ছোটখাট তাৎক্ষণিক কড়চা : মমতাকে ঢাকার আন্তর্জাতিকতা উপলব্ধি করতে হবে

ঢাকার বিরক্তির প্রথম আঁচ কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের উপরই পড়বে।[...]

ঢাকার বিরক্তির প্রথম আঁচ কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের উপরই পড়বে। আঞ্চলিক রাজনীতির সার্বক্ষণিক দোলাচাল কোথাও কাউকে এগিয়ে নেয় না। বাহবাই সব নয়। সমাধানসূত্র বের করার বড় চাপটা এখন পশ্চিমবঙ্গকেই সামলাতে হবে। বড় দৃষ্টিকোণ থেকে মানুষের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতকে বুঝতে হবে। সুযোগের সমাধানসূত্র বের করতেই হবে। রবীন্দ্রনাথের ১৫০ বা আজমির যাওয়ার ভাল ব্যবস্থা করে দিয়ে কিছু হবে না। এসব মানুষের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের কোনো কাজে লাগে না। মমতা যেভাবে চাপ সৃষ্টি করলেন, ঠিক সেভাবেই চাপমুক্ত করতে যদি পারেন — তাহলেই বলতে হবে তিনি সফল হয়েছেন। তা যদি তিনি করতে না পারেন, তাহলে এই আন্তর্জাতিক ব্যর্থতার দায় তাকেই নিতে হবে। মমতাকে বুঝতে হবে ঢাকা বাংলায় কথা বলে ঠিকই কিন্তু ঢাকা বিশ্বদৃষ্টিতে দিল্লির সমপর্যায়ের — ঢাকার সাথে যেকোনো ব্যর্থতা আঞ্চলিকতায় পর্যবসিত হবে না — নিঃসন্দেহে সেটা মমতার আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা হিসাবেই বিবেচিত হবে। ততক্ষণ আশাবাদী আছি, যতক্ষণ পর্যন্ত মমতা একটা গ্রহণযোগ্য সমাধানসূত্র বের করতে না পারছেন। আর যদি সমাধানসূত্র তিনি একেবারেই বের করতে না পারেন — তাহলে ভারতের প্রাক্তন রেলমন্ত্রী সময়মতো ট্রেনে উঠতে পারেননি বলেই ভবিষ্যতে প্রতীয়মান হবে।

মাসুদ করিম

লেখক। যদিও তার মৃত্যু হয়েছে। পাঠক। যেহেতু সে পুনর্জন্ম ঘটাতে পারে। সমালোচক। কারণ জীবন ধারন তাই করে তোলে আমাদের। আমার টুইট অনুসরণ করুন, আমার টুইট আমাকে বুঝতে অবদান রাখে। নিচের আইকনগুলো দিতে পারে আমার সাথে যোগাযোগের, আমাকে পাঠের ও আমাকে অনুসরণের একগুচ্ছ মাধ্যম।

২১ comments

  1. মাসুদ করিম - ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১১ (১২:১৫ অপরাহ্ণ)

    প্রথম আঁচ : সেচ প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ১.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ স্থগিত হয়ে যেতে পারে।

    বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে তিস্তা পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত না হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গেরই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দু’দেশের মধ্যে চুক্তি না হওয়ায় বিশ্বব্যাংক প্রস্তাবিত ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ স্থগিত হয়ে যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং এখন রাজনৈতিক দূতের মাধ্যমে এ আশঙ্কার কথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বোঝাতে শুরু করেছেন। ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন। তার সঙ্গে ওই সময় বিশ্বব্যাংক কর্তাদের আলাপ-আলোচনা হতে পারে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ভাগের জেলাগুলোতে তিস্তার পানিতে চাষের জন্য
    সেচব্যবস্থা গড়ে তুলতে ভারত সরকার বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সাহায্যের জন্য উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু জাতিসংঘের ঘোষিত নীতি হলো, আন্তর্জাতিক নদীগুলোর উপর অববাহিকার রাষ্ট্র এমনভাবে পানি ব্যবহার করতে পারবে না যাতে নিম্ন অববাহিকার রাষ্ট্র কোনোভাবে বঞ্চিত হয়। তিস্তার ক্ষেত্রে ভারত (সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গে) উপর এবং বাংলাদেশ রয়েছে নিম্ন অববাহিকায়। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরে যদি তিস্তা নিয়ে দু’দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হতো তাহলে পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে একটি সুষম নীতি গৃহীত হতে পারত। এতে বিশ্বব্যাংকের পক্ষে পশ্চিমবঙ্গে সেচপ্রণালি বিস্তারে অর্থ সাহায্য করতে অসুবিধা হতো না। এ কারণে দিলি্লর জাতীয় কংগ্রেসের নেতারা বলতে শুরু করেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি এ বৃহত্তর বিষয়টি উপেক্ষা করেন তাহলে ‘পশ্চিমবঙ্গের স্বার্থ’ আদৌ কি রক্ষিত হবে?
    পশ্চিমবঙ্গের প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের একাংশ এরই মধ্যে রাজধানী দিলি্ল এসে সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করে মুখ্যমন্ত্রীর ‘তিস্তা রাজনীতির’ সমালোচনা করেন। এমনকি তারা আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে শরিক তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে রাজনৈতিক জোট ভেঙে এককভাবে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দেন। কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীর রাজনৈতিক সচিব আহমেদ প্যাটেল স্বীকার করেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস নেতাদের অভিযোগ পেয়েছি।’
    পশ্চিমবঙ্গের উত্তরে গজলডোবায় ১৯৭৬ সালে তিস্তা নদীর ওপর বাঁধ নির্মাণ শুরু হয়। উদ্দেশ্য উত্তরবঙ্গের প্রায় সাড়ে ৯ লাখ হেক্টর জমিতে সেচের পানি পেঁৗছে দেওয়া। কিন্তু এখন পর্যন্ত সে কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। বর্তমানে মাত্র ৬০ হাজার হেক্টর জমিতে চাষের জন্য পানি সরবরাহ করা হয়। কারণ এখনও সেচ-খাল নির্মিত হয়নি। এ সেচ-খাল নির্মাণের জন্য ভরত সরকার বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। খাল নির্মিত না হওয়ায় এখন পশ্চিমবঙ্গের গজলডোবায় মাত্র ২৫ শতাংশ তিস্তার পানি ব্যবহৃত হয়। অবশিষ্ট পানি অযথা হয় বাংলাদেশের দিকে নয়তো অব্যবহৃত হয়ে সমুদ্রে বয়ে যায়। এ খাল নির্মিত হলে পশ্চিমবঙ্গের আরও বৃহত্তর এলাকায় তিস্তার পানি সেচের জন্য পেঁৗছে দেওয়া যেত।
    প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরসঙ্গী ভারত সরকারের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, তিস্তায় এখন কতটা পানি প্রবাহিত হয় তার উভয় দেশের মধ্যে গ্রহণযোগ্য কোনো পরিমাণ চিহ্নিত করা হয়নি। তিস্তার খসড়া চুক্তিতে বলা হয়েছিল, শুষ্ক মৌসুমে দু’দেশ ৫০-৫০ ভাগ পানি বণ্টন করে নেবে। বাংলাদেশের লালমনিরহাটের ডালিয়াতে তিস্তার পানি অন্যান্য ছোট নদী সূত্রে আরও বাড়তি পানি পাবে। এটাও চুক্তিতে উল্লেখ করার জন্য ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শেষ মুহূর্তে ফের ঢাকা উড়ে গিয়েছিলেন। ভারত সরকারের মতে, এটাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মেনে নিয়েছিলেন। তার ঢাকা সফর বাতিল নিঃসন্দেহে বিস্ময় সৃষ্টি করে_ এটা প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং নিজেই সফরসঙ্গী সাংবাদিকদের কাছে গোপন করেননি।

    বিস্তারিত পড়ুন : তিস্তা চুক্তি না হলে ক্ষতি হবে পশ্চিমবঙ্গেরই

  2. Dry cleaning in Grand Prairie Texas - ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ (১২:৪০ অপরাহ্ণ)

    সেচ প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ১.৫ বিলিয়ন ডলার ঋণ স্থগিত হয়ে যেতে পারে। এর ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ঢাকা সরকার উনাকে ভূর্তকি দিয়ে বাংলার ইলিশ খাওয়াবেন।

  3. মাসুদ করিম - ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২ (১:১৩ অপরাহ্ণ)

    যদিও পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল বলছেন শেখ হাসিনা ব্যস্ততার কারণে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যাচ্ছেন না, কিন্তু দেখে শুনে তা মনে হচ্ছে না, মনে তো হচ্ছে মমতা ব্যানার্জির কাছ থেকে তিস্তাকাণ্ডের আজো কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত না আসাতেই শেখ হাসিনা কলকাতা যাচ্ছেন না। এনিয়ে ভারতীয় ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সম্পাদকীয়।

    Undo Dhaka damage
    Mamata still has a chance to repair West Bengal’s relations with Bangladesh, and boost India’s

    Before the advent of political correctness, Tripura used to be called, informally, “Little Bengal”. As recently as 1971, Tripura had played an important strategic role in Bangladesh’s liberation. Bangladesh Prime Minister Sheikh Hasina’s recent trip to Tripura, with a large business delegation, was meant to revive the old ties and build new ones. In the process, she also received the Tripura Central University’s first honorary D Litt. However, this visit may acquire an added significance, in contrast to her decision to not attend the convocation ceremony of the University of Calcutta. The official reason, given by West Bengal Governor M.K. Narayanan, is that Hasina is busy.

    While there’s no evidence to contradict that, Hasina’s change of plans is a good time to reflect on the damage Chief Minister Mamata Banerjee’s last-minute backing out of the Teesta water treaty last year may have done to bilateral ties. The CPM has already accused Banerjee of failing to “keep a cordial relationship with Bangladesh”, even as her government insists there’s no adverse fallout of that failure on the water treaty. Be that as it may, Banerjee’s refusal then did kill a splendid opportunity for India to bring bilateral ties to the next logical level. That treaty is politically and economically important not only for Hasina — who has been outspokenly friendly with India — but also for India to secure transit rights through Bangladesh, which would cut time and distance from the Indian mainland to the Northeast.

    So where Tripura CM Manik Sarkar has done an excellent job, Mamata Banerjee is yet to begin undoing last September’s failure. There may not be much time left. She must begin now. At a time when CMs of border states are actively helping India’s neighbourly relations, Banerjee has no excuse vis-a-vis a country with which her state shares the added advantage of a common language and culture, much more than Tripura.

  4. মাসুদ করিম - ৩ এপ্রিল ২০১৩ (২:১২ অপরাহ্ণ)

  5. মাসুদ করিম - ২৪ আগস্ট ২০১৩ (১:০২ পূর্বাহ্ণ)

  6. মাসুদ করিম - ২৪ আগস্ট ২০১৩ (৫:০১ অপরাহ্ণ)

  7. মাসুদ করিম - ২৫ আগস্ট ২০১৩ (১:৪৯ পূর্বাহ্ণ)

  8. মাসুদ করিম - ২৫ আগস্ট ২০১৩ (২:২১ অপরাহ্ণ)

  9. মাসুদ করিম - ২৮ আগস্ট ২০১৩ (৬:৩৮ অপরাহ্ণ)

    তিস্তা চুক্তি এবং স্থল সীমান্ত চুক্তি কার্যকর না হওয়ায় ওবায়দুল কাদের এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ভারতের প্রতি বন্ধুত্বের উদার হস্ত প্রসারিত করেছেন। তাদের কাছ থেকেও আমরা সৎ প্রতিবেশীমূলক আচরণ আশা করব।”

    তিস্তা ও স্থল সীমান্ত চুক্তির ক্ষেত্রে বাংলাভাষী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আচরণে হতাশা প্রকাশ করেন ওবায়দুল কাদের।

    “হিন্দীভাষী অঞ্চল থেকে এই বাধা এলে একটা কথা ছিল। আমরা এভাবে ব্যথা পেতাম না। কিন্তু আমাদের নায্য হিস্যা আদায়ের এই বাধা এসেছে বাংলাভাষী অঞ্চল থেকে।”

    “এপার বাংলা-ওপার বাংলা বলে যখন আমরা শান্তি পাই, সাবেক পূর্ব বাংলা আর পশ্চিম বাংলা বলে যখন আমরা অনুপ্রেরণা লাভ করি। তখন পশ্চিম বাংলার এই আচরণ প্রত্যাশিত নয়।”

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের্ উদ্দেশে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, “আপনি মা মাটি ও মানুষের নেত্রী বলে দাবি করেন। তাই আশা করব, অগণিত বাঙালির চাওয়া বুঝিয়ে দেয়ার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকারকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করবেন।”

  10. মাসুদ করিম - ৪ জানুয়ারি ২০১৪ (৫:৪৪ অপরাহ্ণ)

    আমরা United Nations Convention on the Law of the Sea (UNCLOS) সম্বন্ধে জানি এবং এই আন্তর্জাতিক আইনের মাধ্যমে আমরা বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রসীমা বিবাদ বার্মার সাথে মীমাংসা করেছি এবং ভারতের সাথে আমাদের মামলা চলছে। নদীর জলবন্টন নিয়ে এরকম একটা আইনের কনভেনশন হয়েছে কিন্তু এখনও কার্যকারিতার পর্যায়ে আসেনি, UN Convention on the Law of the Non-Navigational Uses of International Watercourses (which has not yet entered into force), আমাদের উচিত এটি যেন দ্রুত কার্যকর হয় তার জন্য এখনই জোর তৎপরতা শুরু করে দেয়া। আর দ্বিপাক্ষিক ভাবে সমাধান না হলে এর মধ্য দিয়েই ভারতের সাথে অভিন্ন নদীর জলবন্টনের মীমাংসার চেষ্টা করা।

    Convention on the Law of the Non-Navigational Uses of International Watercourses
    New York, 21 May 1997

    The 1997 United Nations Convention on the Law of the Non-Navigational Uses of International Watercourses is the only treaty governing shared freshwater resources that is of universal applicability. It is a framework convention, in the sense that it provides a framework of principles and rules that may be applied and adjusted to suit the characteristics of particular international watercourses. This introductory note will describe the historical background of the convention and significant developments in its negotiating history. It will then summarize the key provisions of the convention and, finally, touch upon its influence on subsequent legal developments, including both treaties and jurisprudence.

    Historical Background

    The Convention was concluded on 21 May 1997, as an annex to General Assembly resolution 51/229. Its adoption brought to a close a process the General Assembly had initiated well over two decades earlier. On 8 December 1970, the General Assembly adopted resolution 2669 (XXV), entitled “Progressive Development and Codification of the Rules of International Law Relating to International Watercourses”. In that resolution, the Assembly recommended that the International Law Commission “take up the study of the law of the non-navigational uses of international watercourses with a view to its progressive development and codification.” In fact, the General Assembly had shown that it recognized the importance of this field over ten years earlier, when it adopted resolution 1401(XIV) on 21 November 1959. In that resolution, the Assembly had indicated that it was “desirable to initiate preliminary studies on the legal problems relating to the utilization and use of international rivers with a view to determining whether the subject is appropriate for codification”.

    The International Law Commission began work on the international watercourses topic in 1974 pursuant to the General Assembly’s 1970 resolution. Over the course of the next twenty years, the Commission’s work was guided by a succession of five special rapporteurs: Richard Kearney, Stephen Schwebel, Jens Evensen, Stephen McCaffrey, and Robert Rosenstock. Following its usual practice, the Commission in 1974 circulated a questionnaire to United Nations Member States seeking their views on various issues related to the watercourses topic.

    In 1976, the Commission decided that it was not necessary to determine the scope of the expression “international watercourse” at the outset of its work; in fact, the Commission did not define this expression until it adopted on first reading a full set of draft articles on the topic in 1991. The definition adopted in that year is substantially unchanged in the Convention. In 1994, the Commission concluded its work on international watercourses, adopting a complete set of 33 draft articles on second reading. The Commission also adopted a companion resolution on confined transboundary groundwater, which recommended that States be guided by the principles contained in the draft articles in regulating this form of groundwater. The Commission submitted its final draft and the resolution to the General Assembly with a recommendation that a convention be elaborated on the basis of the draft articles.

    On the recommendation of the Sixth (Legal) Committee, the General Assembly decided in 1994 to “convene a Working Group of the Whole . . . to elaborate a framework convention on the law of the non-navigational uses of international watercourses on the basis of the draft articles adopted by the International Law Commission.” The convention was negotiated in the Sixth Committee, convening for this purpose as a “Working Group of the Whole” as contemplated by the Assembly’s 1994 resolution. The Working Group met for three weeks in October of 1996 and two weeks in March and April of 1997. As already noted, the Convention was adopted on 21 May 1997.

    Summary of the Convention’s Key Provisions

    The Convention contains 37 articles arranged in seven parts: Part I. Introduction; Part II. General principles; Part III. Planned measures; Part IV. Protection, preservation and management; Part V. Harmful conditions and emergency situations; Part VI. Miscellaneous provisions; and Part VII. Final clauses. An annex to the Convention sets forth procedures to be followed in the event that States have agreed to submit a dispute to arbitration.

    While it is difficult to single out particular provisions of the Convention, based on the preparatory work in the International Law Commission, the negotiations in the Working Group and the significance of the principles involved, it may be said that the Convention’s key provisions are contained in Parts I, II, III and IV. Part I contains the definition of the expression “international watercourse,” which is obviously of central importance. Article 2 defines the term “watercourse” broadly as “a system of surface waters and groundwaters constituting by virtue of their physical relationship a unitary whole and normally flowing into a common terminus”. It will be noted that, importantly, this definition includes groundwater that is hydrologically connected with surface water, which is in fact the case for much of the world’s groundwater. The expression “international watercourse” is then defined as “a watercourse, parts of which are situated in different States”.

    Article 5, contained in Part II, reflects the principle that is widely regarded as the cornerstone of the Convention, and indeed the law in the field: equitable and reasonable utilization and participation. It requires that a State sharing an international watercourse with other States utilize the watercourse, in its territory, in a manner that is equitable and reasonable vis-à-vis the other States sharing it. In order to ensure that their utilization of an international watercourse is equitable and reasonable, States are to take into account all relevant factors and circumstances. An indicative list of factors and circumstances is contained in article 6. Article 5 also sets forth, in paragraph 2, the principle of equitable participation. According to this principle, States are to “participate in the use, development and protection of an international watercourse in an equitable and reasonable manner”. Thus, affirmative conduct may be required by this principle, which is a further elaboration of the implications of equitable and reasonable utilization.

    Another key provision of the Convention is article 7 (Obligation not to cause significant harm). This article requires that States “take all appropriate measures to prevent the causing of significant harm” to other States sharing an international watercourse. The emphasis on prevention is important, since it is often difficult to stop or modify an activity once it has begun, and it can be very complicated and expensive, if indeed it is possible, to remedy harm once caused. While there has been debate, both in the negotiation of the Convention and in the literature, about the relationship between the principles set forth in articles 5 and 7, the two are best seen as being complementary. The two articles work in tandem in the following way: if a State believes it has sustained significant harm due to a co-riparian State’s use of an international watercourse, it will ordinarily raise the issue with the second State. In the negotiations that follow, articles 5, 6 and 7 in effect provide that the objective is to reach a solution that is equitable and reasonable with regard to both States’ uses of the watercourse and the benefits they derive from it. The possibility that the solution may include the payment of compensation, to achieve an equitable balance of uses and benefits, is not excluded.

    Part III of the Convention sets forth the principle of prior notification of planned measures and elaborates in some detail on the various aspects of that obligation. The essence of the principle is that if a project or other measures are planned in a State and those measures may have a significant adverse effect upon another State or States sharing an international watercourse, the State in which the measures are planned must provide timely notification to the other States of the plans. If the notified States believe the planned measures would be inconsistent with the requirements of articles 5 or 7, a process of consultations and, if necessary, negotiations follows which is intended to lead to an equitable resolution of the situation.

    Part IV of the Convention deals with protection, preservation and management of international watercourses. It contains provisions on protection and preservation of watercourse ecosystems, prevention, reduction and control of pollution, and consultations concerning management of an international watercourse, among others. The importance of these provisions is perhaps obvious: watercourse ecosystems and watercourses themselves must be protected, preserved, and properly managed, if they are to support human and other forms of life.

    The Influence of the Convention on Subsequent Legal Developments

    The Convention and its preparatory work have had significant influence. Four months after it was concluded, the International Court of Justice referred to and quoted from the Convention in its judgment in the Gabčíkovo-Nagymaros Project case (I.C.J. Reports 1997, paragraph 85). In part because of its provenance, the Convention is widely viewed as a codification of customary international law with respect to at least three of the obligations it embodies, namely equitable and reasonable utilization, prevention of significant harm, and prior notification of planned measures. These and other provisions of the Convention have influenced the negotiation of treaties concerning international watercourses, as can readily be seen from even a cursory review of recent agreements, for example, the Revised Protocol on Shared Watercourses of the Southern African Development Community (SADC) of 7 August 2000.

    Conclusion

    The 1997 United Nations Convention on the Law of the Non-Navigational Uses of International Watercourses represents an important contribution to the strengthening of the rule of law in this increasingly critical field of international relations and to the protection and preservation of international watercourses. In an era of increasing water scarcity, it is to be hoped that the Convention’s influence will continue to grow.

    • মাসুদ করিম - ১২ মার্চ ২০১৪ (১:৪৭ অপরাহ্ণ)

      পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন পরিকল্পনার কারণে শিগগির তিস্তার ন্যায্য হিস্যা বাংলাদেশের পাওয়ার আশা নেই বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

      পত্রিকাটি লিখেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার কেবল তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির বিরোধিতাই করেনি, দুই দেশের অভিন্ন এই নদী থেকে আরো বেশি পানি টেনে নেয়ার পরিকল্পনা করছে।

      এ পরিকল্পনা অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের কৃষকদের কাছে সেচের পানি পৌঁছে দিতে তারা তিস্তার পানি ব্যবহার করবে। আর এমনটি হলে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ ক্ষীণ হয়ে আসবে, কমবে ১০ শতাংশ।

  11. মাসুদ করিম - ৬ মে ২০১৪ (১০:১১ অপরাহ্ণ)

    Withdrawal of water from common rivers by setting up dams in the upstream areas causes a loss of about Tk 50 billion to Bangladesh each year, according to water experts. “Bangladesh suffers a loss of about Tk 50 billion each year due to the withdrawal of water from common rivers by constructing Farakka Barrage, Teesta Barrage and other dams at the upstream of the rivers,” Prof Jasim Uddin Ahmad, former vice chancellor of Jahangirnagar University, told a seminar on Monday. He suggested the government to lodge complaints with the international court against India to realise compensation since the country installed mega dams on the common rivers of the region to withdraw water, violating international laws and conventions. The International Farakka Committee, an international water rights activists group, organised the seminar titled, ‘The State of Teesta: The Way Forward’ at the Jatiya Press Club in the afternoon, according to a news agency.

  12. মাসুদ করিম - ৮ মে ২০১৪ (১১:১৪ পূর্বাহ্ণ)

    এবার পানিসম্পদমন্ত্রী বললেন, তিস্তা বা অভিন্ন নদীর পানির ভাগ পেতে আন্তর্জাতিক ফোরামে যাওয়ার কথা।

    BD to take water issue to int’l forum: Minister

    Water Resources Minister Barrister Anisul Islam Mahmud said on Wednesday the government will place the regional water issue at the international forum if it fails to realise equitable share of water of trans-boundary rivers through negotiations with India, reports UNB.

    “We want to resolve the water problems through negotiations with India. Definitely, we’ll go to the international forum, if we fail to realise the equitable share of water of the common rivers,” he told reporters on the sidelines of a workshop in city.

    Institute of Water Modelling (IWM) in association with Commonwealth Scientific and Industrial Research Organization (CSIRO), Australia, jointly organised the workshop on a research titled ‘Bangladesh Integrated Water Resources Assessment’ at Brac Centre Inn.

    Anisul Islam Mahmud said the parliamentary elections are being held in India and the Bangladesh government will launch a fresh move after the polls to talk to the new Indian government to pave the path for resolving the longstanding Teesta water sharing problem.

    About the rampant pollution of Dhaka’s surrounding rivers, he said the government plans to take an integrated project to restore the Buriganga river, the lifeline of capital Dhaka, by bringing water from the Jamuna river.

    State Minister for Water Resources Muhammad Nazrul Islam, Water Resources Secretary Dr Zafar Ahmed Khan, High Commissioner of Australia to Bangladesh Greg Wilcock, Buet Professor Dr UK Nevera, vice president of Bangladesh Water Partnership Dr K Azharul Haq and IWM executive director Prof Dr Monowar Hossain, among others, spoke at the workshop.

    CSIRO water expert Dr Mac Kirby made a power-point presentation highlighting the findings of a study conducted on Bangladesh’s water problem.

    Addressing the workshop as the chief guest, Mr Mahmud said the feasibility study to set up a Ganges barrage has already been completed, which will help resolve the water crisis in the country’s southern region.

    About the project’s economic return, he said the country will be able to recover the project cost of Tk 4 billion within five years after its implementation.

    The Water Resources Minister stressed the need for restructuring the coastal polders to make them eco-friendly and cope with the adverse impacts of climate change.

    The water, irrigation and prosperity are interlinked, he said and asked the Indian government to provide equitable share of the common rivers’ water to Bangladesh under the international laws.

    State Minister for Water Resources Muhammad Nazrul Islam said the trans-boundary water problem is severe in the South Asia region. “The government is trying its best to resolve the water problem.”

  13. মাসুদ করিম - ১১ মে ২০১৪ (৭:০৪ অপরাহ্ণ)

    তিস্তায় মমতার আপত্তি দুঃখজনক: হাসিনা

    ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি না হওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি দুষলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের আন্তরিকতা থাকলেও শেষ মুহুর্তে মমতার ব্যানার্জির আপত্তির জন্য তিস্তা চুক্তি হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

    তবে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ২০১১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময়েই এই চুক্তিটি হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি।

    এরপর এই চুক্তির ব্যাপারে নানা সময়ে ইতিবাচক মন্তব্য করে আসলেও রোববারই সরাসরি মমতাকে দায়ী করে বক্তব্য দিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

    সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে গিয়ে শুরুতেই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “তিস্তা নদী নিয়ে আমরা (বাংলাদেশ-ভারত) আলোচনা করে একটা সমঝোতায় এসেছিলাম।

    “কিন্তু, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক, ভারতের এক প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি আপত্তি করলেন। এটা খুবই দুঃখজনক। আমরা দেখি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার আন্তরিক ছিল।”

    এই চুক্তির ব্যাপারে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা আশা করি, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারবো।”

    ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকা সফরে আসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। সে সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসার কথা থাকলেও শেষ মুর্হর্তে তিনি বেঁকে বসেন, আটকে যায় তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি।

    এরপর বিভিন্ন সময়ে চুক্তি স্বাক্ষরে ভারত ও বাংলাদেশ সরকারে পক্ষ থেকে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হলেও এখনো আলোর মুখ দেখেনি দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এ চুক্তি।

    বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে গঙ্গা ব্যারেজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যৌথ উদ্যোগে ব্যবস্থা নিতে হবে। এই কারণে প্রয়োজন যে, এটা তো ওপর থেকে আসবে। সেজন্য, সে দেশগুলোকে সম্পৃক্ত রাখতে হবে।

    “না হলে, যে কোনো সময়ে আমরা ব্যারেজ বানাবো। আর, সেটা নিয়ে খেলা হবে। সে সুযোগ যাতে না থাকে।”

    টিপাইমুখ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যেখানেই কাজ করুক, আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে কাজ করতে হবে।”

    বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটান এবং বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্যে দুটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা চলছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আলোচনা করছি। আমরা বিনিয়োগ করবো। আমাদেরও শেয়ার থাকবে।

    “মিয়ানমার থেকে তিনটা নদী এসেছে। সেখানেও যৌথ উদ্যোগে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় কি না সে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে।”

    নদী রক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের নদীগুলো আমাদের শিরা-উপশিরা। এগুলো আমাদের বাঁচিয়ে রেখেছে। এগুলো বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

    “নদীগুলো যে সাগরে যাচ্ছে- এই যাওয়ার পথ হচ্ছে বাংলাদেশ।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই নদীগুলো হিমালয়ে উৎপত্তি হয়ে ভারতের মধ্য দিয়ে আসছে।

    তিনি বলেন, “আমরা ভাটি অঞ্চলের। এখানে সম্ভাবনাও আছে। অসুবিধাও আছে। আবার, উজানে বাঁধ দিলে আমাদের অনেক সমস্যা তৈরী হয়।”

    বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে চার শতাধিক নদী প্রবাহিত হচ্ছে। এরমধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃ সীমান্ত নদী, যার ৫৪টি ভারত এবং ৩টি মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এ সব নদ-নদীর অধিকাংশই গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদীর অববাহিকাভুক্ত।

    ১৯৭২ সালে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন গঠন করা হয়।

    ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি ঐতিহাসিক গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

    শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নদীগুলোর পানি বণ্টনের বিষয়টি দ্বিপক্ষীয়।

    তিনি বলেন, “অনেকে এই নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে নালিশও করেছে। পাড়া-প্রতিবেশীদের সঙ্গে সদ্ভাব রাখা যেমন প্রয়োজন, তেমনি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারি।”

    পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসময় পানিসম্পদ মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মশিউর রহমান, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম, পানিসম্পদ সচিব জাফর আহমেদ খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  14. মাসুদ করিম - ২৩ আগস্ট ২০১৪ (১০:৫১ অপরাহ্ণ)

    শনিবার গণভবনে ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভি কে সিং সৌজন্য সাক্ষাতে এলে এমত দেন প্রধানমন্ত্রী।

    সাক্ষাত শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ কে এম শামীম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশের আরো পানি দরকার। তাই যত দ্রুত সম্ভব তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি করা উচিত।

    “বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আশাপ্রকাশ করেন, পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে শিগগিরই তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি হবে এবং সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন হবে।”

    ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ভারতের ক্ষমতাসীন তৎকালীন কংগ্রেস সরকারের সঙ্গে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতায় তা বাস্তবায়ন হয়নি।

    এদিকে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন করার জন্য ভারতের সংবিধান সংধোধনের প্রস্তাব তুমুল হৈ চৈয়ের মধ্যে লোকসভায় উত্থাপিত হলেও তা এখনো পাস হয়নি।

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত এই প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মেঘালয়ের মূখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমাসহ রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধিদল।

    প্রেস সচিব সাংবাদিকেদর বলেন, বৈঠকে ট্রানজিট ইস্যু নিয়েও আলোচনা হয়েছে। ভারতের মধ্য দিয়ে ভুটান ও নেপালে বাংলাদেশের ট্রানজিট সুবিধা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সরকারকে অনুরোধ করেছেন।

    ভারতের ভূমি দিয়ে বাংলাদেশের ট্রানজিটের বিষয়ে ভারতের সম্মতি রয়েছে বলে জানিয়েছেন শামীম চৌধুরী।

    ভিকে সিংকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, “অবশ্যই, আমরা এটা দেব, বলেছেন প্রতিমন্ত্রী।”

    দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে ওয়াটার প্রটোকল শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন ভারতের প্রতিমন্ত্রী। এটা নিয়ে আগামী নভেম্বরে দুই দেশের নৌ পরিবহন সচিব পর্যায়ে বৈঠক হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

    প্রেস সচিব বলেন, ভি কে সিং আশুগঞ্জ বন্দর ব্যবহার করে ভারতীয় জাহাজের ত্রিপুরায় চাল নিতে দেয়ার অনুমতির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানান। পণ্য পরিবহনের জন্য ভারত সরকার আখাউড়া থেকে আগরতলা পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার রাস্তা করবে বলেও প্রতিমন্ত্রী জানান।

    “প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়।

    “ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর সম্পর্কে ভিকে সিং বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে আগ্রহী এবং এটা যে কোনো সময় হতে পারে।’

    “এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষও ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে অপেক্ষা করছে।”

    এসময় প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে ভারতের মানুষ বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতের আগরতলার জনগণের সহায়তার কথা স্মরণ করেন।

    বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার শিল্পমন্ত্রী তপন চক্রবর্তী, মেঘালয়ের সংসদীয় সচিব কেনেডি কাইরিয়েম, বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত পঙ্কজ সরন এবং ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমেদ।

    ভিকে সিং ২০১২ সালে সেনাপ্রধান হিসেবে অবসর নেন। চলতি বছরের মে মাসে ভারতের সাধারণ নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নির্বাচিত হওয়ার ঠিক তিনমাস আগে ১ মার্চ তিনি দলটিতে যোগ দেন।

    ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজের (আইবিসিসিআই) একটি বৈঠকে যোগ দিতে শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে জেট এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকা পৌঁছেন ভিকে সিং।

    রোববার বিকাল ৪টায় ঢাকা ছাড়ার আগে সকাল ৯টায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এর পর ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য বিষয়ক বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি।

    আইবিসিসিআই এবং ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের (আইসিসি) কলকাতা শাখার উদ্যোগে এই বাণিজ্য বৈঠকে ভারত ও বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতারা অংশ নেবেন।

    ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস এই উদ্যোগের সহযোগিতায় রয়েছে।

  15. মাসুদ করিম - ২৬ আগস্ট ২০১৪ (৮:২৩ পূর্বাহ্ণ)

    Saradha Money Fanned Bangla Flames

    Saradha Group chairman Sudipto Sen, prime accused in the multi-crore chit fund scam, not only funded political parties in India, but also Islamic fundamentalists in Bangladesh.

    Investigating agencies CBI and Enforcement Directorate have stumbled upon sensational information that suggests to fan the agitation against the Awami League government in Bangladesh, Sen sent large amounts of cash through an influential politician, who is now a Rajya Sabha MP.

    The CBI contacted various agencies of the Ministry of Home Affairs as well as the Ministry of External Affairs and learnt that several dossiers have existed for decades about the MP with the home department of the state government. All these agencies were aware of the MP’s antecedents and links with various Islamic fundamentalist organisations including SIMI, of which he was a key member.

    The CBI and ED learnt that funds collected from the public through Saradha’s chit fund schemes were centrally deposited at the group’s offices in Salt Lake. After being accounted for, hundreds of crores were transported to various centres close to the Indo-Bangladesh border. The cash was put in huge bags and taken by ambulances belonging to the Saradha group. The Indian currency was then secretly converted to Bangladeshi Taka and European currencies at a “Foreign Currency Convertor Centre” belonging to a man from Kolkata. Armed couriers of radical Islamic outfits would then smuggle the converted currency across the border under the cover of darkness.

    The deal was that Sen would finance these radical outfits, mainly the Jamaat-e-Islami Bangladesh, but separately large amount of his funds would also be delivered to designated places in Bangladesh. The leaders of these outfits had to arrange for Sen’s funds to be sent to banks in Europe through their couriers. The sleuths believe that thousands of crores collected from Indian citizens by the Saradha group had reached these “anti-India radical Islamic groups in Bangladesh” and also to several terrorist outfits of the country who were earlier operating in Bangladesh.

    Though the CBI or the ED is refusing to disclose the identity of the MP, many former senior Intelligence Bureau officials were more forthcoming. They said they were not aware of the transfer of funds to Bangladesh but drew the attention of Union home minister Rajnath Singh, National Security Advisor Ajit Doval and also the PMO.

    Former Special Director, Intelligence Bureau, Dhanesh Chandra Nath said, “We all know who this man is. It is unfortunate that West Bengal CM Mamata Banerjee sent Ahmed Hassan alias Imran to the Rajya Sabha despite knowing his antecedents. When SIMI was banned in 2001, Mamata Banerjee was a Union minister and she should have known about its leader’s activities in West Bengal. What is of serious concern to us is the planned infiltration of the known subversive elements into the most sacred and highest corridors of power,” he said.
    Nath, who was earlier Joint Director, SIB, in Kolkata for six years, revealed that Ahmed Hassan during his days at Aligarh Muslim University came in touch with SIMI and was given charge of West Bengal and he was also Amir-e-Halka for Jamaat-e-Islami Hind for eastern region of the country. In 1981, Ahmed Hassan started a Bengali magazine Kalam from 19, Dargah Road but later in 1998 shifted to another address on 45, Elliot Road. The Dargah Road office then became a guest house for SIMI. Intelligence agencies have reports of SIMI’s link with Islamic Development Bank, which is headquartered in Abu Dhabi.

    There are reports that Ahmed Hassan was the key man for IDB in eastern India while managing director of IDB, Mamul Al-Azam, son of president of Jamaat-e-Islami Bangladesh, Golam Azam, is his close friend. After turning Kalam into a daily and having come in contact with Sen, he sold the newspaper to the Saradha group, but remained editor. Hassan was introduced to Sen by suspended TMC Rajya Sabha MP Kunal Ghosh, who was a journalist and media advisor to the Saradha group, and now in jail. During the function of the newly launched paper Dainik Kalam Mamata Banerjee attended the inauguration and heaped praises about its “journalistic ethics”.

    The ED served two notices to Ahmed Hassan to question him about his financial transactions with Saradha group. He ignored the two notices saying he was “busy with the Lok Sabha elections being a TMC Rajya Sabha MP”. But now the ED in a strongly worded summon has directed him to report to its office by Monday, failing which strong action would be initiated against him.

    An ED officer said, “We have concrete evidence against him. He was in charge of a Bengali daily financed by Saradha and was involved in financial transactions. If he doesn’t respond, we will move court and seek permission to arrest him.”

    When contacted, Ahmed Hassan denied receiving any notice. “I am yet to receive any notice but am willing to cooperate with the investigation,” he said.

  16. মাসুদ করিম - ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ (১:০১ অপরাহ্ণ)

    মমতাই এখন বসতে চান আবিদার সঙ্গে

    কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার আবিদা ইসলামের সঙ্গে বসতে চেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    এর আগে প্রায় দুই বছর ডেপুটি হাই কমিশনার তার সাক্ষাৎ চাইলেও সময় দেয়া হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর। সম্প্রতি সারদা কেলেঙ্কারি এবং বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠার পর নিজেই এ বৈঠক চাইলেন মমতা।

    সোমবারই তাদের সাক্ষাৎ হতে পারে বলে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

    নাম প্রকাশ না করে এক কর্মকর্তা বলেন, “রাজনাথ সিং (কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) তৃণমূলের এক নেতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে অস্থিরতা তৈরিতে জামায়াতে ইসলামীকে অর্থ দেয়ার অভিযোগ তদন্ত চলার ইঙ্গিত দেয়ার পর বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছেন মমতা।

    “ঢাকা থেকে বিষয়টি তোলার পর ভারত সরকার তা তদন্ত করছে বলে খবর প্রকাশ হওয়ায় ডেপুটি হাই কমিশনারের কাছে এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের মনোভাব জানতে চাইতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।”

    এদিকে বাংলাদেশি কয়েকটি সংবাদপত্রে বলা হয়েছে, তৃণমূল সাংসদ আহমেদ হাসান ইমরানের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অবস্থান জানাতে ডেপুটি হাই কমিশনারকে তলব করেছেন মমতা।

    তবে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর ও বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশন সূত্র জানায়, বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনার মমতার সাক্ষাৎ চাওয়ায় তাদের এই বৈঠক হচ্ছে।

    গত জুলাইয়ে ভারতে দায়িত্বের মেয়াদ শেষ হয়েছে আবিদা ইসলামের। চলতি মাসের শেষ দিকে তিনি ঢাকা ফিরবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    তৃণমূলের কয়েক নেতা জানান, আবিদা ইসলাম আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎ চাইলে দুই বছরেও বাংলাদেশি কূটনীতিকের সঙ্গে দেখা করেননি মুখ্যমন্ত্রী।

    “দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ও স্থল সীমান্ত চুক্তির মতো বিষয়গুলো থাকায় বাংলাদেশি কূটনীতিকের সঙ্গে বৈঠক এড়ানোর চেষ্টা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী,” বলেন রাজ্য সরকারের এক কর্মকর্তা।

    ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সই এবং স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিলেও তার বিরোধিতা করেন মমতা।

    কেউ কেউ বলছেন, মমতা এমন সময়ে বাংলাদেশি কূটনীতিকের সঙ্গে বসতে সম্মত হয়েছেন যখন জামায়াতের সঙ্গে তার দলের নেতা ইমরানের সম্পর্ক নিয়ে সীমান্তের উভয় পাশে আলোচনা চলছে।

    সম্প্রতি বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সিদ্ধার্থ নাথ সিং এক নির্বাচনী সভায় সাবেক সিমি নেতা ইমরানের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর সম্পর্কের বিষয়টি তুললে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
    ভারতে ২০০১ সাল থেকে নিষিদ্ধ স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়ার (সিমি) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ইমরান বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার সদস্য।

    বাংলাদেশ ও ভারতের কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের বরাত দিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা সিদ্ধার্থ বলেন, বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে জ্বালাও-পোড়াওয়ে সারদার টাকা পাঠিয়েছেন ইমরান।

    এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সোমবার ভারতীয় টেলিগ্রাফকে ইমরান বলেছেন, “১৯৮৪ সালে আমি সিমি ছেড়েছি এবং জামায়াতের সঙ্গে আমার কিছু করার নেই।”

    সুব্রত মুখার্জি ও ফিরহাদ হাকিমের মতো তৃণমূল নেতারাও ইমরানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নাকচ করছেন। সোমবার অনুষ্ঠানরত উপনির্বাচন ঘিরে ভোটারদের মন ঘোরাতে বিজেপি কৌশল হিসেবে ইমরানের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলেছে বলে দাবি তাদের।

    “ইমরান সন্ত্রাসী নয়। শুধু সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে আসায় তাকে টার্গেট করা হচ্ছে,” শনিবার তৃণমূল ভবনে বলেন হাকিম।

  17. মাসুদ করিম - ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ (১:৪২ অপরাহ্ণ)

  18. মাসুদ করিম - ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ (১২:১৯ পূর্বাহ্ণ)

Have your say

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.