সুপারিশকৃত লিন্ক: জানুয়ারি ২০২১

মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিন্ক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে।
ধন্যবাদ।

আজকের লিন্ক

এখানে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই সুপারিশ করুন এখানে। ধন্যবাদ।

৫ comments

  1. মাসুদ করিম - ২ জানুয়ারি ২০২১ (৫:০৭ পূর্বাহ্ণ)

    জালিয়াতির মাধ্যমে ‘কপিরাইট লঙ্ঘনের’ অভিনব অভিযোগ

    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদন ছবিসহ হুবুহু কপি করে পুরনো তারিখ দিয়ে তথাকথিত ব্লগসাইটে প্রকাশ করে উল্টো বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিরুদ্ধে কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়েছে সার্ভার ব্যবস্থাপনাকারী কর্তৃপক্ষের কাছে।

    সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে কাজ করেন, এমন একজন বিশেষজ্ঞ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, এমন হতে পারে যে কেউ চাইছে, ওই প্রতিবেদনগুলো আর দেখা না যাক, সে কারণে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের একজন মুখপাত্র বলেন, “গত দশ দিনের মধ্যে এরকম দুটো ঘটনা ঘটেছে। দুটো ক্ষেত্রেই আমরা সার্ভার ব্যবস্থাপনাকারী কোম্পানিকে জানিয়ে দিয়েছি, ওই দাবি মিথ্যা এবং অভিযোগকারী নিজেই কনটেন্ট চুরি করে কপিরাইট লঙ্ঘন করেছে।”

    গত ২৯ ডিসেম্বর সার্ভার ব্যবস্থাপনাকারী কোম্পানিকে মেইল পাঠিয়ে সর্বশেষ অভিযোগটি করেন মাসুদ আলম নামের এক ব্যক্তি, যিনি educationbangla.xyz নামে একটি ব্লগ সাইট চালান বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়।

    তিনি দাবি করেন, ‘বেস্ট হোল্ডিংসে সরকারি ব্যাংকের বিনিয়োগ কেন, জানতে চায় মন্ত্রণালয়’ শিরোনামে ২২ ডিসেম্বর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি তার ওই ব্লগ সাইটে প্রকাশিত হয়েছিল ১৯ ডিসেম্বর। এর একটি লিংকও তিনি অভিযোগের সঙ্গে দিয়েছেন।

    ওই লিংকে গেলে দেখা যায়, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিই সেখানে ১৯ ডিসেম্বরের তারিখ দিয়ে ‘মাসুদ আলমের ব্লগ’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে, এমনকি ছবিটিও এক।

    কিন্তু তার ওই অভিযোগ যে মিথ্য, তার প্রমাণ ওই প্রতিবেদনের প্রথম তিন প্যারার মধ্যেই রয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা ছিল-

    রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ব্যাংক ৬৫ টাকা দরে শেয়ার কিনে ঢাকার পাঁচ তারকা হোটেল লো মেরিডিয়ানের পরিচালনাকারী কোম্পানি বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডে যে বিপুল অংকের অর্থ বিনিয়োগ করেছে, তার ‘যৌক্তিকতা’ জানতে চেয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

    সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী/ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বেস্ট হোল্ডিংসে বিনিয়োগ অনুমোদনের ক্ষেত্রে পরিচালনা পর্ষদের সভার কার্যবিরণী এবং বিনিয়োগ ধারাবাহিকতার পরিপূর্ণ চিত্রও জানতে চাওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের বিএসইসি ও বিআইসিএম শাখা থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব সিদ্দিকুর রহমানের স্বাক্ষরে ওই চিঠি ব্যাংকগুলোতে পাঠানো হয়।

    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ওই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছিল আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের ওই চিঠির ভিত্তিতে, যা ২২ তারিখই পাঠানো হয়েছিল। সেদিন ছিল মঙ্গলবার এবং বাংলাদেশের অন্যান্য সংবাদমাধ্যম সেদিনই এ বিষয়ে সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

    অথচ অভিযোগকারী মাসুদ আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদনের হুবুহু সবকিছু ছাপিয়ে দিয়ে দাবি করেছেন, তার ওই ব্লগ প্রকাশিত হয়েছে ১৯ ডিসেম্বর, যখন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে ওই চিঠি পাঠানোই হয়নি।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ফাইবার অ্যাট হোমের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ সাবির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, যে কোনো ওয়েবসাইটের কনটেন্ট কোনো সার্ভারে হোস্ট করতে হয়। সাইটটি যদি প্রথম সারির কোনো হোস্টিং সার্ভিস থেকে সেবা নিয়ে থাকে, তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানে যোগাযোগ করলেই ওই পেইজটির ‘ফাইল ক্রিয়েশন ডেট’ বের করা সম্ভব।

    “কিন্তু কেউ যদি নিজেই একটি সার্ভার বসিয়ে নেন তাহলে তিনি তার সাইটে সাংবাদটি প্রকাশের তথ্য হিসেবে যে কোনো তারিখ বসিয়ে দিতে পারেন এবং তিনি না চাইলে আপনি ওই ফাইল ক্রিয়েশনের তারিখ দেখতে পারবেন না।”

    এখন কোনো একটি নির্দিষ্ট সংবাদ প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে এভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে কপিরাইট লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে কার কী লাভ হতে পারে?

    সুমন বলেন, “টেকনিক্যালি বললে, এমন কাজ করা সম্ভব… ধরুন কেউ একজন আপনার সংবাদ পছন্দ করছেন না বা তিনি চান না সংবাদটি প্রকাশিত অবস্থায় থাকুক। তখন নিজস্ব সার্ভারে সাইট হোস্ট করে আপনাদের সংবাদ হুবহু কপি করে সেখানে তার সংবাদ প্রকাশের সময় হিসেবে পুরনো তারিখ বসিয়ে দিতে পারেন।

    “তারপর আপনার সাইটের হোস্টিং সেবার কাছে কপিরাইট নিয়ে অভিযোগ জানাতে পারে এবং তাদের মাধ্যমে আপনার ওপর চাপ দিতে পারে যেন সংবাদটি সরিয়ে ফেলা হয়। আর সেটা যদি করা সম্ভব হয়, তখন তাদের নিজেদের সাইট থেকে ওই কপি করা সংবাদটি সরিয়ে ফেললেই হল।”

    ঢাকার পাঁচ তারকা হোটেল লো মেরিডিয়ানের পরিচালনাকারী কোম্পানি বেস্ট হোল্ডিংস লিমিটেডে সম্প্রতি নিয়ম এড়িয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে ২৮৩ কোটি টাকা তোলার আবেদন করলে আইনি প্রশ্ন তুলে তা আটকে দেয় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন।

    নিয়ন্ত্রক সংস্থার ওই পদক্ষেপ এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে, যার মধ্যে একটি নিয়ে ‘কপিরাইট লঙ্ঘনের’ মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন ‘মাসুদ আলম’ নাম ব্যবহারকারী ওই ব্যক্তি।

    মাসুদ আলমের সেই ব্লগ সাইটে গিয়ে দেখা যায়, সব মিলিয়ে সেখানে মোট ১১টি পোস্ট আছে, যার প্রথমটি তারিখ দেওয়া হয়েছে ১ ডিসেম্বর ২০২০।

    আর যে সংবাদমাধ্যমটির বিরুদ্ধে ওই মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে, সেই বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলা হয় বাংলাদেশে ডিজিটাল সংবাদ সেবার পথিকৃৎ। গত ১৪ বছরে পাঠকের সবচেয়ে আস্থার সংবাদ উৎসে পরিণত হয়েছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

    অভিযোগকারী মাসুদ আলমের কথিত ব্লগসাইট educationbangla.xyz এর নামে একটি ফেইসবুক পেইজ পাওয়া যায়। গত ১৭ নভেম্বর খোলার পর সেখানে কোনো ব্লগ বা অন্য কোনো পোস্ট দেওয়া হয়নি।

    ওই ফেইসবুক পেইজে একটি ফোন নম্বরও দেওয়া আছে। শুক্রবার বিকালে ওই নম্বরে ফোন করলে এক ব্যক্তি ধরেন। তিনি বলেন, তার নাম জিল্লুর রহমান এবং এই ফোন নম্বরটি তার।

    জিল্লুর রহমান দাবি করেন, তিনি কৃষিকাজ করেন এবং থাকেন রায়গঞ্জে। মাসুদ আলম এবং এডুকেশন বাংলার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “আপনার কথা আমি কিছু বুঝতে পারছি না।”

    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের মুখপাত্র বলেন, “আমাদের প্রায়ই উদ্দেশ্যমূলকভাবে ইমেইলে বিভিন্ন ‘লিগ্যাল নোটিস’ পাঠানো হয় যুক্তরাষ্ট্র কিংবা পশ্চিমা কোনো দেশের কোনো আইনজীবীর নাম দিয়ে। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের, বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন তুলে ফেলতে বলা হয়। ওই ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পদক্ষেপ বা আইনি ব্যবস্থার ভিত্তিতে প্রকাশিত ওইসব প্রতিবেদনের কোনো কোনোটি বহু বছরের পুরনো, কোনোটি আবার সাম্প্রতিক। তারা এগুলো সরাতে চায়, কারণ তারা মনে করে এসব প্রতিবেদন ওয়র্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে থাকলে তাদের ক্ষতি হতে পারে।

    “কখনও কখনও তারা মৌখিকভাবে অনুরোধ করে ওইসব প্রতিবেদন সরিয়ে ফেলার জন্য। তাতে সাড়া না পেয়ে আইনি ব্যবস্থার হুমকি দিয়ে চিঠি পাঠায়। হুমকিতেও কাজ না হলে অনেক সময় তারা আমাদের প্রধান সম্পাদকের বিরুদ্ধেও অবাস্তব সব মিথ্য অভিযোগ ইন্টারনেটে ছড়াতে থাকে, যেগুলো রীতিমত মানহানিকর।”

    ‘অভিষেক চক্রবর্তী’ নামে এক ব্যক্তির পক্ষ থেকে আরও একটি অভিযোগ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সার্ভার ব্যবস্থাপনাকারী কোম্পানির কাছে পাঠানো হয় গত ২১ ডিসেম্বর।

    সেখানে দাবি করা হয় ‘Why Bashundhara Group chief’s son acquitted of Sabbir murder charge: HC’ শিরোনামে ২০১৬ সালের ১১ এপ্রিল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি তার নিজের নামের ব্লগসাইট avishekchakraborty.com এ প্রকাশিত হয়েছিল ২০১০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি।

    এক্ষেত্রেও অভিযোগকারীর জালিয়াতির প্রমাণ রয়ে গেছে তার কাজের মধ্যেই।

    প্রতিবেদনের শুরুর দুই প্যারায় বলা হয়েছে-

    The High Court has asked why the verdict acquitting Bashundhara Group chief’s son Shafiyat Sobhan Sanvir and four others of charges of murdering Humayun Kabir Sabbir, a director of a concern of the conglomerate in 2006, should not be overturned.

    The court issued the rule on Sunday on hearing a petition filed by the State challenging the 2011 verdict.

    অর্থাৎ, অভিষেক চক্রবর্তী নামধারী ওই ব্যক্তি দাবি করছেন, ২০১১ সালে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের একটি রায় চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্রপক্ষের রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে হাই কোর্ট যে রুল জারি করেছে, সেটি তিনি প্রকাশ করেছেন ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে!

    দার ওই কথিত ব্লগসাইটে পোস্ট আছে সাকুল্যে চারটি, তার মধ্যে তিনটিই বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সংবাদ প্রতিবেদন থেকে হুবুহু কপি করে ছবিসহ চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দুটি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়েছে দশ বছর আগের তারিখ, যখন ওই ঘটনাই ঘটেনি।

  2. মাসুদ করিম - ২ জানুয়ারি ২০২১ (৫:১০ পূর্বাহ্ণ)

    নারীনেত্রী আয়েশা খানমের জীবনাবসান

    বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আয়েশা খানম আর নেই।

    শনিবার ভোরে ঢাকার নিজ বাসায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    মালেকা বানু বলেন, “আয়শা আপা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। গতকাল রাতে উনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ওনাকে বিআরবি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ডাক্তাররা ওনার মৃত্যুর খবর জানান।”

    আয়েশা খানমের বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছিলেন।

    ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সহসভাপতি আয়েশা খানম বাষট্টির ছাত্রআন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং মুক্তিযুদ্ধসহ সব আন্দোলনের সক্রিয় সংগঠক ছিলেন।

    শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় আয়েশা খানমের মরদেহ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওেঢা হয়, সেখানে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

    পরে নেত্রকোনায় নিয়ে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক করবরস্থানে সমাহিত করা হবে বলে মালেকা বানু জানান।

    আয়েশা খানমের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে মালেকা বানু বলেন, “তিনি ছাত্র জীবন থেকে আমৃত্যু নারীদের অধিকার আদায়ে কাজ করে গেছেন। আপার মৃত্যুতে বাংলাদেশের নারী আন্দোলন এক অকৃত্রিম অভিভাবককে হারাল। এ ক্ষতি অপূরণীয়।”

    আয়েশা খানমের জন্ম নেত্রকোনার গাবড়াগাতি গ্রামে ১৯৪৭ সালের ১৮ অক্টোবর।

    পাকিস্তান আমলে হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশন বাতিলের দাবিতে ১৯৬২ সালের ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে পা রাখেন তিনি।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি রোকেয়া হল ছাত্র সংসদের সহসভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

    ১৯৭১ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সহসভাপতি হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে ঢাকায় শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করতে নামেন তিনি। ডামি রাইফেল হাতে ঢাকায় নারী শিক্ষার্থীদের মিছিলের যে ছবি আলোচিত হয়, তাতে আয়েশা খানমও ছিলেন।

    পরে নেত্রকোনায় নিয়ে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক করবরস্থানে সমাহিত করা হবে বলে মালেকা বানু জানান।

    আয়েশা খানমের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে মালেকা বানু বলেন, “তিনি ছাত্র জীবন থেকে আমৃত্যু নারীদের অধিকার আদায়ে কাজ করে গেছেন। আপার মৃত্যুতে বাংলাদেশের নারী আন্দোলন এক অকৃত্রিম অভিভাবককে হারাল। এ ক্ষতি অপূরণীয়।”

    আয়েশা খানমের জন্ম নেত্রকোনার গাবড়াগাতি গ্রামে ১৯৪৭ সালের ১৮ অক্টোবর।

    পাকিস্তান আমলে হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশন বাতিলের দাবিতে ১৯৬২ সালের ছাত্র আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে পা রাখেন তিনি।

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি রোকেয়া হল ছাত্র সংসদের সহসভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

    ১৯৭১ সালে ছাত্র ইউনিয়নের সহসভাপতি হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে ঢাকায় শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করতে নামেন তিনি। ডামি রাইফেল হাতে ঢাকায় নারী শিক্ষার্থীদের মিছিলের যে ছবি আলোচিত হয়, তাতে আয়েশা খানমও ছিলেন।

  3. মাসুদ করিম - ২ জানুয়ারি ২০২১ (৫:৫৭ পূর্বাহ্ণ)

    Outcry in India as govt shuts 600 Islamic schools

    A law that will close 600 Islamic schools in India’s northeastern state of Assam has caused an outcry, with critics saying authorities are trying to polarize society and create religious tension ahead of regional elections in March.

    Under the new law, enacted by an administration dominated by India’s ruling Bharatiya Janata Party (BJP) and passed on Wednesday, state-run madrasas will be converted into regular schools.

    “The government is gradually making the Muslims of the state helpless by interfering with our ways of life,” Isfaqul Hussain, an activist based in Tezpur, Assam, told Arab News on Thursday. “The BJP government is trying to push the Muslim community to the corner just to polarize society and win the trust of the non-Muslim community just before the elections.”

    In Assam, 30 per cent of the 30 million population is Muslim. Assam’s education minister, Himanta Biswa Sarma, said the move was aimed at taking the Muslim community “forward” and defended the new law.

    “After 10 years, the Muslim children who become doctors and engineers from these schools, they will be indebted to our government,” he said.

    Outcry in northeast India as government shuts 600 Islamic schools.

    Mohammad Fakaruddin Ahmad teaches at Noorpur Jut Senior School, a madrasa in Sonitpur district. He disagreed with the minister’s assertion.

    “Our madrasas, like other schools, teach science and maths and other subjects and produce doctors and engineers too. Madrasas follow the education curriculum of the state government and we teach secular education to our students, besides having a course in Arabic and Islamic studies.”

    Hiren Gohain, a prominent public intellectual from Assam, felt the government was worried about the name “madrasa” rather than education. “Political motive is the uppermost in their mind,” he told Arab News. “The worry is that next time they would start changing the names of places having Islamic names.” He said it was “part of the pattern” to undermine Muslim minorities in Assam and coerce them to fall into the ruling party’s “political construct.”

  4. মাসুদ করিম - ৪ জানুয়ারি ২০২১ (৪:২৪ পূর্বাহ্ণ)

    Lalon at the orchestra?

    The title is bound to raise some eyebrows. For most of us, the average Bengali orchestra music is strictly “Western”, or represented by hallmarks of Beethoven or Mozart.

    There is no harm in thinking that this form of music is derived from western culture, and that western composers of the past and present have dominated the orchestral halls. However, that is a gross underestimation of the potential powers of the orchestra. In the 21st century, it has been argued that the orchestra has the power to provide a unique perspective for various types of music from all over the world.

    The folk music of our country truly embodies the essence of the spirit and the expression of this land. It depicts the true identity of our roots by virtue of its richness of sound and the lyrics.

    We listen to folk music everyday; on our radio and television in the city and on the fields and on the rivers of rural Bengal. However, from a purely musical perspective, very little experimentation has been done with these songs, since they came into being.

    The idea to present the folk music of our country in a western orchestra is not only to encourage people to perform the music, but also to attain a wider worldwide audience reach, which this music deserves but rarely enjoys. The Classical Music Academy of Dhaka took up the project of arranging this music in orchestral form and using other western instruments.

    The Classical Music Academy of Dhaka, established in January 2010, is an organization dedicated to the learning, performing and teaching of western classical music in Dhaka. It was featured in The Daily Star almost a decade ago in 2012, when it was established as the first chamber orchestra in the country.

    Since 2018, the Academy has taken up a project to arrange, improvise and perform the folk music of Bangladesh for orchestra, and solo classical guitar. This has sparked interest among people at home and abroad to come forward to participate in performing these pieces. From the beginning, alongside teaching, the director of CMA has been working on transcription writing and experimentation with various arrangements of traditional songs which are now being played. This project has become one of the key experiments of this Academy and along with its international friends, the Academy aims to bring out new colours from these songs and celebrate the cultural diversity in the interpretation of our folk music.

    In the difficult times of the pandemic, they have come together, along with a handful of musicians from all over the world in an online platform to perform and to record several of their arranged pieces. These include many popular well known pieces like “Barir Kacher Arshi Nagar” and “Emon Manob Jonom” by Fakir Lalon Shah. They have also performed and recorded pieces for solo classical guitar, which include National Anthem of Bangladesh, “Amar Shonar Moyna Pakhi” by Osman Khan and “Sua Chan Pakhi” by Rashid Uddin.

    They plan to present songs, such as “Amar Haar Kala” by Jasim Uddin, “Amrito Megher Bari” by Lalon, “Shyam Jodi Hoto Mathar kash” by Syed Shahnoor at their orchestra in the near future. This music will be performed by artists from Bangladesh, the United States, Mexico, Brazil, Panama, Germany, England and NorthCyprus.

    Today, they are determined more than ever to work together to arrange and add more pieces to their repertoire and present them to a greater audience around the globe. If you are a music lover, listening to their work may give you a new perspective on the music you perform or listen to.

    Visit the Classical Music Academy of Dhaka’s YouTube page to listen to their work.

  5. মাসুদ করিম - ৪ জানুয়ারি ২০২১ (৪:৩২ পূর্বাহ্ণ)

    কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন আর নেই

    ৮৫ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রোববার বিকালে ঢাকার বনানীতে নিজের বাড়িতেই তার মৃত্যু হয় বলে চ্যানেল আইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

    রাবেয়া খাতুন চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগরের মা।

    অর্ধ শতাধিক উপন্যাসের রচয়িতা রাবেয়া খাতুন শিক্ষকতা করতেন, সাংবাদিকতাও করেছেন। তিনি বাংলা একাডেমির পর্ষদ সদস্য ছিলেন।

    সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ১৯৯৩ সালে একুশে পদক এবং ২০১৭ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন।

    রাবেয়া খাতুনের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শোক জানিয়েছেন।

    পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের সোমবার দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে রাবেয়া খাতুনের মরদেহ রাখা হবে। দুপুর ২টায় চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে জানাজা হবে। এরপর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

    রাবেয়া খাতুনের জন্ম ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর ঢাকার বিক্রমপুরে মামার বাড়িতে; তার পৈত্রিক বাড়ি মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার ষোলঘর গ্রামে। শৈশবে পুরান ঢাকার রায়সাহেব বাজারে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন তিনি।

    ১৯৫২ সালের ২৩ জুলাই চলচ্চিত্র পরিচালক এ টি এম ফজলুল হকের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের চার সন্তানের মধ্যে ফরিদুর রেজা সাগর ছাড়াও রয়েছেন কেকা ফেরদৌসী, ফরহাদুর রেজা প্রবাল ও ফারহানা কাকলী।

    রক্ষণশীল মুসলিম পরিবারের মেয়ে হওয়ায় স্কুলের গণ্ডির পর কলেজে যেতে পারেননি রাবেয়া খাতুন; কিন্তু লেখালেখিতে তা পুষিয়ে নিচ্ছিলেন তিনি।

    গত শতকের পঞ্চাশের দশকে ছোট গল্প দিয়ে সাহিত্যে রাবেয়া খাতুনের বিচরণ ‍শুরু হয়। তার প্রথম উপন্যাসের নাম ‘নিরাশ্রয়া’।

    জাহানারা ইমামের পাক্ষিক পত্রিকা ‘খাওয়াতীন’ এ কাজ করার সময় সম্পাদক ও চিত্র পরিচালক এটিএম ফজলুল হকের সঙ্গে তার পরিচয়, পরে পরিণয়। তখন স্বামীর সঙ্গে সিনে ম্যাগাজিনে কাজ করতে শুরু করেন তিনি। সিনেমা দেখার সঙ্গে সঙ্গে লেখালেখিও চলতে থাকে।

    ইত্তেফাক, সিনেমা পত্রিকা ছাড়াও তার নিজস্ব সম্পাদনায় পঞ্চাশ দশকে বের হতো ‘অঙ্গনা’ নামের একটি মহিলা মাসিক পত্রিকা।

    রাবেয়া খাতুনের উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে- মধুমতী, সাহেব বাজার, অনন্ত অন্বেষা, রাজারবাগ শালিমারবাগ, মন এক শ্বেত কপোতী, ফেরারী সূর্য, অনেকজনের একজন, দিবস রজনী, সেই এক বসন্তে, মোহর আলী, নীল নিশীথ, বায়ান্ন গলির একগলি, পাখি সব করে রব, সে এবং যাবতীয়, হানিফের ঘোড়া, চাঁদের ফোটা, বাগানের নাম মালনিছড়া, সৌন্দর্যসংবাদ, মেঘের পর মেঘ, যা কিছু অপ্রত্যাশিত, দূরে বৃষ্টি, শুধু তোমার জন্য, কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি, আকাশে এখনো অনেক রাত, মহা প্রলয়ের পর, শহরের শেষ বাড়ি, নষ্ট জ্যোস্নার আলো।

    ছোটদের জন্য তিনি লিখেছেন দুঃসাহসিক অভিযান, সুমন ও মিঠুন গল্প, তীতুমীরের বাঁশের কেল্লা, একাত্তরের নিশান, দূর পাহাড়ের রহস্য, লাল সবুজ পাথরের মানুষ, সোনাহলুদ পিরামিডের খোঁজে, চলো বেড়িয়ে আসি, রক্তমুখী শিলা পাহাড়, সুখী রাজার গল্প, হিলারী যখন ঢাকায় আমরা তখন কাঠমুন্ডুতে, রোবটের চোখ নীল৷

    রাবেয়া খাতুন বাংলাদেশের ভ্রমণসাহিত্যের অন্যতম লেখক। কর্মজীবনে অনেক মানুষের সান্নিধ্যে এসেছেন তিনি। উদ্বুদ্ধ হয়েছেন যাদের দ্বারা স্মৃতিমূলক রচনার মধ্য দিয়ে তাদের ব্যক্তিত্ব ও বৈচিত্র্যময় ব্যক্তিত্বকে পাঠকের কাছে তুলে ধরেছেন।

    রাবেয়া খাতুনের লেখা কাহিনী নিয়ে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্র ‘মেঘের পর মেঘ’, ‘কখনও মেঘ কখনও বৃষ্টি’, ‘ধ্রুবতারা’। এছাড়া অসংখ্য নাটকও নির্মিত হয়েছে তার লেখা ধরে।

    রাবেয়া খাতুন জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্রের গঠনতন্ত্র পরিচালনা পরিষদের সদস্য, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জুরি বোর্ডের বিচারক, শিশু একাডেমির পর্ষদ সদস্যের দায়িত্বও পালন করেন।

    বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ, ঢাকা লেডিজ ক্লাব, বিজনেস ও প্রফেশনাল উইমেন্স ক্লাব, বাংলাদেশ লেখক শিবির, বাংলাদেশ কথা শিল্পী সংসদ ও মহিলা সমিতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি।

    তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, হুমায়ূন কাদির স্মৃতি পুরস্কার, বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ পুরস্কার, নাসিরউদ্দিন স্বর্ণপদক, জসিমউদ্দিন পুরস্কার, শেরে বাংলা স্বর্ণপদক, চন্দ্রাবতী স্বর্ণপদক, টেনাশিনাস পুরস্কার, ঋষিজ সাহিত্য পদকসহ আরও বহু পুরস্কারে ভূষিত।

    https://www.facebook.com/masuda.bhatti/posts/10224869362385787

    আমি তার উপন্যাসের খাতা দেখেছি, চমৎকার করে বাঁধাই করা খাতা, নকশী করা কাপড়েও কখনো, তার ভেতর কাঁটাছেঁড়াহীন গোটা গোটা অক্ষরে লেখা — পাতার পর পাতা। তিনি রাবেয়া খাতুন, এই শহরে নারীর টিকে থাকা, ঋজু ও বলিষ্ঠ দাঁড়িয়ে থাকার উদাহরণ তিনি। লিখেছেন উপন্যাস, ছোটোগল্প। আর সবসময় হেসেছেন, কখনো মুখ ভার করা তাকে দেখিনি আমি। তিনিও চলে গেলেন আজ। বছরের দ্বিতীয় চলে যাওয়া… রাবেয়া আপা ভেবেছিলাম দ্যাখা করতে যাবো, হলো না। ভালো থাকুন রাবেয়া আপা, প্রিয় রাবেয়া খাতুন। -মাসুদা ভাট্টি।

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.