বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধী বিচারের উদ্যোগ ও প্রক্রিয়াকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যে যুক্তরাজ্যে গৃহীত একটি উদ্যোগ ভেস্তে গেছে। জাস্টিস কনসার্ন নামে একটি ভূঁইফোড় সংগঠন যুক্তরাজ্যের অল পার্টি পার্লামেন্টারি হিউম্যান রাইটস গ্রুপ এপিপিজিএইচআর -এর মাধ্যমে এ প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। এ ঘটনায় এপিপিজিএইচআর-এর ভাইস চেয়ারম্যান লর্ড অ্যাভবেরির ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন মহলে নানা সংশয় দেখা দিয়েছে। এ সেমিনারে ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন, অতএব এটিতে উপস্থিত না হলে বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নের মুখে পড়বে ইত্যাদি যুক্তি দেখানো হয় জামাতমনস্ক লবিস্টদের পক্ষ থেকে। কিন্তু 'ওয়ার ক্রাইম স্ট্র্যাটেজি ফোরাম'-এর তথ্যপত্র থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে এ সেমিনারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ফলে সরকারের পক্ষ থেকেও এতে কেউ যোগ দিচ্ছেন না।

লন্ডন, ২২ জুন : বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধী বিচারের উদ্যোগ ও প্রক্রিয়াকে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যে যুক্তরাজ্যে গৃহীত একটি উদ্যোগ ভেস্তে গেছে। জাস্টিস কনসার্ন নামে একটি ভূঁইফোড় সংগঠন যুক্তরাজ্যের অল-পার্টি পার্লামেন্টারি হিউম্যান রাইটস গ্রুপ (এপিপিজিএইচআর) -এর মাধ্যমে এ প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। এ ঘটনায় এপিপিজিএইচআর-এর ভাইস চেয়ারম্যান লর্ড অ্যাভবেরির ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন মহলে নানা সংশয় দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে অভিযুক্তদের প্রধান আশ্রয়দানকারী রাজনৈতিক সংগঠন জামায়াতে ইসলামী বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিশেষত যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধাপরাধ বিচারের বিরুদ্ধে জনমত গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে। জাস্টিস কনসার্ন সেরকমই একটি সংগঠন, যার কোনও তৎপরতাই এর আগে যুক্তরাজ্যে দেখা যায়নি।

জাস্টিস কনসার্ন নামের এ সংগঠনটি বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ বিচারের প্রয়াসকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ইউ কে অল-পার্টি পার্লামেন্টারি হিউম্যান রাইটস গ্রুপের ওপর ভর করার অপচেষ্টা চালায়। প্রাথমিক পর্যায়ে এ প্রচেষ্টায় তারা সফলতাও অর্জন করে এবং ২৩ জুন যুক্তরাজ্যে হাউস অব লর্ডসে এপিপিজিএইচআর-এর পৃষ্ঠপোষকতায় ‘বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন ১৯৭৩ : আন্তর্জাতিক মান বিচার’ শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করে। জাস্টিস কনর্সানের তৎপরতা থেকে বোঝা গেছে যে, তাদের উদ্দেশ্য ছিল এ সেমিনারকে খুবই গুরুত্ববহ করে তোলা এবং এতে বাংলাদেশের সরকার পর্যায়ের প্রতিনিধির উপস্থিতি নিশ্চিত করা। কিন্তু এ উদ্যোগে জাস্টিস কনসার্ন কেবল ব্যর্থই হয়নি, বরং তারা যে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত তা ফাঁস হয়ে যায়। ফলে এপিপিজিএইচআর-এর এ সেমিনারটি সম্পর্কে যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে, এপিপিজিএইচআর আয়োজিত সেমিনারটিতে উপস্থিতির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় যোগাযোগের জন্যে যে টেলিফোন নাম্বারটি দেয়া হয়েছিল, সেটিতে বেশ কয়েকবার চেষ্টা চালিয়ে গত ২১ জুন কথা বলা সম্ভব হয়েছে। এ সময় টেলিফোনটি ধরেন জাস্টিস কনসার্নের আহ্বায়ক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। সেমিনারটির ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‌জাস্টিস কনসার্ন আর এ আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত নেই। এটি আয়োজন করছে এপিপিজিএইচআর।’

এরপর এপিপিজিএইচআর অফিসে যোগাযোগ করা হলে সেখানকার একজন কর্মকর্তা জানান, ‌এরকম কোনও ইভেন্ট-এ এপিপিজিএইচআর-এর সম্পৃক্তির কথা তাদের জানা নেই। এপিপিজিএইচআর-এর অফিস থেকে এরকম জানানো হলেও যুক্তরাজ্যে ওয়ার ক্রাইম স্ট্র্যাটেজি ফোরামের (WCSF) একজন সংগঠক জানিয়েছেন, ‌লর্ড অ্যাভবেরি তাদের সেমিনারে উপস্থিত থাকার জন্যে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তবে তারা সুনির্দিষ্ট তথ্যপত্র উপস্থাপন করে জানিয়েছেন, এর সঙ্গে জামায়াতচক্র সংশ্লিষ্ট থাকায় উদ্যোগটির উদ্দেশ্য নিয়ে তাদের সন্দেহ রয়েছে বলে তারা এতে যোগ দেবেন না।

জানা গেছে, সেমিনারটি হিউম্যান রাইটস গ্রুপ-এর উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে বলে প্রচার করা হলেও, উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের টেলিফোন নাম্বারটি জামায়াত ঘরানার সুপরিচিত এক সংগঠকের। এটি নিশ্চিত হওয়ার পর ‘ওয়ার ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত একদল তরুণ বিষয়টি আরও বিশদভাবে জানার চেষ্টা চালান। তারা সাইটটি সম্পর্কে জানার জন্যে বিশেষজ্ঞদের শরণাপন্ন হন। তথ্যানুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে, যুক্তরাজ্যে জামায়াত-শিবির ঘরানার একটি সাপ্তাহিক ইউরোবাংলার নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকারী কামাল শিকদারের নামে এই ডোমেইনটি রেজিস্ট্রি করা হয়েছে, যিনি এক কালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির এর কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। সাইটটি রেজিস্টার করার সময় তার ব্যক্তিগত বাড়ির ঠিকানাও ব্যবহার করা হয়েছে। জাস্টিস কনর্সানের ওয়েবসাইটটিতে ‘কনটাক্ট আস’ এবং ‘অ্যাবাউট আস’ সহ বেশ কয়েকটি পেইজও সবার জন্যে উন্মুক্ত নয়। এর আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ- যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় গোপনে ইসলামী ছাত্র শিবিরের তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন এবং যুক্তরাজ্যে আসার পর বাংলাদেশ ফোরাম অব ইউরোপ (BFE)-এর নির্বাহী সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশ ফোরাম অব ইউরোপ যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ থেকে আসা শিবির কর্মীদের সংগঠন হিসেবে সুপরিচিত, যাদের আয়োজিত আলোচনাচক্রে কথিত যুদ্ধাপরাধী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীকেও অতীতে অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে। এছাড়াও বিএফই এর সাথে আইএফই (Islamic Forum of Europe – IFE) নামের আরেকটি জঙ্গী-মৌলবাদ সমর্থক বিতর্কিত সংগঠনের যোগাযোগের বিষয়টিও সর্বজনবিদিত। উল্লেখ্য, আইএফই এর প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম হল – যুক্তরাজ্যে অবস্থানকারী কথিত যুদ্ধাপরাধী চৌধুরী মুঈনউদ্দিন, যার বিরুদ্ধে একাত্তরের বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার সুষ্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। (এখানে এবং এখানে দেখুন)।

জানা গেছে, বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সেমিনারটিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধির উপস্থিতি নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চালানো হয়। এমনকি এ সেমিনারটিতে লর্ড অ্যাভবেরির ভূমিকা নিয়েও নানা সংশয় দেখা দিয়েছে। এ সেমিনারে ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন, অতএব এটিতে উপস্থিত না হলে বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিকভাবে প্রশ্নের মুখে পড়বে ইত্যাদি যুক্তি দেখানো হয় জামাতমনস্ক লবিস্টদের পক্ষ থেকে। কিন্তু ‘ওয়ার ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম’-এর তথ্যপত্র থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে এ সেমিনারের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ফলে সরকারের পক্ষ থেকেও এতে কেউ যোগ দিচ্ছেন না।

তবে জাস্টিস কনসার্ন নামের সংগঠনটি এরপরও তাদের অপতৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। এরই অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুন শুক্রবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংগঠনটির আহ্বায়ক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের সভাপতিত্বে কুইন মেরির ম্যাসন লেকচার থিয়েটারে ‘বাংলাদেশ : গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং বাক-স্বাধীনতা’ শীর্ষক একটি সেমিনার। এতে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন যথাক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সেক্রেটারি ব্যারিস্টার মাহবুব হোসেন এবং ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল।

11
আলোচনা শুরু করুন কিংবা চলমান আলোচনায় অংশ নিন ~

মন্তব্য করতে হলে মুক্তাঙ্গনে লগ্-ইন করুন
avatar
  সাবস্ক্রাইব করুন  
সাম্প্রতিকতম সবচেয়ে পুরোনো সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত
অবগত করুন
মোহাম্মদ মুনিম
সদস্য

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুব হোসেন ন্যুয়র্কে যা বলেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশে কোনো যুদ্ধাপরাধী নেই। ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে আওয়ামী লীগ সরকারই ছেড়ে দিয়েছিল। এখন বিএনপি ও জামায়াতের রাজনৈতিক ঐক্য ঠেকাতে তারা যুদ্ধাপরাধের বিচারের কথা বলছে। তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে হলে আগে পাকিস্তানি আসল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হবে। রাজনৈতিক কারণে কেউ স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতা করলে তাদের বিচার আগে হতে পারে না। ১৯৭৩ সালের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন। গতকাল শনিবার নিউইয়র্ক সিটির সেন্ট জন কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজন করা হয় এই… বাকিটুকু পড়ুন »

অবিশ্রুত
সদস্য

অদ্ভূত! এই একটিমাত্র শব্দই তাৎক্ষণিকভাবে মনে এলো এ খবর পড়ার পরে। এরকম অদ্ভূত সব ঘটনাই ঘটে কলিকালে…অদ্ভূত আধার এক আর কাকে বলে! এর মধ্যে আরও কিছু খবর চোখে পড়েছে আমাদের। যেমন, গোলাম আযম আবারও চেষ্টা চালাচ্ছেন বিদেশে চলে আসার। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যই লাগসই- কেননা এখানে তার পুত্রধনরা আছে, তারা মাঝেমধ্যেই উইকিপিডিয়ায় হানা দিয়ে বাবার কলংকমোচন করার জন্যে গোলাম আযম এন্ট্রিসহ মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন এন্ট্রিগুলি সংশোধন করার চেষ্টা চালায়, এখানেই এক সময় গোলাম আযমের তত্ত্বাবধানে পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং এখান থেকেই নানা দেশের যুদ্ধাপরাধীরা নানা ভাবে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করে আসছে অনেক আগে থেকেই। বহু স্মৃতি বিজড়িত… বাকিটুকু পড়ুন »

প্রশ্নোত্তর
অতিথি

ফুয়াদ সাহেবের শিবির-সংশ্লিষ্টতা কেবল কথিত নয়, প্রমাণিত। যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে জামাত-শিবির বর্তমানে যে আন্তর্জাতিক ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে তার পেছনে মূল ভূমিকা পালন করছে কুখ্যাত কামরুজ্জামান ওরফে কামরু রাজাকার। বাংলাদেশ থেকে কামরুজ্জামান কলকাঠি নাড়ছে আর লন্ডনে সে কাঠিসমূহ সমন্বয় করছে ফুয়াদ।

প্রশ্নোত্তর
অতিথি

জাস্টিস কনসার্ন তো সদ্য গজিয়ে উঠেছে, কিন্তু ভাবনার বিষয় হচ্ছে ওদের নিয়ন্ত্রনে অন্তত আরো এক ডজন সংগঠন আছে যেগুলোর ব্যানার ওরা ব্যবহার করছে বা করবে। এ সংগঠনগুলোর বেশিরভাগই ব্রিটেইনে চ্যারিটি হিসেবে তালিকভুক্ত।

tinos
সদস্য

বিডিনিউজ এক্সক্লুসিভ: Jamaat links to UK war crimes meeting Wed, Jun 23rd, 2010 1:20 pm BdST David Bergman London, June 23 ( bdnews24.com) — A United Kingdom human rights parliamentary committee has admitted that a high-profile seminar it is hosting at the House of Lords on Bangladesh’s 1971 war crimes trials has been organised with the assistance of a group accused of having links to the Jamaat-e-Islami. Members of the Jamaat and its then student organisation Islami Chhatra Sangha are alleged to have committed crimes during the nation’s war of independence from Pakistan in 1971. The seminar discussing the compatibility… বাকিটুকু পড়ুন »

মাসুদ করিম
সদস্য

আজকের দৈনিক সংগ্রামের সূত্রে জানা গেল খন্দকার মাহবুব হোসেন এখন আমেরিকায়। ব্যারিস্টার মাহবুব হোসেন ও খন্দকার মাহবুব হোসেন কি একই লোক? তাহলে আমেরিকার পরই তিনি আসবেন ইংল্যান্ডে, তার সফরসূচি মনে হয় বেশ বড়। নিউইয়র্কের সভায় কারা কারা ছিলেন, কী কী আলোচনা হল, দৈনিক সংগ্রামের প্রতিবেদন দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই ১৯৫ চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীর বিচার হয়ে গেছে ডানপন্থী দলগুলোকে ধ্বংস করার জন্যে ৩৯ বছর পর যুদ্ধাপরাধের বিচারের উদ্যোগ – খন্দকার মাহবুব হোসেন নিউইয়র্ক (ইউএনএ) : বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত সভাপতি, প্রবীণ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন দৃঢ়তার সাথে প্রকৃত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবি করে বলেছেন, বাংলাদেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই। তাই ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস… বাকিটুকু পড়ুন »

মাসুদ করিম
সদস্য

টুইটারে এই পোস্টের লিন্ক দেয়ার পাশাপাশি লিখেছি : জামাত হল চোখের পাতা ছাড়া লাল চোখের ত্রাস : এর না আছে ঘুম না আছে লজ্জা। ঘুম আর লজ্জা যার নেই, সে মরে কী করবে?

মাসুদ করিম
সদস্য

এই সেমিনার নিয়ে দৈনিক সংগ্রামের রিপোর্ট হাউজ অব লর্ডসে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ আইন বিষয়ক সেমিনার যুদ্ধাপরাধ বিচারের আইনে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে হবে ০ বিচারের বর্তমান পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ০ স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য প্রণীত আইনে আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছে বৃটেনের হাউজ অব লর্ডসের সর্বদলীয় সংসদীয় মানবাধিকার গ্রুপ। যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে বক্তারা বলেছেন আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করা হলেই আন্তর্জাতিক মহলে বিচারের বিষয়টি গ্রহণযোগ্য হবে। বিচার প্রক্রিয়াও হতে হবে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ। আন্তর্জাতিক মহলের আস্থা অর্জন করতে হলে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ বিচারের আইনকে আন্তর্জাতিক আইনের বিধান মেনে চলতে হবে। এ জন্য বক্তারা বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচারে… বাকিটুকু পড়ুন »

trackback

[…] ‘ট্রাইবুনাল লিকস’-এর কথা। জাস্টিস কনসার্ন হলো জামায়াতে ইসলামীর…। ২০১০ সালের এপ্রিল মাসের দিকে এ […]

  • Sign up
Password Strength Very Weak
Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
We do not share your personal details with anyone.