বিপন্ন ভাষা

৬০০০ ভাষার মধ্যে ২৪৯৮টিই বিপন্ন। পাঁচ রকমের বিপন্নতায় ভাগ করা হয়েছে বিপন্ন ভাষাগুলোকে। বিপন্ন (শিশুরা এ ভাষায় কথা বলে, কিন্তু সব সময় সব জায়গায় বলে না) ৬০৭টি, নিশ্চিত ভাবে বিপন্ন (মাতৃভাষা হিসেবে শিশুরা ঘরে আর ভাষাটি শেখে না) ৬৩২টি, ভয়াবহ ভাবে বিপন্ন (দাদা-দাদিরা বা বুড়ো প্রজন্ম এ ভাষায় কথা বলে, বাবা-মারা বা তাদের প্রজন্ম সে ভাষা বুঝতে পারে, কিন্তু নিজেদের মধ্যে তারা এ ভাষায় কথা বলে না এবং শিশুদেরও ভাষাটি আর শেখায় না) ৫০২টি, চূড়ান্ত বিপন্ন ( বুড়ো প্রজন্মই শুধু ভাষাটি ব্যবহার করে, কিন্তু তাদের মধ্যেও অনেকেই ভাষাটি ভুলে গেছে এবং যারা জানে তারাও সব সময় সে ভাষায় কথা বলে না) ৫৩৮টি ও অবলুপ্ত ( কেউই আর ভাষাটিতে কথা বলে না) ২১৯টি।

বাংলাদেশে পাঁচটি ভাষাকে বিপন্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ককবরক, বিষ্ণুপ্রিয়-মণিপুরী, কুরুক্স –এই তিনটি বিপন্ন, বম নিশ্চিত ভাবে বিপন্ন এবং সাক ভয়াবহ ভাবে বিপন্ন।

১৯৬টি বিপন্ন ভাষা নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে ভারত, তার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (১৯২), ব্রাজিল(১৯০), ইন্দোনেশিয়া (১৪৭) ও মেক্সিকো (১৪৪)।

ভয়াবহ ভাবে বিপন্ন, মাত্র ২৯০০০ ভাষাভাষী নিয়ে বিপন্ন ভাষা, এভেন্কি। সে ভাষায় লেখা একটি কবিতার ইংরেজি অনুবাদ পেয়েছি ইউনেস্কোর ওয়েবসাইটে।

If I forget my native speech,
And the songs that my people sing
What use are my eyes and ears?
What use is my mouth?

If I forget the smell of the earth
And do not serve it well
What use are my hands?
Why am I living in the world?

How can I believe the foolish idea
That my language is weak and poor
If my mother’s last words
Were in Evenki?
— Alitet Nemtushkin, Evenki poet

এই পোস্টের সব তথ্যই সংগৃহীত হয়েছে ইউনেস্কোর ওয়েবসাইট থেকে। ২০০৮ এর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ইউনেস্কো প্রকাশ করেছে ‘বিপন্ন ভাষা’র মানচিত্রের নতুন সংস্করণ। অষ্ট্রেলিয়ার ভাষাবিজ্ঞানী ক্রিস্টোফার মোসলের সম্পাদনায় সারা পৃথিবীর ৩০ জন ভাষাতত্ত্ববিদের পরিশ্রমে তৈরি হয়েছে এ বারের মানচিত্র। মানচিত্রটি দেখুন ও বিষয়টি আরো বিস্তারিত জানুন।

মাসুদ করিম

লেখক। যদিও তার মৃত্যু হয়েছে। পাঠক। যেহেতু সে পুনর্জন্ম ঘটাতে পারে। সমালোচক। কারণ জীবন ধারন তাই করে তোলে আমাদের। আমার টুইট অনুসরণ করুন, আমার টুইট আমাকে বুঝতে অবদান রাখে। নিচের আইকনগুলো দিতে পারে আমার সাথে যোগাযোগের, আমাকে পাঠের ও আমাকে অনুসরণের একগুচ্ছ মাধ্যম।

১৯ comments

  1. মাইবম সাধন - ১ মার্চ ২০০৯ (৮:০০ পূর্বাহ্ণ)

    খুবই সুন্দর একটি লেখা। তবে শুধুমাত্র বাংলাদেশেই বিলুপ্ত বা বিলুপ্তির পথে যে ভাষাগুলো তাদের একটা সমীকরণ দিলে আরো ভালো লাগত।

    ধন্যবাদ লেখাটির জন্য।

  2. রায়হান রশিদ - ১ মার্চ ২০০৯ (১১:৪২ পূর্বাহ্ণ)

    ক.
    এই লেখাটির জন্য মাসুদ করিমকে অনেক ধন্যবাদ। একুশে ফেব্রুয়ারীকে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার পেছনে কিছু মানুষের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছিল বলে জানি। কিছুদিন আগে মুন্নী সাহা তাঁদেরই একজনের (বিদেশ দফতরের প্রাক্তন এক সচিব) সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন টিভিতে। সবগুলো তথ্য টুকে নিতে পারিনি। কারো যদি সেই পুরো প্রক্রিয়াটির ব্যাপারে জানা থাকে তাহলে উল্লেখ করলে ভাল হয়।

    – কারা নিয়েছিলেন এই উদ্যোগ?
    – কিভাবে কুটনৈতিক প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘ এবং ইউনেস্কোর বিভিন্ন নিয়মনীতির সাথে যুদ্ধ করে এই দাবীটি শেষ পর্যন্ত অনুমোদন করানো গেল?
    – কোন্ কোন্ দেশ এই দাবীকে সমর্থন দিয়েছিল? কারা দেয়নি? [যতদূর জানি, ইউরোপীয় ব্লকের দু’একটি দেশ ছাড়া বাকীদের নাকি তেমন একটা সমর্থন ছিলনা এই দাবীর পক্ষে; আবার, পাকিস্তান নাকি সমর্থন দিয়েছিল শুরু থেকেই]
    – কি কি বাধা এসেছিল এই দাবী বাস্তবায়ন করতে গিয়ে এবং কি প্রক্রিয়ায় সে সব একে একে অতিক্রম করা গেল?

    এই আলোচনাটা জরুরী এ কারণে যে এ থেকে আমরা সবাই হয়তো কিছু শিখতে পারবো। কিছু দাবী আছে যে সব আদায় করতে অত্যন্ত দক্ষ activism এর দরকার হয়। বিভিন্ন চ্যানেল (কুটনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক) এর সাহায্য নিয়ে তাকে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারলেই কেবল সে সব দাবী আদায়ে সফলতা আসে। ভাষা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিলাভ তেমনই একটি সাফল্যের গল্প।

    খ.
    ভাষা দিবসের স্বীকৃতি লাভের আনুষঙ্গিক একটি অঙ্গীকার ছিল বাংলাদেশের মাটিতে “আন্তর্জাতিক ভাষা ইনস্টিটিউট” এর প্রতিষ্ঠা। সে উদ্যোগটির কি হয়েছিল, কেউ বিস্তারিত লিখে জানালে আমরা সবাই জানতে পারতাম। জানতে পারলে এর বাস্তবায়নের জন্য ক্যাম্পেইন করা সহজতর হতো।

    গ.
    মাইবম সাধন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় উত্থাপন করেছেন। বাংলাদেশে বসবাসকারী বিভিন্ন জাতিসত্ত্বায় কত গুলো এবং কি কি ভাষা প্রচলিত আছে? সেগুলোর কতগুলোর নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে? কতগুলো এখন বিলুপ্তির দ্বার প্রান্তে? এই আলোচনার পাশাপাশি এটাও আমাদের খুঁজে বের করতে হবে এই সব প্রতিটি ভাষার নিজস্ব লোকজ কাহিনীমালা, উপকথা, পদাবলী ইত্যাদি। এসব সংরক্ষণ করতে হবে। শুধু সংরক্ষণ করলেই চলবে না, আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে যথাযথ মর্যাদায় তুলে ধরতে হবে নতুন প্রজন্মের কাছে। অমূল্য এই ঐশ্বর্য অগোচরে অবহেলায় চিরতরে বিলীন হতে বসেছে। একে প্রতিরোধ করতে হবে।

  3. রায়হান রশিদ - ৫ মার্চ ২০০৯ (১:২৬ পূর্বাহ্ণ)

    এই পোস্টটি পেলাম:
    বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের ভাষা আন্দোলনের কথা

  4. মাসুদ করিম - ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১০ (১০:২৬ পূর্বাহ্ণ)

    নীরবে মারা গেল আন্দামানের ‘বো’ ভাষা। শেষ ‘বো’ভাষী বোয়া সিনিয়রের মৃত্যুতে আরেকটি ভাষা হারিয়ে গেল পৃথিবী থেকে। পড়ুন এখানে

  5. মাসুদ করিম - ২৩ জুলাই ২০১০ (৮:১১ অপরাহ্ণ)

    হারিয়ে যাওয়া ভাষা পড়বে ও অনুবাদ করে দেবে কম্পিউটার। পড়ুন এখানে

  6. মাসুদ করিম - ২৯ অক্টোবর ২০১০ (৫:৫৪ অপরাহ্ণ)

    The Indo-Portuguese Creole that Rozario spoke was formed primarily through contact between Malayalam and Portuguese. In other parts of India, however, the equation was different: in the Bombay region, Portuguese interacted with Marathi; in Daman and Diu with Gujarati; and on the southeastern coast of India it interacted with Tamil. At present, Indo-Portuguese Creoles are spoken in very few places. Daman Creole has around 4,000 speakers; that of Korlai, a village in Maharashtra near the old fortress of Chaul, has around 760 speakers; Diu Creole is spoken by some 180 speakers; and the one of Cannanore, only by five.

    কোচিনে মালায়লাম ও পর্তুগিজ ক্রেয়লের শেস সদস্য ছিলেন রোজারিও, তিনি মারা গেছেন ২০ আগস্ট ২০১০। বিস্তারিত পড়ুন এখানে

  7. মহসীন রেজা - ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (৩:০৯ অপরাহ্ণ)

    বাংলাদেশে বসবাসরত সকল আদিবাসিদের ভাষা রক্ষায় জোর অগ্রগতি চাই। মায়ের ভাষায় তাদের পাঠ্যপুস্তক চাই।

    • রেজাউল করিম সুমন - ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (১১:২৪ অপরাহ্ণ)

      ‘আদিবাসী শিশু মাতৃভাষায় পড়বে কবে?’ শীর্ষক সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বিপ্লব রহমান লিখেছেন,

      স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও বাংলাদেশে ভাষাগত সংখ্যালঘু ক্ষুদ্র জাতিসত্তাসমূহ তথা আদিবাসীদের নিজ নিজ মাতৃভাষায় শিক্ষালাভের দাবি উপেক্ষিত হয়েই আসছে। ফলে দেশের ৪৫টি আদিবাসী গোষ্ঠির ২০ লাখেরও বেশী মানুষ বংশপরম্পরায় ভুলতে বসেছেন নিজেস্ব ভাষার ঐতিহ্য, লোককথা, প্রবাদ-প্রবচন, সাহিত্যকীর্তি। এমন কি আদিবাসী শিশুর নিজ মাতৃভাষায় অক্ষরজ্ঞান না থাকায় তাদের সংস্কৃতিও হচ্ছে মারাত্নক ক্ষতিগ্রস্থ। প্রয়োগিক ভাষা হিসেবে বাংলা ও ইংরেজী ভাষার আগ্রাসী থাবায় ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে আদিবাসীর নিজ নিজ ভাষার গৌরব। দীর্ঘদিন পাহাড়ে, বনে-বাদাড়ে, আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলো ঘুরে জেনেছি, এ দেশে সাধারণভাবে শিক্ষা-দীক্ষায় পিছিয়ে থাকা হত-দরিদ্র প্রধান প্রধান আদিবাসী গোষ্ঠিগুলোর (চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, রাখাইন, মনিপুরী, গারো, সাঁওতাল ও খাসিয়া) প্রত্যেকেই নিজেস্ব ভাষা ও নিজ ভাষার বর্ণলিপি অনেক সমৃদ্ধ । আবার কয়েকটি আদিবাসী গোষ্ঠির নিজেস্ব বর্ণমালা না থাকলেও তাদের রয়েছে রোমান বর্ণমালায় ভাষা চর্চার ঐতিহ্য। কিন্তু চর্চার অভাবে এ সব বর্ণমালার সবই এখন বিলুপ্ত প্রায়। এরফলে নতুন প্রজন্মের আদিবাসীরা নিজ ভাষায় কথা বলতে পারলেও নিজেস্ব ভাষায় তারা একেবারে প্রায় অজ্ঞ। অথচ মাত্র চার দশক আগেও পরিস্থিতি এতোটা বিপন্ন ছিলো না। তখন নিজ মাতৃভাষা লিখিত চর্চার পাশাপাশি নিজস্ব উদ্যোগে শিশুশিক্ষায় ভাষাটির বর্ণপরচিয়ও চলতো। চাকমা রাজা ব্যরিস্টার দেবাশীষ রায় আলাপকালে বলেন, অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, সারাদেশের শিশু শিক্ষার ক্ষেত্রে আদিবাসী শিশুর ঝরে পড়ার হার অনেক বেশী। এর একটি কারণ– ভাষাগত বাধা। আদিবাসী শিশু বাসায় যে ভাষায় কথা বলছে, স্কুলে সে ভাষায় লেখাপড়া করছে না। বাংলা বুঝতে না পারার কারণে শিশুমনে পাঠ্যবই কোনো দাগ কাটছে না, স্কুলের পাঠ গ্রহণ করাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। …তাই আমরা অন্তত প্রাথমিক শিক্ষায় আদিবাসী শিশুর মাতৃভাষায় শিক্ষালাভের দাবি জানিয়ে আসছি। আমরা চাই, মাতৃভাষায় বর্ণপরিচয়, ছড়া, কবিতা, গল্প, ছোট-খাট অংক, নিজ জাতির ও বাংলাদেশের ইতিহাস শিক্ষার পাশাপাশি যেনো আদিবাসী শিশু বাংলাতেও অন্যান্য পাঠগ্রহণ করতে পারে। এটি শিশুর মনোস্তাত্ত্বিক বিকাশের জন্যও জরুরি। দেবাশীষ রায় খানিকটা দুঃখ করেই বলেন, চার-পাঁচ দশক আগেও আদিবাসী ভাষা চর্চার এতোটা বেহাল দশা ছিলো না।…আমি ছোট-বেলায় দেখেছি, পার্বত্য চট্টগ্রামে অনেক গুরুজনই চাকমা ভাষায় নিজেদের মধ্যে চিঠিপত্র লেখালেখি করতেন। মারমা ভাষাতেও সে সময় লিখিতভাবে ব্যক্তিগত ভাববিনিময় ও লেখালেখি চলতো। কিন্তু প্রতিযোগিতার যুগে এখন ওই চর্চাটুকুর সবই হারিয়ে গেছে।… বলা ভালো, আদিবাসীদের মধ্যে চাকমারা একটি বড় অংশ। ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, তিন পার্বত্য জেলায় প্রায় সাড়ে চার লাখ চাকমা বাস করে। চাকমাদের মধ্যে শিক্ষিত শ্রেণীর মানুষ নিজেদের ভাষা ও বর্ণমালা তেমন একটা ব্যবহার করেন না। এমনকি চাকমা ভাষায় যারা সাহিত্য চর্চা করেন, তারাও চাকমা বর্ণমালা ব্যবহার না করে কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক বাংলা বর্ণে লেখেন।… পাহাড়ে চাকমা ভাষায় দুটি পত্রিকা বের হয়। একটি মাসিক, নাম আবাংপাঙ। মাঝেমধ্যে জুনিপহ্র নামে একটি সাহিত্য পত্রিকাও বের হয়। কিন্তু পত্রিকা দুটি বাংলা বর্ণমালায় ছাপা হয়। আবাংপাঙ-এর সম্পাদক শুভাশীষ চাকমা বলেন, চাকমা বর্ণমালায় পত্রিকা বের করলে পড়ার কেউ নেই। ১৯৯৭ সালে সরকারের সঙ্গে পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে জনসংহতি সমিতি। আঞ্চলিক দলটির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মঙ্গল কুমার চাকমা বলেন, ব্যবহারিক ক্ষেত্র যদি তৈরি করা না যায়, তাহলে সে ভাষা মানুষ শিখবে কেন? এর জন্য দরকার সরকারি উদ্যোগে আদিবাসীদের মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা।… এ অবস্থায় আদিবাসীরা বিপন্ন নিজ মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার স্বার্থে নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে দেশের আনাচে-কানাচে গড়ে তুলেছেন বর্ণমালা শিক্ষার স্কুল। ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের এ সব স্কুলে আদিবাসী ভাষার সঙ্গে পরিচিতি দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজেস্ব সংস্কৃতি ও জীবনাচারও শিক্ষা দেওয়া হয়। আদিবাসী নেতা রবীন্দ্রনাথ সরেণ জানান, উত্তরবঙ্গে সাঁওতালরা বছর দশেক আগে কয়েকটি বেসরকারি সাহায্য সংস্থার উদ্যোগে নিজেরাই খুলেছেন পাঁচটি ভাষা শিক্ষার স্কুল। কোনোরকম সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই এসব স্কুলে তারা তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত সাঁওতাল ভাষায় পাঠদান করেন। রাজশাহীর পবা ও তানোরে শিক্ষিত সাঁওতাল যুবকরা নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমে প্রথমে খোলেন এ রকম দুটি স্কুল। বই-পত্রের অভাবে তারা নিজেরাই লেখেন বর্নপরিচয় মূলক পাঠ্যবই। …পরে কয়েকটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা– এনজিও এই কাজে তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে। পাহাড়ের ছোট কাগজ ‘মাওরুম’ এর সম্পাদক দীপায়ন খীসা জানান, ১৩ টি পাহাড়ি জাতিসত্তার নিস্বর্গভূমি পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটিসহ কয়েকটি অঞ্চলেও রয়েছে এ রকম বেসরকারি উদ্যোগ। সেখানে অবশ্য বৌদ্ধ মন্দিরে (কিয়াং) বৌদ্ধ পুরহিতরাই (ভান্তে) নিজ উদ্যোগে প্রধাণত চাকমা ও মারমা বর্ণমালা শিক্ষা দিয়ে থাকেন। তবে বর্ণমালার বইয়ের দুস্প্রাপ্যতা¯এ ক্ষেত্রে একটি প্রধান বাধা। এই বাধা কাটিয়ে উঠতে কিছুদিন আগে ‘শিপচরণ সাহিত্য কেন্দ্র’ প্রকাশ করেছে চাকমা বর্ণমালার বই ‘ফুজি পর’ বা ভোরের আলো। এই বইয়ে পাহাড়ের প্রকৃতি ও পাহাড়িদের জীবনযাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত রঙিন হাতে আঁকা ছবি এবং বর্ণমালা সংযোজন করা হয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি খাগড়াছড়ির দিঘীনালার আমতলীর শান্তিপ্রিয় দেওয়ানসহ আরো কয়েকজনের উদ্যোগে প্রকাশিত হয়েছে চাকমা ভাষার বর্ণমালার পরিচিতিমূলক পোস্টারও প্রকাশিত হয়েছে। সীমিত আকারে হলেও উন্নয়ন সংস্থা ‘ব্রাক’ আদিবাসীদের প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি আদিবাসীদের মাতৃভাষায় শিশু শিক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে। ব্রাকের প্রতিষ্ঠিত স্কুলে তাদের লেখা আদিবাসী বর্ণপরিচয়ের বইপত্র পড়ানো হচ্ছে। পাহাড়িদের চৈত্র সংক্রান্তি এবং বর্ষবরণ উৎসব বৈসুক, সাংগ্রাই, বিঝু ও বিষুর আগে প্রতিবছর জুম এস্থেটিক কাউন্সিল– জাকসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অনেক বছর ধরে সংকলন, সাময়ীকি, ক্যালেন্ডার ইত্যাদি প্রকাশ করে আসছে। এসব প্রকাশনায় আদিবাসী বর্ণমালা ঠাঁই না পেলেও বাংলা বর্ণমালাতেই চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা ভাষার সাহিত্য স্থান করে নেয়। অন্যদিকে রাখাইন স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন অব বাংলাদেশ– আরএসওবি’র সাবেক সভানেত্রী কচিন ঠে জানান, আটের দশকে সরকারি উদ্যোগে কক্সবাজার, বরিশাল, পটুয়াখালি ও বরগুনার রাখাইন অধ্যুষিত অঞ্চলে ১৭ টি রাখাইন ভাষা শিক্ষার প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা হলেও এখন মাত্র ছয়-সাতটি বিদ্যালয় কোনো রকমে টিকে আছে। তিনি জানান, সে সব বিদ্যালয়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত রাখাইন ভাষায় প্রাথমিক শিক্ষাদান ও শিক্ষকের বেতন দেয়ার ব্যবস্থা করা হলেও অল্প কয়েক বছরের মধ্যে সরকারি উদাসীনতায় পুরো উদ্যোগটিই প্রায় ভেস্তে যায়।

      • মাসুদ করিম - ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (১০:১২ পূর্বাহ্ণ)

        চর্যাপদের যুগে বর্ণমালাকে বলা হত সিদ্ধিরত্থু, যাকে ধরে ভাষার সিদ্ধি। আদিবাসী ভাষাগুলোর বর্ণমালা উদ্ধারে সর্বশক্তি নিয়োগ করা উচিত আদিবাসী ভাষাকর্মীদের। সেই কাজে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা দেয়ার পরও যদি দেখা যায় ওভাবে ভাষাকে পূর্ণগতিতে ফিরিয়ে আনা যাচ্ছে না, তাহলে আমার ব্যক্তিগত অভিমত বাংলা বর্ণমালায় আদিবাসী ভাষাগুলো বাঁচিয়ে রাখার ও সচল করার যেন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কারণ আমাদের মুখ্য উদ্দেশ্য ভাষাকে বাঁচানো। যদি এরকম দেখা যায় যে, নতুন প্রজন্মের আদিবাসীদের কাছে বাংলা বা কারো কারো কাছে ইংরেজি বর্ণমালা পরিচিত হয়ে উঠেছে অনেক বেশি তাহলে সেই বর্ণমালাকে ধরে ভাষাকে গতি দেয়াটা অনেক বেশি ভাষার জীবনরক্ষার জন্য কার্যকর হবে।

  8. মাসুদ করিম - ৫ মার্চ ২০১৩ (৭:১৭ অপরাহ্ণ)

    বাংলাদেশের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী বাংলা ছাড়া বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর ভাষাগুলো হচ্ছে- বড়াইক, নাগরি, বম, চাক, চাকমা (সাংমা), ডালু, গারো (আচিক), হাজং, খাসি, খুমি, হিওবে (খিয়াং), কোচ, কোডা, লুসাই, কুর্মালী, পাহাড়ী, মালপাহাড়ী, সাদ্রি মান্দি, মণিপুরী (বিষ্ণপুরিয়া), মার্মা, ম্রো, মান্দারাই, রাখাইন, সান্ততাল, তঞ্চঙ্গা, ককবোরোক, ফারসি, উসাই, তেলেগু, উর্দু, মাড়ওয়ারী, কুরুক, গুড়িয়া, পানখোয়া, ভোজপুরী ও কামতাপুরী।মন্ত্রণালয়ের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী বাংলা ছাড়া বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠীর ভাষাগুলো হচ্ছে- বড়াইক, নাগরি, বম, চাক, চাকমা (সাংমা), ডালু, গারো (আচিক), হাজং, খাসি, খুমি, হিওবে (খিয়াং), কোচ, কোডা, লুসাই, কুর্মালী, পাহাড়ী, মালপাহাড়ী, সাদ্রি মান্দি, মণিপুরী (বিষ্ণপুরিয়া), মার্মা, ম্রো, মান্দারাই, রাখাইন, সান্ততাল, তঞ্চঙ্গা, ককবোরোক, ফারসি, উসাই, তেলেগু, উর্দু, মাড়ওয়ারী, কুরুক, গুড়িয়া, পানখোয়া, ভোজপুরী ও কামতাপুরী।

    বিস্তারিত পড়ুন : দেশে ৫৪ ভাষা প্রচলিত: সংস্কৃতি মন্ত্রী

  9. মাসুদ করিম - ২২ জুন ২০১৩ (২:৫৭ অপরাহ্ণ)

    বিপন্ন ভাষা থেকে এভাবে অদ্ভূত ভাষার সৃষ্টি হওয়া তো খারাপ নয়। তেমনি একটি নতুন অদ্ভূত ভাষা আবিষ্কৃত হয়েছে এস্ট্রলিয়ার তানামি মরুভূমি তথা উত্তর জনপদে। ইংরেজি, আদিবাসী ভাষা ওয়ালপিরি ও ক্রেয়লের সংমিশ্রণের এভাষার সৃষ্টি হয়েছে। এভাষার ক্রিয়াপদে ইংরেজির আধিপত্য এবং বিশেষ্য ও বাক্য গড়নে ওয়ালপিরির আধিপত্য পরিলক্ষিত হয়েছে। নতুন এভাষাটির নাম রাখা হয়েছে Light Walpiri।

    A new language, one that combines elements of English with traditional indigenous speech, has been discovered in northern Australia, according to a new study.

    The language, now known as Light Warlpiri, is spoken by approximately 600 people in a remote desert community about 400 miles (644 kilometers) from Katherine, a town located in Australia’s Northern Territory, said Carmel O’Shannessy, a professor in the department of linguistics at the University of Michigan in Ann Arbor. O’Shannessy documented the discovery of Light Warlpiri in a study published online today (June 18) in the journal Language.

    Light Warlpiri is known as a “mixed language,” because it blends elements from multiple languages: Traditional Warlpiri, which is spoken by about 6,000 people in indigenous communities scattered throughout the Tanami Desert in the Northern Territory; Kriol, an English-based Creole language spoken in various regions of Australia; and English. [10 Things That Make Humans Special]

    “The striking thing about Light Warlpiri is that most of the verbs come from English or Kriol, but most of the other grammatical elements in the sentence come from Warlpiri,” O’Shannessy told LiveScience.

    In English, the order of words in a sentence generally indicates the grammatical relationship between the various entities. For example, in the sentence “Mary saw Jim,” it is understood that Mary is the one doing the seeing, because her name precedes the verb. In the Warlpiri language, however, words can be placed in any order, and grammatical interpretations are based on suffixes that are attached to the nouns, O’Shannessy explained. Light Warlpiri represents a mixture of these structural rules.

    “In Light Warlpiri, you have one part of the language that mostly comes from English and Kriol, but the other grammatical part, the suffixing, comes from Warlpiri,” O’Shannessy said.

    বিস্তারিত পড়ুন এখানে

  10. মাসুদ করিম - ১৪ আগস্ট ২০১৩ (৫:৩৯ অপরাহ্ণ)

    নতুন শুমারি মতে ভারত হারিয়েছে এপর্যন্ত ২২০টি ভাষা। ২০১১ খেকে শুরু হয়ে দুবছর ধরে চলেছে এই শুমারি — ১৯৬১ সালে ছিল মোট ১১০০ ভাষা ৫০ বছরের ব্যবধানে ২০% ভাষাই হারিয়ে গেছে।

    India lost 220 languages in last 50 years, survey finds

    India has lost around 20% of its languages in the past five decades, a survey by the Vadodara-based Bhasha Research and Publication Centre has revealed.

    The country had 1,100 languages in 1961, but nearly 220 of them have disappeared, said Ganesh Devy, writer and lead co-ordinator of the survey called the People’s Linguistic Survey of India (PLSI). The survey was carried out over two years from 2011.

    “We have found 780 languages and must have missed about 100 or so. That makes it close to 880 languages. The rest have disappeared. It’s a sad loss,” said Devy.

    Most of the lost languages belonged to nomadic communities scattered across the country. “Were they alive, they would have been spoken by 3% to 4% of Indians, that is around five crore people,” Devy said.

    The main reasons for the disappearance of these languages are a lack of recognition, displacement of communities, the absence of a livelihood option for speakers and stigma against what are considered ‘under-developed’ mother tongues, he said. “The absence of a policy on language conservation completed the process,” he added.

    The census of 1961 had recorded 1,652 languages in all, but taking into account the fact that variants of many languages had found a place in this list, the number was later brought down to 1,100.

    In 1971, the census had listed only 108 languages due to the central government’s decision to document only those which had more than 10,000 speakers. All other languages were included in the ‘others’ section. The practice continues and many languages remain forgotten. The PLSI, however, hasn’t gone by the government norm; it listed all languages.

    A Marathi volume on languages in Maharashtra, called ‘Maharashtratil Bhasha’, put together by the institute, will be released in Pune on August 17. There are 49 more such volumes as part of the survey, which will be released in New Delhi on September 5.

  11. মাসুদ করিম - ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ (৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ)

    অফলাইনের চেয়ে অনলাইনে ভাষার বিপন্নতা আরো বেশি, প্রচলিত ভাষার ৫ শতাংশেরও কম অনলাইনে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর যেহেতু সারা পৃথিবীতে অনলাইনের প্রবণতা অত্যন্ত দ্রুত গতিতে বাড়ছে ফলে ভাষার ডিজিটাল মৃত্যু বিকট সমস্যা হিসেবে ভাষার বিপন্নতার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা দেবে অদূর ভবিষ্যতে। অবশ্য এখানে আশার কথাও আছে, যদি অনলাইনে প্রচলিত ভাষার ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে থাকে তাহলে ভাষার ডিজিটাল সজীবতা ভাষার মধ্য দিয়েই পৃথিবীতে বহুত্ববাদিতার সম্ভাবনা অকল্পনীয় হারে বাড়িয়ে দিতে পারবে।

    How the Internet is killing the world’s languages
    BY CAITLIN DEWEY

    Less than five percent of current world languages are in use online, according to a recent study by prominent linguist András Kornai — and the Internet may be helping the other 95 percent to their graves.
    Those startling conclusions come from a paper published in the journal PLOSOne in October titled, appropriately, “Digital Language Death.” The study sought to answer a question that’s both inherently fascinating and little-discussed: How many languages exist online? (And, on the flip side, how many don’t?)
    For reference, at least 7,776 languages are in use in the greater offline world. To measure how many of those are also in use on the Internet, Kornai designed a program to crawl top-level Web domains and catalog the number of words in each language. He also analyzed Wikipedia pages, a key marker of a language’s digital vibrancy, as well as language options for things like operating systems and spell-checkers.
    His finding: Less than five percent of languages in use now exist online.
    Much of that gap can be attributed to the fact that the languages people use vary widely, in terms of scale and geography. More than 40 percent of world languages are already endangered, according to the Alliance for Linguistic Diversity. And even the ones that aren’t technically endangered may be spoken by only a few thousand people — often in places like sub-Saharan Africa, southeast Asia and South America, where Internet penetration can be lower.
    Still, a language’s failure to migrate online doesn’t augur well for its long-term prospects. Linguists have a sort of road map for language death, which Kornai lays out in the paper: First, its speakers stop using it in practical areas like commerce; then younger speakers lose interest in speaking that language; and, finally, the younger generation forgets it all together. A language is technically still alive as long as one person speaks it. And there are typically many years between when a language starts to decline and when its last speaker passes on, during which time young people fail to adopt it in their daily activities, such as when using the Internet.
    Kornai sees “an almost laboratory pure example” in Norway, where the government recognizes two varieties of Norwegian: Bokmål and Nynorsk. While Bokmål has long been the more widely spoken of the two, an estimated 10 percent to 15 percent of the population, roughly 500,000 to 750,000 people, still speak Nynorsk. That’s enough so that the Alliance for Linguistic Diversity doesn’t even consider Nynorsk to be “at risk.” But Kornai’s analysis revealed that only a tiny community of Nynorsk speakers use it online, owing perhaps to its rival Bokmål’s association with “advertising, pop music, fashion, entertainment … and the world of technology.” In Kornai’s words, “In spite of a finely balanced official language policy propping up Nynorsk, the Norwegian population has already voted with their blogs and tweets to take only Bokmål with them to the digital age.”
    The obvious question is whether the death of Nynorsk, and languages like it, can be averted. Plenty of organizations, including Wikipedia and the Alliance for Linguistic Diversity, have devoted resources to that cause: The ALD has a massive crowd-sourced encyclopedia of endangered languages, complete with sample texts in tongues such as Nganasan (500 speakers, Russia) and Maxakali (802 speakers, Brazil). Wikipedia has an “incubator” to encourage projects in new languages (or very old ones). Kornai thinks the Wikipedia project has potential — in fact, he argues that endangered languages need a core of digital fanatics, like Wikipedia moderators or educational app developers, to survive.
    But that isn’t enough to keep a fading language viable in the long term, particularly if there’s another, more dominant language that’s easier for people to use online. Even if you have a killer Cherokee wiki, for instance — which, it turns out, some people do — you’re not necessarily going to be able to Google or Facebook or tweet in that language.
    Still, the Internet is a difficult organism to predict. Linguists use a 100-year rule to gauge whether a language is dying: In 100 years, will children still speak it? But it’s hard to conceive of what the Internet will look like in a century, let alone which languages people will use on it.
    One thing is sad but certain: There will be far fewer than there are now.

  12. মাসুদ করিম - ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ (২:৫৫ অপরাহ্ণ)

  13. মাসুদ করিম - ৩ মার্চ ২০১৪ (৩:২৮ অপরাহ্ণ)

  14. মাসুদ করিম - ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ (১:০৭ অপরাহ্ণ)

    Atong
    [aot] Dhaka Division, Northern Netrokona district. 5,400 in Bangladesh. Status: 6b (Threatened).Used as LWC among all Mandi. Alternate Names: A’tong, Attong Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Bodo-Garo-Northern Naga, Bodo-Koch, Koch Comments: Seen by themselves and other Garos to be Garos, but the languages are not mutually intelligible. Christian.

    Bengali
    [ben] West. 110,000,000 in Bangladesh (2001 census). Population total all countries: 193,261,200. L2 users: 140,000,000 in Bangladesh. Status: 1 (National). Statutory national language (1972, Constitution, Article 3). Alternate Names: Bangala, Bangla, Bangla-Bhasa Dialects: Barisal, Khulna, Mymensingh, Noakhali. Reportedly similar to Assamese [asm]. Lexical similarity: 40% with Nepali [npi]. Classification: Indo-European, Indo-Iranian, Indo-Aryan, Eastern zone, Bengali-Assamese Comments: Muslim.

    Bihari
    [urd] Mainly refugee camps in 13 districts. 250,000 in Bangladesh (2003 SIL). Status: 5 (Dispersed). Alternate Names: Urdu Classification: Indo-European, Indo-Iranian, Indo-Aryan, Central zone, Western Hindi, Hindustani

    Bishnupriya
    [bpy] Sylhet Division, Moulvibazar district; southern Habiganj district, Sylhet city, 1 village; Sunamganj district, 2 villages. 40,000 in Bangladesh (2003). 400 monolinguals. Status: 6a (Vigorous). Alternate Names: Bishnupria, Bishnupuriya, Bisna Puriya Dialects: Madai Gang, Rajar Gang. Classification: Indo-European, Indo-Iranian, Indo-Aryan, Eastern zone, Bengali-Assamese Comments: Dialects are not attached to localities but exist side by side: Madai Gang (of the village of the queen) and Rajar Gang (of the village of the king). Intelligibility between the 2 caste dialects sufficient to understand complex and abstract discourse. Hindu.

    Chak
    [ckh] Southeastern Chittagong district, Arakan Blue mountains, Baishari, Bandarban, south Naikhongchari area, Bishar Chokpra, 14 villages. 3,000 in Bangladesh (Bradley 2007). Status: 6a (Vigorous). Alternate Names: Sak, Tsak Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Jingpho-Luish, Luish Comments: Distinct from Chakma [ccp]. Traditional religion.

    Chakma
    [ccp] Southeast, Chittagong Hills area, and Chittagong city. 150,000 in Bangladesh (2007). Population total all countries: 326,000. Status: 5 (Developing). Alternate Names: Sakma, Sangma, Takam Dialects: Chakma of India [ccp] understand Bangladesh Chakma with difficulty. Some dialect variation within Myanmar. Lexical similarity: 58%–67% with Tanchangya [tnv]. Classification: Indo-European, Indo-Iranian, Indo-Aryan, Eastern zone, Bengali-Assamese Comments: Buddhist, Christian.

    Chin, Asho
    [csh] Chittagong Division, Bandarban, Chittagong, and Rangamati districts. Laitu dialect in the plain area; Kongtu in the hill area. 4,000 in Bangladesh (2011). Status: 6a (Vigorous). Alternate Names: Khyang, Khyeng, Qin, Sho, Shoa Dialects: Khyang, Kongtu, Laitu. Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Kuki-Chin-Naga, Kuki-Chin, Southern

    Chin, Bawm
    [bgr] Chittagong hills. 10,000 in Bangladesh (2011). Status: 5 (Developing). Alternate Names: Bawm, Bawn, Bawng, Bom Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Kuki-Chin-Naga, Kuki-Chin, Central

    Chin, Khumi
    [cnk] Chittagong Division, Bandarban district, Thanchi, Ruma, and Rowanchari subdistricts. 2,090 in Bangladesh (2005). Status: 6a (Vigorous). Alternate Names: Khami, Khuni, Khweymi Dialects: Khami, Khimi, Yindi (Yindu). Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Kuki-Chin-Naga, Kuki-Chin, Southern

    Chittagonian
    [ctg] Chittagong region. 13,000,000 (2006 SIL). Status: 3 (Wider communication).Used as an L2 in Rangamati, Bandarban, Cox’ s Bazar, and Chittagong districts primarily for business and market. Alternate Names: Chatgaiyan Buli, Chatgaya, Chittagonian Bengali Dialects: Not inherently intelligible with Bengali [ben], although considered a nonstandard Bengali dialect. Dialects form a continuum from north to south, with a larger religious distinction between Muslim and others. Rohingya [rhg] in Myanmar is reportedly similar to the southern dialect of Chittagonian. Lexical similarity: 43%–64% with Bangla [ben]. Classification: Indo-European, Indo-Iranian, Indo-Aryan, Eastern zone, Bengali-Assamese Comments: Muslim, Christian, Hindu.

    Garo
    [grt] Mymensingh plains, Tangail Sherpur, Madhupur, Jamalpur, Netrokona, Sylhet, Dhaka. 120,000 in Bangladesh (2005). Status: 5 (Developing). Alternate Names: Garrow, Mande, Mandi Dialects: Abeng, Achik, Brak, Chibok, Dual. Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Bodo-Garo-Northern Naga, Bodo-Koch, Bodo-Garo, Garo Comments: Abeng dialect is spoken but writing is in Achik. Christian, Hindu, traditional religion.

    Hajong
    [haj] Dhaka Division, Rangpur district east to Sunamganj district. 8,000 in Bangladesh. Status: 5 (Developing). Alternate Names: Hajang Classification: Indo-European, Indo-Iranian, Indo-Aryan, Eastern zone, Bengali-Assamese Comments: Hindu.

    Indian Sign Language
    [ins] Status: 6a (Vigorous). Classification: Deaf sign language Comments: The Indian manual English system is barely understandable to American Signed English.

    Khasi
    [kha] Very few speakers. Status: 6b (Threatened). Alternate Names: Cossyah, Kahasi, Khasie, Khasiyas, Khassee, Khuchia, Kyi Classification: Austro-Asiatic, Mon-Khmer, Northern Mon-Khmer, Khasian Comments: The Lyngngam [lyg], Pnar [pbv], and War-Jaintia [aml] of Bangladesh identify ethnically with the Khasi.

    Koch
    [kdq] Dhaka Division, northern Sherpur district. 6,000 in Bangladesh (2006 SIL). Status: 6a (Vigorous). Alternate Names: Koc, Kocch, Koce, Kochboli, Konch Dialects: Chapra, Margan, Tintekiya. Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Bodo-Garo-Northern Naga, Bodo-Koch, Koch

    Koda
    [cdz] Rajshahi Division, Puthia, Mohonpur and Mundumala areas. 1,300 in Bangladesh (2005). Status: 6a (Vigorous). Classification: Austro-Asiatic, Munda, North Munda, Kherwari, Mundari Comments: Hindu, traditional religion.

    Kok Borok
    [trp] 5,000 in Bangladesh. Status: 6a (Vigorous). Alternate Names: Debbarma, Tipura, Tripura, Tripuri Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Bodo-Garo-Northern Naga, Bodo-Koch, Bodo-Garo, Bodo

    Kol
    [ekl] Godagari subdistrict of Rajshahi district in northwest Bangladesh. 1,660 (2012 SIL). Status: 6a (Vigorous). Alternate Names: Hor Dialects: None known. Lexical similarity: 62%–64% with Santhali [sat], 58% with Mundari [unr], 57%–60% with Koda [cdz], 37% with Ho (Lanka Kol) [hoc]. Classification: Austro-Asiatic, Munda, North Munda, Kherwari, Mundari Comments: Hindu, Christian, traditional religion.

    Kurux
    [kru] 50,000 in Bangladesh (2011), decreasing. Ethnic population: 50,000. Status: 6b (Threatened). Alternate Names: Kurukh, Oraoan, Uraon Classification: Dravidian, Northern Comments: Different from Sadri, Oraon [sdr].

    Lyngngam
    [lyg] Dhaka Division, Netrokona district. 1,000 in Bangladesh. Status: 7 (Shifting). Alternate Names: Megam Classification: Austro-Asiatic, Mon-Khmer, Northern Mon-Khmer, Khasian Comments: Previously listed as dialect of Khasi. Culturally intermediate between the Khasi and the Garo. Resemble Garos in appearance and customs. (Singh 1994) Lyngngam is a former Garo clan, but do not mix with the Garo, and consider themselves to be Khasi (Breton 1997). Megam [mef] and Lyngngam are sometimes used interchangeably for the same language in Netrokona district. Christian.

    Mahali
    [mjx] Rajshahi Division, Abirpara, Matindor, and Mundumala-Pachondor villages. 3,000 in Bangladesh (2010 SIL). Ethnic population: 3,000 (2004 SIL). Status: 6a (Vigorous). Alternate Names: Mahle Classification: Austro-Asiatic, Munda, North Munda, Kherwari, Santali

    Marma
    [rmz] Chittagong Division, Rangamati, Bandarban, and Khagrachari districts. 150,000 in Bangladesh (2007). Population total all countries: 180,600. Status: 3 (Wider communication).Largest and earliest language group to settle in the area. Used in Cox’s Bazar and Bandarban districts in religious ceremonies, market, stores, and churches. Alternate Names: “Mogh” (pej.) Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Ngwi-Burmese, Burmish, Southern Comments: Buddhist, Christian, Muslim.

    Megam
    [mef] Dhaka Division, Netrokona district, Kalmakanda subdistrict. 6,870 (2000). Status: 6a (Vigorous). Alternate Names: Migam, Negam Dialects: Lexical similarity: 7%–9% with the Abeng dialect of Garo [grt], 60% with Lyngngam [lyg]. Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Bodo-Garo-Northern Naga, Bodo-Koch, Bodo-Garo Comments: Identify ethnically with the Garo [grt]. Christian.

    Meitei
    [mni] Sylhet district, Moulvi Bazar district (Kamalganj subdistrict) and Sylhet dity. 15,000 in Bangladesh (2003). 300 monolinguals. Status: 5 (Developing). Alternate Names: Manipuri, Meetei, Meithei Dialects: Hindu Meitei, Pangan (Pangal). Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Kuki-Chin-Naga, Meitei Comments: Preferred name is Meitei Manipuri. Outsiders don’t distinguish between Meitei and Bishnupriya, calling both of them Manipuri. Meitei is a well-developed language with much literature in India, but little is available in Bangladesh. Hindu, Muslim.

    Mizo
    [lus] Chittagong Division, Rangamati, Sajek. 250 in Bangladesh (2007 census). Status: 6b (Threatened). Alternate Names: Hualngo, Lei, Lusai, Lushai, Lushei, Sailau, Whelngo Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Kuki-Chin-Naga, Kuki-Chin, Central Comments: Most moved from Bangladesh to India. Christian.

    Mru
    [mro] Chittagong, Division, Bandarban district. 30,000 in Bangladesh (2007). Population total all countries: 50,000. Status: 5 (Developing). Alternate Names: Maru, Mrung, Murung Dialects: Anok, Dowpreng, Sungma. Lexical similarity: 13% with Mro-Khimi Chin [cmr], 72%–76% with Anu-Hkongso Chin [anl]; lexical similarity with Anok, Dowpreng, and Sungma dialects in Bangladesh is high: 91%-98%. Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Ngwi-Burmese, Mru Comments: Ethnically related to the Khumi. 5 linguistically distinct groups: Anok (largest and central) and Tshungma in the north, Domrong in the lowlands north of the Matamuri, Dopreng and Rumma in far south and into Arakan (Brauns and Loffler 1990). Traditional religion.

    Mundari
    [unr] Rajshahi Division, Dinajpur and Naogaon districts; Sylhet Division, various tea estates. 2,500 in Bangladesh (2005 Caritas Bangladesh). Ethnic population: 5,000. Status: 6a (Vigorous). Alternate Names: Colh, Horo, Mandari, Mondari, Munari, Munda Dialects: Hasada’, Kera’, Latar, Naguri. Classification: Austro-Asiatic, Munda, North Munda, Kherwari, Mundari

    Pangkhua
    [pkh] Chittagong Division, Rangamati district. 3,200 in Bangladesh (2012 SIL). Status: 6a (Vigorous). Alternate Names: Pangkhu, Pankho, Pankhu, Panko Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Kuki-Chin-Naga, Kuki-Chin, Central Comments: Christian.

    Pnar
    [pbv] Northeast along India border; Sylhet Division, Sylhet district, near Jaflong, Tamabil, Jaintiapur, and north of Raipur; Moulvi Bazar district, near Fenchuganj, Madhabkunda, Barlekha, Goalbari, Fultala, Alinagar, Islampur, Khajori, Rashidpur, Satgoan, and Kamalganj. 4,000 in Bangladesh (2002). Status: 6a (Vigorous). Classification: Austro-Asiatic, Mon-Khmer, Northern Mon-Khmer, Khasian Comments: Identify ethnically with the Khasi [kha].

    Rakhine
    [rki] Southeast, Chittagong district. 200,000 in Bangladesh (2011 SIL). Status: 5 (Developing). Alternate Names: Mogh, Rakhain, Rakkhaine Dialects: Rakhine, Sitwe. Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Ngwi-Burmese, Burmish, Southern Comments: Buddhist, Hindu, Muslim.

    Rangpuri
    [rkt] Rangpur Division north from Bogra, also known as the greater Dinajpur and Rangpur areas, now subdivided into Rangpur, Lalmonihat, Nilphamari, Gaibanda, Panchagar, Thakurgaon, and Dinajpur districts. 10,000,000 in Bangladesh (2007). Population total all countries: 15,000,000. Status: 5 (Developing). Alternate Names: Anchalit Bangla, Bahe Bangla, Kamta, Polia Classification: Indo-European, Indo-Iranian, Indo-Aryan, Eastern zone, Bengali-Assamese

    Riang
    [ria] Chittagong Division, Rangamati district. 500 in Bangladesh (2007). Status: 7 (Shifting). Alternate Names: Kau Bru, Reang Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Bodo-Garo-Northern Naga, Bodo-Koch, Bodo-Garo, Bodo Comments: Different from Riang [ril] of Myanmar, a Mon-Khmer language.

    Rohingya
    [rhg] Chittagong Division, Cox’s Bazaar district. 200,000 in Bangladesh (2006). Status: 6b (Threatened). Alternate Names: Rohinga Classification: Indo-European, Indo-Iranian, Indo-Aryan, Eastern zone, Bengali-Assamese Comments: Muslim.

    Sadri, Oraon
    [sdr] Throughout Rajshahi Division; Sylhet Division, Moulvibazar and Habiganj districts; Khulna Division, Jhenaidah district (Jhenaidah, Moheshpur subdistricts), Kushtia district (Mirpur subdistrict), Magura district (Magura subdistrict). 166,000 (2000). Status: 5 (Developing). Dialects: Borail Sadri, Mokkan Tila Sadri, Nurpur Sadri, Uchai Sadri. Dialects may need separate literature. Inherent intelligibility of 7 Sadri varieties on Borail ranges from 70%–93%; of 8 varieties on Nurpur from 78%–94%. Lexical similarity: 88%–97% with 14 Sadri varieties with the Borail Sadri dialect. Classification: Indo-European, Indo-Iranian, Indo-Aryan, Eastern zone, Bihari Comments: The Oraon people came from India over 100 years ago. Sometime in the past some Oraon shifted from Kurux [kru], a Dravidian language, to Sadri, which is Indo-Aryan. Some Oraon people still speak Kurux. Traditional religion, Hindu.

    Santhali
    [sat] Rajshahi Division. 225,000 in Bangladesh (2011). Status: 5 (Developing). Alternate Names: Har, Hor, Sandal, Sangtal, Santal, Santali, Satar, Sonthal Classification: Austro-Asiatic, Munda, North Munda, Kherwari, Santali

    Sauria Paharia
    [mjt] 7,000 in Bangladesh (2007). Status: 7 (Shifting). Alternate Names: Malto, Paharia Classification: Dravidian, Northern

    Sylheti
    [syl] Sylhet Division, Sylhet, Sunamganj, Habiganj, and Moulvibazar districts. 7,000,000 in Bangladesh. Population total all countries: 10,300,000. L2 users: 1,500,000 in Bangladesh. Status: 3 (Wider communication). Alternate Names: Sileti, Siloti, Srihattia, Sylhetti, Sylhetti Bangla, Syloti, Syloty Dialects: None known. Reportedly similar to Assamese [asm]. Lexical similarity: 70% with Bengali [ben]. Classification: Indo-European, Indo-Iranian, Indo-Aryan, Eastern zone, Bengali-Assamese Comments: Muslim, Hindu.

    Tangchangya
    [tnv] Chittagong hills. 21,600 (1991 census). Status: 6a (Vigorous). Alternate Names: Tanchangya Dialects: None known. 90% intelligibility of Chakma [ccp]. Lexical similarity: 58%–67% with Chakma [ccp]. Classification: Indo-European, Indo-Iranian, Indo-Aryan, Eastern zone, Bengali-Assamese

    Tippera
    [tpe] Chittagong Division, Khagrachari district, Chittagong district, Fatikchari subdistrict. 85000 Status: 6a (Vigorous). Alternate Names: Kok Borok, Tipperah, Tippurah, Tipra, Tipura, Triperah, Tripura Dialects: Anok, Aslong, Dendak, Gabing, Kema, Kewa, Khali, Naitong, Phatung, Tongpai. Lexical similarity: 56%–85% among dialects, 61%–74% with Kok Borok [trp], 53%–65% with Riang [ria], 37%–59% with Usoi Tripura [usi]. Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Bodo-Garo-Northern Naga, Bodo-Koch, Bodo-Garo, Bodo Comments: Traditional religion, Hindu.

    Usoi
    [usi] Chittagong Division, Bandarban district. 22400 Status: 5 (Developing). Alternate Names: Kau Brung, Unshoi, Unsuiy, Ushoi Dialects: Joloi, Panji. Lexical similarity: 88% with Panji and Joloi dialects, 59%–67% with Riang [ria], 47%–58% with Kok Borok [trp], 37%–59% with Tippera [tpe]. Classification: Sino-Tibetan, Tibeto-Burman, Sal, Bodo-Garo-Northern Naga, Bodo-Koch, Bodo-Garo, Bodo Comments: Hindu, Christian, traditional religion.

    War-Jaintia
    [aml] Northeast along India border; Sylhet Division, Sylhet district, near Jaflong, Tamabil, Jaintiapur, and north of Raipur; Moulvi Bazar district, near Fenchuganj, Madhabkunda, Barlekha, Goalbari, Fultala, Alinagar, Islampur, Khajori, Rashidpur, Satgoan and Kamalganj. 16,000 in Bangladesh (2003 SIL). Population total all countries: 41,900. 4,000 monolinguals. Status: 6a (Vigorous). Dialects: War-Jaintia, War-Khasi. Lexical similarity: 86%–92% with dialects in Bangladesh; 83%–89% with War-Jaintia in India and Bangladesh; India variety 41%–45% with Pnar [pbv] (from scant data); 27%–35% with standard Khasi [kha]; 24%–28% with War dialect of Khasi. Classification: Austro-Asiatic, Mon-Khmer, Northern Mon-Khmer, Khasian Comments: Learning standard Khasi [kha] is important due to affinity with the larger Khasi ethnic group. Standard Khasi has high prestige. Christian, traditional religion.

    লিন্ক এখানে

  15. মাসুদ করিম - ১ জুলাই ২০১৫ (১০:৩২ পূর্বাহ্ণ)

  16. মাসুদ করিম - ৯ জুলাই ২০১৫ (১২:০০ অপরাহ্ণ)

    বর্তমানে বিশ্বে ১০০টি লিপি ইউনিকোডে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নানা ভাষার এক লাখ দশ হাজার ১৮১টি অক্ষর স্থান পেয়েছে ইউনিকোডে। চাকমা ভাষায় ইউনিকোড ‘রিবেং ইউনি’ব্যবহার করে এখন মুক্ত বিশ্বকোষ ইউকিপিডিয়া লেখার কাজও চলছে। বাংলা ভাষাতে ইউকি নির্মাণ হয়েছে আগেই। বাংলাদেশের অপর দুই আদিবাসীর ভাষা বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষা ও সাঁওতালী উইকিতে যুক্ত হওয়ার কাজ এখন দ্রুত এগিয়ে চলছে।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কম্পিউটার বিজ্ঞানী ড. রাগিব হাসান নিউজনেক্সটবিডি ডটকম’কে বলেন, ‘অনলাইনে ও মোবাইলে চাকমা ভাষা বিস্তারের এই উদ্যোগকে স্বাগতম জানাই। তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে যে সব ভাষায় মোবাইলে বা ইন্টারনেটে কথা বলা, লেখালেখি করা, এসবের সুযোগ নেই, সে সব ভাষা বেশ হুমকির মুখে রয়েছে। সময়মতো ব্যবস্থা না নিলে অনেক সমৃদ্ধ ভাষার সংস্কৃতি, সাহিত্য ও ঐতিহ্যকে হারাবার ভয় থাকে।’

    বাংলা ইউকিপিডিয়া’র অন্যতম উদ্যোক্তা রাগিব হাসান আরো বলেন, ‘তাই চাকমা ভাষায় লেখালেখি করার এই ব্যবস্থাটি চাকমা ভাষার বিকাশ, ব্যবহার ও প্রসারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। আশা করি বাংলা ও চাকমা ছাড়াও দেশের অন্যান্য সব ভাষাতে এভাবে লেখার সুযোগ সেসব ভাষাভাষীরা পাবেন। নিজের ভাষায়, নিজের হরফে লেখার আনন্দই তো আলাদা।’

  17. মাসুদ করিম - ২০ জানুয়ারি ২০১৬ (১০:০৮ পূর্বাহ্ণ)

Have your say

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.