশ করুন এখানে। ধন্যবাদ।

৫ comments

  1. মাসুদ করিম - ১ মে ২০২১ (৪:৩৯ পূর্বাহ্ণ)

    কোভিড: শরীর সারার পর মন বাঁচানোর লড়াই

    “মনে হত গভীর অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ব্যাখ্যা করে বোঝানোর মত না। তবে পরিস্থিতিটা খুব ভীতিকর। খাদের নিচে কিংবা অন্ধকার কূপের নিচে চলে যাচ্ছি- এরকম অনুভূতি তৈরি হত।”

    গত মার্চে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি এমন মানসিক জটিলতার মধ্যে দিয়ে গেছেন ঢাকার পুস্তক প্রকাশক মনোজ দে।

    ভয়ের ওই বিচিত্র অনুভূতিগুলো তার মাথায় উঁকি দিতে শুরু করে আক্রান্ত হওয়ার অষ্টম দিন থেকে। ‘অতলে ডুবে যাওয়ার’ ভয় তাকে চেপে ধরতে থাকে।

    আদর্শ প্রকাশনীর সম্পাদক মনোজ ভাইরাসমুক্ত হয়েছিলেন সংক্রমণ ধরা পড়ার ১৮ দিন পর। জ্বর, গলাব্যথা, শারীরিক দুর্বলতা থেকে ধীরে ধীরে মুক্তি মিললেও ভয় আর অস্থিরতা কাটাতে তাকে আরও অপেক্ষা করতে হয়েছে।

    ৩৭ বছর বয়সী মনোজের মত কোভিড থেকে সুস্থ হওয়া অনেকেই নতুন কিছু জটিলতায় ভুগছেন, যা তাদের ‘আগে ছিল না’। এর কিছু শারীরিক, কিছু আবার মানসিক। বিষয়গুলো তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও কর্মক্ষেত্রেও জটিলতা বাড়াচ্ছে।

    বিশ্বজুড়েই কোভিড থেকে সেরে ওঠা রোগীদের মনস্তাত্ত্বিক ও স্নায়বিক জটিলতায় ভোগার চিত্র উঠে আসছে বিভিন্ন গবেষণায়।

    নভেম্বরে ল্যানসেটের প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়, সুস্থ হওয়া কোভিড-১৯ রোগীদের বেশিরভাগের মধ্যেই উদ্বেগ, অনিদ্রা ও হতাশা দেখা যায়; যা পরে দীর্ঘমেয়াদী মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

    গত সেপ্টেম্বর থেকে দুই দফা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন একটি বায়িং হাউজের কর্মী মোহাইমিনুল আহমেদ। শরীর সেরে উঠলেও মেজাজ প্রায়ই আর নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। আবার ভুলে যাওয়া, ঘুম না হওয়া এবং দুঃস্বপ্নের মত সমস্যাও তার হচ্ছে।

    “২ থেকে ৩ ঘণ্টা শুয়ে থাকলেও দেখা যায় ঘুম আসতে চায় না। আবার যখন আসে, সঙ্গে দুঃস্বপ্ন নিয়ে আসে। আতঙ্কে লাফিয়ে ঘুম থেকে উঠি।”

    ত্রিশের তরুণ মোহাইমিনুল জানালেন, দ্বিতীয় দফা আক্রান্ত হওয়ার পর খুব ছোটখাটো বিষয়েও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মেজাজ হারাচ্ছেন তিনি। তার সঙ্গে সাধারণ জিনিসগুলোও ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে গেছে অনেক।

    “ফোকাস করতে পারছি না, মনে রাখতে পারছি না। ফ্যামিলির সবাই বসে কিছু একটা নিয়ে আলোচনা হল, দশ মিনিট পর আমার স্ত্রী যখন সেটা নিয়ে কিছু বললো, তখন দেখা যায় আমি পাল্টা প্রশ্ন করছি, এ নিয়ে কখন কথা বললাম! মেমোরিতে থাকছে না।”

    ৬২ হাজারের বেশি কোভিড-১৯ রোগীসহ যুক্তরাষ্ট্রের ৬ কোটি ৯০ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য পর্যালোচনা করে গবেষকরা দেখেছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের স্মৃতিভ্রংশ হওয়ার ঝুঁকি প্রবল।

    সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ লাখের বেশি কোভিড রোগীর চিকিৎসা নথি পর্যালোচনা করে আক্রান্তদের মধ্যে উদ্বেগ এবং ভাবের ভারসাম্যহীনতা দেখেছেন সবচেয়ে বেশি।
    গত অক্টোবরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার একটি কর্মজীবী হোস্টেলে অনেকটা বন্দিদশায় কাটাতে হয়েছিল বেসরকারি কোম্পানির চাকুরে মিথিলা নাজনীনকে। তাকেও পরে এ ধরনের মানসিক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছে।

    “একটা বিষয় নিয়ে কথা বলতে বলতে অন্য প্রসঙ্গে চল যাই। কোথা থেকে শুরু করছিলাম, কোথায় থামতে হবে, কোনো কিছুই মাথায় থাকে না। চার-পাঁচ লাইনের লেখা বুঝতেও গোলমাল লেগে যায়।”

    ভুলে যাওয়ার সমস্যা চাকরির ক্ষেত্রে বাড়তি মানসিক চাপে ফেলছে মিথিলাকে। সেই সঙ্গে একটুতেই মন খারাপ হয়ে যাওয়া, মেজাজ খিটখিটে থাকা, রেগে যাওয়া, কারও সাথে কথা বলা বা মেশার ইচ্ছে না করার মত বাড়তি সমস্যা ভোগাচ্ছে তাকে।

    “এটা শুধু শারীরিক না, এটা মানসিক অসুখও দিয়েছে। কারও সাথে মিশতে ইচ্ছে করে না, নিজের মধ্যে থাকা হয়। ওই প্যানিকড অবস্থাটা থেকে বের হতে অনেক সময় লাগে।”

    গবেষকরা বলছেন, খুব অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার চাপ থেকেও অনেকের এরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।

    এছাড়া কোভিড-১৯ মানুষকে যে শারীরিক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে ফেলে দেয়, তার ফলাফল হিসেবে স্ট্রোক ও স্মৃতিভ্রংশের মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

    কোভিড থেকে সেরে ওঠা বেশ কয়েকজন রোগীকে মানসিক সহায়তা দেওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মাহজাবীন হক বলেন, “এটার সাথে মৃত্যুভয় জড়িত থাকে, ওই আশঙ্কাটা তাদের মধ্যে থেকেই যায়।

    “সাথে শারীরিক দুর্বলতার প্রভাবও জড়িত আছে। এসব কারণে তারা ডিপ্রেসড থাকে; মন ভালো থাকে না, ভয় লাগে। সিভিয়ার ডিপ্রেশন থেকে হ্যালুসিনেশনও হয়ে থাকে।”

    কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের তরুণী গৃহিনী ইসরাত জাহান করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সেরে উঠেছেন প্রায় পাঁচ মাস। ভাইরাস থেকে মুক্তি হলেও আতঙ্ক থাকে ছাড়েনি।

    “রাতে ভীষণ ভয় পাই। পাশে কেউ থাকলেও ভয় কাজ করে, যেটা আগে ছিল না। মনে হয় অশরীরী কিছু রুমের মধ্যে আছে। সেটা এসে কোনো ক্ষতি করবে। এই ভয়ে ঘুম থেকে উঠে যাই। অনেক বেশি দুঃস্বপ্ন দেখি।“

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক আবদুস সালাম বলেন, যে কোনো ভাইরাল সংক্রমণের ভোগান্তির পর কষ্ট থেকে ‘মানসিক বিপর্যয়’ তৈরি হতে পারে।

    “আমাদের দেশে এ নিয়ে কোনো গবেষণা এখনও হয়নি। তবে আমার ধারণা, করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের প্রায় অর্ধেকেরই ডিপ্রেশন ডেভেলপ করে।“

    তরুণ ব্যবসায়ী শাওয়াল উজ্জ্বল পাঁচ মাস ধরেই এ ধরনের সমস্যায় রয়েছেন। গত নভেম্বরে মা ও স্ত্রীসহ সংক্রমিত হওয়া উজ্জ্বল জানান, তার মায়েরও ভুলে যাওয়ার সমস্যাটা হচ্ছে।

    ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউরোলোজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আহমেদ হোসেন চৌধুরী বলেন, কোভিড থেকে সেরে ওঠা ৩৫ থেকে ৩৭ শতাংশ রোগীর মধ্যে স্নায়বিক জটিলতা দেখা যাচ্ছে।

    “কোভিডের পরেই যে নিউরোলোজিক্যাল সমস্যা হচ্ছে, সেটা অনেকে বুঝতে পারেন না। তবে যারা সমস্যা নিয়ে আসছেন, তাদের কাছে জেনে আমরা বুঝতে পারছি, কোভিডের কারণেই তাদের এটা হচ্ছে।”

    তিনি জানান, এ ধরনের রোগীরা মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, শরীর ব্যথা, হাত-পা ঝিনঝিন করা, শরীর অবশ লাগা, ভুলে যাওয়া, ঘুমের সমস্যা, জ্বর জ্বর ভাব, গন্ধ না পাওয়ার জটিলতার কথা বলেন।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোলোজি বিভাগের অধ্যাপক কনোজ কুমার বর্মণ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কয়েক দিন আগে স্ট্রোকের একজন রোগী পেয়েছি, বিভিন্ন ইনভেস্টিগেশন করে দেখা গেল, উনি কোভিডের পেশেন্ট ছিলেন।”
    কোভিড থেকে সেরে ওঠাদের এসব পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মোকাবেলার করে ভালো থাকার জন্য নিয়মিত পুষ্টিকর খাদ্যগ্রহণ ও শরীরচর্চার পাশাপাশি বেশকিছু কৌশল অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

    অধ্যাপক কনোজ বলেন, “কোভিড থেকে ভালো হয়ে বাসায় যাওয়ার পরে সেই রোগীকে সাবধানে থাকতে হবে; বিশ্রামে থাকতে হবে।

    “ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ থাকলে এগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এর পরেও অনেকের স্ট্রোক হয়ে যায়। তেমন হলে সে অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।”

    কোভিডে আক্রান্তরা শারীরিক সুস্থতায় যতটা গুরুত্ব দেন, মানসিক বিষয়ে ততটা নজর দেন না বলে মনে করেন অধ্যাপক মাহজাবীন হক।

    তিনি বলেন, “একটু একটু করে ভালো থাকার চেষ্টা করতে হবে। ভালো লাগার কাজগুলো করে, পছন্দের গান শুনে ভালো লাগার স্মৃতিগুলো মনে করে, যত ভালো কিছু তার সাথে হয়েছে, সেসব ছবির অ্যালবাম সে দেখতে পারে।”

    ভয়-আতঙ্ক অনেক বেশি হয়ে গেলে, নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে, চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন অধ্যাপক আবদুস সালাম।

    আর কোভিডজয়ী মনোজ দে জানালেন, তিন সপ্তাহের অনবরত চেষ্টায় ভয় পাওয়ার সমস্যা তিনি একটু একটু করে কাটিয়ে উঠেছেন।

    বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “ইউটিউব দেখে ও বিভিন্ন আর্টিকেল পড়ে সমাধান পাওয়ার চেষ্টা করেছি। নিজে নিজে মেডিটেশন করেছি।

    “ইয়োগা, শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করেছি। এরপর মানসিক স্বস্তি এসেছে। এখন আর ভয়টা নেই, তবে ঘুম কম হচ্ছে।”

    বিকল্প কৌশল করে ভুলে যাওয়ার জটিলতা এড়ানোর কথ বললেন কোভিড থেকে সুস্থ হওয়া রফিকুল বাশারও।

    ৪৫ বছর বয়সী এই গণমাধ্যমকর্মী বললেন, “এখন কাজগুলো লিখে রাখতে হচ্ছে, যাতে মনোযোগ অন্যদিকে না যায়।”

    https://twitter.com/urumurum/status/1388336791027994630

  2. মাসুদ করিম - ২ মে ২০২১ (৩:০৯ অপরাহ্ণ)

    How Kolkata’s famous Mohan’s Bookshop lost its battle against the Covid-19 pandemic

    Nature’s first green is gold,
    Her hardest hue to hold.
    Her early leaf’s a flower;
    But only so an hour.
    Then leaf subsides to leaf.
    So Eden sank to grief,
    So dawn goes down to day.
    Nothing gold can stay.
    — Robert Frost

    Mohan Tiwari knows in his heart what Robert Frost meant when he wrote these lines. Nature does not allow a state of perennial existence. Same is the case with life. The iconic Mohan’s Bookshop and Magazine in Kolkata has closed its doors for the last time in March 2021.

    The Tiwari family is grieving. It has already been more than a month since the family ceased to be the owner of a bookshop.

    In His Majesty’s name

    Mohan Tiwari was born in a time when India was still under British rule. The Britishers were yet to leave us. He was the first of three sons of a farming family in the Ballia district of Uttar Pradesh. The paucity of resources at home had kept young Mohan from getting any education.

    “He came to Kolkata in 1943 looking for work,” said Gopal Tiwari, Mohan Tiwari’s eldest son. “He could not have been more than 14 years when he came here.” As he had no education and or any particular trade, young Mohan sought to hawk newspapers at traffic signals in Chowringhee, which housed the majority of the British population in Calcutta.

    Mohan Tiwari got used to toiling hard from an early age. He spent the days hawking newspapers and slept off the nights on the sidewalks. This went on till the ’60s.

    After hawking newspapers for more than a decade, Mohan Tiwari managed to set up a stall near the Grand Hotel with the help of a wall almirah. This was the beginning of his love affair with books, which went on for more than half a century. He started selling English books, alongside British and American magazines. The bookstall was later followed by a full-fledged bookshop.

    “He did not have anyone to show him the ropes of the publishing trade,” said Gopal Tiwari. “He learnt it all on his own He drowned himself in books and thought of nothing else. He even took some classes to learn English.”
    Mahanagar days

    There was a brief lull in business after 1947. The Britishers left for their country, but the intelligentsia in Calcutta soon greeted Mohan’s with open arms. “So many eminent people of the city used to come to our shop,” said Gopal Tiwari, who joined his father at work in 1992. “From bureaucrats to academics, our shop catered to them all.”

    Auteur Satyajit Ray frequented the shop from his college days. “My father had a rapport with him from the time he was yet to become a world-famous director,” Gopal Tiwari said. “I have seen other celebrities like Soumitra Chatterjee and Aparna Sen coming to our shop.”

    The cultural landscape in Kolkata during the prime of Mohan’s was nothing short of exuberantly active. The shop became something of a shrine for literary enthusiasts. College students and university students from all over the city went to the shop, which became an indelible part of the city’s cultural landscape.

    Saying goodbye

    “We were all heartbroken to leave the book trade but we have to survive,” Gopal Tiwari said when I asked him how his father has been feeling about the change. “I think he feels ten times worse than me.”

    But why did the family have to close the shop? For a number of reasons. The bookshop was part of an intricate cultural eco-system that has changed rapidly and radically in the last decade. The bookshop thrived because of a conducive and encouraging environment. “Lighthouse cinema was just opposite to our shop,” said Gopal Tiwari. “Many people who used to frequent the theatre made sure to pay us a visit, either before or after the movie.” The single screen Lighthouse cinema was replaced by a big garment retailer in the early 2000s.

    “I don’t think too many people read books anymore,” said Gopal Tiwari. In addition, giant e-commerce platforms have been driving out small enterprises. When I asked Mohan Tiwari about these online platforms, he said, “These big companies are luring away customers with big discounts. We cannot hope to match up to them. There were around 18 bookshops in the Esplanade area earlier. Now only Modern Books is left. I imagine they are also struggling to stay afloat.”

    “My father came to the shop regularly till before the pandemic,” said Gopal Tiwari. “He loved the shop so much, but I knew we would have to sell the business eventually.” Mohan Tiwari’s younger son Ranjit Tiwari is a film director in Mumbai. Gopal Tiwari’s son Harshwardhan Tiwari is an engineering student hoping to go abroad for higher education. The fate of the bookshop had been hanging in the balance for quite some time.

    The last nail in the coffin was the Covid-19 pandemic. “We had to shut the shop for the lockdown,” said Gopal Tiwari. “When we opened after that hardly anyone came. I tried my best. Dad understands this.” He explained to me that they used generate a chunk of their revenue from delivering books to companies for their training programmes. This stream dried up after the pandemic.

    Finally, on March 17, 2021 Mohan’s Bookshop opened for one last time. “I could not bring myself to tell our few regular customers that we are closing permanently,” said Mohan Tiwari. “Most of them found out from the news. They were all heartbroken. Some of them still make me get books for them.”

    Mohan Tiwari was born in a remote village named Prabodhpur in Uttar Pradesh. His family were farmers until they lost their land to the Ganges. His bookshop owed its genesis to a calamity. And then another calamity brought about its closure. As I write this, Mohan Tiwari is fighting for his life in a hospital. We can only hope.

    https://twitter.com/tajmahalfoxtrot/status/1388843559625891841

  3. মাসুদ করিম - ৪ মে ২০২১ (৫:৪০ পূর্বাহ্ণ)

    Mamata Banerjee, India’s tallest political leader
    https://thefinancialexpress.com.bd/views/opinions/mamata-banerjee-indias-tallest-political-leader-1620054630

    To paraphrase Charles de Gaulle, Mamata Banerjee has lost a battle, in Nandigram, but she has won the war in West Bengal. Having beaten the Bharatiya Janata Party (BJP) so decisively at the state elections, despite all the big guns from the centre in New Delhi descending on the state and making it clear that their goal was to show the feisty Chief Minister the door, Ms Banerjee can now properly claim to be a giant slayer. In simple terms, her electoral triumph has transformed her into the tallest political leader in India today through exposing her rivals for the hollowness, as it now turns out, that was symbolic of their politics.

    It does not help the BJP that a good number of its stalwarts are now trying to put a spin on the results of the election. Men like Chandra Kumar Bose, who until the other day waxed eloquent about the grave need to defeat the Trinamool Congress (TMC), have in the aftermath of the elections called for the creation of an inclusive society in West Bengal. They have cleverly papered over the truth that during the election campaign, inclusive politics was indeed the plank on which Mamata Banerjee and her party fought the battle for the ballot.

    In contrast, the BJP played the divisive Hindutva card (the slogan ‘Jai Shri Ram’ being notable), all too often ridiculing Banerjee for what it called her appeasement of the religious minority, in this instance the state’s Muslim population. That approach has now backfired, given that Muslims have made their choice known by voting en masse for the TMC. Add to that the women’s votes which have fallen into Banerjee’s bag. And, of course, liberal Hindus, outraged by the brazen communal card played by the BJP, have rallied behind her.

    In more ways than one, Mamata Banerjee fought a powerful group of Delhi-based politicians all by herself. She was the voice of the TMC, waging a rear-guard battle against a Prime Minister, a Home Minister, the BJP chief and an entire phalanx of Modi loyalists. Add to that the individuals who, having been loyal to Banerjee for years, swiftly decided to jump ship and make their way to the BJP. The actor Mithun Chakravarty called himself a cobra, in other words informing anyone who would listen that he had the sting to kill the TMC dragon.

    That has not happened. Of course, the BJP has won a substantial number of seats, in the seventies’ figures, in the state assembly. But that number pales before the pre-election boast of the party’s leading figures that they expected to romp home with two hundred seats or perhaps more. Those two hundred-plus seats have gone to the TMC, testimony to the skills and enduring appeal of a politician who turfed the Left out of power in 2011 and then won a second term in 2016.

    Now that the TMC has won a third term in office in West Bengal, Mamata Banerjee’s reputation as a giant killer has simply been cemented in a way few people thought would happen (she was called a giant killer years ago when she beat the CPI(M)’s Somnath Chatterjee at an election). ‘Khela hobe’ was Banerjee’s message, accompanied as it was by ‘Joi Bangla’, during the campaign this time around. The ‘khela’ is over, with the TMC walking out of the field a cheerful winner. As for the BJP, it made the serious mistake of fielding Narendra Modi, Amit Shah, J.P. Nadda and a whole army of others against the solitary Mamata Banerjee. Amit Shah’s road trips in the state every day and Modi’s rallies every other day did not help.

    For the public and the media, Modi’s self-congratulations on the huge public rallies he addressed in the state were seen as self-aggrandisement. Neither did it help that the Prime Minister, in less than prime ministerial demeanour, resorted to using such sarcastic phrases as ‘Didi O Didi’ at his rallies. For the voters in West Bengal, as has now been proved, such sarcasm and ridicule did not go down well. In plain terms, it was a blunder for the BJP to have the Prime Minister and the Home Minister engage in an unseemly battle to dislodge a Chief Minister from power. There is hardly any earlier record in Indian history of a leadership at the central level wading into elections at the state level.

    It is once again Mamata Banerjee’s moment in the sun, as it was her moments in sunlit glory in 2011 and 2016. A study of her career is revealing of the difficult, indeed improbable terrain she has traversed since she made her entry into politics in the mid-1970s. Her determination and strength earned her praise from the redoubtable Jyoti Basu, for they have been character traits that have stood her in good stead over the years. It took huge courage for her to delink herself from the Congress (she served as a minister of state under Prime Minister Narasimha Rao in the early 1990s) and form the TMC.

    And then there have been the times when she has served as a minister in the BJP-led National Democratic Alliance (NDA) government in Delhi, under Prime Minister Atal Behari Vajpayee, in the late 1990s to early 2000s. In these past many years, she has faced challenges from the Left, from the Congress and now from the BJP. She has beaten back those challenges, for one good reason: her politics has always been that of a street fighter. She stood by the villagers of Singur, demanding that Tata’s nano car project not be allowed to seize their land. Her politics worked. Today, the Left stands decimated; the Congress is comatose; and the BJP licks its wounds.

    Banerjee has never felt the need to be subtle in her expression of ideas. Coming from a humble middle class background, she has been one of the very few politicians in West Bengal who have made it a point to mingle, literally, with the masses. Dressed in a simple cotton saree, abjuring all thoughts of the glamour that afflicts so many political figures in these times, she has walked through the villages and towns of West Bengal, presenting herself as ‘Bangla’r meye’.

    In the just concluded election campaign, she did what the BJP failed to do. She reached out to all Bengalis, Hindu and Muslim, informing them that the heritage of Bengal — underscored by secularism, by a collective adherence to its poetry and its multifarious religious manifestations — was under assault from the votaries of Hindu nationalism and needed to be saved. On the TMC’s political posters, she was therefore alternately presented in the image of a woman praying to a Muslim deity and as a devout Hindu in obeisance to the goddess Kali.

    In the course of the campaign, Mamata Banerjee vowed to have the BJP bite the dust in West Bengal and then have it go out of power in Delhi. She has retained West Bengal. Whether she now sets her sights on Delhi 2024 — and that depends on the degree to which she can be a galvanizing force for the opposition — is a thought that will exercise minds in India and beyond. Banerjee has shown that there is space for a credible alternative to the politics Narendra Modi has promoted and presided over in Delhi over the past seven years.

  4. মাসুদ করিম - ৮ মে ২০২১ (৮:৩২ পূর্বাহ্ণ)

    পাতার রসে সারবে করোনা!
    https://www.banglatribune.com/679826/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE

    করোনার তাণ্ডবে সারাবিশ্ব যখন টালমাটাল, ঠিক এমন সময় রোগটির প্রতিষেধক হিসেবে একটি ভেষজ উদ্ভিদের সন্ধান দিয়েছেন কৃষি বিজ্ঞানী ড. মো. এনায়েত আলী প্রামানিক। তার দাবি— ‘মনসাসিজ’ নামের উদ্ভিদই বাঁচাতে পারে মানুষের জীবন।

    রাজশাহীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সরেজমিন গবেষণা বিভাগে কর্মরত ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. এনায়েত আলী প্রামানিক দাবি করেন, ‘কোভিড-১৯ ভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় এই ভেষজ উদ্ভিদের পাতার রস ব্যবহার করে তিনি সফলতা পেয়েছেন। সরকারি কর্মকর্তা পর্যায়ের দুই হাজার ব্যক্তিকে তিনি এই পাতার রস খাইয়েছেন।’ করোনা রোগীদের এই পতার রস খাইয়ে সুস্থ করেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

    ড. মো. এনায়েত আলী বলেন, এই পাতার রস অ্যাজমা, নিউমোনিয়া ও ব্রংকাইটিস রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ জনিত নিউমোনিয়া সারাতে এই পাতার জুরি নেই। বাংলায় ‘মনসাসিজ’ নামে পরিচিত এই উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম ইউফোরবিয়া নেরিফোলিয়া লিন (Euphorbia nerifolia Linn)। এর ইংরেজি নাম ‘ইন্ডিয়ান স্পার্জ ট্রি’ (Indian spurge tree) এবং এটি ‘ইউফোরবিয়াসি’ (Euphorbiaceae) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি উদ্ভিদ। ‘ইউফোরবিয়া নেরিফোলিয়া’ উদ্ভিদটি দেখতে ক্যাকটাসের মতো এবং কাটাযুক্ত কাণ্ড ট্রাংক এবং শাখা-প্রশাখা রূপান্তরে মাধ্যমে অনিয়মিত (৪-৫টি ধার) আকার ধারণ করে। সাধারণত গাছের অনুজ অংশ থেকে পাতা বের হয়। পাতা মাংশল প্রকৃতির এবং চিরসবুজ।

    ড. প্রামানিক মনসাসিজ উদ্ভিদের পাতার রসের কার্যকরিতা সম্পর্কে বলেন, করোনা ভাইরাসের এস (s) প্রোটিন ফুসফুসের কোষের এনজিওটেনসিং হিউম্যান কনভারটিং এনজাইম রিসেপটর-২ এর মাধ্যমে ভিফিউশন পদ্ধতিতে কোষে প্রবেশ করে। এরপর মেসেঞ্জার আরএনএ (mRNA) এর দুটি সাব-ইউনিট ৪০s এবং ৬০s এর মধ্যে ৪০s সাবইউনিটের সঙ্গে কমপ্লেক্স তৈরি করে জেনোমিক ভাইরাল আরএনএ সিনথেসিস শুরু করে। এ অবস্থায় আক্রান্ত রোগী যদি ‘মনসাসিজ’ পাতার রস খাওয়া শুরু করেন তাহলে এটি প্রত্যক্ষভাবে ভাইরাল প্রোটিন সিনথেসিসে বাধা প্রদান করে। এই উদ্ভিদে রয়েছে প্রায় ২৩ প্রকারের ডাই-টারফিনয়েড এবং এক ধরনের গ্লাইকোসাইড। এর মধ্যে ৩ বেটা ফ্রাইডেনাশল সবচেয়ে বেশি কার্যকরী এবং এই টারফিনয়েডের রয়েছে দারুণ অ্যান্টিভাইরাল কার্যকরিতা।

    ড. প্রামানিক এর তথ্য মতে, একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এই পাতার রসের কিছু টারফিনয়েড এইচআইভি এলএস৪ (HIV NL4) ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত কোষের প্রতিকারে সাফল্যজনকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। কোভিড-১৯ ভাইরাসে প্রায় ২৭টি রিকাম্বিন্যান্ট আরএনএ থাকার কারণে প্রতিনিয়ত এর প্রতিটি স্ট্রেইন মিউটেশনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হচ্ছে। কোভিড-১৯ ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তির ফুসফুস অতি দ্রুত নিউমোনিয়া দ্বারা আক্তান্ত হয় এবং ফুসফুসের ভেতর দিয়ে যে রক্তকনিকা প্রবাহিত হয় তা জমাট বাধার মাধ্যমে ক্ষুদ্র দলার সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে হঠাৎ মৃত্যু ঘটায়।

    ড. প্রামানিকের দাবি, প্রায় ২০০০ জন করোনা পজিটিভ রোগী এই পাতার রস সেবন করে সুস্থ হয়েছেন। প্রবাহমান পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে দৈনিক ২-৩ টি পাতা চিবিয়ে রস খেয়ে অবিষ্টাংশ ফেলে দিতে হবে। এভাবে প্রতিদিন ২-৩ বার ইউফোরবিয়া নেরিফোলিয়া গাছের পাতার রস খেতে হবে। পুরোপুরি আরোগ্য না হওয়া পর্যন্ত, এ প্রক্রিয়া চলবে।

    তিনি সাবধানতা অবলম্বনের কথা উল্লেখ করে বলেন, এ ক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখতে হবে ‘ইউফোরবিয়াসি’ পরিবারের অধিকাংশ উদ্ভিদ খুবই বিষাক্ত। তবে ইউফোরবিয়া নেরিফোলিয়া গাছের পাতা সরাসরি চিবিয়ে খাওয়া যায়। তাই এই উদ্ভিদটির শনাক্তকরণ সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে। এটি চেনার উপায় হচ্ছে পাতাটি ডিম্বাকৃতির এবং পাতার বোটার নিচে কান্ডের সঙ্গে দুটি কাঁটা থাকবে। শ্বাসকষ্ট জনিত বিভিন্ন রোগ যেমন— অ্যাজমা, ব্রংকাইটিস ও চেস্ট কনজেশন রোগে আক্রান্তদের চিকিৎসায় এই উদ্ভিদের ব্যবহার বহুকাল থেকেই প্রচলিত।

    ‘ইউফোরবিয়া নেরিফোলিয়া’ উদ্ভিদের জার্মপ্লাজমটি গাজীপুরের উদ্ভিদ কৌলিসম্পদ কেন্দ্রে (বিএআরআই) ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বিশদ গবেষণার জন্য এই জার্মপ্লাজমটি ওই কেন্দ্রে সংরক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    https://twitter.com/banglatribune/status/1390765904233844738

  5. মাসুদ করিম - ১৪ মে ২০২১ (৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ)

    Meet Sunchika Pandey, the woman behind Mumbai Police and BMC’s viral tweets
    https://www.vogue.in/culture-and-living/content/meet-sunchika-pandey-the-woman-behind-mumbai-police-and-bmc-twitter-accounts

    Sunchika Pandey’s daily screen time far exceeds that of the average millennial. The 38-year-old confesses that the only time she’s not looking at her phone screen is when she’s sleeping. When I nudge her to check her iPhone for stats, she sounds almost relieved: “It’s 17 hours a day this week, so it’s improved.”

    But Pandey is not your average millennial who uses social media to document every minutiae of her life, neither is she driven to it by the all-encompassing quarantine boredom. Endearingly called ‘Twitter madame’, she is credited with giving Mumbai Police, as well as other institutions like BMC, a digital facelift by taking on their social media duties. “It’s not just digital but even communication via their videos or radio. Our job is basically communication through content,” explains Pandey, who runs HAT Media with a team of three content writers and two designers.

    As Mumbai Police’s official tweeter-in-chief, Pandey has converted their image from stick-wielding disciplinarians into people’s cops. Even their most ardent fans might not know her, but she plays the arbiter of truth, whose tweets connect people to the police. Short, informative and most often, relatable, through her hands, official institutions that are often viewed as strict and authoritative suddenly seem more amicable and accessible. And in 280 characters or less, she carves for them a personality that is all about saving the world but also having a good time. “Around the end of 2015, when Mumbai Police launched its Twitter handle, there was a clear understanding that this was going to become an online control room where people would come with certain expectations. It was created to be an additional platform for the cops to come closer to people,” says Pandey, who also manages social media for Mumbai’s BMC and the Pune city police.

    Laugh but listen

    Social media today is nothing short of a popularity contest and for Mumbai Police that acclaim comes by how creatively they harness the dual power of the platform to inform and entertain. On Twitter, their five million followers are accustomed to seeing PSAs masked in humour which oscillates from the smart alec-brand of Amul ads of the ’90s to the cheesy but chuckle-worthy type you’d witness on a church banner. It helps, especially during a pandemic, to keep a cooped-up, screen-dazed audience captive yet informed.

    With her friends in the forces, Pandey often brainstorms new approaches to the same problems—drugs, phishing and cyber crime and domestic violence. “From the start, the idea was to do something different. It’s a big step for the police department to come on a public platform, but they didn’t just want to be present on social media for cosmetic value. They wanted to dismiss the fear of the police and show people they were friends who could make them smile.” The decision also showed their willingness to move away from the old structures and hierarchies, and shake up the usual way of doing things—with Twitter, they empowered every netizen to reach out for help with just a simple tag.

    Waging war on disinformation and fake news through memes and wordplay, this digitally-savvy account has a fan following not just from Mumbai, but across India. And like any good influencer, its success lies in how it seems to have cracked how people interact socially—using lines from iconic movies and trending shows, it appeals to a zeitgeist that has an appetite for jokes replete with pop culture references and millennial speak.

    These days, levity may have taken a backseat in the face of sharing information on new restrictions and guidelines, but their content still remains uplifting, and one that goes beyond the sardonic newsmongering that you cannot escape on Twitter. “When the world is in pain, it’s important to also think about the importance of bringing a smile,” says Pandey, who sees the police department as her co-genius collaborator. In most interviews, she insists that the writing is not just showing off her team’s repertoire but often features clever content made by an army of quick-witted police officers. The viral tweet ‘If you roll, we will weed you out’, to mark Anti-Drugs Awareness Week, showcased former Commissioner of Police Ahmed Javed’s love for wordplay. “We understand that if there’s good engagement on our platforms, people understand what’s happening, and the communication becomes clear,” she adds.
    The messenger

    Pandey and team are well aware of social media’s civic impact. When people tweet relentlessly, the Mumbai police make sure no query goes unresolved. In this difficult time when the government is steadily rolling out new campaigns and schedules on the daily, accounts like theirs as well as @MyBMC have become a repository of official information.

    Always up-to-date and feverishly posting about vaccine slots and protocols, while dispelling myths, @MyBMC’s efficient COVID management model even won applause by the Supreme Court recently. For the newly-added vaccine-receiving demographic of 18-44-year-olds, their Twitter has become the dispenser of critical information. “Different platforms serve different needs. For us, Twitter is great for real time interaction. We have trained the team to check messages regularly and reply,” adds Pandey, whose personal account @policewalipublic also shows her amplifying news and furiously responding to inquiries.

    The second wave may have brought most professions to a halt or transition once again to work from home, but the police department, just like their Twitter, carry on through the day. “On their account, the conversation is never dormant, it happens 24/7,” adds Pandey. These days she is leading her team on a tight schedule. Like any social conversation, much of the banter online revolves around the pandemic—is there a lockdown? What are the restrictions? Can you buy medicines without being fined? What about groceries? “COVID-19 is not exactly a police subject but we are talking about it constantly because that’s the only threat in people’s lives right now. The moment we think of deviating from COVID-19, there is news of some new guidelines to share.”
    Call of duty

    A former journalist, Pandey knows the news job too well and uses the same approach to dispense data and information meticulously for the benefit of people. Pandey’s past experience as first a broadcast journalist at NDTV and then as the social media executive for the Aamir Khan-hosted Satyamev Jayate prepared her for this. “I used to think that television was the industry where you spend the longest time at work, but when I got to digital, I realised my work was 24 hours. This is the most hectic work schedule I’ve had in my entire career,” she says.

    Reporting crime in the city, she was already used to spending endless hours in the police stations. Now making videos and tweets for them—a process that can take up anywhere from two minutes to many hours—has also given her insight into the police’s psyche. Their uniform may obscure the idea that they are regular people, but they are just one of us: “Like us, they have families to go to, but to know that they put themselves at risk to do their duty to the people is something we should all realise,” says Pandey, who speaks as fast as she can probably tweet. “It makes you understand that if you want to change the system you have to become a part of it.”

    As the pandemic’s ravages increase (only last week, India recorded 4,00,000 daily cases), their work as essential work comes with its own challenges. Last month, Pandey truly understood their role, when a tragedy hit close to home. “I was sitting and assigning hospital beds for those in need when I found out I’d lost my father-in-law to COVID,” she tells me. “After hearing this, I had to first think of how to manage my family while also figuring how I can help others battling for life. It made me closer to understanding what happens to the cops and all the public service people at a time like this. ”

    Like most digital entrepreneurs, her work may keep her glued to the screen, but she hasn’t ever considered a digital detox: “My detox is when people compliment the policemen, I take it personally,” she says. This also pushes her to move on: “My job offers scope for so many people to ask questions directly on the same platform to the police department. So I’d say our mission is the same—to make things better.”

    https://twitter.com/MumbaiPolice/status/1389422403499937792

Have your say

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.