ছোটখাট তাৎক্ষণিক কড়চা : আমাদের ন্যাম নোট

কিন্তু বাংলাদেশের কাছে ন্যামের একটা গুরুত্ব আছে। এবং এবার ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন যেখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেই ইরানকে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ 'স্তান'রাষ্ট্রগুলোতে পৌঁছার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে পারে।[...]

বৈশ্বিক দক্ষিণ দরিদ্র এতে কোনো সন্দেহ নেই। ন্যামের বেশিরভাগ সদস্য রাষ্ট্র বৈশ্বিক দক্ষিণ — আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা, এশিয়ায় অবস্থিত। তাই ন্যামের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত দারিদ্র দূরীকরণে দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতা। কিন্তু সেসহযোগিতা তেমন করে চোখে আমাদের পড়েনি। উল্টো জি-২০, ব্রিকস, আসিয়ান, অ্যাপেক, সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন অনেক বেশি সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রস্তুত করে ন্যামের প্রভাবশালী বিভিন্ন রাষ্ট্রকে ব্যস্ত করে রেখেছে।

কিন্তু বাংলাদেশের কাছে ন্যামের একটা গুরুত্ব আছে। এবং এবার ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন যেখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেই ইরানকে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ ‘স্তান’রাষ্ট্রগুলোতে পৌঁছার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে পারে। ইরানকে গুরুত্ব দিতে হবে এজন্য যে, পাকিস্তান ভারতকে ‘ট্রানজিট’ দেবে না আর দিলেও সেপথে ‘স্তান’রাষ্ট্রগুলোর সাথে তুলা বাণিজ্য কতটুকু সম্ভব হবে সন্দেহ আছে। কাজেই বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল তুলার জন্য বাংলাদেশ ইরানের সাথে বিশেষ সম্পর্কের প্রচেষ্টা শুরু করতে পারে এই ন্যামেই।

ইরানের আরো দুটো ক্ষেত্র বাংলাদেশের জন্য গুরুত্ব বয়ে আনতে পারে, অপরিশোধিত তেলের বিশাল ভাণ্ডার ইরান থেকে বাংলাদেশ তেল সংগ্রহ করে যৌথবিনিয়োগে তেল শোধনাগার করে বাংলাদেশে তেলের দাম আরো প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে পারে। ইরানের গাড়ি নির্মাণের সুদীর্ঘ ঐতিহ্য ও সুনাম আছে — যদিও তার বিশেষ প্রচার নেই। বাংলাদেশের গাড়ি ব্যবসায়ীরা ইরানের সাথে গাড়ি ব্যবসা ও পরবর্তীতে কারখানা স্থাপনের সুযোগ সহজে নিতে পারেন।

কম দামী পণ্যের একটা বড় বাজার অপেক্ষা করছে ‘স্তান’রাষ্ট্রগুলোতে এক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভোগ্যপণ্য প্রস্তুতকারকেরা বিপুল সম্ভাবনাকে ব্যবহার করতে পারে ইরানকে গেটওয়ে বিবেচনা করে।

এবারের ন্যাম বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে স্ট্র্যাটেজিক ন্যাম — কারণ এবার ন্যাম হচ্ছে ইরানে যেইরান মধ্যএশিয়ার জলপথহীন দেশগুলোর কাছে পৌঁছতে বাংলাদেশের একমাত্র বিকল্প, যেহেতু কেউ জানে না কোন অদূর ভবিষ্যতে পাকিস্তান তার আয়ত্বে থাকা ‘রেশমপথ’ সবার জন্য উন্মুক্ত করবে। আমরাও অনন্তকাল অপেক্ষা না করে সময়োপযোগী ‘তুলাপথ’ নির্মাণে ইরানকে বিশেষ সম্পর্কে আবদ্ধ করার জন্য আমাদের সর্বোচ্চ কূটনীতির প্রসার করতে যেন ব্যর্থ না হই।

প্রাসঙ্গিক : বাংলাদেশের বৃহৎ সংঘ

মাসুদ করিম

লেখক। যদিও তার মৃত্যু হয়েছে। পাঠক। যেহেতু সে পুনর্জন্ম ঘটাতে পারে। সমালোচক। কারণ জীবন ধারন তাই করে তোলে আমাদের। আমার টুইট অনুসরণ করুন, আমার টুইট আমাকে বুঝতে অবদান রাখে। নিচের আইকনগুলো দিতে পারে আমার সাথে যোগাযোগের, আমাকে পাঠের ও আমাকে অনুসরণের একগুচ্ছ মাধ্যম।

১০ comments

  1. মাসুদ করিম - ২২ অক্টোবর ২০১৪ (৮:১৭ পূর্বাহ্ণ)

    কিন্তু বাংলাদেশের কাছে ন্যামের একটা গুরুত্ব আছে। এবং এবার ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন যেখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সেই ইরানকে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ ‘স্তান’রাষ্ট্রগুলোতে পৌঁছার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে পারে। ইরানকে গুরুত্ব দিতে হবে এজন্য যে, পাকিস্তান ভারতকে ‘ট্রানজিট’ দেবে না আর দিলেও সেপথে ‘স্তান’রাষ্ট্রগুলোর সাথে তুলা বাণিজ্য কতটুকু সম্ভব হবে সন্দেহ আছে। কাজেই বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় কাঁচামাল তুলার জন্য বাংলাদেশ ইরানের সাথে বিশেষ সম্পর্কের প্রচেষ্টা শুরু করতে পারে এই ন্যামেই।

    এবারের ন্যাম বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে স্ট্র্যাটেজিক ন্যাম — কারণ এবার ন্যাম হচ্ছে ইরানে যেইরান মধ্যএশিয়ার জলপথহীন দেশগুলোর কাছে পৌঁছতে বাংলাদেশের একমাত্র বিকল্প, যেহেতু কেউ জানে না কোন অদূর ভবিষ্যতে পাকিস্তান তার আয়ত্বে থাকা ‘রেশমপথ’ সবার জন্য উন্মুক্ত করবে। আমরাও অনন্তকাল অপেক্ষা না করে সময়োপযোগী ‘তুলাপথ’ নির্মাণে ইরানকে বিশেষ সম্পর্কে আবদ্ধ করার জন্য আমাদের সর্বোচ্চ কূটনীতির প্রসার করতে যেন ব্যর্থ না হই।

    ওই যে কথাগুলো বলেছিলাম, ভারত ভাবছে ইরান নিয়ে খুবই গুরুত্ব সহকারে, আমরা কি ভাবছি?

    India approves plan to develop Iran’s Chabahar port

    NEW DELHI: India will float a company to develop Iran’s Chabahar Port, a government statement said on Saturday, as New Delhi aims to take advantage of a thaw in Tehran’s relations with world powers.

    The port of Chabahar in southeast Iran is central to India’s efforts to circumvent Pakistan and open up a route to landlocked Afghanistan where it has developed close security ties and economic interests.

    Iran and six world powers are engaged in talks to agree on a deal easing sanctions against Tehran before a late-November deadline.

    The powers want Iran to scale back its uranium enrichment programme to ensure it cannot produce nuclear bombs. Iran says the programme is for peaceful purposes.

    India plans to sign an agreement with Iran for the development of the port and New Delhi intends to lease two berths at Chabahar for 10 years, the statement said.

    The planned Indian company will invest $85.21 million in one year to convert the berths into a container terminal and a multi-purpose cargo terminal, the statement said, adding India would consider the participation of Iranian firms if needed.

  2. মাসুদ করিম - ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ (৮:৫০ পূর্বাহ্ণ)

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায়

    পরমাণু কর্মসূচি হ্রাসের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ ছয় জাতির সঙ্গে চুক্তির পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে চীন সফর শেষে বেইজিং থেকে সরাসরি ঢাকায় এলেন তিনি।

    একটি স্পেশাল ফ্লাইটে মঙ্গলবার মধ্যরাতে হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছান জারিফ।

    ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ছাড়াও জারিফের স্ত্রী তার সঙ্গে এসেছেন।

    পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান বলে মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান।

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সফরকালে জাভাদ জারিফ রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

    তাদের পরমাণু চুক্তির বিষয়ে অবহিত করার পাশাপাশি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়েও আলোচনা করবেন।

    সম্প্রতি নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ সদস্য দেশ ও জার্মানি- এই ছয়জাতির সঙ্গে পরমাণু কর্মসূচি হ্রাস বিষয়ে এক চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘ ইরানের ওপর থেকে আরোপিত বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে রাজি হয়েছে।

    ইরান এই চুক্তিকে ‘উইন-উইন’ অবস্থা হিসেবে বিবেচনা করছে।

    জাভাদ জারিফের এই সফরে তেল ও গ্যাস সমৃদ্ধ ইরানের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন যাত্রা শুরুর আশা করছে ঢাকা।

    • মাসুদ করিম - ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ (৪:০৯ অপরাহ্ণ)

      Iran’s energy reliable source for Bangladesh: Zarif

      Emphasizing the development of bilateral relations between Iran and Bangladesh, Iran’s Foreign Minister said that Iran’s energy sector can be a reliable source for Bangladesh.

      At the meeting with Prime Minister of Bangladesh Sheikh Hasina today morning, Mohammad Javad Zarif stressed Iran’s readiness to expand bilateral cooperation with Bangladesh asserting that, “the barriers to trade and cooperation between the two countries need to be resolved.”

      Appreciating Bangladesh’s position in support of peaceful nuclear activity, Zarif underlined the expansion of ties between Tehran and Dhaka.

      Zarif also reiterated that Iran can be a reliable source of energy for Bangladesh.

      Pointing to the friendly and brotherly relations between Shia and Sunni Muslims in Bangladesh, Iranian FM said that, “this unity should become the role model of other countries; of course, the cause of division in Iraq, Yemen, and Syria is a political matter and not sectarianism.”

      Sheikh Hasina also urged the expansion of ties between the two countries especially in cultural and economic areas and added that, “there exists a good religious harmony in Bangladesh.”

      She also stressed the development of commercial ties between the two country’s delegations.

      • মাসুদ করিম - ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ (১০:৪৫ অপরাহ্ণ)

        সম্ভাবনার সর্বোচ্চ ব্যবহার চায় ইরান

        পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে পরাশক্তিদের সঙ্গে সমঝোতা হওয়ায় বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নের যেসব সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে তার সর্বোচ্চ ব্যবহার চায় ইরান।

        একদিনের সফর শেষে বুধবার ঢাকায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভাদ জারিফ বলেছেন, “ইরানের জন্য বাংলাদেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ইসলামী দেশ।”

        জুলাইয়ে সম্পাদিত পরমাণু চুক্তি কার্যকর হলে তেল ও গ্যাসসমৃদ্ধ ইরানের উপর থেকে প্রায় এক দশকের অবরোধ উঠবে।

        জারিফ বলেন, চুক্তিতে কী হয়েছে তা বাংলাদেশকে অবহিত করা প্রয়োজন মনে করায় চুক্তি সম্পাদনের কয়েক মাসের মধ্যেই তিনি এখানে এসেছেন।

        “কারণ আমাদের অধিকার ফিরে পেতে যে সংগ্রাম করতে হয়েছে তাতে তারা (বাংলাদেশ) আমাদের সমর্থন করেছে। তাই আমি বন্ধুভাবাপন্ন বাংলাদেশের জনগণ এবং বন্ধুভাবাপন্ন বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম।

        “এই অর্জনের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের লাভের জন্য কীভাবে কাজ করা যায় সেসব সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে চাই।”

        জাভাদ জারিফ মঙ্গলবার মধ্যরাতে ঢাকা আসার পর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠক করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে।

        এসব বৈঠকে ইরান-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পর্যালোচনা এবং সম্পর্ক জোরদারের নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

        বৈঠকগুলোতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বৃদ্ধিতে তার আগ্রহের কথা তুলে ধরেছেন বলে জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

        “বিদ্যুৎ, বস্ত্র, প্রক্রিয়াজাতকরণ, শিল্প, বিজ্ঞানসহ যে সব ক্ষেত্রে ইরান ও বাংলাদেশ যে যেভাবে সহযোগিতা করতে পারে সেসব ক্ষেত্রে আমরা সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারি। উভয় দেশের জনগণের সুবিধায় আমরা সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো বের করতে পারি।”

        নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ সদস্য দেশ ও জার্মানি- এই ছয়জাতির সঙ্গে পরমাণু কর্মসূচি হ্রাসের বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের চুক্তিতে পৌঁছানোর পর গত অগাস্টে ভারত ও পাকিস্তান সফর করেন জাভাদ জারিফ।

        এই অঞ্চলে দ্বিতীয় দফা সফরে বেইজিং থেকে ঢাকা এলেন তিনি। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

        বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পরমাণু চুক্তি করার জন্য ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ সাঈদ আলী হোসেইনি-খামেনি, প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ও ইরানি জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

        চুক্তির বাস্তবায়ন ‘এই অঞ্চল ও এর বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জনকল্যাণে’ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

        এতে ইরানের অর্থনীতিতে ‘নতুন গতি’ আসবে এবং তা বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

        বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠকে পরমাণু চুক্তি বাস্তবায়নে ইরানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন জারিফ।

        এক্ষেত্রে তিনি বাংলাদেশের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

        চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ অভিহিত করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, এ চুক্তি আবারও ‘বিরোধ নিরসনে আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার’ গুরুত্ব প্রমাণ করে দিয়েছে।

        সংবাদ সম্মেলনে জারিফ বলেন, পরিকল্পনা মতো সব এগোলে নভেম্বরের শেষ নাগাদ নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার জন্য সবকিছু প্রস্তুত হয়ে যাবে।

        বাংলাদেশ ও ইরানের ঐতিহাসিক যোগসূত্র বিশেষত ভাষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে দুই দেশের দীর্ঘকালের সম্পর্কের উপর আলোকপাত করে তা আরও এগিয়ে নেওয়ার উপর জোর দেন তিনি।

        বেসরকারি খাতে সহযোগিতার উপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

        জারিফ বলেন, ইরানে পরবর্তী যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠক হবে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সেখানে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন।

        ওই বৈঠক চলাকালে বেসরকারি খাতের জন্যও আয়োজন থাকবে বলে জানান তিনি।

        এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জ্বালানি খাতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনার শিগগিরই বাংলাদেশের জ্বালানি মন্ত্রীকে তাদের দেশে স্বাগত জানাবেন।

        “ইরান কীভাবে বাংলাদেশকে জ্বালানি দিতে পারে তা নিয়ে আমরা আলোচনা করব। বন্ধুভাবাপন্ন দেশগুলোর জন্য জ্বালানির ক্ষেত্রে ইরান খুব আস্থা করার মতো উৎস।”

        জ্বালানি বিষয়ে বহুপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে বর্তমানে তারা পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে কাজ করছেন বলে জানান জারিফ।

        জ্বালানি খাতে বৃহত্তর সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশও অংশীদার হতে পারে-এ ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, “অন্যান্য সম্ভাবনা নিয়েও কাজ করা যেতে পারে।”

        উগ্রপন্থা ও সহিংস উগ্রপন্থার বিরুদ্ধেও বাংলাদেশ ও ইরান একসঙ্গে কাজ করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

        অবশ্য তিনি বলেন, “ইসলাম ও উগ্রপন্থার মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই এবং পরমাণু চুক্তি দেখিয়ে দিয়েছে যে, কোনো সমস্যার ক্ষেত্রেই সামরিকভাবে সমাধান আসে না। সবকিছু রাজনৈতিকভাবে সমাধান করতে হবে।”

        ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের উপর সৌদি আরবের বিমান হামলার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু বন্ধু এখনও কল্পনার জগতে আছে যে, তেলের টাকায় কেনা কিছু হেলিকপ্টার দিয়ে মানুষের আকাঙ্ক্ষাকে দমন করে সব সমস্যার সমাধান করে ফেলবেন তারা।

        “ইয়েমেনের সমস্যা ইয়েমেনিরা নিজেরা সমাধান করবে এবং সিরিয়ানদের তাদের সমস্যা সমাধান করতে দিতে হবে।”

  3. মাসুদ করিম - ১৮ জানুয়ারি ২০১৬ (৮:০০ পূর্বাহ্ণ)

    BD can explore Iranian market, energy sources

    Lifting of the long-imposed global economic sanction on Iran has created an opportunity for Bangladesh to explore a vibrant market and source crude oil at cheaper prices from the country.

    Bangladesh’s export to Iran gradually declined during the last five years due to the sanction that became stringer in the period.

    Dhaka exported some $97.15 million to Tehran in FY 11, which came down to $49.83 million in FY 15, according to the Export Promotion Bureau (EPB) statistics.

    “Iran is a big economy and it is already importing a lot.

    So there is an opportunity for Bangladesh to explore the Iranian market,” said Professor Mustafizur Rahman, executive director of the Centre for Policy Dialogue (CPD).

    Traditionally, Bangladesh used to export jute and jute goods to Iran. “New products, like ready-made garments, can be exported from Bangladesh.”

    The economist was of the view that Bangladesh should devise a comprehensive strategy soon to tap the trade potential with Iran to be more benefitted.

    “As Iranian oil will also come to the global market, it will be another source of fuel for us,” he added.

    Import from Iran came down to below $1.0 million in FY 15 from $63.18 million in FY 11, according to the central bank statistics.

    The country is, however, a member of Asian Clearing Union (ACU), where Bangladesh and eight other South Asian countries make transactions to reduce pressure on foreign exchange.

    “Bangladesh needs to explore the new opportunities in Iran,” said Manzur Ahmed, trade policy adviser of the Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).

    He also opined that Bangladesh should explore Iran’s energy resources.

    Bandar Abbas can be a gateway for Bangladesh to establish strong trade link with the Central Asian countries like Uzbekistan and Turkmenistan and CIS countries like Ukrain. Bangladesh may explore this option by negotiating with Iran,” he noted.

  4. মাসুদ করিম - ১৮ এপ্রিল ২০১৬ (৮:১২ অপরাহ্ণ)

    India, Iran, Afghanistan Finalize Chabahar Port Agreement

    India, Iran, and Afghanistan have finalized the parameters of a trilateral agreement known as the Chabahar Agreement, which will allow India access to Afghanistan via the strategically located Iranian port of Chabahar, which sits on the Gulf of Oman. The Chabahar route to Afghanistan will allow Indian goods to reach Afghanistan without having to first bypass Pakistan, which has a limited trade relationship with New Delhi due to diplomatic tensions and a territorial dispute between the two countries.

    The finalization of the Chabahar agreement comes after a visit to Iran by an Indian diplomatic delegation led by Foreign Minister Sushma Swaraj. Swaraj arrived in Iran on Saturday, her first visit to the country as India’s external affairs minister. In Iran, she met with her Iranian counterpart, Javad Zarif, the Iranian president, Hassan Rouhani, and Iran’s supreme leader, Ayatollah Ali Khamenei. Swaraj additionally addressed members of Tehran’s Indian community at an Indian school and a Sikh Gurudwara.

    According to India’s Ministry of External Affairs, the agreement will “significantly enhance utilisation of Chabahar Port, contribute to economic growth of Afghanistan and facilitate better regional connectivity, including between India and connections to Afghanistan and central Asia.”

    It added that the agreement “will be a strategic bulwark for greater flow of people and goods among the three countries, as well as in the region.”

    Swaraj and Zarif additionally discussed an accompanying project: the railway link along the Chabahar-Zahedan-Mashhad route, connecting the Iranian port with the Iranian cities of Zahedan and Masshhad, along the country’s eastern border. The completed railway will extend 1,380 kilometers. The Economic Times, citing Indian foreign ministry spokesperson Vikas Swarup, notes that India will “supply $400 million of steel rails” for the railway link.

    Indian Prime Minister Narendra Modi is slated to visit Iran later this year. The final signing of the Chabahar agreement will likely occur during his state visit.

    Over a Decade in the Making

    India and Iran had first broached the idea of Indian access to Chabahar in 2003, when they agreed to jointly develop the port. In part due to increased Western sanctions against Iran over its nuclear program and India’s rapprochement with the United States following the landmark 2005 framework between the two countries, the development of Chabahar stagnated on the India-Iran agenda.

    Last year, in May 2015, two months before world powers and Iran announced the Joint Comprehensive Plan of Action on Iran’s nuclear program, Indian Transportation Minister Nitin Gadkari visited Iran to sign a memorandum of understanding on Chabahar. Last week, ahead of Swaraj’s visit to Iran, representatives from Iran, Afghanistan, and India met in New Delhi to finalize a draft of the Chabahar agreement.

    The finalization of the Chabahar agreement is not only an important development in the India-Iran relationship, but it also shows that New Delhi is serious on delivering on its commitments in Afghanistan. In December 2015, when Indian Prime Minister Narendra Modi visited Afghanistan, he and Afghan President Ashraf Ghani discussed Chabahar and urged a conclusion of a final agreement.

    The increase in connectivity afforded by the port could allow Afghan exports cheaper access to markets in India. Currently, an overwhelming amount of Afghan manufactured goods travel through Karachi, Pakistan. In February 2016, Afghan officials said that Afghan exports through Karachi had declined 40 percent amid political tensions between Kabul and Islamabad.

  5. মাসুদ করিম - ২৩ মে ২০১৬ (৬:৩১ অপরাহ্ণ)

    ছাবাহার বন্দর চুক্তি সই মোদি–রৌহানির

    দু’‌দিনের ইরান সফরে গিয়ে সোমবার প্রেসিডেন্ট হাসান রৌহানির সঙ্গে ছাবাহার বন্দর চুক্তি সই করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। চুক্তি অনুসারে এই বন্দর উন্নয়নের জন্য প্রথম দফায় ২০ কোটি ডলার খরচ করবে ভারত। দ্বিতীয় দফায় ছাবাহার থেকে জাহেদান পর্যন্ত ৫০০ কিলোমিটার রেল পথ তৈরি করিয়ে দেবে দেওয়া হবে। চুক্তি সইয়ের পর মোদি বললেন, ভারত–ইরানের বন্ধুত্ব নতুন নয়। দুই দেশের ইতিহাসের মতোই পুরনো। এই চুক্তি দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করবে বলে টুইট করলেন ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বিকাশ স্বরূপ। সন্ত্রাস মোকাবিলায়ও দুই দেশ এক সঙ্গে লড়বে বলে লিখলেন তিনি।

  6. মাসুদ করিম - ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ (১০:৫৬ পূর্বাহ্ণ)

    Bangladesh urges NAM members to set agenda for global peace

    Bangladesh has called upon NAM member states to remain active in setting the agenda for global peace and addressing the existing or emerging security threats to win the battle against terrorists and violent extremists, reports UNB.

    Bangladesh has also called upon NAM to strengthen the global governance of migration for ensuring adequate, safe, regular and orderly migration, place climate change in its priority list, expand South-South cooperation to help realise its potentials as complementary to North-South and Triangular Cooperation.

    On behalf of Prime Minister Sheikh Hasina, State Minister for Foreign Affairs Md Shahriar Alam represented Bangladesh and made the call at the 17th Summit of the Non-Aligned Movement (NAM) held at the Margarita Island of the Bolivarian Republic of Venezuela on September 17-18, the Foreign Ministry in Dhaka said on Monday.

    The Summit was attended by over a hundred member states of NAM, observers of NAM and international organisations, while a number of member states were represented at the heads of state and government levels.

    Nicolás Maduro Moros, President of Venezuela, assumed the Chairmanship of the 17th NAM Summit from Iran, the immediate past Chair of NAM.

    Shahriar Alam recalled the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman who led independent Bangladesh for the first time to join the Non-Aligned Movement in the Algiers Summit in 1973.

    Inspired by this legacy Bangladesh firmly believes in the continued relevance of NAM in the ever-changing global realities, which, 55 years back, began its ideological journey with a firm commitment to Bandung principles.

    The State Minister informed the Member States about Bangladesh’s continuous efforts in strengthening democracy and justice by empowering people, especially women, and ensuring sustained growth and human development under the able leadership of Prime Minister Sheikh Hasina.

  7. মাসুদ করিম - ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ (১:৫২ অপরাহ্ণ)

    ‘সাউথ-সাউথ নেটওয়ার্ক’ গড়ার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

    দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোর মধ‌্যে সরকারি পর্যায়ে বোঝাপড়া বাড়াতে এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ‌্যে ‘সাউথ-সাউথ নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলার প্রম্তাব করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এক সেমিনারে শেখ হাসিনা এই প্রস্তাব তুলে ধরেন বলে তার প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান।

    বাংলাদেশ ও ইউএন অফিস ফর সাউথ সাউথ কো-অপারেশন যৌথভাবে ‘সাউথ সাউথ অ্যান্ড ট্রায়াঙ্গুলার কো-অপারেশন ইন স্কেলিং আপ ইনোভেশন ইন পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারি’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সাউথ-সাউথ নেটওয়ার্ক’ গড়ে তোলা গেলে তা নতুন নতুন ধারণার জন্ম দেবে, অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে পরস্পরের কাছ থেকে শেখার সুযোগ সৃষ্টি করবে।

    ২০৩০ সালের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ‌্যমাত্রার সঙ্গে সমন্বয় করে এই নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করতে দক্ষিণের দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে এ প্রস্তাবে উত্তরের দেশগুলোর সমর্থন প্রত‌্যাশা করেন তিনি।

    শেখ হাসিনা বলেন, সুশাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি নতুন নতুন উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে ব্যর্থ হলে সবার জন্য সমতাসূচক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সুদূর পরাহতই থেকে যাবে।

    সরকারের সেবা খাতের সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ‌্যে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে মালদ্বীপ ও ভুটানের সঙ্গে সমঝোতা স্বারকে সই করেছে বলেও সেমিনারে জানান প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ‌্য (এমডিজি) বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে উদ্বুদ্ধ করতে সাউথ সাউথ এবং ট্রায়াঙ্গুলার কোঅপারেশন যথেষ্ট কার্যকার প্রমাণিত হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ‌্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চাইলে সব পক্ষের আন্তরিকতা, নিবিঢ় যোগাযোগ এবং বাস্তবসম্মত দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন হবে।
    এ প্রসঙ্গে নিজের দেশে জনগণের প্রত‌্যাশা পূরণে সরকারের কর্মপদ্ধতিতে বিভিন্ন পরিবর্তন আনার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, তিনি একটি জনবান্ধব এবং অংশগ্রহণমূলক সরকার প্রবর্তণে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

    এর আগে বিশ্ব ব্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর হোটেল কক্ষে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    কিম আর্থসামাজিক খাতে বাংলাদেশের উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব জানান।

  8. মাসুদ করিম - ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ (৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ)

    Bangladesh missing out on $12b trade in CIS countries
    No commercial wings at missions there

    Absence of commercial wings in Bangladesh’s embassies has deprived the country of a unique opportunity to grab an annual trade worth US$ 12 billion in the commonwealth of independent states (CIS), officials said.

    The markets in CIS including Ukraine have remained unexplored for a long time as there are no commercial wings/commercial counselors/attachés in the country’s embassies in the former Soviet Republics, they added.

    “Bangladesh could increase its business volume by at least US$2 billion from Ukraine and $10 billion from other countries of CIS had there been commercial wings/commercial attachés there,” according to a letter sent by the Association of Humanitarian, Cultural and Economic Relation between Ukraine and Bangladesh to the ministry of commerce (MoC) recently said.

    The businessmen of the country have urged the government to set up commercial wings in the CIS considering huge export potential there.

    They think that commercial wings/attachés in the CIS will help strengthen businesses and lead to expanding bilateral trade.

    “Commercial wings in our embassies will definitely help increase our trade and export,” president of Dhaka Chamber of Commerce and Industry (DCCI) Abul Kasem Khan told the FE.

    The letter from Ukraine requested the Bangladesh government to set up commercial wings in each embassy or by creating position of honorary commercial attachés in CIS.

    There are, however, some complications related to customs that hamper smooth trade with CIS and the Russian Federation also. And the government has taken initiatives to address the problems, according to the MoC.

    “We are now actively considering to send a team to explore trade opportunities in the countries of CIS,” senior secretary of the MoC Hedayetullah Al Mamoon told the FE.

    The letter also urged the government for appointing commercial counselors from the business community and business chambers that would help flourish bilateral trade in a very short time.

    “The business communities of the CIS along with Ukraine are keen to expand business with Bangladesh in the days to come,” the letter said.

    These countries have also offered infrastructural support to Bangladesh in setting up offices of commercial attachés there, it mentioned.

    Bangladesh exported goods worth US$ 201.91 million to Ukraine while it imported goods worth $ 21,251.407 million during the fiscal year (FY) 2015-16, according to Bangladesh Bank and the Export Promotion Bureau.

Have your say

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.